জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০২:১৩ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় গজনি প্রদেশে সোভিয়েত আমলের একটি অবিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। বোমার ওজন ছিল ৫০০ কেজি। এটি একটি ব্যক্তিগত বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গিয়ে সেটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ধ্বংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার পুলিশ এ তথ্য প্রদান করেছে।
গজনি প্রদেশের সির গ্রামে বুধবার এক বাসিন্দা নিজের বাড়ির আঙিনার বাগানে একটি সন্দেহজনক বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি জানানো হলে নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত হয়। গজনি পুলিশের মুখপাত্র খালিদ সারহাদি সংবাদ মাধ্যম এএফপিকে জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে নিরাপত্তা বাহিনী এবং ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের একটি মাইন অপসারণকারী দল ওই বাড়িতে উপস্থিত হয়।
পরে তারা সেখানে সোভিয়েত আমলের ৫০০ কেজি ওজনের বোমাটি দেখতে পায়। সারহাদি বলেন, বোমাটি বাড়ির কাছে থেকে সরিয়ে একটি পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে নিরাপদে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেটি ধ্বংস করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বোমাটি কত বছর ধরে ওই জায়গায় ছিল বা কিভাবে সেখানে এসেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে এটি সোভিয়েত আমলের বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। আফগানিস্তানে কয়েক দশকের যুদ্ধের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ অবিস্ফোরিত বোমা, গোলাবারুদ ও মাইন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। অনেক সময় এসব অস্ত্র মানুষের বাড়ির আশপাশ, কৃষিজমি, রাস্তা ও অন্যান্য জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয়ে থাকে। সির গ্রামের ঘটনাটিও সেই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার একটি উদাহরণ।
সোভিয়েত সেনারা প্রায় এক দশক ধরে আফগানিস্তানে অবস্থান করার পর ১৯৮৯ সালে দেশটি ছেড়ে যায়। কিন্তু তারপরও আফগানিস্তানে একের পর এক যুদ্ধ ও সংঘাত হয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাতের ফলে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় মাইন ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র রয়ে গেছে। যুদ্ধের সময় ব্যবহার করা অনেক বোমা ও গোলাবারুদ বিস্ফোরিত না হয়ে মাটির নিচে বা বিভিন্ন স্থানে পড়ে আছে। জাতিসংঘের মাইন অ্যাকশন সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত সেনারা আফগানিস্তান ছাড়ার পর থেকে দেশটিতে মাইন ও অবিস্ফোরিত যুদ্ধাস্ত্রের কারণে ৪৫ হাজারের বেশি মানুষ নিহত অথবা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সাধারণ মানুষও রয়েছেন। বিশেষ করে শিশুদের জন্য এসব অস্ত্র বড় ধরনের ঝ risks তৈরি করে। অনেক সময় পুরোনো গোলাবারুদকে খেলনা অথবা ধাতব বস্তু মনে করে মানুষ সেটি স্পর্শ করলে দুর্ঘটনা ঘটে।
আফগানিস্তানে এখনো বিপুল পরিমাণ মাইন ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র রয়েছে, কিন্তু এগুলো অপসারণের কাজ করা দলের সংখ্যা কমে গেছে। আফগানিস্তানে জাতিসংঘের মিশনের মাইন অ্যাকশন বিভাগের প্রধান নিক পন্ড জুন মাসে এএফপিকে জানিয়েছিলেন, গত দুই বছরে এই সমস্যা মোকাবিলায় কাজ করা দলের সংখ্যা ৬৪ শতাংশ কমেছে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকা পুরোনো মাইন ও অবিস্ফোরিত অস্ত্র সরাতে আরো বেশি সময় লাগতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় এসব অস্ত্রের ঝুঁকি বেশি রয়েছে। কারণ এসব জায়গায় মানুষ কৃষিকাজ, পশুপালন বা দৈনন্দিন চলাচলের সময় হঠাৎ করে পুরোনো অস্ত্রের মুখোমুখি হতে পারেন। গজনির সির গ্রামের ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। বাসিন্দা সময়মতো সন্দেহজনক বস্তুটি দেখতে পাওয়ায় এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে জানানোয় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হবে। চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইসলামিক ফাউন্ডশেন এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিন সরকারি ছুটি থাকবে, কিন্তু সকলের জন্য এই ছুটির সুবিধা মিলবে না।
জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের আকাশে বৃহস্পতিবার ১৪৪৮ হিজরি সনের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এর ফলে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) পবিত্র সফর মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে।
এছাড়া, শনিবার (১৫ আগস্ট) থেকে ১৪৪৮ হিজরি সালের পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরুর মাধ্যমে আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন হবে।
আগামী ২৬ আগস্ট (বুধবার) সরকারি ছুটি থাকবে। তবে সবাই এই ছুটি ভোগের সুযোগ পান না।
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ২৬ আগস্ট সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু এই ছুটি সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর জন্য প্রযোজ্য হবে না। জরুরি সেবা যেমন স্বাস্থ্যসেবা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অগ্নিনির্বাপণ সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরতদের ওই দিনও কর্মসম্পাদন করতে হবে।
এদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী, অগ্নিনির্বাপণ, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, বন্দর, বিমানবন্দর, রেলওয়ে, গণপরিবহণ, কারাগার এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নাম উল্লেখ করা যায়। এসব প্রতিষ্ঠানের ডিউটি রোস্টার অনুযায়ী তাদের কর্মস্থলে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শাড়িকাণ্ডে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এর আগে নানা ঘটনায় দেশের একাধিক তারকাকে আদালতের দ্বারস্থ হতে দেখা গেছে।
এই প্রসঙ্গে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তিনি মনে করেন, তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে শিল্পীদের আদালতে টেনে নেওয়ার প্রবণতা শোবিজ অঙ্গনের জন্য উদ্বেগজনক।
বৃহস্পতিবার তিনি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট করে এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লেখেন, ‘তুচ্ছ সব বিষয় নিয়ে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আদালতে টেনে নেওয়ার প্রবণতা কেবল লজ্জাজনকই নয় বরং শোবিজের জন্য পীড়াদায়কও।
আমাদের ইন্ডাস্ট্রি যে কতটা ভঙ্গুর, খামখেয়ালি ও হালকা হয়ে পড়েছে এটি তারই প্রমাণ।’
ফারিয়ার মতে, মতপার্থক্য হলেই আইনের আশ্রয় নেওয়া কোনোভাবেই অগ্রগতির লক্ষণ নয়।
তিনি বলেন, ‘আমার খুব কষ্ট হয় যখন দেখি মানুষ এমনভাবে বাহবা দেয় যে এটিই অগ্রগতির প্রতীক। মতপার্থক্য হলেই আদালতে যাওয়া কোনো প্রগতিশীল চিন্তাধারার লক্ষণ নয়।
বরং এটি সম্পূর্ণ পিছিয়ে দেওয়ার মানসিকতা। আমাদের প্রয়োজন পারস্পরিক বোঝাপড়া, আলোচনা ও পরিপক্বতা জনসমক্ষে অপমান বা অপ্রয়োজনীয় আইনি লড়াই নয়। এটি কোনো অগ্রগতি নয়, এটি অধঃপতন।’
সম্প্রতি শাড়িকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তানজিন তিশার আদালতে আত্মসমর্পণের ও জামিনের ঘটনা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেছে। ওই ঘটনার পরেই নুসরাত ফারিয়ার এই মন্তব্য সামনে এসেছে।
এর আগে গত বছরের ১৮ মে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন নুসরাত ফারিয়া। তবে একটি দিন পরেই জামিনে মুক্তি পান তিনি। সেই সময়ের অভিজ্ঞতা অভিনেত্রীর জন্য অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও কষ্টদায়ক ছিল।
তানজিন তিশার সাম্প্রতিক ঘটনায়, সম্ভবত ফারিয়ার সেই অভিজ্ঞতার কথাই নতুন করে মনে পড়েছে। আর সেখান থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ‘মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল কোর্স’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডিজিটাল স্কিলস টু সাকসিড (ডিএসটুএস)’ প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া ভবনের তৃতীয় তলায় এই উদ্বোধনী সেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।
উপাচার্য তার বক্তব্যে বলেন, "বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বিশ্ববাজার ও শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক ডিজিটাল দক্ষতায় পারদর্শী হতে হবে। কেবল একাডেমিক ডিগ্রি কিংবা ফলাফলের ওপর নির্ভর না করে শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জন করতে হবে।"
তিনি আরও বলেন, "বেরোবির শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক শ্রমবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থীকে আন্তর্জাতিক মানের মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল প্রশিক্ষণের আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। এ প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন তিনি।"
অনুষ্ঠানে ‘ডিজিটাল স্কিলস টু সাকসিড (ডিএসটুএস) ইন এশিয়া প্রজেক্ট, বেরোবি চ্যাপ্টার’-এর ফোকাল এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ফেরদৌস রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহজালাল, জার্মানভিত্তিক উন্নয়ন সংস্থা জিআইজেডের (GIZ) এডুকেশন অ্যান্ড ইয়ুথ অ্যাডভাইজার রুমানা আক্তার, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইয়াসমিন সুলতানা এবং ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক ফারহানা মাহজাবীন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, এ মাইক্রো-ক্রেডেনশিয়াল কোর্সের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ-কারিগরি বা নন-টেক বিভাগের শিক্ষার্থীরাও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা এবং আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে মানসম্মত প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ