০৮:৩৯ পি.এম
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের-(কুবি) ইংরেজি বিভাগের এমএ'র সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রামের ১৮-তম ইনটেকের বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) ইংরেজি বিভাগের ২০১ নাম্বার কক্ষে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান এবং কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ শামছুজ্জামান মিলকি।
এ ছাড়াও ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. বনানী বিশ্বাস, সহযোগী অধ্যাপক মো. হারুন, ড. মো. আবুল হায়াত এবং সহকারী অধ্যাপক শারমিন সুলতানা ও তারিন বিনতে এনামও উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শেরপুরে জমিজমা বিরোধে ভাতিজাদের হামলায় চাচা নিহত, অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। শিক্ষার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করা হয়। শিক্ষকেরা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. মুহাম্মদ শামছুজ্জামান মিলকি বলেন, ‘এখানে যারা পড়তে আসে, তারা যেন প্রকৃত শিক্ষাটা নিয়ে যেতে পারে এই কামনা করি। একইসাথে এই প্রকৃত শিক্ষাটা যেন জীবনে কাজে লাগুক এবং সবার জীবন কর্মময়, সুন্দর, মঙ্গলময় হোক এই প্রত্যাশাই করি।’
তিনি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন‚ ‘যদি কোন সীমাবদ্ধতা থাকে, সেই সীমাবদ্ধতাগুলো পূরণ করতে হবে। এজন্য এই আহ্বানটা আপনাদের কাছে রাখবো। যদি আপনাদের দিক থেকে কোন অসম্পূর্ণতা মনে হয় অথবা কোন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন, তবে আমাদেরকে জানান।’
এছাড়া ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহা. হাবিবুর রহমান বলেন‚ ‘আপনারা একটা নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছেন। কাজেই আপনাদের জীবনে চলার পথে যারা বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করেন, তারা তাদের অর্জিত জ্ঞান, শিক্ষকদের কাছ থেকে যে জিনিসগুলো পেয়েছেন, সেগুলো আপনারা আপনাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা যে ইনস্টিটিউশনে কাজ করেন, সেখানে প্রতিফলন ঘটাবেন।’
আরও পড়ুন: গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের নতুন কমিশনার মো. আশিক সাঈদ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন
তিনি আরও বলেন, ‘আমার একটা উপদেশ হলো যে আপনারা সৎ ও আন্তরিকতার সাথে কাজ করবেন। যেখানেই থাকেন না কেন, এই দেশ আপনার নিজের। আপনার পরিবারের, সমাজের আমাদের এবং দেশের যেন সুনাম হয় সেভাবে আপনারা কাজ করবেন।’
এছাড়াও বিদায়ী শিক্ষার্থী তাসনিম জাহান বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘ ১৮ মাসের পথচলা এই পথটা একা কখনোই সম্ভব হতো না সহপাঠীদের সহযোগিতা, বিশ্বাস আর আন্তরিকতা ছাড়া। বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি ডিগ্রি অর্জনের জায়গা নয়, এখানে শেখার আছে, জানার আছে, বোঝার আছে অনেক কিছু।’
তিনি আরও বলেন‚ ‘এখানে আমরা শুধু বইয়ের পড়াই শিখিনি। শিখেছি মানুষকে সম্মান করতে, একসাথে কাজ করতে, দায়িত্ব নিতে, সম্পর্ক গড়তে এবং জীবনের বাস্তবতা বুঝতে। প্রতিটি ক্লাস, প্রতিটি শিক্ষক আমাদেরকে প্রতিদিন শিখিয়েছে, যার জন্য আমি প্রতিটি শিক্ষকের কাছে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
আরও পড়ুন: ময়মনসিংহে দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও প্রাণনাশের হুমকি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন