ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

“‘বিএনপির নামগন্ধ রাখব না’ লেখা চিরকুটসহ বস্তু উদ্ধার”


“‘বিএনপির নামগন্ধ রাখব না’ লেখা চিরকুটসহ বস্তু উদ্ধার”

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নওদা মটমুড়া গ্রামে একটি দোকানের সামনে বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকিসংবলিত একটি চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনাটি এলাকায় চরম চাঞ্চল্য ও উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে নওদা মটমুড়া গ্রামের শরিফুল ইসলামের দোকানের সামনে থেকে বোমাসদৃশ বস্তু এবং হুমকিসংবলিত চিরকুটটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া চিরকুটটিতে লেখা ছিল, ‘এই দোকানে বিএনপির কোনো লোক বসবে না। যারা বসবে তাদের সমস্যা আছে। এই গ্রামে বিএনপির নামগন্ধ রাখব না।’

দোকান মালিক শরিফুল ইসলাম জানান, সাধারণত মঙ্গলবার রাতে ব্যবসা-বাণিজ্য শেষ করে দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। বুধবার সকালে যখন দোকান খুলতে আসেন, তখন দোকানের সামনে একটি বোমাসদৃশ বস্তু এবং একটি হুমকিমূলক চিরকুট দেখতে পান। এরপর গাংনী থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তুটি এবং চিরকুটটি উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন: মাইশার মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় জড়িত ঘাতক লরি চালককে গ্রেফতার করেছে চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাদ্দিস মোর্শেদ চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তারা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তকরণ ও আটক করার চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলায় কাঁপল লেবানন”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৫ পি.এম


“ইসরাইলের একাধিক বিমান হামলায় কাঁপল লেবানন”

দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী বুধবার একাধিক বিমান হামলা পরিচালনা করেছে। এ তথ্য লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে যে শান্তি চুক্তি হয়েছে, তাও সত্ত্বেও এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। শান্তি চুক্তির আওতায় লেবাননও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) জানায়, ইসরাইলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ আল-ফাওকা এলাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী শহর কফর তেবনিতের পূর্বাঞ্চলীয় উপকণ্ঠ লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

এছাড়া, দক্ষিণের জাহরানি অঞ্চলের আনসারিয়েহ শহরেও একটি ড্রোন হামলা অনুষ্ঠিত হয় বলে এনএনএ জানিয়েছে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার চুক্তি ঘোষিত হয়, তখন থেকে লেবাননে সহিংসতা কিছুটা কমেছে। তবে চুক্তির পরও দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি হামলায় পাঁচজনের মতো নিহত হয়েছে।

সহিংসতা কিছুটা কমে যাওয়ার ফলে দক্ষিণ লেবাননের কিছু বাসিন্দা তাদের গ্রাম ও শহরে ফিরতে শুরু করেছেন। কিন্তু লেবাননের সেনাবাহিনী স্থানীয়দের নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ফিরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

এদিকে, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ মার্চ মাসের শুরুতে ইসরাইলের দিকে রকেট ছুঁড়েছিল, যার ফলে তারা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে লেবাননকে জড়িয়ে ফেলে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইসরাইল ব্যাপক বিমান হামলা এবং স্থল অভিযানের উদ্যোগ নেয়।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি মঙ্গলবার মন্তব্য করেন, যদি ইসরাইলি বাহিনী লেবানন ও দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে না যায়, তাহলে সংঘাতের পূর্ণ সমাধান সম্ভব নয়।

অন্যদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইলি বাহিনী প্রয়োজনমতো লেবাননে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং মোতায়েন থাকবে।

হিজবুল্লাহ এখন পর্যন্ত মঙ্গলবারের পর থেকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কোনো নতুন দাবি জানাননি। সংগঠনটির নেতা নাইম কাসেম বুধবার টেলিভিশনে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন।

মঙ্গলবার তিনি ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ইরান ইসরাইলের সামরিক অভিযান ‘তাৎক্ষণিক ও স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে’ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় দেশটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮২৬-এ। উদ্ধারকর্মীরা এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে অপর লাশ উদ্ধার করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার নতুন ধাপ”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:২৭ পি.এম


“পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার নতুন ধাপ”

পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার, পাকিস্তানে সামাজিক ট্যাবু ভাঙার লড়াই।

রক্ষণশীল পাকিস্তানে নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য ও পিরিয়ড বিষয়টি যেন নিষিদ্ধ। জনপরিসরে এটি নিয়ে আলোচনা করা লজ্জার বিষয়, প্রায় অপরাধের সমতুল্য।

সামাজিক ট্যাবু ভাঙার চেষ্টা করতে দেখা যাচ্ছে অধিকারকর্মীদের, যারা বছরের পর বছর ধরে কাজ করে আসছেন। তবে এই বিশাল সামাজিক অচলায়তন ভাঙা এক দিনের কাজ নয়; দিনের পর দিন চেষ্টা চালাতে হবে। প্রকৃতপক্ষে, পাহাড়েরও ঘুম ভাঙাতে একসময় আঘাত করতে হয়।

বর্তমানে, দুটি তরুণ আইনজীবী সরকারের বিরুদ্ধে আইনি চ্যালেঞ্জ করে সরকারের টনক কিছুটা নড়িয়েছে। ‘পিরিয়ড ট্যাক্স’ হিসেবে পরিচিত স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান সরকার।

নারীদের পিরিয়ড বিষয়টি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া, যদি সঠিক নিয়ম মেনে এবং স্বাস্থ্যকর স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করা হয়, তাহলে নারীরা পিরিয়ডকালীনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র বা সংসারে স্বাভাবিকভাবে নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতে পারেন।

ইউনিসেফের মতে, পাকিস্তানে মাত্র ১২ শতাংশ নারী বাণিজ্যিক স্যানিটারি পণ্য ব্যবহার করেন। বাকি নারী একটানা কাপড়ের টুকরা বা অস্বাস্থ্যকর ঘরোয়া সামগ্রী ব্যবহার করেন, যা তাদের জন্য স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করে এবং অনেক সময় স্বাভাবিক কাজের ক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করে। স্যানিটারি পণ্য ব্যবহারের এই আটকে থাকার মূল কারণ হচ্ছে এর উচ্চমূল্য। দীর্ঘদিন ধরে স্যানিটারি পণ্যকে বিলাস পণ্যের তালিকায় রাখা হয়েছিল।

দুই তরুণ আইনজীবী সরকারের বিরুদ্ধে করা এক মামলার সূত্রে সামাজিক পরিসরে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। গত বছরের অক্টোবরে ২৯ বছর বয়সী আহসান জাহাঙ্গীর খান ও ২৫ বছর বয়সী মাহনুর ওমর পিরিয়ড ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে এবং স্যানিটারি পণ্যকে বিলাসপণ্যের বদলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ঘোষণা করার দাবিতে আদালতে মামলা করেন।

মামলার আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে স্থানীয়ভাবে তৈরি স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর এবং আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ রয়েছে। ইউনিসেফের মতে, অন্যান্য কর যোগ করে নারীদের পিরিয়ড পণ্যের ওপর মোট ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়, যা সুবিধাবঞ্চিত নারীদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। এই বিষয়ে দুই আইনজীবীর অনুকূলে লড়াই ছিল। তাদের দাবি, সরকার যেন স্যানিটারি পণ্যের দাম কমিয়ে নারীদের জন্য সহজলভ্য করে।

আধিকারকর্মীরা বলছেন, পাকিস্তান সরকার নারীদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকারকে অবহেলা করছে, যা তাদের সমাজে পূর্ণ অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। এটি সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন, যা লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধ করে।

দুই আইনজীবীর মামলার পর আদালত সরকারের কাছে জবাব চায়। সরকারের দেয়া জবাবে বলা হয়, স্যানিটারি পণ্যের ওপর কর হার অতিরিক্ত বা বৈষম্যমূলক নয়, কারণ এটি রাষ্ট্রের রাজস্ব চাহিদা মেটানোর জন্য তৈরি হয়েছে। তবে বছরের শুরুতে আদালতের কাছে দেয়া জবাবে সরকার স্যানিটারি পণ্যের উপর এই করকে বৈষম্যমূলক মনে না করলেও বর্তমানে অবস্থান পরিবর্তন করেছে। দেশের জাতীয় বাজেট প্রস্তাবনায় স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।

গত শুক্রবার পাকিস্তানের অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব বলেন, এ ধরনের পণ্য নারীদের স্বাস্থ্য, মর্যাদা এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে পূর্ণ অংশগ্রহণের জন্য অপরিহার্য।

বিক্রয় কর প্রত্যাহারের ওই প্রস্তাবকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে আবেদনকারী দুজন আইনজীবী স্যানিটারি প্যাড তৈরির কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্কসহ স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থাটি পুরোপুরি বিলোপের দাবি জানিয়েছেন।

জাহাঙ্গীর খান বলেন, এই মামলাটি স্যানিটারি পণ্যের ওপর থাকা করব্যবস্থার অযৌক্তিকতাকে সামনে এনেছে। তিনি বলেন, 'যদি এই সাংবিধানিক পিটিশনটি না করা হতো, তবে সরকার হয়তো কখনোই বুঝতে পারত না যে বিক্রয় কর নেওয়াও ভুল ছিল।'

অধিকারকর্মীরা বলছেন, ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও তা সাধারণ নারীদের জন্য সহজলভ্য হবে না। পাকিস্তানের প্রায় ৪৫ শতাংশ মানুষ বৈশ্বিক দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে, তাদের দৈনিক আয় ১ হাজার ১৭৫ পাকিস্তানি রুপি। এক প্যাকেট স্যানিটারি প্যাড কিনতে তাদের এক দিনের আয়ের তিন ভাগের এক ভাগ খরচ হতে পারে।

যাহোক, দুই আইনজীবীর মামলা এবং সরকারের বোধোদয়ের কারণ হিসেবে নারীদের পিরিয়ড ও পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তার গুরুত্ব অনেক। পিরিয়ড নিয়ে সামাজিক ট্যাবু ভাঙতে, কুসংস্কার দূর করতে এবং এই লড়াইটিকে এগিয়ে নিতে এই আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে।

সরকার স্যানিটারি পণ্যের ওপর ১৮ শতাংশ বিক্রয় কর প্রত্যাহার করলেও মামলাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। সরকারের জবাবের পর মামলাটি বর্তমানে চূড়ান্ত যুক্তিতর্কের জন্য প্রস্তুত। ওমর ও খানের মামলাটি সফল হলে, আদালত স্যানিটারি পণ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত সব কর—কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্ক ও আমদানি করা স্যানিটারি পণ্যের ওপর থেকে সকল কর প্রত্যাহারের নির্দেশ দিতে পারে।

আবেদনকারী দুই আইনজীবী জানিয়েছেন, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত তারা নিজেদের লড়াই চালিয়ে যাবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩০ পি.এম


“ভুল আইভিএফের ঘটনায় নিজের নয় এমন শিশুকে বড় করছেন মার্কিন দম্পতি”

যুক্তরাষ্ট্রে আইভিএফ পদ্ধতির ভুলের কারণে জন্ম নেওয়া একটি শিশুকে ঘিরে অস্বাভাবিক ও জটিল এক আইনি পরিস্থিতির অবসান ঘটেছে। শুরুতে মামলা হলেও শেষ পর্যন্ত এক দম্পতি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জৈবিকভাবে তাদের না হলেও তারা শিশুটিকে নিজেদের কাছেই রেখে বড় করবেন।

ঘটনার কেন্দ্রে রয়েছেন স্টিভেন মিলস এবং টিফানি স্কোর। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর তারা একটি কন্যাশিশুর বাবা-মা হন। তবে জন্মের কিছুদিন পরই তাদের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। কারণ দম্পতি দুজনেই শ্বেতাঙ্গ হলেও শিশুটির শারীরিক বৈশিষ্ট্য তাদের সঙ্গে মিলছিল না।

পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত ও পরীক্ষার পর জানা যায়, শিশুটির সঙ্গে তাদের কোনো জৈবিক সম্পর্ক নেই। অর্থাৎ আইভিএফ প্রক্রিয়ার সময় বড় ধরনের একটি ভুল হয়েছে বলে তারা দাবি করেন। এই ঘটনার পর তারা ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো শহরের একটি ফার্টিলিটি ক্লিনিক এবং এর প্রধান চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

দম্পতির অভিযোগ, ২০২০ সালে তাদের শুক্রাণু ও ডিম্বাণু ব্যবহার করে তৈরি করা একটি ভ্রূণ ভুলভাবে অন্য এক নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়ে থাকতে পারে। সেই নারী এখন সেই শিশুটিকে জন্ম দিয়ে বড় করছেন, যে শিশুটি জৈবিকভাবে মিলস ও স্কোর দম্পতির সন্তান।

পরবর্তী সময়ে আইনজীবীরা জানান, শিশুটির জৈবিক বাবা-মাকে শনাক্ত করা হয়েছে। আদালতের নথিতে তাদের পরিচয় গোপন রেখে শুধু টপেশেন্ট ০০৪' হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

শুক্রবার আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে জানানো হয়, দুই পক্ষের মধ্যে একটি যৌথ অভিভাবকত্ব চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, স্টিভেন মিলস ও টিফানি স্কোরকেই শিশুটির স্থায়ী অভিভাবক হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে অন্য পক্ষের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শিশুটির জৈবিক বাবা-মা জানিয়েছেন, তারা শিশুটির জীবনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান। একই সঙ্গে তারা স্বীকার করেছেন, এই ঘটনায় কোনো পক্ষেরই সরাসরি দোষ নেই এবং এটি দুই পরিবারের জন্যই অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

সোমবার আদালত শুনানিতে বিচারক মার্গারেট শ্রাইবার এই সমঝোতাকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, শিশুটি এখনো খুব ছোট, এই পর্যায়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো দুই পক্ষের জন্যই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত।

মামলা শুরুর পর থেকেই দম্পতি বলে আসছিলেন, তারা শিশুটিকে বড় করতে প্রস্তুত। তবে তাদের মতে, শিশুটিকে তার জৈবিক বাবা-মায়ের সঙ্গে মিলিত করা এবং তারা চাইলে শিশুটিকে তাদের কাছে তুলে দেওয়া নৈতিক ও আইনি দায়িত্ব।

সে সময় তাদের আইনজীবী বলেছিলেন, তারা এই শিশুটিকে খুব ভালোবেসে ফেলেছেন। তারা খুব খুশি হতেন যদি এই শিশুটিকে নিজেরাই বড় করতে পারতেন। কিন্তু তাদের চিন্তা ছিল যে সে অন্য কারো সন্তান। যে কোনো সময় কেউ এসে শিশুটিকে নিজের বলে দাবি করতে পারে এবং তাকে তাদের কাছ থেকে নিয়েও যেতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“কুড়িগ্রামে টেকসই কৃষি নিয়ে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:৩২ পি.এম


“কুড়িগ্রামে টেকসই কৃষি নিয়ে কৃষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত”

কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় "টেকসই কৃষি ও কৃষক সম্মেলন-২০২৬" অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে লুমিনাস গ্রুপের আয়োজনে উপজেলার সিংগারডাবড়ীহাট শিশু নিকেতন মাঠে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে লুমিনাস ওয়ার্ল্ড এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম জেলা যুবদল সভাপতি নাসিম পারভেজ তারা।

এতে খায়রুল বাবু ও রায়হান রাজুর যৌথ সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, লুমিনাস ওয়ার্ল্ডের পরিচালক আবু ইউসুফ আলী, লুমিনাস এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের ডিরেক্টর কৃষিবিদ মমিনুল ইসলাম মোনেম, লুমিনাস গ্রুপের কনসালটেন্ট ডক্টর নুর হোসেন, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর এডমিন আনোয়ার হোসেন, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর রুহুল আমীন, রাজারহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক ও প্রেসক্লাব রাজারহাটের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, রাজারহাট থানা সেকেন্ড অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নয়ন আলী, লুমিনাস গ্রুপের ডিরেক্টর আর,এম রাসেল, লুমিনাস ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার রাশিদুল ইসলাম প্রমুখ। এতে বিভিন্ন এলাকার কয়েক শত কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিকল্প নেই। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের সচেতন ও দক্ষ করে তুলতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কৃষিতে জৈব সার ব্যবহারের গুরুত্ব, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। কৃষকদের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাড়ানো গেলে উৎপাদন খরচ কমিয়ে অধিক ফলন অর্জন সম্ভব হবে।

সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে আয়োজকরা কৃষি খাতে গবেষণা, প্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং কৃষকবান্ধব নীতিমালা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন দেশের কৃষি খাতকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%