বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
০৯:৫৭ পি.এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব এবং রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, ব্যাংক খাতের নৈরাজ্য নিয়ে তার মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। আখতার হোসেন বলেছেন, ইসলামী ব্যাংকসহ যে ৫টি ব্যাংক একীভূত করা হয়েছে, সেগুলোর আগের মালিকেরা লুটপাট ও টাকা পাচার করে ব্যাংকগুলোকে দেউলিয়া করে ফেলেছে। অথচ পাস হওয়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইনের ১৮ নম্বর ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, ওই মালিকেরা যদি মাত্র সাড়ে ৭ শতাংশ টাকা ফেরত দেন, তাহলে তারা আবার ব্যাংকের মালিকানা ফিরে পাবেন। প্রশ্ন উঠছে, যারা ব্যাংক দেউলিয়া করেছে এবং লুটপাট করেছে, তাদের আবার ব্যাংক ফিরিয়ে দেয়ার দরকার কী?
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন।
আর্থিক খাতে কোন ধরনের সংস্কার করতে না পারার কারণে অর্থমন্ত্রীকে আইএমএফ খালি হাতে ফিরতে হয়েছে এই দাবি করেছেন আখতার হোসেন। পাশাপাশি, প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে তিনি মধ্যবিত্তের জন্য ‘মরণফাঁদ’ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পথে ফকির বানানোর বাজেট বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কালের প্রকাশিত শ্বেতপত্রে বলা হয়েছে, দেশের ২৪০ বিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশ একেবারে ঝুপড়ির মত হয়ে গেছে। এই সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময় ঋণের পরিমাণ ছিল ২৩ লাখ কোটি টাকা, যা কিছু মাসের মধ্যে আরো ১ লাখ কোটি টাকা বেড়ে ২৪ লাখ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। খেলাপি ঋণের কারণে এই সংসদের দুই সদস্য এখনো শপথ নিতে পারেননি।
বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার পৌনে ১০ শতাংশ এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪ শতাংশের কিছু বেশি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সরকার বাজেট ঘোষণার আগেই দুই দফায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরিকল্পনা সম্পন্ন করে রেখেছে।
বাজেটকে বিনিয়োগ পরিপন্থী আখ্যা দিয়ে এনসিপি সদস্যসচিব বলেছেন, ঘাটতি মেটাতে সরকার অভ্যন্তরীণ ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেয়ার পরিকল্পনা করেছে। যদি সরকার সব টাকা নিজে তুলে নেয়, তাহলে প্রাইভেট সেক্টরে ঋণ বিতরণ সম্ভব হবে না। ফলস্বরূপ, একটি 'ক্রাউডিং ইফেক্ট' তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে, যা বেসরকারি বিনিয়োগ এবং চাকরির সুযোগগুলোকে স্থবির করে দিতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বসুন্ধরার পুত্র সোবহান দেশে ঢুকোর সাহস পায়নি, আনভীর দেশে ঢুকতে পারেনি।
কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখছি সোবহানের পুত্র সদর্পে দেশে ঢুকেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুদক বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমরা এই মামলার অগ্রগতি জানতে চাই। আমরা জানতে চাই আন্ডার টেবিল কোনো ধরণের সমঝোতা হয়েছে কিনা? যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়? সেটা বাংলাদেশের মানুষের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
এই বসুন্ধরা গ্রুপ, যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে, মিডিয়ার মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের গুম, খুন ও হত্যার বৈধতা দিয়েছে। তাদের খুটির জোর কোথায় সেটা আমরা জানতে চাই।
বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, যারা গুম-খুনের বিরুদ্ধে বৈধতা অর্জন করেছে, তাদের বিএনপির পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশোধ পরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। প্রতিশোধ পরায়ণ না হওয়া আর সুবিচার নিশ্চিত না করা এক বিষয় নয়।
তিনি আরো বলেন, যেসব মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সুবিচার চাই। আমরাও প্রতিহংসার কথা বলছি না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বসুন্ধরার পুত্র সোবহান দেশে ঢোকার সাহস পাইনি, আনভীর দেশে ঢুকতে পারেনি। কিন্তু, এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সোবহানের পুত্র সদর্পে দেশে ঢুকেছে।
বৃহস্পতিবার, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এই কথাগুলো বলেন। তিনি আরো বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দুদক বসুন্ধরার বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আমরা এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাই। আমরা জানতে চাই, আন্ডার টেবিল কোনো ধরনের সমঝোতা হয়েছে কিনা? যদি সমঝোতা না হয়ে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধা কোথায়? সেটা বাংলাদেশের জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। এই বসুন্ধরা গ্রুপ, যারা বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে, মিডিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গুম, খুন ও হত্যার বৈধতা দিয়েছে, তাদের খুঁটির জোর কোথায়, সেটাও আমাদের জানতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, গুম-খুনের বিরুদ্ধে বৈধতা অর্জন করা ব্যক্তিদের বিএনপির পক্ষ থেকে কঠোর অবস্থান দেখতে চাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশোধ পরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। তবে, প্রতিশোধ পরায়ণ না হওয়া এবং সুবিচার নিশ্চিত না করা একটি বিষয় নয়।
তিনি আরো বলেন, যেসব মিডিয়া ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সুবিচার চাই। আমরা প্রতিহিংসার কথা বলছি না।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরো বলেন, গত ১৭ বছর ব্যাংকগুলোর টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। সেই পাচার করা টাকা কিভাবে উদ্ধার করা হবে, সেটার বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট পলেসি পাইনি। ঋণ খেলাপিদের সাথে সংসদে শেয়ার করতে হয়, এ জন্য আমরা লজ্জা পাই।
তিনি বলেন, আমরা শুনতে পেয়েছি এবং দেখতে পাই সরকারি দলের অনেকেই আমাদের কাছে এসে মাঝে মাঝে দুঃখ প্রকাশ করে। তারা বলেন, আমরা জেল খেটেছি, কষ্ট করেছি, আমাদের সন্তানদের সাথে থাকতে পারিনি। কিন্তু, সরকারের কিছু কিছু মানুষ বসুন্ধরার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে। তারা মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে, যে মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করে। সংসদের ক্ষমতাসীন দলের অনেকেই এখানে যুক্ত। এটা শুধু আমাদের জন্য নয়, বরং তাদের সহকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়, সেটা আমরা জানি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন ঢাকা-৫ আসন থেকে বলেছেন, "গ্যাস দিন, না হলে বিল নেয়া বন্ধ করুন।"
তিনি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এই কথা বলেন।
কামাল হোসেন বলেন, "আমার এলাকায় গ্যাস লাইন আছে। কিন্তু গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। মা-বোনদের রান্নায় দুর্গতির কোনো শেষ নেই। আমরা সিটিকরপোরেশনের ট্যাক্স দিচ্ছি কিন্তু সেবা পাচ্ছি না।"
এর আগে গাজীপুর-৪ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য সালাহ উদ্দিন বলেছেন, দুর্নীতিকে প্রমোট করার জন্য সারোয়ার আলমের মতো একজন সৎ ও ক্লিন ইমেজের ডিসিকে সিলেট থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা করতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।
তিনি আরো এ বলেন, "স্কুল ফিডিং প্রোগ্রাম থেকে ডিম, রুটি ও কলা বাবদ প্রতি সপ্তাহে ১৭ কোটি টাকা লুটপাট করা হচ্ছে। খাল খনন কর্মসূচিতে প্রতিদিন নতুন নতুন দুর্নীতির খবর আসছে।"
জামায়াতের এই এমপি বলেন, "দুর্নীতি এখন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হচ্ছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা-৪ আসনের জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রকাশিত শ্বেতপত্রে দেখানো হয়েছে যে, ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। যারা এই পাচার করেছে তারা আজ গুলশান, বনানী, ধানমন্ডিতে বুক ফুলিয়ে চলাফেরা করছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বসুন্ধরার মালিকের ছেলে সুবহান আনভীর দেশে ঢোকার সাহস পায়নি। কিন্তু এই সরকার নির্বাচিত হয়ে আসার পরে এই ধর্ষক সদর্পে দেশে ঢুকেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যে মামলা করেছে, সেটির অগ্রগতি কী হয়েছে, সেটা আমরা জানতে চাই। কোনো আন্ডারটেবিল (টেবিলের নিচে) সমঝোতা হয়েছে কি না, সেটা বাংলাদেশ জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে।
বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম কমানোর কথা বলা হচ্ছে, আবার বলা হচ্ছে—ট্যাক্স বাড়ানো হবে; এটা সাংঘর্ষিক। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম দিনশেষেও কমবে না, কারণ এই ট্যাক্সের বোঝাটি দিনশেষে সাধারণ মানুষের ওপরেই চেপে বসবে।
এনসিপির এই এমপি বলেন, আমরা সরকারি দল থেকে নির্বাচনের আগে একটি প্রতিশ্রুতি পেয়েছিলাম—আগামী পাঁচ বছরে এক কোটির ওপরে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। অর্থাৎ প্রত্যেক মাসে দেড় লাখেরও বেশি কর্মসংস্থান। সেই হিসেবে এই চার মাসে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাওয়ার কথা ছিল ৬ লাখ। অর্থমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন, এই চার মাসে কয়টি কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে? আদৌ কি ৬ লাখ কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে? নাকি নির্বাচনের আগে সেটি শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল?
তিনি বলেন, আমরা অর্থমন্ত্রীর কাছ থেকে কোনো স্পষ্ট কর্মসূচি পাইনি যে, কীভাবে ব্যাংকগুলোকে দলীয়করণমুক্ত করা হবে। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ব্যাংকের টাকা ঋণের নামে যেভাবে বিদেশে পাচার করা হয়েছে, সেই পাচারকৃত টাকা কীভাবে উদ্ধার করা হবে—সেটার সুস্পষ্ট কোনো পলিসি (নীতিমালা) দেখতে পাচ্ছি না।
তিনি বলেন, জনগণের টাকা নিয়ে বিলাসিতা বন্ধ করতে হবে এবং ঋণখেলাপিদের ঋণখেলাপি বলতে হবে। আমরা লজ্জা পাই একই সংসদে একসঙ্গে বসার জন্য, কারণ তারা জনগণের টাকা মেরে আবার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করতে আসে। এমন একটি আইন প্রণয়ন করতে হবে, যেন তারা নির্বাচিত হওয়ার পরেও যদি ঋণখেলাপি হয়, তবে তাদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়ে যায়।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপ বিদেশে টাকা পাচার করেছে, মানুষের সম্পদ দখল করেছে এবং মিডিয়ার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের গুম-হত্যাকে বৈধতা দিয়েছে। তাদের খুঁটির জোর কোথায়, সেটাও আমরা জানতে চাই। সরকারি দলেরই অনেকে আমাদের কাছে এসে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, তারা কষ্ট করেছেন, জেল খেটেছেন, কিন্তু তাদের দলেরই কিছু মানুষ বসুন্ধরার অ্যাডভাইজর (উপদেষ্টা) হিসেবে কাজ করে।
তিনি বলেন, যে মিডিয়া তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে ফ্রেমিং করেছে, সেই মিডিয়ার অ্যাডভাইজর হিসেবে আজকে সরকারি দলের অনেক সংসদ সদস্য যুক্ত। এটি তাদের সহকর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। এই বসুন্ধরার বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে মিডিয়া লেলিয়ে দেওয়া হয়। যারা ব্যাংক দখল করেছে, গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করেছে এবং গুম-খুনের বৈধতা উৎপাদন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আমরা সরকারের কাছ থেকে কঠোর অ্যাকশন দেখতে চাই।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রতিশোধপরায়ণ হননি, আমরা সেটাকে স্বাগত জানাই। কিন্তু প্রতিশোধপরায়ণ না হওয়া আর সুবিচার নিশ্চিত না করা—দুটি এক বিষয় নয়। আমরা চাই তিনি গুম-খুনের সুবিচার করবেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করবেন এবং যারা মিডিয়ার মাধ্যমে এই ফ্যাসিবাদের পক্ষে বয়ান তৈরি করেছে, তাদের বিরুদ্ধে সুবিচার নিশ্চিত করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ