০৬:১৩ পি.এম
২০১৮ সালের পরে ২০২২। জার্মানি দুই বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে। তবে ২০২৬ সালের আসরটি তারা ফেবারিটদের মতো শুরু করেছে, কুরাসাওকে উড়িয়ে দিয়ে ৭-১ গোলের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
‘ই’ গ্রুপের অংশ হিসেবে জার্মানি আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে যাবে আইভরি কোস্টের বিরুদ্ধে। প্রশ্ন হলো, এই ম্যাচেও কি কাই হ্যাভার্টজরা গোলবন্যা দেখাতে সক্ষম হবেন, 아니তো তারা চোখে চোখ রেখে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন? এই প্রশ্নটি আসছে কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের শক্তির তুলনা থেকে।
শক্তিতে কুরাসাও ও আইভরি কোস্টের মধ্যে ব্যাপক ফারাক রয়েছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া কুরাসাও ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৮৩ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে আইভরি কোস্ট ৩০ নম্বরে। জার্মানির বিরুদ্ধে আফ্রিকার দেশটির অতীত রেকর্ডও তাদের জন্য আশাব্যঞ্জক। ২০০৯ সালের ওই প্রীতি ম্যাচে তারা জার্মানিকে ২-২ গোলে ড্র করতে সক্ষম হয়েছিল।
আরও পড়ুন: বিএসপিএ ও হুংকারের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন
জার্মানি যদি আইভরি কোস্টকে পরাজিত করতে পারে, তবে তারা শীর্ষ দুইয়ে থেকে শেষ ৩২-এর জন্য যোগ্যতা অর্জন করবে। চার ঘণ্টা পরে কানসাস সিটিতে যদি ইকুয়েডর কুরাসাওকে হারাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এই বিজয় গ্রুপ ই-এর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য যথেষ্ট হতে পারে।
অন্যদিকে, আইভরি কোস্ট যদি জার্মানির বিপক্ষে পরাজিত হয় কিন্তু কুরাসাওয়ের বিরুদ্ধে জয় পায় এবং ইকুয়েডর প্রথমে কুরাসাওকে এবং পরে গ্রুপের শেষ ম্যাচে জার্মানিকে হারাতে পারে, তাহলে পরিস্থিতি খুবই জটিল হয়ে উঠবে। এতে জার্মানি, আইভরি কোস্ট এবং ইকুয়েডরের পয়েন্ট ৬ হবে। তখন দলের মধ্যে অবস্থান নির্ধারণের জন্য তাদের মুখোমুখি খেলায় বিজয়ী দল এগিয়ে থাকবে। যদি সেখানে পয়েন্ট সমান হয় তবে তাদের মধ্যে গোল ব্যবধান গণনা করা হবে।
প্রত্যেকটি দলই চায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে। কারণ এতে তারা শেষ ৩২-তে তৃতীয় স্থানের দলগুলোর বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে পারবে। রানার্সআপ দলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে ‘আই’ গ্রুপের রানার্সআপদের। তৃতীয় স্থানে থাকা দলকে পরবর্তী পর্বে উঠতে হলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের মুখোমুখি হতে হবে।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে আবারও যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন