০৪:৪৭ পি.এম
জেলার গোপালপুরে ভাতিজা কে. এম. রাহেনুল ইসলাম আরাফ (৫)কে হত্যার দায়ে আদালত চাচা মো. নুরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে।
এছাড়া আদালত অপহরণের দায়ে নুরনবীকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুমের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডিত নূরনবী গোপালপুর উপজেলার নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় নুরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌশুলী ওমরাও খান দিপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কে. এম. রাহেনুল ইসলাম আরাফ (৫)কে কয়েক জনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন চাচা নুরনবী।
এরপর ১১ অক্টোবর দাদা নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পর দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে রাহেনুল ইসলাম আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ওই মামলার প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা, নুরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সমস্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আজ এ রায় ঘোষণা করেন বিচারক।
আরও পড়ুন: মদনে বাছুরকে বাঁচাতে গিয়ে অটোরিকশা উল্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন