০১:১৬ এম
বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নতুন উচ্চতায় নিজের নাম লিখালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে গোল করে ইতিহাস গড়েন তিনি, এরপর আরও একটি গোল করেন। শেষ দিকে হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হন একটুর কারণে। এই দাপুটে পারফরমেন্সের জন্য পর্তুগাল বড় জয় অর্জন করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে গ্রুপ কে এর ম্যাচে পর্তুগাল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল। ম্যাচের ৬ মিনিটে জোয়াও ক্যানসেলোর পাস থেকে গোল করে রোনালদো দলকে এগিয়ে দেন। এই গোলের মাধ্যমে ইতিহাস গড়লেন, কারণ তিনি হলেন প্রথম ফুটবলার যিনি টানা ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করলেন।
১৭ মিনিটে নুনো মেন্ডেস ব্যবধান বাড়ান। পরে ৩৯ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের পাস থেকে রোনালদোর দ্বিতীয় গোলটি আসে। প্রথমার্ধেই পর্তুগাল ৩-০ ব্যবধান তৈরি করে।
আরও পড়ুন: সুনামগঞ্জে নতুন কুঁড়ির ভার্চুয়াল উদ্বোধনে অংশ নিলেন নূরুল ইসলাম এমপি
দ্বিতীয়ার্ধে খেলার গতি কিছুটা কমেছে, তবে গোলের ধারা থামেনি। ৬০ মিনিটে উজবেকিস্তানের গোলরক্ষক আব্দুভোখিদ নেমাতভের আত্মঘাতে গোলের পর ব্যবধান হয় ৪-০। ম্যাচের শেষদিকে ৮৭ মিনিটে রাফায়েল লেয়াও গোল করে স্কোরলাইনকে ৫-০ করার কাজটি করেন।
পুরো ম্যাচেই পর্তুগাল আধিপত্য বজায় রেখেছিল। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে রোনালদোই সকলের নজর কেড়েছেন। তিনি একাধিক সুযোগ তৈরি করেছেন এবং বেশ কয়েকটি শট নিয়েছেন। যোগ করা সময়ে হ্যাটট্রিকের খুব কাছেও চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই গোলটি আর তাঁর নামের পাশে যুক্ত হয়নি।
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে রোনালদো বিশ্বকাপে পর্তুগালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন। তিনি পেছনে ফেলেছেন ইউসেবিওকে। ৪১ বছর বয়সেও রোনালদোর এ ধরনের পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে, বড় মঞ্চে এখনও তিনি কতটা কার্যকর। দলকে বড় জয় এনে দিয়ে নকআউট পর্বের পথে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে পর্তুগাল।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন