১০:৪৮ পি.এম
চট্টগ্রাম, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (আইজিএনডি) উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মালিকানা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত আইজিএনডি উদ্যোগের জাতীয় অবহিতকরণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন এই বিষয়টি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিবির দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং।
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘পুরো প্রকল্পটির ব্যয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪ বিলিয়ন ডলারের কাজ করতে হবে বেসরকারি খাতকে। যদি বেসরকারি খাত এই ৪ বিলিয়ন ডলারের অংশের মালিকানা না নিয়ে শুধু সরকারি প্রকল্প হিসেবে পরিচালনা করে, তাহলে প্রকল্পটি সফল হবে না।’
আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন
তিনি জানান, ‘তাহলে বেসরকারি খাতকে অবশ্যই এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। পুরো প্রকল্পটি মূলত বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনীতিকে কেন্দ্রে রেখে।’
এছাড়া, অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজার একর জমিতে একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে চীনা এবং কোরীয় অঞ্চল থাকবে। পাশাপাশি, একটি অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা জাপানকেও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
মূল প্রবন্ধে ইংমিং ইয়াং বলেন, গত মে মাসে এডিবি প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আইজিএনডি প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এবং আগামী পাঁচ বছরে এই উদ্যোগে সর্বোচ্চ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার জন্য এডিবির আগ্রহের কথা জানান।
ইংমিং ইয়াং আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং অন্যতম গতিশীল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রাম দেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী
দেশের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে।’
স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং মানব উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির এই সময়ে উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’
সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গণি, ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং ইআরডির যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন