ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগরে রুশ হামলা বন্ধের প্রস্তাব ইউক্রেনের


তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগরে রুশ হামলা বন্ধের প্রস্তাব ইউক্রেনের

ইউক্রেন কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ রাখার জন্য রাশিয়ার কাছে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এ সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, বিষয়টি বর্তমানে আলোচনায় রয়েছে।

প্রস্তাবটির উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইউক্রেন এবং রাশিয়া—উভয় পক্ষই কৃষ্ণসাগরে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা বন্ধ রাখবে। সম্প্রতি ওই অঞ্চলে জাহাজ এবং বন্দরে একের পর এক হামলার ঘটনায় বৈশ্বিক খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রেক্ষিতে কিয়েভ এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছে।

সূত্রটি আরো জানিয়েছে, কিয়েভ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে মস্কোর কাছে এই উদ্যোগটি জানিয়েছে এবং এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য তারা অপেক্ষা করছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন বিশ্বের শীর্ষ দুই কৃষিপণ্য উৎপাদক এবং রপ্তানিকারক দেশ।

আরও পড়ুন: খাদ্যমন্ত্রী: দেশে ১৭ লাখ মেট্রিক টন চাল মজুদ রয়েছে

সাম্প্রতিক সময়ে, বিভিন্ন পণ্যের রপ্তানিতে ব্যবহৃত জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে। দুই দেশই এসব হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করেছে। ইউক্রেন এখন রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করার পঞ্চম বছরে পৌঁছেছে। এই যুদ্ধে উভয় পক্ষের বিমান হামলার ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মস্কো এবং কিয়েভ একে অপরের ওপর হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ হামলাগুলোর মধ্যে কৃষ্ণ সাগরের বন্দর এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। কিয়েভ রাশিয়ার তেল বহনকারী ট্যাংকারগুলোর ওপরেও হামলা বাড়িয়েছে। এই অঞ্চলে জাহাজ ও বন্দরের ওপর হামলা বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়ে উদ্বেগ সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নান্দাইলে ভাইরাল কৃষক হেলালকে মৎস্য অফিসের সংবর্ধনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


নান্দাইলে ভাইরাল কৃষক হেলালকে মৎস্য অফিসের সংবর্ধনা

 

নিজ উদ্যোগে দেশীয় মাছ ও মৎস্য সম্পদ রক্ষায় কাজ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কৃষক হেলাল উদ্দিন ভূঁইয়াকে উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সংবর্ধনা দিয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁকে বিশেষভাবে সম্মান জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে হেলাল উদ্দিনের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও ফুলের তোড়া তুলে দেওয়া হয়।

হেলাল উদ্দিন নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের খামারওগাঁও গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় কৃষক হলেও দীর্ঘদিন ধরে নিজের উদ্যোগে দেশীয় মাছ রক্ষায় কাজ করে আসছেন তিনি। বাজারে ডিমওয়ালা মা মাছ ও ছোট পোনা বিক্রি হতে দেখলে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সেগুলো কিনে নদী, খাল-বিল ও মুক্ত জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।

পাশাপাশি নিষিদ্ধ ‘চায়না দুয়ারি জাল’ দেখতে পেলেই তা উদ্ধার করে ধ্বংস করেন।

এসব কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হেলাল উদ্দিনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। তাঁর এমন উদ্যোগে প্রশংসা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।

নান্দাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহনাজ নাজনীন বলেন, ‘কৃষক হেলাল উদ্দিন দেশীয় মাছ রক্ষায় সম্পূর্ণ নিজস্ব তাগিদে যেভাবে মাঠে নেমেছেন, তা বর্তমান সময়ে আমাদের সবার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

বিশেষ করে মা মাছ ও পোনা মাছ নিধন রোধে তিনি যেভাবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন, তা প্রশংসনীয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল দেখামাত্রই হেলাল উদ্দিন যেভাবে একাই প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলছেন, তা অত্যন্ত সাহসী পদক্ষেপ। দেশীয় প্রজাতির মাছ টিকিয়ে রাখতে তাঁর এই কর্মতৎপরতায় এখন থেকে নান্দাইল উপজেলা মৎস্য অফিসও সার্বিক সহযোগিতা করবে।’

হেলাল উদ্দিন বলেছেন, নিজের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে থেকেই তিনি দেশীয় মাছ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন। ডিমওয়ালা মা মাছ ও ছোট পোনা মাছ বাজারে বিক্রি হতে দেখলে তা কিনে জলাশয়ে অবমুক্ত করেন।

একই সঙ্গে মাছের প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্র ধ্বংসকারী নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধেও তাঁর সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, হেলাল উদ্দিনের মতো মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশীয় মাছ রক্ষায় সচেতন ও সোচ্চার হলে হারিয়ে যেতে বসা দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘মামদানী মার্টস’ ঘিরে আমেরিকায় সমাজতন্ত্রের নতুন আলোচনা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


‘মামদানী মার্টস’ ঘিরে আমেরিকায় সমাজতন্ত্রের নতুন আলোচনা?

সুপারমার্কেটের ধারণা এখন বিশ্বজুড়েই অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মুক্তবাজার অর্থনীতির সবচেয়ে বড় প্রতীক ছিল বেসরকারি খাতের এই সুপারমার্কেট।

স্নায়ুযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের সরকারি সুপারমার্কেটের শূন্য তাকের সঙ্গে বৈচিত্র্যময় পণ্যে ঠাসা যুক্তরাষ্ট্রের সুপারমার্কেটগুলো ছিল তাদের শ্রেষ্ঠত্বের নিদর্শন। এই সুপারমার্কেটগুলো বিদেশে আমেরিকার গণতান্ত্রিক প্রভাব বিস্তার করতে এবং স্নায়ুযুদ্ধে জয়ী হতে সাহায্য করেছিল। দশকের পর দশক ধরে, আমেরিকান জীবনধারার সুফল ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রচারের জন্য ইউএস ইনফরমেশন এজেন্সি বিশ্বব্যাপী আমেরিকান সুপারমার্কেটের ছবি বিতরণ করত। আমেরিকান সুপারমার্কেটগুলো মূলত ভোক্তা বা ক্রেতাদের পছন্দের এক বিশাল ভাণ্ডার। ১৯৬০ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে একটি গড় আমেরিকান সুপারমার্কেটে পণ্যের সংখ্যা ৬ হাজার থেকে বেড়ে ৪৭ হাজারে পৌঁছায়।

আমেরিকান সুপারমার্কেটের এই রমরমা বাজারে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানী সরকারি উদ্যোগে নিউইয়র্কে ৫টি বরোতে ৫টি সুপারমার্কেট স্থাপনের ঘোষণা দিয়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছেন। মামদানী নিউইয়র্কের দরিদ্র জনগণের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ করতেই ৫টি সুপারমার্কেট স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। জোহরান মামদানীর এই ৭০ মিলিয়ন ডলারের উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনায় ২০২৭ সালের শেষের দিকে ব্রঙ্কসের হান্টস পয়েন্ট এলাকায় প্রথম সরকারি মার্টটি চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২৯ সালে ম্যানহাটনের ইস্ট হারলেমে অবস্থিত ঐতিহাসিক লা মার্কেটায় দ্বিতীয় মার্টটি চালু করা হবে। ব্রুকলিন, কুইন্স ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ড বরোতে সুপারমার্কেট স্থাপনের জন্য উপযোগী জায়গা খোঁজা হচ্ছে। মেয়র মামদানীর প্রথম মেয়াদের শেষ তথা ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৫টি মার্ট সম্পূর্ণভাবে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সরকারি সুপারমার্কেটে ৩০ ভাগ ডিসকাউন্টে পণ্য বিক্রির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কাগজে কলমে একে 'পাবলিক গ্রোসারি স্টোর' বলা হলেও সমালোচকরা এর নাম দিয়ে রেখেছেন 'মামদানী মার্টস'।

মামদানী মার্টসের ধারণা নিয়ে আলোচনা চলাকালে সমালোচকরা রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলতসিনের একটি ছবি সামনে নিয়ে আসেন। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের কিছু দিন আগে ১৯৮৯ সালে আমেরিকা সফরের সময় ইয়েলতসিন হঠাৎ হিউস্টনের র‌্যান্ডালস সুপারমার্কেটে পরিদর্শনে যান। দোকানে হাজারো রকমের খাবার ও পণ্যের প্রাচুর্য দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, আমেরিকার সাধারণ নাগরিকেরা এত সহজে এত খাবার কিনতে পারে। কারণ সেই সময় সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের সাধারণ মানুষকে এক টুকরো রুটি বা মাংসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো, যার বেশিরভাগ সময়ই তাক থাকত শূন্য। একটি ছবিতে দেখা যায়, ফ্রোজেন বা হিমায়িত খাবারের বৈচিত্র্য দেখে ইয়েলতসিন বিস্মিত হয়ে তাকিয়ে আছেন। এই আকস্মিক যাত্রাবিরতির পর বিমানে ফেরার পথে, সোভিয়েত ফুড মার্কেটগুলোর শূন্য তাকের কথা চিন্তা করে ইয়েলতসিন দুই হাতে মাথা রেখে নিথর হয়ে বসে ছিলেন। তার জীবনী অনুযায়ী, তিনি তখন বলেছিলেন, 'ওরা আমাদের দরিদ্র মানুষগুলোর কী হাল করে রেখেছে?' পরবর্তীতে তিনি তার আত্মজীবনীতে স্বীকার করেন, আমেরিকার সুপারমার্কেটের সেই দৃশ্য তার সমাজতান্ত্রিক চিন্তাধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল এবং তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে সোভিয়েত অর্থনৈতিক মডেলটি পুরোপুরি ব্যর্থ।

তখনকার মতো এখনও আমেরিকার সুপারমার্কেটগুলো মুক্তবাজার অর্থনীতির এক পরম বিস্ময়। বিগত কয়েক দশক ধরে যে সরকারকে অযোগ্য এবং অদক্ষ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, সেই সরকারই ওয়ালমার্ট এবং কস্টকোর চেয়েও ভালোভাবে মুদিপণ্যের প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য নিশ্চিত করতে পারবে; এই ধারণাটি সমালোচকদের মধ্যে একটি তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। অনেকের আশঙ্কা 'মামদানি মার্টস'-এর পরিণতিও শেষ পর্যন্ত একঘেয়ে ও নিস্প্রাণ রাষ্ট্রচালিত সোভিয়েত দোকানগুলোর মতো হবে, যেখানে কেবল এক রকমের স্যুপ পাওয়া যেত।

মামদানী মার্টসের পক্ষে-বিপক্ষে তাই তুমুল তর্ক চলছে। সমর্থকরা যেখানে দেখছেন যে, সাধারণ মানুষ যখন নিত্যদিনের মুদিপণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন তাদের সমস্যা সমাধানে সরকার এগিয়ে আসছে; অন্যরা সেখানে দেখছেন একজন সমাজতান্ত্রিক মেয়র আমেরিকার সমৃদ্ধির এক শক্তিশালী প্রতীকের ওপর আঘাত হানার জন্য নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। মামদানীর এই উদ্যোগের ব্যবসায়িক সাফল্য ব্যর্থতা নয়, বিতর্কটি হলো মতাদর্শিক। অনেকে একে মুক্তবাজার অর্থনীতির ধারণার ওপর সমাজতান্ত্রিক আগ্রাসন হিসেবেই বিবেচনা করছেন। অনেকের মতে মামদানী মার্টসের হাত ধরে যুক্তরাষ্ট্রে সমাজতান্ত্রিক ধারণার অনুপ্রবেশ ঘটতে যাচ্ছে। তাদের মতে যে ধারণা ৯০-এর দশকে সোভিয়েত ইউনিয়নে ব্যর্থ হয়েছে।

এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিকভাবে ৭০ মিলিয়ন ডলারের ক্যাপিটাল ফান্ড অনুমোদন করা হয়েছে। তা ছাড়া, মূল বাজারদরের চেয়ে ৩০ ভাগ কম দামে পণ্য বিক্রি করার জন্য সরকারকে বিপুল পরিমাণ ক্রমাগত নগদ ভর্তুকি দিতে হবে। সমালোচকদের দাবি; খাদ্য সংকট দূর করতে নতুন দোকান না খুলে এই একই টাকা সরাসরি কম আয়ের মানুষের ফুড অ্যাসিস্ট্যান্স বা ক্যাশ ট্র্যান্সফার হিসেবে দিলে অনেক বেশি মানুষ উপকৃত হতো। নিউ ইয়র্কের স্থানীয় ছোট মুদিদোকান মালিকরাও এই পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাদের অভিযোগ, সরকার তাদেরই দেওয়া ট্যাক্সের টাকা ব্যবহার করে তাদের ব্যবসার সাথে অসম প্রতিযোগিতায় নামছে। অনেক অর্থনীতিবিদ মনে করেন, সুপারমার্কেট ব্যবসায় লাভের মার্জিন এমনিতে খুব কম, তাই ৩০ ভাগ ডিসকাউন্ট ধরে রাখা সরকারের জন্য দীর্ঘমেয়াদে বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানীর এই পরিকল্পনার ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফেডারেল সরকারও তীব্র নেতিবাচক ও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের ধারণা, এই সরকারি দোকানগুলো এক বছরও টিকবে না এবং করদাতাদের ৭০ মিলিয়ন ডলার জলে যাবে।

সিইউএনওয়াই স্কুল অব পাবলিক হেলথ-এর সহযোগী অধ্যাপক নেভিন কোহেন বলেন, 'বিতর্কটি আসলে এই মডেলের সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি নিয়ে নয়। এটি মূলত সরকার আমাদের কী সেবা দেবে, তা নিয়ে দুটি ভিন্ন মতাদর্শের একটি পরীক্ষা।'

কিন্তু এতসব সমালোচনা এবং ফেডারেল সরকারের বিরোধিতা থাকার পরেও মামদানী তার নির্বাচনী অঙ্গীকার রক্ষায় দরিদ্র মানুষকে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য দিতে সরকারি সুপারমার্কেট স্থাপনের ধারণা নিয়ে এগিয়ে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মামদানীর মূল রাজনৈতিক দর্শন হলো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য সরকারকে ব্যবহার করা। তিনি তার রাজনৈতিক গুরু মেয়র ফিওরেলো লাগুয়ার্দিয়ার পদাঙ্ক অনুসরণ করছেন; যিনি তৈরি করেছিলেন পাবলিক পার্ক, আবাসন। বেসরকারি খাতের তীব্র বিরোধিতা কাটিয়ে লাগুয়ার্দিয়া ১৯৩০-এর দশকে সরকারি উদ্যোগে অভ্যন্তরীণ বাজারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল রাস্তা থেকে ঠেলাগাড়ির হকারদের সরিয়ে আনা এবং মুদিপণ্যের খরচ কমানো। সেই বাজারগুলোর বেশ কয়েকটি আজও চালু রয়েছে।

মামদানী শহরের মালিকানাধীন খালি জায়গাগুলোকে সরকারি মুদিদোকানে রূপান্তর করতে চান। গত মাসে মামদানী বলেছিলেন, 'লাগুয়ার্দিয়া মানুষের জীবনকে আরও উন্নত করার জন্য সরকারের দায়িত্বের একটি সহজ সংজ্ঞায় বিশ্বাস করতেন। আমরা সেই মৌলিক দায়িত্বটি পূরণের আরও এক ধাপ কাছাকাছি পৌঁছেছি।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেমরায় আসামি ধরতে গিয়ে উদ্ধার হলো বোমা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


ডেমরায় আসামি ধরতে গিয়ে উদ্ধার হলো বোমা!

রাজধানীর ডেমরায় একটি বাড়ি থেকে দুটি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ইতোমধ্যে একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে।

রোববার (১৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সিটিটিসি সূত্রে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর জনপদ মোড়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ওই ঘটনার তদন্ত করছিল পুলিশ। তদন্তের অংশ হিসেবে আসামি ধরতে ডেমরা থানাধীন পশ্চিম বক্সনগর নিঝুমবাগ এলাকার গরিবের নেওয়াজ মসজিদ রোড মোড়ের একটি বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখানেই এই দুটি বোমাসদৃশ বস্তুর সন্ধান পাওয়া যায় এবং এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি বিশেষ দল। তারা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে একটি বোমা নিষ্ক্রিয় করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অপর বোমাটি নিষ্ক্রিয়ের কাজ চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফল আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


ফল আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ফল আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন বাধ্যতামূলক না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বরং, দেশের জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি চাহিদা এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এখন থেকে নগদ মার্জিন ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রবিবার ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এর মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে, যা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্দেশনায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে কিছু বিলাস পণ্য ও দেশীয় বিকল্প পণ্যের আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিন রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল, যার মধ্যে ফলও ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, বর্তমানে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ও লেনদেনে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতার উন্নতি হওয়ায় ফল আমদানিতে ১০০ শতাংশ নগদ মার্জিনের প্রয়োজনীয়তা কমে এসেছে।

শিশু, রোগী, বয়স্ক ব্যক্তি এবং গর্ভবতী নারীর খাদ্যতালিকায় ফল একটি অপরিহার্য পুষ্টিকর উপাদান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, তাই আমদানি সহজীকরণ এবং সহনীয় মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, ২০২৪ সালের ৪১ নম্বর সার্কুলার এবং পরবর্তী নির্দেশনাগুলোর অন্যান্য বিধান অপরিবর্তিত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে। নতুন নির্দেশনার আওতায় যে আইনটি কার্যকর হয়েছে, তা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%