০৫:৫৮ পি.এম
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও রাষ্ট্রীয় ভিত্তি শক্তিশালীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
তিনি শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেছিলেন।
জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভার আয়োজন করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: প্রশাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর
মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনালগ্নে তার ভূমিকা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং তার পরে যুদ্ধ পরিচালনায় সংগঠিত কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক ছিল।
তিনি আরও বলেন, তেলিয়াপাড়া সম্মেলনে জিয়াউর রহমানের প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নির্ধারণ করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
আহমেদ আযম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান সামরিক শাসন থেকে দেশের গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন ঘটান। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, রাজনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি করেন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
মন্ত্রী আরো জানান, জিয়াউর রহমান ছিলেন সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপনের অনুসারী একজন রাষ্ট্রনায়ক। তিনি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করতেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।
আরও পড়ুন: নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন
মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল।
তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মিলনায়তন সংস্কার এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অতীতে বেদখল হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পত্তি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
আরও পড়ুন: দেবিদ্বারে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সভা, এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন