ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী


স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠনের রূপকার জিয়াউর রহমান : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও রাষ্ট্রীয় ভিত্তি শক্তিশালীকরণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে মন্তব্য করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

তিনি শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর মগবাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেছিলেন।

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভার আয়োজন করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রশাসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অবদান রেখে চলেছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনালগ্নে তার ভূমিকা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিল এবং তার পরে যুদ্ধ পরিচালনায় সংগঠিত কাঠামো গড়ে তুলতে সহায়ক ছিল।

তিনি আরও বলেন, তেলিয়াপাড়া সম্মেলনে জিয়াউর রহমানের প্রস্তাবে যুদ্ধের নাম ‘মুক্তিযুদ্ধ’ নির্ধারণ করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

আহমেদ আযম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জিয়াউর রহমান সামরিক শাসন থেকে দেশের গণতান্ত্রিক ধারায় প্রত্যাবর্তন ঘটান। তিনি বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, রাজনৈতিক কার্যক্রমের সুযোগ সৃষ্টি করেন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

মন্ত্রী আরো জানান, জিয়াউর রহমান ছিলেন সাদাসিধে ও মিতব্যয়ী জীবনযাপনের অনুসারী একজন রাষ্ট্রনায়ক। তিনি কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নকে জাতীয় অগ্রগতির মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য করতেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন।

আরও পড়ুন: নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অধিকার নিশ্চিতের জন্য ৫ দফা দাবি উত্থাপন

মন্ত্রী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও বাংলাদেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য প্রাসঙ্গিক। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আত্মনির্ভরশীলতা, উৎপাদনমুখী অর্থনীতি ও জনগণের ক্ষমতায়নের পথে এগিয়ে যেতে শুরু করেছিল।

তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মিলনায়তন সংস্কার এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন ২০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া অতীতে বেদখল হওয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পত্তি উদ্ধারে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি গণতান্ত্রিক, সমৃদ্ধ ও কল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: দেবিদ্বারে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সভা, এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হিলি সীমান্তে বিজিবির সাথে দায়িত্ব পালন করছে গ্রাম পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


হিলি সীমান্তে বিজিবির সাথে দায়িত্ব পালন করছে গ্রাম পুলিশ

ভারত থেকে অবৈধভাবে ভারতীয় নাগরিক পুশইনের আশঙ্কা ঠেকাতে হিলি সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সঙ্গে মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।

 

শনিবার সকাল থেকে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে বিজিবির সঙ্গে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে তাঁদের। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল লতিফুল বারী জানান, গত দুই সপ্তাহ ধরে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের পুশইনের চেষ্টা করছে বিএসএফ ভারতের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা দিয়ে। স্থানীয় জনসাধারণের নিরাপত্তায় সর্বদা বিজিবি দায়িত্ব পালনে সুরক্ষা নিশ্চিত করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে বিজিবি সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো ভীতি সৃষ্টি না হয়, সেই জন্যই গ্রাম পুলিশকে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাছাড়া জনসচেতনামূলক মাইকিংসহ জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করা হচ্ছে। পুশইন প্রতিরোধে গ্রামবাসী বিজিবির সঙ্গে একত্নতা ঘোষণা করেছেন।

হিলি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা বাশা মিয়া বলেন, ‘ভারতীয় নাগরিকদের পুশইনের বিষয়টি সীমান্তবাসীদের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে এলাকার শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে আজ সকাল থেকে বিজিবির সঙ্গে গ্রাম পুলিশ সদস্যদের দায়িত্ব পালন করতে দেখে আমরা কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি।’

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হলে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বালাগাল উলা বি কামালিহি’ কবিতার অর্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


‘বালাগাল উলা বি কামালিহি’ কবিতার অর্থ

‘বালাগাল উলা বি কামালিহি’ একটি আরবি নাত। এটি শুধু আরবি সাহিত্যেই উল্লেখযোগ্য নয়, বরং বিশ্বব্যাপী একটি খুব জনপ্রিয় কবিতাও। শেখ সাদী এই নাতটি রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রশংসায় রচনা করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের মুখে আলোচিত হয়।

 

আরবি সাহিত্যের পাশাপাশি, বিশ্বসাহিত্যেও সর্বাধিক জনপ্রিয় কবিতাগুলোর মধ্যে একটি এটি। কবিতাটি এরূপঃ

ﺑﻠﻎ ﺍﻟﻌﻼ ﺑﻜﻤﺎﻟﻪ -- ﻛﺸﻒ ﺍﻟﺪﺟﻰ ﺑﺠﻤﺎﻟﻪ

ﺣﺴﻨﺖ ﺟﻤﻴﻊ ﺧﺼﺎﻟﻪ-- ﻳﺼﻠﻮا ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺁﻟﻪ

উচ্চারণ: ‘বালাগাল উলা বি-কামালিহি-- কাশাফাদ্দুজা বি জামালিহি,

হাসুনাত জামিউ খিসালিহি-- সাল্লু আলাইহি ওয়া আলিহি।’

এর ভাবার্থ হলো: ‘সাধনায় যিনি সুউচ্চ মর্যাদায় পূর্ণতায় পৌঁছেছেন, যার সৌন্দর্যের প্রভাবের কারণে সব আঁধার বিদায় নিয়েছে, সব সচ্চরিত্রের সম্মিলন ঘটেছে যার মাঝে, তবে আসুন তার ও তার বংশধরদের প্রতি দরুদ ও সালাম জানাই।’

শেখ সাদী ৪ পদে এই কবিতাটি লিখেছিলেন। তাঁর সম্পূর্ণ নাম শায়খ আবু মুহাম্মদ মুসলেহুদ্দীন সাদি ইবনে আব্দুল্লাহ শিরাজি। তিনি ফারসি কবিদের মধ্যে একজন। ফারসিভাষী দেশের বাইরে থেকেও তিনি সুপরিচিত। ধ্রুপদী সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁকে একজন উচ্চমানের কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয় আমাদের। লেখার মান এবং সামাজিক ও নৈতিক চিন্তার গভীরতার জন্য তাঁকে প্রশংসেয় উল্লিখিত হয়।

‘গুলিস্তাঁ’ নামক বিশ্বখ্যাত গ্রন্থের একটি অংশে এই কবিতাটি পাওয়া যায়। শেখ সাদী আরবি ভাষায় যেসব কবিতা লিখেছিলেন তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই কবিতাটি। কবিতাটি উম্মতে মুসলিমার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। যদিও কবিতাটি লেখার সময়কাল সঠিকভাবে জানা না গেলেও ধারণা করা হয় যে, এটি ১২৫৫-৫৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যেই লেখা হয়েছিল। কারণ ১২৫৭ খ্রিষ্টাব্দ তথা ৬৫৫ হিজরি সালে তিনি ‘গুলিস্তাঁ’ গ্রন্থটি রচনা শেষ করেছিলেন।

শেখ সাদির অমর কবিতা তথা নাতে রসুল শুধুমাত্র মুসলিমদের হৃদয়ে নয়, সারাবিশ্বের মুসলিমরা আজও অজান্তেই গেয়ে ওঠেন-

(‘বালাগাল উলা বি কামালিহি...’)

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘তেলাপোকা কারও ভয় পায় না’, দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি নেতার গর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০১ পি.এম


‘তেলাপোকা কারও ভয় পায় না’, দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপি নেতার গর্জন

আজ শনিবার (৬ জুন) জেন-জি নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) তাদের প্রথম প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে। এই সমাবেশটি নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী অংশ নিয়েছেন। ভারতের সাম্প্রতিক বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলোয় প্রশ্নফাঁসের মতো নানা অনিয়মের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে।

বিক্ষোভের সময় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (সাদা পোশাকে) বক্তব্য দিতে দেখা যায়। তিনি মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা (বামে) এবং অন্যান্যদের বিক্ষোভে অংশ নিতে উত্সাহী দেখতে পান। সম্প্রচার মাধ্যম পিটিআইয়ের মাধ্যমে ছবিটি প্রকাশিত হয়।

রঙিন কাগজের তেলাপোকার মুখোশ ও পুস্তিকা হাতে তরুণ প্রতিবাদকারীরা উপস্থিত ছিলেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁস ও প্রযুক্তিগত ত্রুটিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছেন।

প্রতিবাদস্থলে উপস্থিত চিকিৎসাবিজ্ঞানে ভর্তিচ্ছু উত্কर्ष রাজ (১৬) এএফপিকে বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে জবাবদিহিতা চাই। এই দেশে কীভাবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়? এটা কীভাবে ঠিক হতে পারে?’

এই প্রতিবাদ সমাবেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৩০ বছর বয়সি অভিজিৎ দিপকে, যিনি ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। বোস্টন ইউনিভার্সিটির স্নাতক অভিজিৎ আজ শনিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দিল্লিতে আসেন।

অতিরিক্ত খবর অনুযায়ী: দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিজেপির নামের সঙ্গে মিলিয়ে তার এই প্যারোডি দল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গত মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাখ লাখ অনুসারী অর্জন করেছে।

সাবেক আপ (আম আদমি পার্টি) নেতা ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ দিপকে সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশের যুবসমাজ আর কাউকে ভয় পাবে না, তারা লড়াই করবে। তেলাপোকারা কখনও কারও ভয় পায় না, তারা মরেও না।’ এ সময় তার সামনে থাকা তরুণ বিক্ষোভকারীরা একসঙ্গে স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনের পটভূমিতে, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত সম্প্রতি আদালতের এক শুনানিতে সরকারের সমালোচনাকারী যুবকদের ‘তেলাপোকা’ ও ‘পরজীবী’ বলে মন্তব্য করেছেন, যা তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। পরে বিচারপতি বলেছেন, তার মন্তব্য প্রসঙ্গের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর থেকে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র উত্থান ঘটে। দলটির স্লোগান হচ্ছে — ‘যুবকদের জন্য, যুবকদের দ্বারা, যুবকদের রাজনৈতিক মঞ্চ’। দলের নেতারা চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো নয়াদিল্লিতে সংবাদ সম্মেলন করেন, যেখানে আজ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেয়া হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

আজ সমাবেশে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে নিজেদের মতামত প্রকাশ করেছেন এবং তারা বলেন, যুবসমাজের ক্ষোভ যথার্থ। ২০ বছর বয়সি সার্থক (এক নামে পরিচিত) বলেন, ‘ভারতের মতো দেশে এত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলোর আরও ভালো ব্যবস্থাপনা প্রাপ্য।’

এখনও আরও সংবাদ আছে: তেলাপোকার ঝাঁক কি এবার ব্যালট বাক্সে? ভারতে আলোচনায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ এখন প্রবল।

গত মাসে জাতীয় মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় বাতিল করা হয়েছে। এই কেলেঙ্কারির ফলস্বরূপ কয়েকজন কিশোর-কিশোরীর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এর আগে প্রায় ২০ লাখ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার্থীর অনলাইন মূল্যায়ন ব্যবস্থাতে বড় ধরনের কেলেঙ্কারিও সংঘটিত হয়েছে।

৫২ বছর বয়সি সপন জ্ঞান, যিনি ছেলেদের সঙ্গে প্রতিবাদে এসেছিলেন, বলেন, ‘যুবকদের এই পরীক্ষাগুলো দিতে হয়। এমন ব্যবস্থা যেন না থাকে, যেখানে পরীক্ষার কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা থেকেই যায় না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিজেপির জনপ্রিয়তা ব্যাপক। সিজেপির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ২০ লাখেরও বেশি ফলোয়ার রয়েছে — যা বিজেপির (৯ মিলিয়ন) এবং প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের (১৩ মিলিয়ন) সংখ্যার চেয়েও অনেক বেশি।

দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশে লাখ লাখ যুবক যথাযথ চাকরি খুঁজে পাচ্ছে না, যা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অসন্তোষকে বৃদ্ধি করছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) অনুযায়ী, ১৫-২৪ বছর বয়সীদের মধ্যে বেকারত্বের হার প্রায় ১৬ শতাংশ।

সম্প্রতি প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও নেপালে যুবকদের নেতৃত্বে দুর্নীতি ও রাজনৈতিক উদাসীনতার বিরুদ্ধে আন্দোলন সরকার পতন ঘটিয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার ভারতে জেন-জি আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) গত ১৬ মে অর্থাৎ মাত্র ২১ দিন আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যা শুরু হয়েছিল একটি ডিজিটাল আন্দোলন হিসেবে এবং তা দ্রুত বড় আকার ধারণ করেছে। শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিয়ে ছাত্রদের ক্ষোভ, হতাশা ও সন্দেহবাদের মধ্যে এটি এখন জনগণের প্রশ্নগুলো পুনরুদ্ধারের দাবিতে যুক্ত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুদৃষ্টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন মিথিলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


কুদৃষ্টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন মিথিলা

কুদৃষ্টি বা ‘ইভিল আই’ বিষয়ক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভাবনাপ্রসূত বার্তা শেয়ার করেছেন মডেল এবং অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা।

নিজের পোস্টে তিনি কাছের মানুষদের মধ্যেও ঈর্ষা ও নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে পারে, এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

স্ট্যাটাসে মিথিলা লেখেন, “কুদৃষ্টি অপরিচিতদের কাছ থেকে আসে না। এটা আসে আপনার টেবিলে বসে থাকা মানুষগুলোর কাছ থেকে; যারা আপনার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসে, কিন্তু আপনার জয়ে তাদের বুকের ভেতর অন্য রকম এক অনুভূতি হয়।

যারা আপনার জীবন সম্পর্কে জানতে চায়, তাদের উদ্দেশ্য আপনাকে অভিনন্দন জানানো নয়, বরং আপনাকে পরখ করে দেখা।

যারা মুখে ‘মাশাআল্লাহ’ বলে, কিন্তু মন থেকে তা বলে না।

আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন, তা নিয়ে নীরব থেকে সেটিকে রক্ষা করুন।”

তিনি আরো লেখেন, ‘কুদৃষ্টি একটি বাস্তব বিষয়। সুতরাং আপনার রিজিক রক্ষা করুন, আপনার সম্পর্ক রক্ষা করুন এবং আপনার পরবর্তী পদক্ষেপ রক্ষা করুন।

যারা আপনার স্বপ্নগুলোর কথা জানে, তাদের সবাই সেগুলোর সফলতা কামনা করে না।’

মিথিলার এই বক্তব্যে ব্যক্তিগত সাফল্য, সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সবার সামনে প্রকাশ না করে সংযত থাকার পরামর্শ উঠে এসেছে।

তার মতে, সব হাসিমুখই আন্তরিকতার প্রতীক নয়; অনেক সময় কাছের মানুষদের মধ্যেও ঈর্ষা বা নেতিবাচক মনোভাব লুকিয়া থাকতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%