১০:১০ পি.এম
সাময়িক বিরতির পর ইউক্রেন আবারও রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা শুরু করেছে। শুক্রবার ইউক্রেনীয় বাহিনীর এই হামলায় রাশিয়ার তিনটি তেল শোধনাগার এবং একটি গ্যাস রাসায়নিক কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন তথ্য দিয়েছেন দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
রাশিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের সামনে বলেন, "আজকে রাশিয়ার একাধিক তেল শোধনাগারে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে। ইউক্রেন মোট চারটি প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রকে লক্ষ্যবস্তু করে আঘাত আনে, যার মধ্যে তিনটি তেল শোধনাগার ও একটি গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্স রয়েছে। এর মধ্যে একটি স্থাপনায় সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে আমাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সামগ্রিকভাবে সফলভাবে কাজ করেছে।"
তিনি হামলার ধারাবাহিকতা উল্লেখ করে আরও বলেন, "মাঝখানে কিছুটা বিরতি থাকলেও আজ থেকে আবারও আক্রমণ শুরু হয়েছে। আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো এসব স্থাপনা রক্ষা করতে তৎপর রয়েছে।"
আরও পড়ুন: গৃহবন্দির শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক
এই হামলার প্রতিক্রিয়া আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই মন্তব্য করেছেন যে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই সংঘাতের কোনো শান্তিপূর্ণ সমাধান চান না। ট্রাম্প সতর্ক করে জানান, রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোতে ইউক্রেনের এই ধারাবাহিক আক্রমণের প্রভাব সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতির ওপর নেতিবাচকভাবে পড়ছে। তিনি জেলেনস্কিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আলোচনার ভুল ব্যক্তি বলেও অভিহিত করেন।
এর আগে গত ৯ অক্টোবর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে এক ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি পেট্রোলিয়াম পণ্যের বৈশ্বিক সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রসঙ্গটি স্থান পায়। ঐ ফোনালাপে পুতিন জানান, মস্কো যুক্তরাষ্ট্রসহ বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত তেল ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত। রাশিয়ার এই অবস্থান এবং দুই দেশের ডিজেল সংক্রান্ত সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন