১০:৪০ পি.এম
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নূরানী অথবা তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন করে শিক্ষক নিয়োগের দাবি সংসদে জানানো হয়েছে।
নেত্রকোনা-৫ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাছুম মোস্তফা বুধবার সংসদে এই দাবি উত্থাপন করেন।
মাছুম মোস্তফা বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। দেশের অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শেখাতে আগ্রহী। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে অধ্যয়নরত বিপুল সংখ্যক মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য তাজবিদ ভিত্তিক ও বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা প্রদানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই।’
আরও পড়ুন: জলবায়ু পরিবর্তনে ঝুঁকি বাড়ছে, ক্ষতিপূরণ চাইবে বাংলাদেশ
‘অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা পাঠদান করা হলেও শুদ্ধ উচ্চারণ, মাখরাজ এবং তাজবিদের নিয়মাবলী অনুসরণ করে কোরআন শিক্ষার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না। এ কারণে অভিভাবকদের অতিরিক্ত ব্যয়ে পৃথকভাবে মক্তব, নূরানী শিক্ষা কেন্দ্র বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে হয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি কষ্টসাধ্য এবং ক্ষেত্রবিশেষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।’
সংসদ সদস্য আরো বলেন, ‘অন্যদিকে নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি বর্তমানে শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানের একটি পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দেশব্যাপী স্বীকৃত। এসব পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ অল্প সময়ে শিশুদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত, তাজবিদ এবং মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান করতে সক্ষম হন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এ ধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে। সেই সঙ্গে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক হবে।
আরও পড়ুন: আইনমন্ত্রী: বিচার বিভাগে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতি করেছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন