ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

১০ বছরে দ্বিগুণ হারে বেড়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, সতর্ক করল জাতিসংঘ


১০ বছরে দ্বিগুণ হারে বেড়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা, সতর্ক করল জাতিসংঘ

 

বিশ্বের মহাসাগরগুলো বর্তমানে ‘তীব্র এবং দ্রুত বর্ধনশীল’ চাপের মুখে পড়েছে, যা মানবঘটিত নানা কর্মকাণ্ডের ফল। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে, গত এক দশকে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হার এখন দ্বিগুণ হয়েছে।

বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত জাতিসংঘের তৃতীয় 'ওয়ার্ল্ড ওশেন অ্যাসেসমেন্ট' (বিশ্ব মহাসাগর মূল্যায়ন) প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক এই পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন মতে, দূষণ এবং ব্যাপক শিল্পভিত্তিক মৎস্য শিকারের ফলে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে এবং সামগ্রিক মহাসাগরীয় ব্যবস্থা মারাত্মক সংকটের সম্মুখীন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার

৮৬টি দেশের প্রায় ৬০০ জন বিজ্ঞানীর ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিচালিত গবেষণার ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি হয়েছে। আগের প্রতিবেদনে (যা ২০১৮ সাল পর্যন্ত তথ্য কভার করেছিল) সামুদ্রিক পরিবেশের ক্রমাগত অবক্ষয়ের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছিল, কিন্তু এবারের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে যে, বিগত কয়েক বছরে ক্ষতির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

বিজ্ঞানীদের মূল তথ্য ও পরিসংখ্যান বিষয়ক তথ্যাদি দেবেন।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: ২০১৫ সালের আগে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি বছর ২ মিলিমিটার বৃদ্ধি পেত, কিন্তু ২০২৩ সালের হিসেবে তা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে প্রতি বছর ৪.৩ মিলিমিটার হয়েছে।

মহাসাগরের তাপমাত্রা: ১৯৫৫ সালের পর থেকে বিশ্বজুড়ে মহাসাগরের তাপমাত্রা ১৬% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা কেবল ২০১৮ সালের পরের সময়ে ঘটেছে।

আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না

অধিক উষ্ণ অঞ্চল: আটলান্টিক মহাসাগর ও ভারত এবং প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিণাঞ্চলে তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

অজানা সমুদ্রপৃষ্ঠ: ২০২৫ সাল পর্যন্ত সমুদ্রের তলদেশের মাত্র ২৭% মানচিত্রায়িত করা সম্ভব হয়েছে, ফলে গভীর সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানের বড় ঘাটতি রয়েছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন: “আমরা মহাসাগরকে সীমাহীন ভাবার ভুলটি আর করতে পারি না। সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় এখন জরুরি বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের সমুদ্রের সাথে একটি নতুন সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যা বিজ্ঞানভিত্তিক, আন্তর্জাতিক আইন দ্বারা পরিচালিত এবং যা দেশ, খাত ও প্রজন্মের যৌথ দায়িত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।”

সুরক্ষার অগ্রগতি বনাম খণ্ডিত শাসন ব্যবস্থা

আরও পড়ুন: জিয়া সেদিন তাহেরের সাথে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে গেলে ফিরে আসতেন না: ব্রি. সাখাওয়াত

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মহাসাগর সুরক্ষায় কিছু উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। বিশেষ করে এই বছর কার্যকর হওয়া ঐতিহাসিক 'হাই সিস ট্রিটি' (উন্মুক্ত সমুদ্র চুক্তি) আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা রেখেছে, যা কোনো দেশের সীমানার বাইরে থাকা মহাসাগরের দুই-তৃতীয়াংশ অঞ্চলকে সুরক্ষা দেবে।

তবে এই চুক্তি এবং অন্যান্য ৫৬টি মহাসাগর সুরক্ষা চুক্তি থাকা সত্ত্বেও, আন্তর্জাতিক শাসন ব্যবস্থা এখনো আঞ্চলিক ও খাতভিত্তিক উপায়ে “খণ্ডিত” রয়ে গেছে। তাই এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি।

পৃথিবীর ৭০ শতাংশেরও বেশি এলাকা জুড়ে থাকা মহাসাগর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও মানুষের জন্য খাদ্য, খনিজ ও শক্তির জোগান দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে উৎপন্ন অতিরিক্ত তাপের ৯০% এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের ৩০% ইতিমধ্যেই মহাসাগর শোষণ করেছে।

প্লাস্টিক দূষণ ও অন্যান্য কারণ

আরও পড়ুন: ঢাবিতে ছাত্রদলের আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রতি বছর ৫ কোটি ২১ লাখ টন প্লাস্টিক মহাসাগরে পড়ছে। এর ফলে ২৪.৪ ট্রিলিয়ন মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ছে, যা ৪০০০-এরও বেশি সামুদ্রিক প্রজাতির জীবনকে বিপন্ন করে তুলছে।

গবেষক দলের যৌথ সমন্বয়কারী রাফায়েল গঞ্জালেজ-কুইরোজ বলেছেন, একটি সুস্থ ও স্থিতিস্থাপক মহাসাগরের প্রয়োজনীয়তা এখনকার মতো এত জরুরি আর কখনোই ছিল না।

সামুদ্রিক পরিবেশের এই বিপর্যয়ের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধি, প্রযুক্তির অপব্যবহার ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাকে দায়ী করা হয়েছে। ২০১৭ সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ৭.৭ বিলিয়ন, যা ২০২৪ সালের শেষের দিকে বেড়ে ৮.২ বিলিয়নে দাঁড়াবে। বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ উপকূলের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে বাস করে এবং ১১% মানুষ সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ মিটারেরও কম উচ্চতার জমিতে বাস করছে, যা তাদের চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে।

গ্রিনপিস-এর হুঁশিয়ারি

আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ পয়েন্টে নাশকতার পরিকল্পনা আ.লীগের

পরিবেশবাদী সংগঠন 'গ্রিনপিস' বলেছে, এই প্রতিবেদনটি বিশ্বনেতাদের জন্য একটি “জরুরি সতর্কবার্তা”। সমুদ্রকে গভীর সমুদ্রে খনি খনন এবং শিল্পভিত্তিক মৎস্য শিকারের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড থেকে রক্ষার জন্য এখন পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে।

গ্রিনপিস-এর বৈশ্বিক মহাসাগর প্রচারক লুকাস মেউস বলেছেন, “আমরা সরকারের কাছে এমন সম্পূর্ণ সুরক্ষিত সামুদ্রিক অভয়ারণ্য গড়ে তোলার আহ্বান জানাচ্ছি যেখানে মানুষের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে। ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ৩০% মহাসাগর রক্ষা করার যে প্রতিশ্রুতি সরকারগুলো দিয়েছে—বিজ্ঞানীদের মতে সমুদ্রকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সেটিই সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।”

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান.

আরও পড়ুন: হুথিদের সউদী আরবের তেলক্ষেত্র, রিয়াদ বিমানবন্দর ও সেনাক্যাম্পে হামলার দাবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩৪ এম


নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই মাদকসেবীর কারাদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় দুই মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, উপজেলার বর্ণাকান্দা গ্রামের মো. সুরুজ আলীর ছেলে মো. আলম (৪০) এবং একই উপজেলার ছিমিমপুর গ্রামের মো. দুলাল মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ আল ফারাবি তমাল (২৭)।

সাজাপ্রাপ্তদের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর নেত্রকোনা জেলা হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. নাজমুল হক। সোমবার রাতে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর পূর্বধলা থানার লাল মিয়ার বাজারস্থ মো. আলমের নিজ দখলীয় দোকানঘরে অভিযান চালায়। এ অভিযানের সময় মাদকদ্রব্য সেবন এবং সংরক্ষণ করার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়।

ঘটনাস্থলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসনীম জাহান অনুসারে দুজনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আলমকে ৬ মাসের বিনাশ্রম এবং তমালকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর পর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আসামিদের নেত্রকোনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নূর উদ্দীন গহরপুরীকে নিয়ে এম এ মালিকের বক্তব্যের নিন্দা খেলাফতের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ এম


নূর উদ্দীন গহরপুরীকে নিয়ে এম এ মালিকের বক্তব্যের নিন্দা খেলাফতের

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এক বিবৃতিতে সম্প্রতি সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক কর্তৃক সিলেট তথা সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব, বরেণ্য বুজুর্গ, শাইখুল হাদিস আল্লামা হাফিজ নূর উদ্দীন গহরপুরী (রাহ.) এবং তাঁর স্মৃতিবিজড়িত গহরপুর অঞ্চল সম্পর্কে প্রদত্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ, অশালীন ও কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির মুখে এ ধরনের আপত্তিকর বক্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আল্লামা নূর উদ্দীন গহরপুরী (রাহ.) সমগ্র দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের শ্রদ্ধার পাত্র। তাঁর সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য এবং গহরপুর অঞ্চলের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত হানে—এমন বক্তব্য লাখো মানুষের হৃদয়কে আহত করেছে।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাম্প্রতিক এ বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও সংকীর্ণ মানসিকতা কাজ করছে বলে জনমনে ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। বিগত নির্বাচনে আল্লামা গহরপুরী (রাহ.)-এর ছেলে ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের

কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু এম এ মালিকের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের ধরে একজন মরহুম আলেম এবং তাঁর স্মৃতিবিজড়িত জনপদকে নিয়ে কটাক্ষ করা কোনো সভ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, যিনি একসময় নিজেকে নির্যাতনের শিকার বলে দাবি করেছেন, আজ তিনিই ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও ধর্মপ্রাণ জনগণের অনুভূতিকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করছেন। একজন সংসদ সদস্যের কাছ থেকে এমন উসকানিমূলক বক্তব্য জাতি প্রত্যাশা করে না।

তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, দলের জনপ্রতিনিধিদের বক্তব্যের বিষয়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা গ্রহণ করা প্রয়োজন। ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও জনগণের আবেগ-অনুভূতিতে আঘাত হানে—এমন বক্তব্য থেকে দলীয় সংসদ সদস্যদের বিরত রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ অবিলম্বে এম এ মালিককে তাঁর আপত্তিকর ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাহার করে জনসমক্ষে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রিয়ঙ্কার আচরণে অপমানবোধ? আন্তর্জাতিক শিল্পীকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৭ এম


প্রিয়ঙ্কার আচরণে অপমানবোধ? আন্তর্জাতিক শিল্পীকে ঘিরে পুরোনো অভিযোগ ফের আলোচনায়

পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্রকে অযত্নে ব্যবহার করতেন, যা ক্যারির কাছে একদমই গ্রহণযোগ্য ছিল না।

বলিউডের পর তিনি নিজেকে হলিউডে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে তাঁর অভিজ্ঞতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শিল্পীদের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতার বিষয়ে এবার মুখ খুললেন নামী স্টাইলিস্ট ক্যারি টউবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, তিনি প্রিয়ঙ্কার একটি 'রুক্ষ' আচরণের কথা উল্লেখ করেছেন। ওই ঘটনা ক্যারির মনে বহু বছর ধরে রয়ে গেছে।

‘কোয়ান্টিকো’র শুটিং চলাকালীন প্রিয়ঙ্কার পোশাকের দায়িত্বে ছিলেন ক্যারি। তিনি প্রিয়ঙ্কার স্টাইলিংয়ের কাজও করেছিলেন। ক্যারি জানান, প্রথম থেকেই প্রিয়ঙ্কাকে তাঁর খুব ভালো লেগেছিল। প্রিয়ঙ্কা ছিলেন আন্তরিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং তাঁর কাজের কিছুটা প্রশংসা করতেন। কিন্তু পোশাক বাছাইয়ের সময় কিছু বিষয় ক্যারিকে হতবাক করেছিল।

পোশাক ট্রায়ালের সময় প্রিয়ঙ্কা কখনও কখনও দামি পোশাক ও জিনিসপত্র অযত্নের সঙ্গে ব্যবহার করে ফেলতেন, যা ক্যারির কাছে মোটেই পছন্দনীয় ছিল না। ক্যারির কথায়, “ট্রায়ালের সময় সে একটু রুক্ষ আচরণ করতো। পোশাকের যথাযথ যত্ন নিত না। বিষয়টি আমার কাছে অসম্মানজনক মনে হয়েছিল।”

তিনি জানান, ট্রায়ালের জন্য নামী ফ্যাশন ব্র্যান্ড ও ডিজ়াইনার বুটিক থেকে পোশাক, জুতো ইত্যাদি আনা হত। সেগুলোর মূল্য ছিল খুবই আকাশছোঁয়া। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার কথা মনে করে ক্যারি বলেন, “সে একটি দামি জুতো পায়ে ঠেলে এক পাশে সরিয়ে দিয়েছিল।” স্টাইলিস্টের দাবি, ওই জুতোর দাম ছিল প্রায় ১ হাজার মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্য প্রায় ৯৬ হাজার টাকা)। এ কারণে ঘটনাটি তার মনে থেকে গেছে বলেও জানা যাচ্ছে। কিন্তু এসবের পরও প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে তাঁর সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে বলেও ক্যারির বক্তব্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে ওজু শেখানোর ছলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:০০ এম


নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে  ওজু শেখানোর ছলে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক শিশুকে (৯) ওজু শেখানোর অজুহাতে বাথরুমে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসানুর (২২) নামে এক মাদরাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার ইসানুরের ছবি: সংগৃহীত।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরের দিকে রূপগঞ্জের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ইসানুর সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই থানার মাছিমপুর গ্রামের বাসিন্দা।

রূপগঞ্জের একটি এলাকায় মোজাম্মেল হকের মালিকানাধীন একটি ভাড়াবাড়ির দুই কক্ষের একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন ইসানুর। তিনি ওই ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ নিজের থাকার জন্য ব্যবহার করতেন এবং অন্য কক্ষটিতে স্থানীয় শিশু-কিশোরদের আরবি পড়াতেন। ঘটনার দিন ভুক্তভোগী শিশুটি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মতো করেই ইসানুরের কাছে আরবি পড়তে তাঁর কাছে গিয়েছিল।

পড়া চলাকালীন একপর্যায়ে যখন শিক্ষক ইসানুর শিশুটিকে কৌশলে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তখন শিশু চিৎকার শুরু করে। এ সময় আশপাশের লোকজন বাথরুম থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ইসানুরকে ধরে ফেলেন। স্থানীয় জনতা চরম উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে পিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল গিয়ে ইসানুরকে থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ ইসানুরকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন গণমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রূপগঞ্জ থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। এর সাথে সাথে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে অপরাধীর বিরুদ্ধে কঠোর ও প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার ইসানুরকে সংশ্লিষ্ট আদালতে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%