ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিক্ষাঙ্গনগুলোকে জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র করতে আহ্বান ডা. শফিকুরের


শিক্ষাঙ্গনগুলোকে জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার কেন্দ্র করতে আহ্বান ডা. শফিকুরের

বিরোধী দলীয় নেতা এবং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, অতীতে শিক্ষাঙ্গনগুলো ছিল গণরুম, গেস্টরুম কালচার এবং অপসংস্কৃতির কেন্দ্র। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আমাদের শিক্ষাঙ্গনগুলো জ্ঞান চর্চা এবং গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। তিনি এগুলোকে স্বচ্ছ ও গতিশীল করতে চান।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত এক পথসভায় তিনি গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচিতে বক্তব্য প্রদান করেন।

জামায়াতে আমির বলেন, আগস্টের পর বাংলাদেশের পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবির বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। অন্যরা তার ধারে কাছেও আসতে পারেনি। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ছাত্রশিবিরকে এত ভালোবাসে ছাত্রজনতা? এর একমাত্র কারণ হলো— ছাত্রশিবিরের জ্ঞান, শিক্ষা এবং প্রজ্ঞার প্রতি সম্মান। তিনি উল্লেখ করেন, ইবিতে নির্বাচনে হলে কি চিত্র হতো? নিশ্চয় একই চিত্র দেখা যেত। ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

আরও পড়ুন: সংরক্ষিত মহিলা আসনের উপনির্বাচনে এলিজা জামানের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

ডা. শফিকুর বলেন, যেসব স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন হয়েছে, সেখান থেকে গণরুমের বিদায় ঘটেছে। এখন ছাত্র-ছাত্রীরা শান্তিতে, মেধার ভিত্তিতে হলগুলোতে সম্মানের সঙ্গে নিরাপত্তা ও গৌরবের সাথে থাকতে পারছে। তারা লেখাপড়ায় মনোযোগী, কারণ মিছিলে অংশগ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করা হয় না।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, তিনি এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চান যেখানে সুশিক্ষা নিয়ে আমাদের সন্তানেরা কখনো বেকারের দুঃখ অনুভব করবে না, বরং দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করবে। এই শিক্ষাই তিনি তাদের দিতে চান। যারা এটি চায় না, তারা গণভোটের পুনরাবৃত্তি মানতে চায় না। অন্যায় ও আধিপত্যবাদের কাছে তারা কখনো মাথা নত করবে না এবং মাথা সোজা করে এ জাতি সামনে এগিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর হামলায় কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ৯ সদস্য নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৩ এম


ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনীর হামলায় কলম্বিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ৯ সদস্য নিহত

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী দেশটির সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থানরত কলম্বিয়ার বামপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কিছু সদস্যকে হত্যা করেছে। শনিবার একটি বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা এ তথ্য জানিয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবরে বলা হয়েছে, ফান্ডারেডেস নামের একটি এনজিওর পরিচালক হাভিয়ের তারাজোনা এএফপিকে জানান, শুক্রবার ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী দেশটির ভূখণ্ডে অবস্থানরত কলম্বিয়ার ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (ইএলএন) বিদ্রোহীদের একটি শিবিরে হামলা চালায়।

তারাজোনা দাবি করেছেন, কয়েক দশক ধরে সমাজতান্ত্রিক শাসনের অধীনে থাকা ভেনেজুয়েলায় গত জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনীর অভিযানে নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো ভেনেজুয়েলার সেনাবাহিনী অভ্যন্তরে অবস্থানরত ইএলএন বিদ্রোহীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

বেসরকারি সংস্থাটি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে ভেনেজুেলার আপুরে রাজ্যের প্রত্যন্ত একটি এলাকায় মাটিতে পড়ে থাকা কয়েকটি মরদেহ, উপড়ে পড়া গাছ এবং বিদ্রোহীদের একটি শিবিরের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে।

তারাজোনা জানান, সংস্থাটির এক কর্মী ঘটনাস্থলের ভিডিও দেখে অন্তত নয়টি মরদেহ শনাক্ত করেছেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে এএফপির পক্ষ থেকে ভেনেজুয়েলা সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

২০১৬ সালে কলম্বিয়ার সরকার ও ফার্ক গেরিলা বাহিনীর মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে ইএলএন লাতিন আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে দুই হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এই সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্যান্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীও সক্রিয় রয়েছে, এর মধ্যে রয়েছে ফার্কের সেই বিদ্রোহী অংশগুলো, যারা ২০১৬ সালের শান্তিচুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে।

বর্তমানে এসব গোষ্ঠী মাদক পাচার, বিশেষ করে কোকেনের ব্যবসা এবং অবৈধ খনির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার সরকার অভিযোগ করে আসছিল যে, বামপন্থী ভেনেজুয়েলা কলম্বিয়ার বিদ্রোহীদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়ে আসছে।

তবে মাদুরো ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বর্তমানে ভেনেজুয়েলা ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। দেশটির বিপুল তেলসম্পদ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।

মানবাধিকারকর্মী ও সামরিক বিষয়ক বিশেষজ্ঞ রোসিও সান মিগেল জানান, শুক্রবারের সেনা হামলার খবর স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথম জানান। তাদের ধারণা, ওই হামলায় ইএলএনের আরও অন্তত ১০ জন যোদ্ধা নিহত হয়ে থাকতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
শাপলা চত্বর গণহত্যা

শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, ৪১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আজ শুনানি করবে। গত ৭ অক্টোবর এ শুনানির দিন ধার্য ছিল, তবে আসামিপক্ষের সময় আবেদনের কারণে তা পিছিয়ে আজকের তারিখ নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় গ্রেফতার ১১ আসামির মধ্যে রয়েছেন—জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাংবাদিক ফারজানা রুপা।

আজ সকালে হাসানুল হক ইনু, দীপু মনি ও শামসুল হক টুকুসহ গ্রেফতার ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অসুস্থতার কারণে সাবেক আইজিপি শহীদুল হককে আদালতে আনা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, আসামি জিয়াউল আহসান ভার্চুয়ালি হাজিরা দেবেন।

এ মামলার অন্য ৩০ আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এবং সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া অন্তর্ভুক্ত।

পলাতক আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন—তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং তৎকালীন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান।

এ ছাড়া সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, মাহবুব হোসেন ও মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি মো. আনোয়ার হোসেন ও আশরাফুজ্জামান, এডিসি এসএম মেহেদী হাসান ও মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, বিপ্লব কুমার সরকার ও সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ওসি বিএম ফরমান আলীও এ মামলার পলাতক আসামি।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রসিকিউশনের কাছে নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) দাখিল করেন, জানিয়ে যে তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত সময়ে আত্মসমর্পণ না করায় ওই ৩০ জনকে পলাতক ঘোষণা করে তাদের পক্ষে সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ৪১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং কারাগারে থাকা আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে পরদিন ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালাপাগোসে ভারী বৃষ্টিতে একজনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


গালাপাগোসে ভারী বৃষ্টিতে একজনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের ইকুয়েডরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যা শনিবার জানানো হয়েছে।

এটি এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির কারণে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানায়।

সান্তা ক্রুজ দ্বীপের মেয়র ফ্যানি উরিবে এএফপিকে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা সান্তা ক্রুজে আগে কখনো ঘটেনি। আমরা কখনোই ভাবিনি যে এমন কিছু ঘটতে পারে। এটি ছিল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা আমাদের সব ধারণা ছাড়িয়ে গেছে।’

দ্বীপটির সবচেয়ে জনবহুল সান্তা ক্রুজের বাসিন্দাদের মালামাল নিরাপদ স্থানে সরাতে দেখা গেছে। জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ ৯১১ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত ছবিতে এই দৃশ্য দেখা যায়।

সান্তা ক্রুজ পৌরসভার প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার পরিবার এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উরিবে বলেন, ‘তারা সবকিছু হারিয়েছেন। পরনের কাপড় ছাড়া তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

ইসিইউ ৯১১ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুজন।

গালাপাগোস ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষ সান্তা ক্রুজ দ্বীপের চারটি এবং সান ক্রিস্টোবাল দ্বীপের দুটি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে।

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে মোট ২৮ হাজার ৫০০ মানুষের বসবাস রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলে ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠনে ৪ শর্ত উত্থাপন করলেন আইজেনকোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


ইসরাইলে ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠনে ৪ শর্ত উত্থাপন করলেন আইজেনকোট

ইসরাইলের বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট নতুন সরকার গঠনের জন্য চারটি শর্ত উত্থাপন করেছেন। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং গাজায় সংগঠনটির সামরিক ও শাসনক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি এসব শর্ত প্রদান করেছেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইয়াশার পার্টির নেতা আইজেনকোট উল্লেখ করেন, তার ঘোষিত নীতিমালার ভিত্তিতে সম্মত যেকোনো নির্বাচিত আইনপ্রণেতার সঙ্গে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এই নীতিমালার ভিত্তিতে একটি বৃহত্তর ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

আইজেনকোটের উত্থাপিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসরাইলকে ‘ইহুদি, গণতান্ত্রিক, উদার ও সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং সকল নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক অথবা বেসামরিক জাতীয় সেবা চালু করা।

তিনি বলেন, ‘যারা এসব নীতি অনুসরণ করবেন, তাদের জন্য দরজা খোলা।’ একই সঙ্গে নতুন নির্বাচন এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সংকট এড়াতে ‘অসাধারণ প্রচেষ্টা’ চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

আইজেনকোট সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্রুত কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সংকল্প ব্যক্ত করেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে সংঘটিত হামলা এবং তা প্রতিরোধে ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি নেতানিয়াহু প্রশাসনকে ‘৭ অক্টোবরের সরকার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তার দাবি, ইসরাইলের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার বিদায়ী সরকার এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় অনীহার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বিদায়ী সরকারের তুলনায় পাঁচ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

আইজেনকোট আরও জানান, ক্ষমতায় গেলে ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা তদন্তের জন্য রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সকল ইসরাইলির জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা চালু এবং বিদায়ী সরকারের পাস করা বিতর্কিত বিচার বিভাগীয় সংস্কার আইন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%