ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং
শাপলা চত্বর গণহত্যা

শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ


শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে।

আজ রোববার (১ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, ৪১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আজ শুনানি করবে। গত ৭ অক্টোবর এ শুনানির দিন ধার্য ছিল, তবে আসামিপক্ষের সময় আবেদনের কারণে তা পিছিয়ে আজকের তারিখ নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।

আরও পড়ুন: ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর মনোনীত

মামলায় গ্রেফতার ১১ আসামির মধ্যে রয়েছেন—জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, তৎকালীন খাদ্যমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বাবু এবং সাংবাদিক ফারজানা রুপা।

আজ সকালে হাসানুল হক ইনু, দীপু মনি ও শামসুল হক টুকুসহ গ্রেফতার ৯ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। অসুস্থতার কারণে সাবেক আইজিপি শহীদুল হককে আদালতে আনা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে, আসামি জিয়াউল আহসান ভার্চুয়ালি হাজিরা দেবেন।

এ মামলার অন্য ৩০ আসামি পলাতক রয়েছে। তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, তৎকালীন তথ্যমন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এবং সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া অন্তর্ভুক্ত।

পলাতক আসামিদের তালিকায় আরও রয়েছেন—তৎকালীন যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন মাহমুদ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ও মুখপাত্র ডা. ইমরান এইচ সরকার, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী ও বেনজীর আহমেদ, তৎকালীন র‍্যাব মহাপরিচালক মো. মোখলেছুর রহমান, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ এবং তৎকালীন র‍্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মজিবুর রহমান।

আরও পড়ুন: ঢাকাসহ ১৩ সিটি করপোরেশনে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু, ফি ৮-১০ হাজার টাকা

এ ছাড়া সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি শেখ মুহাম্মাদ মারুফ হাসান, মাহবুব হোসেন ও মনিরুল ইসলাম, তৎকালীন ডিএমপির ডিসি মো. আনোয়ার হোসেন ও আশরাফুজ্জামান, এডিসি এসএম মেহেদী হাসান ও মো. আসাদুজ্জামান, সাবেক ডিআইজি হারুন-অর-রশীদ, বিপ্লব কুমার সরকার ও সৈয়দ নুরুল ইসলাম, অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএম শিবলী নোমান এবং তৎকালীন মতিঝিল থানার ওসি বিএম ফরমান আলীও এ মামলার পলাতক আসামি।

এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর শেখ হাসিনাসহ ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রসিকিউশনের কাছে নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট (এনইআর) দাখিল করেন, জানিয়ে যে তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় খোঁজ করেও পাওয়া যায়নি। পরে ১৬ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত সময়ে আত্মসমর্পণ না করায় ওই ৩০ জনকে পলাতক ঘোষণা করে তাদের পক্ষে সরকারি খরচে আইনজীবী নিয়োগের নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে গত ২৭ জুলাই ৪১ আসামির বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং কারাগারে থাকা আসামিদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে পরদিন ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই আজ আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন: চলতি বছরে উচ্চশিক্ষায় ফাঁকা থাকবে সাড়ে আট লাখ আসন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গালাপাগোসে ভারী বৃষ্টিতে একজনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


গালাপাগোসে ভারী বৃষ্টিতে একজনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের ইকুয়েডরে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় হাজার হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যা শনিবার জানানো হয়েছে।

এটি এল নিনো আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টির কারণে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।

কুইটো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য জানায়।

সান্তা ক্রুজ দ্বীপের মেয়র ফ্যানি উরিবে এএফপিকে বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা সান্তা ক্রুজে আগে কখনো ঘটেনি। আমরা কখনোই ভাবিনি যে এমন কিছু ঘটতে পারে। এটি ছিল একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা আমাদের সব ধারণা ছাড়িয়ে গেছে।’

দ্বীপটির সবচেয়ে জনবহুল সান্তা ক্রুজের বাসিন্দাদের মালামাল নিরাপদ স্থানে সরাতে দেখা গেছে। জরুরি সেবা সংস্থা ইসিইউ ৯১১ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রকাশিত ছবিতে এই দৃশ্য দেখা যায়।

সান্তা ক্রুজ পৌরসভার প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার পরিবার এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উরিবে বলেন, ‘তারা সবকিছু হারিয়েছেন। পরনের কাপড় ছাড়া তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।’

ইসিইউ ৯১১ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, এ পর্যন্ত একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও দুজন।

গালাপাগোস ন্যাশনাল পার্ক কর্তৃপক্ষ সান্তা ক্রুজ দ্বীপের চারটি এবং সান ক্রিস্টোবাল দ্বীপের দুটি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে।

গালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জে মোট ২৮ হাজার ৫০০ মানুষের বসবাস রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসরাইলে ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠনে ৪ শর্ত উত্থাপন করলেন আইজেনকোট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


ইসরাইলে ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠনে ৪ শর্ত উত্থাপন করলেন আইজেনকোট

ইসরাইলের বিরোধীদলীয় নেতা গাদি আইজেনকোট নতুন সরকার গঠনের জন্য চারটি শর্ত উত্থাপন করেছেন। এই শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে হামাসকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং গাজায় সংগঠনটির সামরিক ও শাসনক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করার প্রতিশ্রুতি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি এসব শর্ত প্রদান করেছেন।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইয়াশার পার্টির নেতা আইজেনকোট উল্লেখ করেন, তার ঘোষিত নীতিমালার ভিত্তিতে সম্মত যেকোনো নির্বাচিত আইনপ্রণেতার সঙ্গে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। এই নীতিমালার ভিত্তিতে একটি বৃহত্তর ‘জায়নবাদী সরকার’ গঠন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।

আইজেনকোটের উত্থাপিত শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইসরাইলকে ‘ইহুদি, গণতান্ত্রিক, উদার ও সমতাভিত্তিক রাষ্ট্র’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া, দেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে উল্লেখিত মূল্যবোধ রক্ষা করা এবং সকল নাগরিকের জন্য বাধ্যতামূলক সামরিক অথবা বেসামরিক জাতীয় সেবা চালু করা।

তিনি বলেন, ‘যারা এসব নীতি অনুসরণ করবেন, তাদের জন্য দরজা খোলা।’ একই সঙ্গে নতুন নির্বাচন এবং দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক সংকট এড়াতে ‘অসাধারণ প্রচেষ্টা’ চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

আইজেনকোট সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দ্রুত কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর সংকল্প ব্যক্ত করেন। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে সংঘটিত হামলা এবং তা প্রতিরোধে ব্যর্থতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি নেতানিয়াহু প্রশাসনকে ‘৭ অক্টোবরের সরকার’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তার দাবি, ইসরাইলের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটার বিদায়ী সরকার এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সেবায় অনীহার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে বিদায়ী সরকারের তুলনায় পাঁচ লাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

আইজেনকোট আরও জানান, ক্ষমতায় গেলে ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতা তদন্তের জন্য রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সকল ইসরাইলির জন্য বাধ্যতামূলক জাতীয় সেবা চালু এবং বিদায়ী সরকারের পাস করা বিতর্কিত বিচার বিভাগীয় সংস্কার আইন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সূত্র: মিডল ইস্ট আই

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিয়া উদ্যান বদলে যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে উন্নয়ন প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


জিয়া উদ্যান বদলে যাচ্ছে, ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে উন্নয়ন প্রকল্প

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানের পরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার স্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিসৌধ এলাকায় দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্যানের উন্নয়নে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য একাধিক পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণের কাজ চলছে। বিশুদ্ধ পানির জন্য সেখানে গভীর নলকূপ এবং পাইপলাইন স্থাপন করা হচ্ছে। ক্রিসেন্ট লেকের অকেজো ফোয়ারা নতুন রূপ পাচ্ছে। পুকুরপাড়ে নতুন ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। লেকের গাইড ওয়াল এবং ব্রিজের স্টিল ফ্রেমে রঙ করার কাজও চলছে। অডিটরিয়াম ও জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারকাজও দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হচ্ছে। সমাধির মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণসহ উদ্যান ও প্রাঙ্গণের সৌন্দর্যবর্ধন এবং সংস্কারকাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

এ প্রকল্পটি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কাজ সম্পন্ন হলে পুরো জিয়া উদ্যান এলাকা আবারও ঝলমলে হয়ে উঠবে।

১৯৮১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে নিহত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করা হয়। ১৯৯২ সালে এই স্থানটির নামকরণ করা হয় জিয়া উদ্যান। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার এসে নাম পরিবর্তন করে চন্দ্রিমা উদ্যানে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এসে আবার নাম পরিবর্তন করে জিয়া উদ্যান রাখে। ২০০২ সালে সেখানে মাজার কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বিএনপি। পরবর্তীতে লেক ও ফোয়ারার সৌন্দর্যবর্ধন করে বিএনপি। ২০১০ সালের ৩ মার্চ আওয়ামী লীগ সরকার আবার নাম পরিবর্তন করে চন্দ্রিমা উদ্যানে। বিগত ১৫ বছর আওয়ামী লীগ শাসনামলে এই উদ্যানটি ছিল চরম অযত্ন এবং অবহেলিত। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে উদ্যানটির নাম চন্দ্রিমা থেকে পরিবর্তন করে জিয়া উদ্যান করা হয়, এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের নজরও পড়ে। বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর এখানে সমাহিত করার পর উদ্যানটির গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত ও সুপারিশ বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সমাধিসৌধের মূল অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন বাজেটের আওতায় জিয়া উদ্যান ও সমাধিস্থল এলাকায় প্রায় ১৫ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৫৯৪ টাকা ব্যয়ে ২১টি পৃথক ক্যাটাগরিতে সংস্কার ও উন্নয়নমূলক কাজ শুরু হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির প্রতিবেদনে যুক্ত কার্যবিবরণী ও প্রকল্পের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৩ কোটি ২ লাখ ৭ হাজার ১৮৮ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ ও গ্রন্থাগারের সিভিল ও ইলেকট্রিক্যাল কাজ এবং ফার্নিচার কেনার কাজ চলছে। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সংস্কার, ফ্লোরের মার্বেল পলিশ, উইং ওয়ালের গ্র্যানাইট, ক্যালিগ্রাফি প্রতিস্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য ২ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার ৯১০ টাকা বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্যানের ক্রিসেন্ট লেকের অকেজো ফোয়ারা সংস্কারের কাজে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৩৪ হাজার ৫৫০ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি লেকের গাইড ওয়াল মেরামত, ফ্লাশ পায়েন্টিং, নিচের তলার সলিং মেরামতসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬২ টাকা। ক্রিসেন্ট লেকের ওপর বিদ্যমান সেতুর ওয়ালে ওয়াটার পেপিলেন্ট ভাঙা মার্বেল নবায়ন, স্টিল ফ্রেমে রঙ করাসহ আনুষঙ্গিক সংস্কারে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ৫ হাজার ৪০৬ টাকা। এ ছাড়া ক্রিসেন্ট লেকের দক্ষিণ পাশে ফুটপাতে (সি রোড) ইটের গাঁথুনি দিয়ে বেষ্টনী নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যয় হচ্ছে ৩৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৫ টাকা।

জিয়া উদ্যানের অভ্যন্তরে ১ কোটি ২৬ লাখ ৯ হাজার ৪৮৩ টাকা ব্যয়ে ১৫০ মিমি ও ২৫০ মিমি ব্যাসের দুটি গভীর নলকূপ স্থাপন (সিংকিসহ), ৩৮ মিমি ব্যাসের টেস্ট ও অবজারভেশন ওয়েল নির্মাণ এবং ২০ এইচপি সাবমার্সিবল পাম্প মোটর সেট সরবরাহ ও স্থাপন এবং বহিঃস্থ পানি সরবরাহ পাইপলাইন তৈরি করা হচ্ছে।

এ ছাড়া জিয়া উদ্যানের পূর্ব কোণে মেট্রো স্টেশনসংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫ টাকা ব্যয়ে এবং উদ্যানের পশ্চিম পাশে পাম্পহাউজ-সংলগ্ন খালি জায়গায় ৪৭ লাখ ৬৫ হাজার ৩৬৪ টাকা ব্যয়ে নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পাবলিক টয়লেট ব্লক নির্মাণকাজ চলছে।

৭৫ লাখ ৩ হাজার ৩৫০ টাকা ব্যয়ে মসজিদ থেকে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত নতুন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা হচ্ছে উদ্যানের উত্তর পাশে। ৫৩ লাখ ৪৭ হাজার ১১৯ টাকা ব্যয়ে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্টেজ লাইট ও সাউন্ড সিস্টেম সরবরাহ এবং ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ২৩৩ টাকা ব্যয়ে অডিটরিয়ামে এলইডি স্ক্রিন স্থাপন কাজ চলমান।

২৬ লাখ ৭৫ হাজার ৪৫৩ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে ১০০ কেভিএ ইমার্জেন্সি জেনারেটর সরবরাহ ও আনুষঙ্গিক কাজ করা হচ্ছে। সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদ, অডিটরিয়াম, জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, আর্কাইভ, পাঠাগারসহ অন্যান্য স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে ২৮ লাখ ২৭ হাজার ১৬৮ টাকা ব্যয়ে।

জিয়া উদ্যান মেমোরিয়াল হলের ফার্নিচার ক্রয় ও স্থাপন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৭২ লাখ ৮৫ হাজার ২৩৬ টাকা। সমাধিস্থলে অবস্থিত ৪০০ কেভিএ সাবস্টেশন মেরামত কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৯ লাখ ৩৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।

মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স ভবনের টয়লেট ব্লকগুলোর টাইলস ও স্যানিটারি ফিটিংস নবায়নে ব্যয় হচ্ছে ৪৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬১ টাকা। ৬৪ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৭ টাকা বাজেটে উদ্যানের ভেতরে পুকুরপাড়ে ওয়াকওয়ে নির্মাণকাজের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

৩৫ লাখ ৫২১ হাজার ৯৭৭ টাকা ব্যয়ে সমাধিস্থলে অবস্থিত অডিটরিয়ামে স্ট্রিট টাইপ এসি সরবরাহ ও স্থাপনকাজ চলমান। উদ্যানের আরবি কালচার ও ল্যান্ডস্কেপিং উন্নয়ন কাজে ২১ লাখ ৬৯ হাজার ২১৭ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এ ছাড়া সমাধিস্থলে অবস্থিত মসজিদের প্রয়োজনীয় সিভিল ও বৈদ্যুতিক কাজে ৪৭ লাখ ৮ হাজার ৮৮৬ টাকার দরপত্র প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

সংসদীয় স্থায়ী কমিটির কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জিয়া উদ্যান ও সমাধি প্রাঙ্গণকে পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক রূপে গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন গণপূর্ত অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া উদ্যান এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলের পুনঃসংস্কারকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। উদ্যানে আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে সেখানে নানা কিছু যোগ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এসব কাজের বড় অংশগুলো শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি থেকে আরএসএফকে অস্ত্র সরবরাহ: সুদানের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫৯ এম


ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি থেকে আরএসএফকে অস্ত্র সরবরাহ: সুদানের অভিযোগ

সুদানের সরকার অভিযোগ করেছে যে, র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) নামক আধাসামরিক বাহিনীকে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করতে এবং বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের সুদানে প্রবেশে সহায়তা করতে ইথিওপিয়া তাদের একটি সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করছে।

শনিবার সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পশ্চিম ইথিওপিয়ার আসোসা সামরিক ঘাঁটি বর্তমানে বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের জন্য অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের সুদানে প্রবেশের পথও তৈরি করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে ইথিওপিয়া বা আরএসএফের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে আদ্দিস আবাবা পূর্বে আধাসামরিক বাহিনীটিকে সহায়তা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং নিজেদের ভূখণ্ড থেকে ড্রোন হামলা চালানোর সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও নাকচ করেছে। দেশটি জানিয়েছে, তারা সুদানের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

সুদানের পূর্বাঞ্চলীয় শহর পোর্ট সুদানে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি মুআবিয়া ওসমান খালিদ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘পশ্চিম ইথিওপিয়ার আসোসা ঘাঁটি বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের অস্ত্র ও সরঞ্জাম সরবরাহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিদেশি যোদ্ধা ও ভাড়াটে সেনাদের যাতায়াতেও সহায়তা করা হচ্ছে।’

খালিদ আরও বলেন, ‘গুরুতর বিষয় হলো, সুদানে ড্রোন হামলা চালানোর জন্য ইথিওপিয়ার সামরিক ঘাঁটি ও ভূখণ্ডকে উৎক্ষেপণস্থল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ সুদানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এ তথ্য জানায়।

তিনি আরও জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এসব হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, পানির স্থাপনাসমূহ, স্কুল, হাসপাতাল ও জ্বালানি স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও স্থাপনা রয়েছে। এসব হামলায় শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন।

সুদানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি বলেন, ইথিওপিয়া থেকে আসা ‘নৃশংস আগ্রাসন’ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে সুদানে নিযুক্ত কূটনৈতিক মিশনগুলোকে তাদের দায়িত্ব পালনে আহ্বান জানানোই বৈঠকের উদ্দেশ্য।

এর আগে সুদান চলমান যুদ্ধে ২০টিরও বেশি দেশের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলে।

খালিদ বলেন, সুদান সরকার বিভিন্ন কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে উত্তেজনা কমানো এবং সুদান-ইথিওপিয়া সম্পর্কের ভারসাম্যহীনতা দূর করার চেষ্টা করছে। তবে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, কোনো আগ্রাসনের শিকার রাষ্ট্র হিসেবে যেকোনো হামলার জবাব দেওয়ার পূর্ণ অধিকার সুদানের রয়েছে।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকেরা সুদানের ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি তাদের দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা যুদ্ধের অবসান এবং স্বাভাবিক জীবন ফিরে না আসা পর্যন্ত সুদানের জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এর আগে বুধবার খালিদ অভিযোগ করেছিলেন, ইথিওপিয়া সুদানের বিরুদ্ধে ‘আগ্রাসন অব্যাহত রেখেছে’ এবং দেশটির কর্মকাণ্ড ‘বিপজ্জনক পর্যায়ে’ পৌঁছেছে।

সোমবার থেকে শুরু হওয়া ড্রোন হামলায় সুদানের খার্তুম রাজ্যের ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত দেশটির রাজধানী খার্তুম। এ ছাড়া মধ্য সুদানের আল-জাজিরা এবং পূর্বাঞ্চলের সেনার ও আল-কাদারিফ রাজ্যেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনী আরএসএফের মধ্যে সংঘাত চলছে। আধাসামরিক বাহিনীটিকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত করার প্রক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের জেরে এ সংঘাত শুরু হয়।

জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং দেশজুড়ে দুর্ভিক্ষ ও মানবিক সংকট আরো তীব্র হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%