ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর


ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা, ২২ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনতে সরকারের পক্ষ থেকে ‘ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্ম’ চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রাথমিকভাবে দেশের কিছু জেলায় পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এই প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ শনিবার, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্য খাতে সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার সম্পর্কিত একটি সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সহযোগিতায় ক্যান্সারের লড়াইয়ে জয়ী শিশু নিশা

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের সম্ভাব্য কাঠামো, পরিচালনার পদ্ধতি এবং স্বাস্থ্যসেবায় এর ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে কয়েকটি জেলায় পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটির কার্যকারিতা, সম্ভাব্য সমস্যা, ব্যয় এবং বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করা হবে।

পাইলট প্রকল্পের অভিজ্ঞতা ও ফলাফল পর্যালোচনার পর পর্যায়ক্রমে এর পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: কানাইঘাট-জৈন্তাপুর সীমান্তে ৪২ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবায় তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গভীরভাবে গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি বলেন, এই সমন্বিত ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তোলা উচিত, যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই এর সুফল পায় এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া অনেক বেশি সহজ হয়।

তিনি রোগীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য তথ্যের সুরক্ষিত সংরক্ষণ এবং প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের কাছে তা সহজে পাওয়ার ব্যবস্থা রাখার উপরও জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্ল্যাটফর্ম তৈরির ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: মক্তবে ১০ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের দায়ে ইমামের ৭ বছরের কারাদণ্ড

একই সঙ্গে এটি যেন সবার জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য, ব্যয়সাশ্রয়ী এবং দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনাযোগ্য হয়, সেই বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে।

পাইলট প্রকল্পের ফলাফল যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় ন্যাশনাল ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে প্রকৌশলী জাকারিয়া স্বপন একটি উপস্থাপনা দেন।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার ও ড. শাকিরুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সচিব মো. মামুনুর রশীদসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: রিজভী: সমবায় আন্দোলনকে আরো তীব্র ও বেগবান করার আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জহুরার জীবনে সন্ধ্যা নেমেছে, আশ্রয় মেলেনি এখনো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি,

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


জহুরার জীবনে সন্ধ্যা নেমেছে, আশ্রয় মেলেনি এখনো

স্বামী নেই, সন্তান নেই। নেই নিজের কোনো ঘর কিংবা নিরাপদ আশ্রয়। অসুস্থ শরীর নিয়ে জীবনের শেষ প্রান্তে এসে, ৭৫ বছর বয়সী জহুরা বেগমের ঠিকানা এখন খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের বেতছড়ির একটি জরাজীর্ণ যাত্রীছাউনি। কখনো খাবার জোটে, কখনো জোটে না—চিকিৎসা ও দেখভালেরও নেই স্থায়ী ব্যবস্থা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একসময় স্বামী-সন্তান নিয়ে সংসার ছিল জহুরার। প্রায় তিন দশক আগে স্বামী মারা যান। এরপর এক ছেলে ও এক মেয়েকেও হারান তিনি। সন্তানদের মৃত্যুর পর একাকী হয়ে পড়েন জহুরা। তখন থেকেই স্বজনদের আশ্রয়ে কোনোভাবে জীবন কাটিয়ে আসছেন তিনি।

গত কয়েক বছরে এক আশ্রয় থেকে আরেক আশ্রয়ে ঘুরেছেন এই বৃদ্ধা। প্রায় দুই বছর আগে বেতছড়ির আলম মিয়ার বাড়িতে আশ্রয় নেন। কিন্তু আলম মিয়া বর্তমানে এলাকায় না থাকায়, সেই আশ্রয়ও আর স্থায়ী হয়নি। অন্য এক স্বজন থাকলেও তিনিও অসুস্থ। ফলে জহুরার দেখভালের দায়িত্ব নেওয়ার মতো কার্যত কেউ নেই।

সম্প্রতি অসুস্থ হয়ে পড়লে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন জহুরা। হাসপাতাল থেকে ফেরার পর, বেতছড়ির এক বাসিন্দার বাড়িতে প্রায় দুই মাস ছিলেন। পরে সেখান থেকেও সরে যেতে হলে, শেষ পর্যন্ত আশ্রয় নেন স্থানীয় একটি পুরোনো যাত্রীছাউনিতে।

সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীছাউনিটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ছাদ ও কাঠামোর বিভিন্ন অংশ জরাজীর্ণ। বৃষ্টি হলে ভেতরে পানি পড়ে। এমন অনিরাপদ পরিবেশেই অসুস্থ শরীর নিয়ে রাত-দিন কাটছে জহুরার।

যাত্রীছাউনির পাশে পড়ে থাকা একটি হুইলচেয়ারও চোখে পড়ে। স্থানীয়রা বলছেন, বয়স ও অসুস্থতার কারণে জহুরার স্বাভাবিক চলাফেরা কঠিন হয়ে পড়েছে। অথচ নিরাপদ একটি ঘর, নিয়মিত খাবার ও চিকিৎসার মতো মৌলিক প্রয়োজনগুলোও তাঁর জীবনে অনিশ্চিত।

স্থানীয় বাসিন্দা সালমান বলেন, “জহুরার নিজের কোনো জায়গা-জমি বা ঘর নেই। বয়সের কারণে তিনি এখন অনেকটাই অসহায়। এভাবে যাত্রীছাউনিতে পড়ে থাকা তাঁর জন্য খুবই কষ্টকর। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অন্তত শেষ বয়সে তিনি নিরাপদে থাকতে পারবেন।”

অসহায় জহুরা বেগম বলেন, “বয়স হয়ে গেছে, শরীরও ভালো না। নিজের বলতে কেউ নেই। থাকার জন্য একটা ছোট ঘর আর দুবেলা খাবারের ব্যবস্থা হলে শেষ বয়সটা একটু শান্তিতে কাটাতে পারতাম।”

স্থানীয়দের ভাষ্য, একজন বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের এমন অবস্থায় দিন কাটানো মানবিকভাবে অত্যন্ত কষ্টদায়ক। তাঁরা জহুরাকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত খাবার, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

তাদের মতে, সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষরাও এগিয়ে এলে জহুরার জীবনের শেষ দিনগুলো কিছুটা স্বস্তিতে কাটতে পারে।

একসময় স্বামী-সন্তানের সংসার ছিল, আর এখন ভাঙা যাত্রীছাউনিই তাঁর ঠিকানা। জীবনের শেষ অধ্যায়ে এসে জহুরার একটাই চাওয়া—নিরাপদে মাথা গোঁজার একটু জায়গা ও দুবেলা খাবারের নিশ্চয়তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংস্কারের দুই মাসেই বেহাল ৮ কোটি টাকার সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৭ পি.এম


সংস্কারের দুই মাসেই বেহাল ৮ কোটি টাকার সড়ক

সংস্কারের মাত্র দুই মাসের মধ্যেই নোয়াখালীর চাটখিল-খিলপাড়া সড়ক বেহাল হয়ে পড়েছে। ঠিক তার আগেই সড়কটির সংস্কারকাজ হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগে এখনও কাজটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এদিকে সড়কটি সবদিক থেকে বেহাল হয়ে পড়েছে। সড়কজুড়ে অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে। নিম্নমানের বিটুমিন যুক্ত পাথরের কারণে নানা সমস্যা দেখা দিয়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের পাশের অংশ ধসে পড়েছে।

নোয়াখালী একটি জায়গায় আট কোটি টাকা খরচে সম্প্রতি সংস্কার করা চাটখিল-খিলপাড়া সড়কের অবস্থা এমন হয়ে গেছে যে, এ দিয়ে চলাচলকারী মানুষজন ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় এক দশক ধরে চাটখিল-খিলপাড়া সড়কটি ব্যবহার অযোগ্য ছিল, যার কারণে তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা ছিল যে, একটি ভাল মানের সড়ক নির্মাণ হবে, কিন্তু সেই আশা হতাশায় পরিণত হয়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের চাটখিল উপজেলা প্রকৌশলীর অফিস সূত্রে জানা গেছে, সড়কের সাত কিলোমিটার অংশে সংস্কারের কাজটি পান ঠিকাদার মোরশেদ আলম, যার জন্য বরাদ্দ ছিল সাত কোটি ৭৬ লাখ টাকা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদার সিডিউল অনুযায়ী কাজ করেননি এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেছেন। এই কারণে মাত্র দুই মাসের মধ্যে সড়কটি বেহাল হয়ে গিয়েছে। সঠিক সময়ে সুরক্ষা দেয়াল নির্মাণও হয়নি। বিটুমিনের পরিমাণে কম এবং নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।

সম্প্রতি সরজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সড়কের অনেক জায়গায় ফেটে গেছে এবং নিম্নমানের বিটুমিনযুক্ত পাথর উঠে আসছে। অন্তত ১০টি জায়গায় সড়ক ধসে পড়েছে। কার্যাদেশ অনুসারে বিটুমিনের পাথরের ৪০ মিলিমিটার ঢালাইয়ের জায়গায় দেওয়া হয়েছে ২৫ থেকে ৩০ মিলিমিটার। নির্মাণের পর থেকেই গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক স্থানে পুনরায় বালি ও পাথর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। সড়কের পাশের ধসে পড়া অংশগুলো বালুর বস্তা ও কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে।

ছয়ানী টবগা গ্রামের কফিল উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূর থেকে বিটুমিন পাথর এনে এখানে কাজ করা হয়েছে। নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করার কারণেই সড়কটি সমস্যায় পড়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা সড়ক পুনর্নির্মাণ এবং সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাই।'

অটোরিকশাচালক হান্নান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই ভাঙা সড়ক নিয়ে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। তিনি এও জানান যে, সড়ক নির্মাণে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। তাই নির্মাণের মান, তদারকি ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন।

ঠিকাদার মোরশেদ আলম বলেন, সড়কটির কাজ এখনও শেষ হয় নি এবং সমস্যা যেসব জায়গায় দেখা দিয়েছে, সেগুলো অবশ্যই তিনি ঠিক করে দেবেন।

সড়ক ও জনপথের চাটখিল কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী আমির হোসেন বলেন, সড়কে যে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে, তা তাদের নজরে রয়েছে। বৃষ্টিপাত কমলেই এসব সমস্যার সমাধান করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম সড়কটির দূরবস্থার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, শিডিউল অনুযায়ী দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা যায়, দ্রুত কাজটি সম্পন্ন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলে শিল্প খাতের সংকট কাটবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলে শিল্প খাতের সংকট কাটবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

 

শনিবার সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) উদ্যোগে উৎপাদিত পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

তিনি সাংবাদিকদের জানান, সরকার গৃহীত ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন হলে শিল্প খাতের লোডশেডিং সংকট অনেকাংশে কাটবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট বিবেচনায় অধিক জ্বালানি-নির্ভর শিল্পের পরিবর্তে স্বল্প বিনিয়োগ ও পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে দৈনিক সাড়ে ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা সৌরশক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব, যা স্টোরেজ সুবিধার মাধ্যমে সন্ধ্যার পিক আওয়ারেও বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করতে পারে। ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়িত হলে শিল্প খাতের লোডশেডিং সংকট অনেকাংশে কাটবে। এ নিয়ে, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্লটগুলোতে গ্যাস এবং বিকল্প জ্বালানি হিসেবে রাইস হাস্ক (ধানের তুষ) ও কয়লা ব্যবহারের রূপরেখা তৈরি করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ। সরকারের লক্ষ্য এই অবদানকে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা।

এ সময়ে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেডের পরিচালক মো. বদরুজ্জামান সেলিম, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসে থাকার আর কোনো সুযোগ নেই, এখনই কাজে নামতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৬ পি.এম


বসে থাকার আর কোনো সুযোগ নেই, এখনই কাজে নামতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আমার বয়স মাত্র ৬ মাস ৫ দিন হয়েছে। তাই বসে থাকার আর কোনো সুযোগ নেই। এই ৬ মাসে আমি একটি স্ট্রাকচার দাঁড় করিয়েছি।

শনিবার (২২ আগস্ট) সাভারে ব্রাক সিডিএম সেন্টারে 'উচ্চশিক্ষা নিয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য সংলাপ' অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার বাজেট বাড়াতে চাইছেন। তিনি বলেছেন, গবেষণা ছাড়া আমাদের দেশে পড়তে আসবে কে? আমাদের গবেষণা ভুলে যাওয়ার সময় এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার জন্য যে ফান্ড দিচ্ছি সেটি নিয়ে আমাদের লজ্জিত হতে হয়।

তিনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের লোন দেয়ার জন্য একটি বিশাল বাজেট ছিল। কিন্তু গিয়ে দেখলাম, সেটি কোটি কোটি টাকার ট্রাঙ্ক আগেই চুরি হয়ে গিয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী এটি উল্লেখ করেছেন যে, কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো আপ টু দা মার্ক নয়। এগুলো বের করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় বেড়ে যাচ্ছে, তবে আমরা যদি তাদের লজিস্টিক সাপোর্ট না দিই, তাহলে বাড়ানোর উদ্দেশ্যটা কী? তবে, এই ইউনিভার্সিটিগুলো আমাদের সময়ে দেওয়া হয়নি।

শিক্ষাখাতে বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, বাজেটে শুভঙ্করের ফাঁকি ছিল। এবার ১.৩৯% থেকে ৩%-এ বাজেট বৃদ্ধি করা হয়েছে। পরের বছর হয়তো ৩.৫%, তার পরের বছর হয়তো ৪%-এ বাজেট উন্নীত হবে।

তিনি জানিয়েছেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে চলে যাচ্ছে এবং এখনকার ব্রাইট স্টুডেন্টরা শিক্ষক হতে চাচ্ছেন না। তারা বাইরে যেতে আগ্রহী। ইউজিসি থেকে কিছু আকর্ষণীয় পদক্ষেপ আনতে হবে যাতে তারা এদেশে শিক্ষক হতে ইচ্ছুক হয়।

পিএইচডি গবেষণা শুধুমাত্র প্রাইভেট নয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও করতে হবে। এমন কাঠামো তৈরি করার ব্যাপারে মন্ত্রী গুরুত্বারোপ করেছেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের নিজ নিজ এরিয়ায় কাজ করছে। ইউজিসিকে চিন্তা করতে হবে যে, পিএইচডি গবেষণা শুধু প্রাইভেট নয়, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও প্রয়োজন। ওইরকম ফরম্যাট তৈরি করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%