ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নওগাঁর এমপির দাবি, জানালেন প্রয়োজনীয় উদ্যোগের কথা


শিক্ষামন্ত্রীর কাছে নওগাঁর এমপির দাবি, জানালেন প্রয়োজনীয় উদ্যোগের কথা

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় সফরকালে, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে নওগাঁ-৪ (মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু এমপিও বঞ্চিত যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করার জন্য জোর দাবি জানান।

শনিবার (১৮ জুলাই) রাজশাহী থেকে সড়কপথে মান্দা হয়ে নওগাঁ জেলা শহরে যাওয়ার পথে, ফেরিঘাট এলাকায় শিক্ষামন্ত্রীকে দেওয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি টিপু এই দাবি তুলে ধরেন।

শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশে বক্তব্য রাখার সময়, সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু বলেন, "মান্দা উপজেলাটি মোট ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এবং এটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও জনবহুল একটি এলাকা। অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী নওগাঁ-১ আসন মাত্র ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি উপজেলায় গড়ে মাত্র ৬ থেকে ৮টি করে ইউনিয়ন রয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যদি তারা প্রতিটি উপজেলায় ৩টি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্তির সুযোগ পায়, তবে ১৪ ইউনিয়নের এই বিশাল মান্দা উপজেলার জন্য মাত্র ৩টি প্রতিষ্ঠান কোনো ভাবেই পর্যাপ্ত নয়। সেই হিসেবে, জনসংখ্যার অনুপাতে মান্দা উপজেলার অন্তত ৯টি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়া উচিত।"

আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা

তিনি বলেন, "গত ১৭-১৮ বছরে এলাকার সাধারণ মানুষ ও শিক্ষানুরাগীরা নিজেদের কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে শিক্ষার প্রসারে অসংখ্য মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। কিন্তু নানা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলো এখনও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। বর্তমানে, শিক্ষানীতি ও এমপিও নীতিমালার সংস্কার চলমান থাকায়, তিনি শর্ত কিছুটা শিথিল করে হলেও যোগ্যতার ভিত্তিতে মান্দার বঞ্চিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত এমপিওভুক্ত করার আহ্বান জানান।

এমপি টিপুর এই দাবির প্রেক্ষিতে, অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, "বর্তমান সরকার শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদন ও প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

এর আগে সকাল থেকেই শিক্ষামন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মান্দা উপজেলার প্রবেশদ্বার ফেরিঘাট এলাকায় হাজারো নেতাকর্মী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের সমাগম ঘটে। পরে মান্দাবাসীর পক্ষ থেকে শিক্ষামন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাহিদ রানার ইনজুরি: চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যা জানা গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৮ এম


নাহিদ রানার ইনজুরি: চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে যা জানা গেছে

 

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশ জিতে সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরেছে। কিন্তু টাইগার শিবিরে স্বস্তির বদলে উদ্বেগ রয়েছে। কারণ, টাইগার পেসার নাহিদ রানা ইনজুরির শঙ্কায় আছেন।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) তিনি মাত্র ২.৩ ওভার বোলিং করার পর একটি চোটের কারণে মাঠ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

ম্যাচ শেষে নাহিদকে নিয়ে কোনো সুখবর পাওয়া যায়নি। জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম বলেছেন, "নাহিদ পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তিনি বোলিং শেষ করতে পারেননি।" বায়েজিদ আরও জানান, "আজকের (গতকাল) খেলায় নাহিদ লেফট সাইড স্ট্রেইনের কথা জানিয়েছে। তাই আমরা তাকে আর বল করতে দিইনি। আগামীকাল পর্যন্ত তাকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। আমার মনে হচ্ছে তার সাইড স্ট্রেইন হয়েছে। কাল সকালের পর আমরা সিদ্ধান্ত নেব স্ক্যান করব কি করব না।"

এদিকে নাহিদ রানা ২.৩ ওভার বল করে ১৫ রান খরচায় ব্রায়ান বেনেটের উইকেট শিকার করেন। আগের ম্যাচে তিনি মাত্র ২৬ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সচলে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ : সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা সচলে দ্রুত সংস্কারের নির্দেশ : সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রতিক টানা বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও মহাসড়ক দ্রুত সংস্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্যোগের কারণে কোনো অবস্থাতেই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা দীর্ঘ সময় এভাবে ব্যাহত হতে দেওয়া হবে না। জনগণের দুর্ভোগ কমানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে এই ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে মেরামত করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ের সড়ক মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক অবকাঠামোর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও সড়কের কার্পেটিং উঠে গেছে, কোথাও সড়কের কিনারা ধসে পড়েছে, আবার কোথাও কালভার্ট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়েছে। ইতোমধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের তালিকা প্রস্তুত করতে, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করতে এবং জরুরি ভিত্তিতে সংস্কারকাজ শুরু করতে।

তিনি জানান, প্রাথমিক মূল্যায়নে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রায় ২১২ কিলোমিটার সড়ক বিভিন্ন মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। কোথাও বন্যার তীব্র স্রোতে সড়কের অংশ ভেঙে গেছে, কোথাও দীর্ঘ সময় পানি জমে থাকায় বিটুমিনাস স্তর নষ্ট হয়েছে। আবার কিছু স্থানে সড়কের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, রপ্তানি-আমদানি কার্যক্রম এবং শিল্পাঞ্চলের কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য এ অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত ২১২ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও প্রধান প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে বিশেষ তদারকি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রথম ধাপে যেসব সড়ক দিয়ে জরুরি পণ্য, খাদ্যশস্য, ওষুধ, জ্বালানি ও ত্রাণ পরিবহণ করা হয়, সেগুলো দ্রুত মেরামত করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা সদর, হাসপাতাল, বন্দর, শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগকারী সড়কগুলোও অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, কোথাও স্থায়ী সংস্কারে সময় লাগলে আপাতত অস্থায়ী সংস্কারের মাধ্যমে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা হবে। বর্ষা মৌসুম শেষে টেকসই ও স্থায়ী পুনর্নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণের ভোগান্তি কমানোই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। এজন্য মাঠপর্যায়ের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব এলাকায় নতুন করে ভাঙনের আশঙ্কা রয়েছে, সেখানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, বন্যার কারণে অনেক এলাকায় কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহণে সাময়িক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিকল্প সড়ক ব্যবহার, ক্ষতিগ্রস্ত অংশে জরুরি মেরামত এবং স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। দেশে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যোগাযোগ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরুরি সংস্কারকাজ পরিচালনায় প্রাথমিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ তহবিল ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পাওয়ার পর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। অর্থের অভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারকাজ যাতে বিলম্বিত না হয়, সে বিষয়ে সরকার অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অতিবৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যার প্রবণতা বাড়ছে। তাই ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সড়ক নির্মাণে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অধিক উচ্চতায় সড়ক নির্মাণ, টেকসই নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং নদীভাঙনপ্রবণ এলাকায় অতিরিক্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। নতুন প্রকল্পে জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করলেই হবে না, ভবিষ্যতে যাতে একই স্থানে বারবার ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সে বিষয়েও পরিকল্পনা নিতে হবে। এজন্য প্রকৌশলীদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেতু ও কালভার্টগুলোর অবস্থাও নজরদারির মধ্যে রয়েছে। যেসব সেতুতে অতিরিক্ত চাপ বা ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে, সেখানে বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে ভারী যানবাহন চলাচলে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হতে পারে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের দুর্ভোগ কমাতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। কোন ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না। প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে হবে।

তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা একত্রে কাজ করছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যাকবলিত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে হবে। কোথাও সড়ক বা সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হলে দ্রুত স্থানীয় প্রশাসন বা সড়ক বিভাগের কর্মকর্তাদের জানাতে হবে। জনগণের সহযোগিতা থাকলে সংস্কারকাজ আরও দ্রুত শেষ করা সহজ হবে।

তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য শুধু বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক পুনঃসংস্কার নয়, ভবিষ্যতের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও টেকসই, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ সড়ক ও মহাসড়কের সংস্কারকাজ দ্রুত শেষ হবে এবং দেশের সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা আবার স্বাভাবিক গতিতে ফিরে আসবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ এম


এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এবং মসৃণ উত্তরণে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের লক্ষ্যে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

 

জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইকোসকের সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামারের কাছে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যুক্তি তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বহিঃপ্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।

এ সময় ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে থাকা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর কথা তুলে ধরেন। তারা পাশাপাশি বাংলাদেশ এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাপানের রাজকীয় আইনে পরিবর্তন, বহাল থাকছে নারী সম্রাটের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


জাপানের রাজকীয় আইনে পরিবর্তন, বহাল থাকছে নারী সম্রাটের নিষেধাজ্ঞা

জাপানের রাজপরিবারের সদস্য সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগের মধ্যে একটি নতুন বিল অনুমোদন করেছে দেশটির সংসদ, যা রাজউত্তরাধিকারের নিয়মে শিথিলতা এনেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সংসদের উচ্চকক্ষে পাস হওয়া এই বিলে ১৯৪৯ সালের পর থেকে জাপানের রাজতন্ত্রে এসেছে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন。

তবে, জনগণের ব্যাপক সমর্থন থাকা সত্ত্বেও, নারীদের সিংহাসনে বসার ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, নতুন আইনে তা পরিবর্তন হয়নি। এর ফলে বর্তমান সম্রাটের একমাত্র সন্তান রাজকুমারী আইকো এখনও সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি।

নতুন এই বিলের মাধ্যমে রাজপরিবারের সংকট সমাধানে দুটি বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে রাজপরিবার ১৫ বছরের বেশি বয়সী দূর সম্পর্কের পুরুষ আত্মীয়দের দত্তক নিতে পারবে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যে ১১টি রাজবংশীয় শাখাকে পরিবার থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল, তাদের পুরুষ বংশধরদের আবার পরিবারের সাথে ফিরিয়ে আনার সুযোগও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, রাজপরিবারের নারী সদস্যরা সাধারণ পরিবারের কাউকে বিয়ে করলে এখন থেকে তাদের রাজকীয় মর্যাদা বজায় রাখতে পারবেন। আগের আইন অনুযায়ী, সাধারণ মানুষকে বিয়ে করলেই নারীদের রাজকীয় উপাধি ত্যাগ করতে হতো এবং পরিবারের সাথে চলে যেতে হতো। ২০২১ সালে রাজকুমারী মাকো তার কলেজ জীবনের প্রেমিককে বিয়ে করার সময় ঠিক এই নিয়মের কারণে রাজপদ হারিয়েছিলেন।

বর্তমানে, ২৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো ঐতিহ্যের জাপানি রাজতন্ত্রে সিংহাসনের যোগ্য পুরুষ উত্তরাধিকারী আছে মাত্র তিনজন। বর্তমান সম্রাটের পরে প্রথম সারিতে আছেন তার ৬০ বছর বয়সী ছোট ভাই ফুমিহিতো। দ্বিতীয় সারিতে আছেন ফুমিহিতোর ১৯ বছর বয়সী পুত্র যুবরাজ হিসাহিতো এবং সর্বশেষ প্রার্থী হলেন সম্রাটের ৯০ বছর বয়সী চাচা। নতুন আইনে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষকে বিয়ে করা রাজকীয় নারীদের সন্তানেরা সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হতে পারবে না। এই কারণে, যুবরাজ হিসাহিতোর কোনো পুত্র সন্তানের অভাবে রাজবংশের ধারা ভবিষ্যতে বিলীন হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।

জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং অন্যান্য রক্ষণশীল রাজনৈতিক নেতারা রাজতন্ত্রের ঐতিহ্য রক্ষা করতে শুধুমাত্র পুরুষ উত্তরাধিকার নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে, দেশটির সাধারণ মানুষের মনোভাব সম্পূর্ণ ভিন্ন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন জনমত জরিপে দেখা গেছে, ৭০ থেকে ৮৩ শতাংশ সাধারণ মানুষ একজন নারী সম্রাট থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন। নতুন এই আইনের ফলে রাজপরিবারের সদস্য সংখ্যা বাড়ায় রাজদরবারের আনুষ্ঠানিক দায়িত্বগুলো পালন করা সহজ হবে, তবে সিংহাসনের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার নিয়ে মূল বিতর্ক ও উদ্বেগ এখনও বিদ্যমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%