ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আনন্দময় শেখার পরিবেশ তৈরিতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে: ববি হাজ্জাজ


আনন্দময় শেখার পরিবেশ তৈরিতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে: ববি হাজ্জাজ

চট্টগ্রাম, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : প্রাথমিক শিক্ষায় শুধুমাত্র পাঠ্যবই নির্ভর শিক্ষার পরিবর্তে খেলাধুলা, আনন্দ ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের মানসিক বিকাশ, সৃজনশীলতা, কৌতূহল ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে বিদ্যালয়ে খেলনা, শিক্ষা উপকরণ এবং শিশুবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

আজ চট্টগ্রামে পিটিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’-শীর্ষক প্রকল্প সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকগণের ওরিয়েন্টেশন ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: এইচএসসির খাতা পুনর্মূল্যায়ন আবেদনের সময়সীমা বৃদ্ধি, ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৮২ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকার একযোগে কাজ করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর গত ১৮০ দিনে যেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার অধিকাংশই বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ‘জিরো আউট অব স্কুল চিলড্রেন’। অর্থাৎ প্রাক-প্রাথমিক থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির বয়স সীমার কোনও শিশুই যেন বিদ্যালয়ের বাইরে না থাকে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ে শিশুদের আকৃষ্ট করা, পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী উলে­খ করেন, একটা বিস্কুট বা এক প্যাকেট দুধ দেওয়ার বিষয়টিকে বাইরে থেকে যতটা সাধারণ মনে হয়, এর পিছনে ততটাই বিস্তৃত পরিকল্পনা ও গবেষণা রয়েছে। পাঁচ থেকে দশ বছর বয়সি শিশুদের দৈনিক ও সাপ্তাহিক পুষ্টির চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে খাদ্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল যৌথ বাহিনী

পাইলট কর্মসূচি থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংশোধন করে আগামী জানুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির তদারকি আরও জোরদার করার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা মাঠে যে সমস্যাগুলো মোকাবিলা করছেন, সেগুলো আমাদের জানান। কেন্দ্র থেকে বসে শুধু নির্দেশনা দেওয়াই আমাদের উদ্দেশ্য নয়, বাস্তবে আপনারা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, কীভাবে এর সমাধান করা যায় এবং কর্মসূচিকে আরও কার্যকর করা যায়, সে বিষয়ে আপনাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত আমরা জানতে চাই।

বিদ্যমান সমস্যা ও কর্মসূচিতে অনিয়ম বা অভিযোগ পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

একই সঙ্গে বাস্তব সমস্যাকে চিহ্নিত করে সমাধান করতে হবে এবং কোনো ঘটনার প্রকৃত কারণ যাচাই না করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা থেকেও সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: ধর্মমন্ত্রীর আহ্বান: দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে ঐক্যবদ্ধ থাকুন

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষকদের ক্ষমতায়ন, জবাবদিহি নিশ্চিত করা, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সম্পৃক্ত করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর শিক্ষার পরিবশেসৃষ্টির উদ্যোগ একই লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

এছাড়াও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক, চট্টগ্রাম জেলা শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: চিকিৎসার জন্য অনুদান নিলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুম্বাই হামলা মামলায় হাফিজ সাইদসহ ৬ সন্ত্রাসীর বিচার শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


মুম্বাই হামলা মামলায় হাফিজ সাইদসহ ৬ সন্ত্রাসীর বিচার শুরু

২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বর ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে আক্রমণ ঘটেছিল। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার ১০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী সমুদ্রপথে মুম্বাইয়ে প্রবেশ করে এবং একযোগে নানা জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ও গ্রেনেড ব্যবহার করে ধারাবাহিক সন্ত্রাসী হামলা চালায়।

এসব হামলায় ১৬৬ জন নিহত এবং ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়। ১৮ বছর পর, হামলায় জড়িত পলাতক ছয় পাকিস্তানি আসামির বিরুদ্ধে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে মুম্বাই পুলিশ। হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হাফিজ সাইদ এই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বার প্রধান। ২০০৫ সালে জাতিসংঘ আল-কায়েদা এবং তালেবানের সঙ্গে যোগসূত্রের কারণে লস্কর-ই-তৈয়বাকে নিষিদ্ধ করে।

২০০৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাইদকে বৈশ্বিক সন্ত্রাসীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকাম জানিয়েছেন, প্রধান পলাতক আসামির মধ্যে রয়েছেন: হাফিজ মুহাম্মদ সাইদ, জাকি-উর-রহমান লাখভি, সাজিদ মীর, আবু আলকামা, আসিম ওরফে আবু কাহাফা এবং মেজর আবদুর রহমান পাশার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে। মুম্বাই পুলিশ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ৩৫৬ ধারার অধীনে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকামের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।

প্রসিকিউটর উজ্জ্বল নিকাম নিশ্চিত করেছেন যে, একটি বিচারিক আদালত ইতিমধ্যে ছয় পলাতক আসামির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করেছে। এই হুলিয়া সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়ার পর, ছয় সন্দেহভাজনের অনুপস্থিতিতে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ‘অনুপস্থিতি’ বিচারের মাধ্যমে যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে আসামিদের যখনই ভারতে আনা হবে, তখনই তারা তাৎক্ষণিক সাজা ও শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

এর আগে জুলাই মাসে, পহেলগাম সন্ত্রাসী হামলা মামলায় হাফিজ সাইদের বিরুদ্ধে জম্মুর একটি আদালত অনাদায়ী পরোয়ানা জারি করেছিল। জাতীয় তদন্ত সংস্থা একটি সম্পূরক চার্জশিটে তাকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করার পর এই পরোয়ানা জারি করা হয়। তদন্তের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে, সামরিক সুরক্ষায় পাকিস্তান থেকে কার্যক্রম চালানো সাইদের বিচার তার অনুপস্থিতিতেই করা হবে।

২৬/১১-এর ঘটনায় মুম্বাইয়ে চারদিনে ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ টার্মিনাস, তাজমহল প্যালেস হোটেল, ওবেরয় ট্রাইডেন্ট হোটেল, লিওপোল্ড ক্যাফে, নরিমান হাউস এবং কামা হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছিল। হামলাকারী ১০ সন্ত্রাসীর মধ্যে ৯ জনই ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে নিহত হয়। একমাত্র আজমল কাসভ নামের এক সন্ত্রাসীকে জীবিত গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০১২ সালের ২১ নভেম্বর পুনের ইয়েরওয়াড়া জেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে কাসভের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জবির ইতিহাস বিভাগে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


জবির ইতিহাস বিভাগে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৮ আগস্ট, ২০২৬ : জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগে আউটকাম বেইজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ‘ক্লাস ডিজাইন অ্যান্ড ইভালুয়েশন স্ট্র্যাটেজি’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এই কর্মশালাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যানের কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যের মধ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইনস্টিটিউট ও বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়ন করা অত্যাবশ্যক। এ ক্ষেত্রে ইতিহাস বিভাগ যেভাবে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে, সেটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য খুবই গর্বের বিষয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ইতিহাস বিভাগ শুধুমাত্র কারিকুলাম প্রণয়ন করেই তাদের দায়িত্ব শেষ করেনি, বরং কার্যকর মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে ওবিই কারিকুলাম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আরও একটি ধাপ এগিয়ে গেছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত শিক্ষণ ফল অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কর্মশালাটি দুটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম সেশনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাউসার ‘ওবিই ইন প্র্যাকটিস : ডিজাইনিং ক্লাসরুম টিচিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন ফর ইফেক্টিভ অ্যাসেসমেন্ট’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

তিনি ওবিই-এর মূলনীতি, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পরিকল্পনা, শিক্ষণ ফলভিত্তিক মূল্যায়ন এবং কার্যকর অ্যাসেসমেন্ট কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এছাড়া, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন ‘সিএলও বেইজড কোয়েশ্চেন সেটিং : আ হ্যান্ডস-অন অ্যাপ্রোচ’ শীর্ষক বিষয়ে বক্তব্য দেন।

কর্মশালার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কর্মশালা বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুর্শিদা বিনতে রহমান। ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শহীদ কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

কর্মশালায় ইতিহাসসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিএসসি চেয়ারম্যান মোবাশ্বেরের পদত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৪ পি.এম


পিএসসি চেয়ারম্যান মোবাশ্বেরের পদত্যাগ

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান পদ থেকে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার দুপুরের পর তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস. এম. মতিউর রহমান। তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে চেয়ারম্যান মহোদয় তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।

২০১৪ সালের ৮ অক্টোবর আওয়ামী সরকারের পতনের পর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে পিএসসির তৎকালীন চেয়ারম্যান সোহরাব হোসাইনসহ অন্যান্য সদস্যরা পদত্যাগ করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে, ৯ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমের অব্যাহতির কারণ সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব পালনে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন।

সূএ : বাংলাদেশ প্রতিদিন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় মিলছে পুরো বাড়ি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


ক্যালিফোর্নিয়ার ডাউন পেমেন্টেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় মিলছে পুরো বাড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে একটি বাড়ি ক্রয় করতে যে পরিমাণ অর্থ অগ্রীম বা ডাউন পেমেন্ট দিতে হয়, ঠিক সেই মূল্যেই ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু এলাকায় পুরো বাড়ি কেনা সম্ভব। তবে বাড়িটির অবস্থান, আকার ও অবস্থা অনুযায়ী দামের মধ্যে পরিবর্তন হতে পারে।

জিলোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য রয়েছে ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৯ ডলার। অন্যদিকে, মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ৭ লাখ ৫১ হাজার ৬৬৭ ডলার।

যদি কেউ ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দিয়ে একটি বাড়ি কিনতে চান, তবে শুরুতেই দিতে হবে প্রায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ১১০ ডলার। এই মূল্যের বাইরে হতে পারে ক্লোজিং কস্ট, হোম ইন্স্যুরেন্স, প্রপার্টি ট্যাক্স এবং মর্টগেজের অন্যান্য খরচ।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি ক্রয়ের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। ক্রেতার লোন প্রোগ্রাম, ক্রেডিট প্রোফাইল ও অন্যান্য শর্তের ভিত্তিতে, এর চেয়ে কম ডাউন পেমেন্টে বাড়ি কেনা সম্ভব। ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট দেওয়ার একটি সুবিধা হল, প্রচলিত অনেক মর্টগেজের প্রাইভেট মর্টগেজ ইন্স্যুরেন্স এড়িয়ে চলা সম্ভব।

ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মধ্যে দামের পার্থক্য অনেক বিশাল। জিলোর তথ্য অনুযায়ী, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় একটি বাড়ির গড় মূল্য প্রায় ১ লাখ ৮২ হাজার ৭০৪ ডলার। অর্থাৎ ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির মূল্য ছাড়ার পর ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গড় দাম বাড়ির মূল্যের সঙ্গে পার্থক্য প্রায় ২৭ হাজার ৬০০ ডলার।

তবে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু অঞ্চলে বাড়ির সাধারণ দাম এর চেয়েও কম। জুনে সাটন শহরে সাধারণ বাড়ির মূল্য ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৮৮২ ডলার, ফ্ল্যাটউডসে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৬ ডলার এবং গ্যাসাওয়েতে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৬৬ ডলার। ফলে ক্যালিফোর্নিয়ার গড় বাড়ির ২০ শতাংশ ডাউন পেমেন্টের সমপরিমাণ অর্থে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু জায়গায় পুরো বাড়ি কেনা সম্ভব হতে পারে।

তবে, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার সব বাড়ি ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের মধ্যে পাওয়া যাবে এমন ধারণা সঠিক নয়। জিলোর মতে, ২০২৬ সালের মে মাসে রাজ্যটির মিডিয়ান বিক্রয়মূল্য ছিল ২ লাখ ২১ হাজার ১৬৭ ডলার এবং জুনে মিডিয়ান লিস্টিং প্রাইস ছিল ২ লাখ ৪৯ হাজার ৬০০ ডলার। তাই, একটি অর্থনৈতিকভাবে কমদামি বাড়ির উদাহরণকে পুরো রাজ্যের বাজারদর হিসেবে গণ্য করা ঠিক হবে না।

অন্যদিকে, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার একটি সুবিধা হল এখানে প্রপার্টি ট্যাক্স তুলনামূলকভাবে কম। ট্যাক্স ফাউন্ডেশনের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, মালিকের নিজের বসবাসের বাড়ির মূল্যের ওপর রাজ্যটির কার্যকর প্রপার্টি ট্যাক্স রেট গড়ে প্রায় শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ।

বাজারে ক্রেতাদের জন্য বাড়ির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য, জিলোর হিসাব অনুযায়ী, জুনের শেষে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় বিক্রির জন্য ৫ হাজার ১৯৮টি বাড়ি ছিল এবং ওই মাসে নতুন করে আরো ১ হাজার ৭৪৯টি বাড়ি বাজারে এসেছে। মে মাসে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ বাড়ি লিস্টিং প্রাইসের নিচে বিক্রি হয়েছে।

কিন্তু ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় যাওয়ার সময় শুধুমাত্র বাড়ির দাম বিবেচনা করলেই চলবে না। চাকরির সুযোগ, আয়, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট, স্বাস্থ্যসেবা, যাতায়াত, হোম ইন্স্যুরেন্স, বাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ এবং ভবিষ্যতে বাড়িটি বিক্রির সম্ভাবনা হিসাব করা উচিত। বিশেষ করে কমদামি পুরোনো বাড়ির ক্ষেত্রে মেরামতের খরচ উল্লেখযোগ্য হতে পারে।

একই কারণে ক্যালিফোর্নিয়ায় মাসে ৩ হাজার ৫০০ ডলার এবং ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় ৮০০ থেকে ৯০০ ডলার খরচ হওয়া এমন একটি তুলনা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। মর্টগেজের পরিমাণ, ডাউন পেমেন্ট, সুদের হার, প্রপার্টি ট্যাক্স এবং ইন্স্যুরেন্সের ওপর মাসিক খরচ নির্ভর করে।

এবং ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্ক থেকে “হাজার হাজার বাংলাদেশি পরিবার” ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ায় চলে যাচ্ছে, এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য সরকারি পরিসংখ্যান পাওয়া যায় না। বরং ইউএস সেনসাস ব্যুরোর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মোট জনসংখ্যা কমেছে।

অতএব, বাড়ির দামের বিশাল ব্যবধান একটি বিষয় পরিষ্কার করে। ক্যালিফোর্নিয়ায় বাড়ির মালিক হতে যে অর্থ শুধু ডাউন পেমেন্টে চলে যেতে পারে, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার কিছু শহর ও ছোট কমিউনিটিতে সেই বাজেটেই মর্টগেজ ছাড়া একটি বাড়ি কেনার সুযোগ পাওয়া যেতে পারে। তবে কোথায় বসবাস করবেন, সেই সিদ্ধান্তে বাড়ির দাম যতটা গুরুত্বপূর্ণ, চাকরি, জীবনযাত্রা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক হিসাবও ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%