০৯:০১ এম
হরমুজ প্রণালীতে ইরানের ড্রোন ভূপাতিত করার পর, মার্কিন সামরিক বাহিনী দেশটির উপকূলীয় রাডার সাইটগুলোতে শনিবার, ৬ জুন পাল্টা হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ঠিক তখনই যখন দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ থামানোর জন্য পরোক্ষ আলোচনা চলছে।
একজন মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন যে চারটি ইরানি ড্রোন ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। সেই কারণে সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড হরমুজ প্রণালীতে অবস্থিত ইরানের ‘গোরুক’ ও ‘কেশম’ দ্বীপের নজরদারি চৌকিগুলোতে বিমান হামলা চালায়।
উল্লেখযোগ্য যে, যুদ্ধের আগে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই পরিবহন করা হতো, কিন্তু বর্তমানে ইরান কার্যত এটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে। তেহরান যেকোনো শান্তি চুক্তির শর্ত হিসেবে দাবি করছে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, তেল রপ্তানির নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি এবং শত শত কোটি ডলারের আটকে থাকা তেল রাজস্বের ভাগ।
আরও পড়ুন: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ১৪ পয়েন্টে নাশকতার পরিকল্পনা আ.লীগের
এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ছে। ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন হামলায় ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি কেন্দ্র ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে বর্তমানে তাদের কাছে মোট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ২১% থেকে ২২% অবশিষ্ট রয়েছে। ট্রাম্প ইরানের চুক্তি করতে দেরি করার কারণ হিসেবে মন্তব্য করেন, তারা অত্যন্ত গর্বিত ও শক্তিশালী জাতি।
তিনি আরো বলেন, এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যা তারা কখনো ভাবেনি, কিন্তু এখন তাদের বাধ্য হয়েই এটা করতে হচ্ছে। তাই চুক্তি হতে কিছুটা সময় লাগছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন