১০:৫০ এম
ভেনেজুয়েলায় শুক্রবার আবারও ১৩১ জনকে রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী ক্ষমতাচ্যুত করার পর দেশটিতে জাতীয় পুনর্গঠনে বা পুনর্মিলনের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে, সেই আলোচনায় বন্দিদের মুক্তিকে অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
খবরটি এসেছে বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে।
আরও পড়ুন: গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন জোরদারে সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, ‘শান্তি ও গণতান্ত্রিক সহাবস্থান কর্মসূচির’ আওতায় এসব বন্দিকে কারাগারে রাখা হয়নি বরং বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাজধানী কারাকাসের কাছে এল রোদেও-১ কারাগারের বাইরে এএফপির সাংবাদিকরা সদ্য মুক্তি পাওয়া বন্দিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আবেগঘন পুনর্মিলনের দৃশ্য দেখতে পেয়েছেন।
কয়েকজন স্বজন তাদের প্রিয়জনদের মুক্তির জন্য মাসের পর মাস কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করে ছিলেন।
রুথ মোলেরোর ছেলে ও ভাগনে শুক্রবারও কারাগারে ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, বন্দিদের মুক্তির বিষয়ে তাদের জন্য সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল।
আরও পড়ুন: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সহযোগিতায় ক্যান্সারের লড়াইয়ে জয়ী শিশু নিশা
তিনি এএফপিকে বলেন, ‘হঠাৎ করে কারারক্ষীদের বাঁশির শব্দ শুনতে পেলাম। আমরা তখন এখানে বসে প্রতিদিনের মতো গল্প করছিলাম। এরপর দেখি, একদল তরুণ কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছে।’
যদিও সর্বশেষ মুক্তি পাওয়া বন্দিদের মধ্যে তার পরিবারের সদস্যরা নেই, তবুও তিনি বলেন, ‘আমি জানি, খুব শিগগিরই তারাও মুক্তি পাবে।’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শুক্রবারের বন্দি মুক্তিকে ‘দেশটির পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, গত ৩ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬ জন ভেনেজুয়েলীয়কে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি আরো এক কয়েদির মৃত্যু
রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির দাবিতে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন ফোরো পেনাল জানিয়েছে, সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছয়জন নারী রয়েছেন। তাদের একজনের বিরুদ্ধে মাদুরোকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন