ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মুন্সিগঞ্জে আদালত থেকে ফেরার পথে দম্পতিকে তুলে নিয়ে হামলার অভিযোগ, স্বামী ঢামেকে ভর্তি


মুন্সিগঞ্জে আদালত থেকে ফেরার পথে দম্পতিকে তুলে নিয়ে হামলার অভিযোগ, স্বামী ঢামেকে ভর্তি

মুন্সিগঞ্জ আদালতে মামলার হাজিরা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এক মামলার বাদী দম্পতিকে অপহরণের চেষ্টা, ছিনতাই ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মিজানুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ আদালত থেকে বের হওয়ার পর এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহত মিজানুর রহমান সিরাজদীখান উপজেলার বয়রাগাদী ইউনিয়নের কুমারখালী গ্রামের মৃত ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী হিরামণি সংশ্লিষ্ট মামলার বাদী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আদালতে হাজিরা শেষে বের হওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের হুমকি দেয়। পরে বাড়ি ফেরার পথে একই গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে কামাল (৩৫), দুখু মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (৫০), ওয়াহাব মিয়ার ছেলে আফজাল হোসেন (৩০) এবং তাদের সঙ্গে থাকা কয়েকজন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী মুন্সীগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকায় তাদের গতিরোধ করে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

অভিযোগে বলা হয়, সেখান থেকে জোরপূর্বক একটি গাড়িতে তুলে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার সুপার মার্কেট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। একপর্যায়ে মিজানুর রহমানকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। হামলায় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং ডান চোখেও আঘাত করা হয় বলে দাবি পরিবারের।

হিরামণি বলেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা করেছে। তারা আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে অন্য এলাকা থেকে তুলে নিয়ে যায়। আমি বাধা দিলে আমাকেও মারধর করা হয়। তারা বারবার বলছিল, আজ আমার স্বামীকে মেরে ফেলবে। পরে আমার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আমরা রক্ষা পাই।

স্থানীয়দের সহায়তায় গুরুতর আহত মিজানুর রহমানকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

ঘটনার সংবাদ পেয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে পুলিশ পাঠান। পরে সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহাদাত হোসেন জানান, আহত ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ

চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় হারিয়ে যাওয়া ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রাম নগরের নাসিরাবাদে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনগুলো মালিকদের হাতে তুলে দেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধারে এবং জনমুখী পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে জেলা গোয়েন্দা শাখা বিশেষ অভিযান চালায়। এ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার ১৭টি থানায় মোবাইল হারানো সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) পর্যালোচনা করা হয়।

পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে পরিচালিত নিবিড় অনুসন্ধানের মাধ্যমে ১০১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, জনগণের হারানো সম্পদ উদ্ধার করে তাদের হাতে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার সমন্বয়ে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করছে। হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা শাখার এ সাফল্য জনগণের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি আরও বলেন, জনগণের জানমাল রক্ষা, হারানো সম্পদ উদ্ধার এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

মোবাইল ফোন ফিরে পেয়ে উপকারভোগীরা জেলা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, পুলিশের such উদ্যোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


ধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা

টাঙ্গাইলের মধুপুরে কফি হাউজের আড়ালে মাদক কারবারের অভিযোগে এক যুবককে কারাদন্ড এবং মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারনে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মধুপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নঈম উদ্দিনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, মধুপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘কানন’ মিষ্টির দোকানে মশা-মাছি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকায় ৫০ হাজার টাকা এবং ধনবাড়ী মিষ্টি ঘর-এ ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
উপজেলার বিপ্রবাড়ি এলাকায় ‘চাঁদের হাসি’ নামক একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে মাদক কারবারের অভিযোগে মো. রাকিব (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ওই রেস্টুরেন্টকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মধুপুরের বিভিন্ন এলাকায় কফি হাউজের নামে গড়ে ওঠা এসব রেস্টুরেন্টে মাদক বেচাকেনা সহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। অনেক শিক্ষার্থী স্কুল ফাঁকি দিয়ে এসব জায়গায় আড্ডা দেয়। আজকের অভিযানেও বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে স্কুল ড্রেস পরা অবস্থায় পাওয়া গেলে তাদেরকে সতর্ক করা হয় এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের জানানো হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.
নঈম উদ্দিন বলেন, ‘অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি ও মাদক কারবারের অভিযোগে এই জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযান পরিচালনার সময় মধুপুর থানা-পুলিশের একটি চৌকস দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশ উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫১ পি.এম


সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশ উপদেষ্টা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, ভূমিকে শুধু উৎপাদনের মাধ্যম নয়, বরং মানুষের অস্তিত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন কোনোটিই সম্ভব নয়।’

মঙ্গলবার রাজধানীর পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ে বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব মরুময়তা ও খরা দিবস একটি আন্তর্জাতিক দিবস নন; এটি ভূমি, পরিবেশ, খাদ্য নিরাপত্তা, জীবিকা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘রেইঞ্জল্যান্ড: রিকগনাইজ, রেসপেক্ট, রেস্টোর’ পৃথিবীর চারণভূমি ও প্রাকৃতিক তৃণভূমি সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।

তিনি জানান, বিশ্বের প্রায় অর্ধেক স্থলভাগ কোনো না কোনো ধরনের চারণভূমি ইকো সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত, যা কোটি কোটি মানুষের জীবিকা, খাদ্যব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পানি চক্র এবং কার্বন সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ মরুভূমির দেশ না হলেও মরুময়তা, ভূমি অবক্ষয় এবং খরার ঝুঁকি থেকে মুক্ত নয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের দিকে নির্দেশ করে মন্ত্রী বলেন, অনিয়ন্ত্রিত ভূমি ব্যবহার, মাটির উর্বরতা হ্রাস, লবণাক্ততার বিস্তার, নদীভাঙন, বন উজাড় এবং দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক মৌসুম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমি অবক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে।

উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খরাপ্রবণ এলাকা, উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত জমি, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষয়প্রাপ্ত পাহাড়ি ভূমি এবং নদী অববাহিকার ভঙ্গুর ইকো সিস্টেম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, গবেষণা অনুযায়ী দেশে মাঝারি থেকে অতি তীব্র মাত্রার ভূমি অবক্ষয়ের পরিমাণ ২০০০ সালের ১০ দশমিক ৭০ মিলিয়ন হেক্টর থেকে ২০২০ সালে বেড়ে ১১ দশমিক ২৪ মিলিয়ন হেক্টরে পৌঁছেছে।

অর্থাৎ গত দুই দশকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর ভূমি অবক্ষয়ের শিকার হয়েছে। একই সময়ে খরাপ্রবণ এলাকার পরিমাণ ১ দশমিক ৪৩ মিলিয়ন হেক্টর থেকে বেড়ে ১ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন হেক্টরে উন্নীত হয়েছে, যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দীর্ঘ শুষ্ক মৌসুম, অতিবৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড় এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ভূমি ও পানি সম্পদের ওপর বহুমাত্রিক প্রভাব ফেলছে।

বিশেষ করে বরেন্দ্র অঞ্চলসহ উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে খরার প্রভাব কৃষি উৎপাদন, পানিসম্পদ ও জীবিকার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশ ১৯৯৪ সালে মরুকরণ মোকাবেলায় জাতিসংঘ কনভেনশন’ (ইউএনসিসিডি)-এ স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করে এবং সেই থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সরকারের নানা উদ্যোগের মধ্যে সামাজিক বনায়ন, উপকূলীয় সবুজ বেষ্টনী কর্মসূচি, টেকসই কৃষি, সমন্বিত মৃত্তিকা উর্বরতা ব্যবস্থাপনা, জৈব সার ব্যবহার, সংরক্ষণ কৃষি এবং জলবায়ু-সহনশীল ফসলের জাত সম্প্রসারণ উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলে পানি সংরক্ষণ, সাশ্রয়ী সেচ প্রযুক্তি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির দক্ষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খরা মোকাবিলায় বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।

বৈশ্বিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অধিকতর অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং জ্ঞান বিনিময়ের আহ্বান জানান।

এছাড়া উন্নয়ন সহযোগী, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি ভূমি পুনরুদ্ধার, খরা মোকাবিলা এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধানে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকার ভূমি অবক্ষয় নিরপেক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রচেষ্টা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবক্ষয়প্রাপ্ত বনভূমি, জলাভূমি, চরাঞ্চল ও অন্যান্য ইকো সিস্টেম পুনরুদ্ধার, খরা মোকাবিলায় আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং বিজ্ঞানভিত্তিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. লুৎফর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, গবেষক, শিক্ষাবিদ ও পরিবেশবিদরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫২ পি.এম


ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে ছেলের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা ও ভগবানপুর গ্রামে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আফছার আলী গোয়ালের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন আদা এবং নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামের মৃত হজ্জম উদ্দীনের ছেলে আবু আসাদ।

পুলিশ জানায়, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া পুলিশ বক্স সংলগ্ন নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাখাওয়াত হোসেন বিয়ের পর থেকেই ছেলের বউয়ের উপর কু নজর দেয়। সর্বশেষ ৮ জুন, স্বামী রাজমিস্ত্রীর কাজে বাইরে থাকার সময় শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেন ঘরে ঢুকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ভুক্তভোগী বাধা দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যান। এই ঘটনাটি নানাবিধ কারণে বারবার সংঘটিত হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ জানানো হয়। ১৬ জুন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই বিষয়ে সালিস চলাকালীন পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে অভিযুক্ত শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ওই রাতেই ছেলের বউ থানায় একটি ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর নানীর দায়ের করা এজাহার অনুযায়ী, ১৬ জুন রাত আনুমানিক ৮:৩০ টার দিকে অভিযুক্ত মো. আবু আসাদ ওই প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। নানী চিৎকার শোনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এরপর, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। পরে বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%