বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২০ পি.এম
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক পরিচালিত অভিযানে রাকিব নামের একজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে, তার কাছ থেকে চার হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এই অভিযানটি সম্পন্ন হয়। আটক ব্যক্তি অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি ওই অফিসে ‘দালাল’ হিসেবে কাজ করতেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল-সংক্রান্ত কাজে টিপসই প্রতি টাকা নেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় রাকিবের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া চার হাজার ৩০০ টাকার উৎস এবং তা নেওয়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
অভিযানের সময় রাকিব দাবি করেন যে, তিনি সাব-রেজিস্ট্রারের নির্দেশ অনুযায়ী টাকা গ্রহণ করেন। তবে পরে তিনি টাকা নেওয়ার বিষয়টি বেআইনি বলে স্বীকার করেছেন বলেও জানা গেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রারের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলফিকার আলী এই বিষয়ে বলেন, ‘শুনেছি, দুদক অভিযান পরিচালনা করেছে। এ সময় একজনকে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি আবাসন বরাদ্দ পাওয়ার পর যারা সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট বা আংশিক বাসা সাবলেট হিসেবে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটিয়াদের অপসারণ করে বরাদ্দকৃত বাসায় অবস্থান করতে হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সরকারি আবাসন পরিদপ্তর একটি জরুরি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্দেশনা অমান্য করলে সরকারি বাসার বরাদ্দ বাতিল করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা বা ফ্ল্যাটের বরাদ্দ প্রাপক এবং সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো হচ্ছে যে, সম্প্রতি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু বরাদ্দ প্রাপক তাঁদের বরাদ্দকৃত বাসা বা ফ্ল্যাটের এক বা একাধিক রুম অন্যকে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন। এই ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ এর পরিপন্থী।
‘এমতাবস্থায়, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীন কোনো বাসা বা ফ্ল্যাটের বরাদ্দ প্রাপক কর্তৃক বরাদ্দকৃত বাসা বা ফ্ল্যাটের সম্পূর্ণ বা আংশিক (এক বা একাধিক রুমসহ) সাবলেট বা ভাড়া না দেওয়ার অনুরোধ করা হলো। যারা ইতিমধ্যে সাবলেট বা ভাড়া দিয়েছেন তাদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সাবলেট বা ভাড়াটিয়াকে আবশ্যিকভাবে অপসারণ করে যথানিয়মে বরাদ্দকৃত বাসায় অবস্থান করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।’
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকার নির্ধারিত সময়সীমার পরে কোনো বাসায় সাবলেট বা ভাড়া পাওয়া গেলে, কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রাপকের বরাদ্দ বাতিলসহ প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে উক্ত বিধিমালার বিধি ১৪ (৩) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ প্রাপকের অফিস প্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করে তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয়তাবাদী যুবদলকে প্রতিপক্ষ বা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি উল্লেখ করেন, "যুবদল আপনাদেরই ভাই।" দলের সার্বিক স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং তৃণমূলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবদলের নেতাকর্মীদের সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মৌলভীবাজারে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনাসভা ও স্মারক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে যুবশক্তিকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রত্যয়ে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক দিনটির স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতিবছর দেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
জেলা যুবদলের সভাপতি ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি রফিক আহমেদ ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কোচিং স্টাফে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসছে। মাহেলা জয়াবর্ধনেকে প্রধান কোচের পদ থেকে সরিয়ে কাইরন পোলার্ডকে নিয়োগ দেওয়ার পর, বোলিং কোচ লাসিথ মালিঙ্গা, পরশ মামব্রে এবং ফিল্ডিং কোচ কার্ল হপকিন্সকে ছাঁটাই করেছে মুম্বাই। তবে, নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়নি আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মালিঙ্গার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি দলের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং চারটি আইপিএল ও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টির শিরোপা জিতেছেন। পরবর্তীতে, পরামর্শক ও কোচ হিসেবে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি এই পেসার আবারও মুম্বাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হন।
মালিঙ্গাকে বিদায় জানিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘লাসিথ মালিঙ্গা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক ব্যক্তিত্ব। বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে পরামর্শক ও কোচ হিসেবে ফিরে আসা, মুম্বাইয়ের সঙ্গে তার পথচলা ছিল বিশেষ। তার আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রজন্মের পর প্রজন্মের ক্রিকেটারকে অনুপ্রাণিত করেছে। তার উত্তরাধিকার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।'
মামব্রের সঙ্গে মুম্বাইয়ের সম্পর্কও দীর্ঘকালীন। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরে দলের কোচিং স্টাফে তিনি ছিলেন। ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে, মুম্বাই তাদের প্রথম আইপিএল এবং দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতে।
ভারতের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর, মামব্রে আবারও মুম্বাইয়ের বোলিং কোচ হিসেবে যোগ দেন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পাশাপাশি এমআই এমিরেটসের বোলিং কোচ হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে, ২০২৫ মৌসুমের আগে মুম্বাইয়ের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন হপকিন্স। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের দলের প্রধান ফিল্ডিং কোচ ছিলেন তিনি। তার সময়ে ইংল্যান্ড ২০১৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে।
তিন কোচের বিদায়ের মাধ্যমে মুম্বাইয়ের কোচিং স্টাফ ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া আরো স্পষ্ট হলো। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আইপিএল দলগুলোকে খেলোয়াড় ধরে রাখা ও ছেড়ে দেওয়ার তালিকা জমা দিতে হবে, এবং ১৬ ডিসেম্বর গোয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ মৌসুমের নিলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, উচাখিলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং বড়হিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। মোট ১৫ জন, যার মধ্যে তিনজন সুপারভাইজার এবং ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন, এ কাজে নিয়োজিত আছেন।
তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। এদিকে, সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করাই এ তথ্য সংগ্রহের অন্যতম উদ্দেশ্য। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এদিকে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলো উপকৃত হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের কারণে যেসব পরিবার সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে কর্মসূচির সুফল নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ও উপকারভোগী নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাত ছাড়াই প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলোকে নির্বাচিত করা গেলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হলে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মির্জা নিজুয়ারা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ