বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:২১ পি.এম
জাতীয়তাবাদী যুবদলকে প্রতিপক্ষ বা প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে না দেখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না। বিএনপির শীর্ষ নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি উল্লেখ করেন, "যুবদল আপনাদেরই ভাই।" দলের সার্বিক স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং তৃণমূলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে যুবদলের নেতাকর্মীদের সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে মৌলভীবাজারে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনাসভা ও স্মারক সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মোনায়েম মুন্না আরও বলেন, ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সামাজিক ন্যায়বিচার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে যুবশক্তিকে কর্মশক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রত্যয়ে যুবদল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক দিনটির স্মৃতিকে ধারণ করে প্রতিবছর দেশে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
জেলা যুবদলের সভাপতি ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহসভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এম এ মোহিতের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহসভাপতি রফিক আহমেদ ডলার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কোচিং স্টাফে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নিয়ে আসছে। মাহেলা জয়াবর্ধনেকে প্রধান কোচের পদ থেকে সরিয়ে কাইরন পোলার্ডকে নিয়োগ দেওয়ার পর, বোলিং কোচ লাসিথ মালিঙ্গা, পরশ মামব্রে এবং ফিল্ডিং কোচ কার্ল হপকিন্সকে ছাঁটাই করেছে মুম্বাই। তবে, নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়নি আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
মালিঙ্গার সঙ্গে মুম্বাইয়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। খেলোয়াড় হিসেবে তিনি দলের বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং চারটি আইপিএল ও একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টির শিরোপা জিতেছেন। পরবর্তীতে, পরামর্শক ও কোচ হিসেবে শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তি এই পেসার আবারও মুম্বাইয়ের সঙ্গে যুক্ত হন।
মালিঙ্গাকে বিদায় জানিয়ে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘লাসিথ মালিঙ্গা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসের অন্যতম আইকনিক ব্যক্তিত্ব। বোলিং আক্রমণের নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে পরামর্শক ও কোচ হিসেবে ফিরে আসা, মুম্বাইয়ের সঙ্গে তার পথচলা ছিল বিশেষ। তার আবেগ, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ মানসিকতা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রজন্মের পর প্রজন্মের ক্রিকেটারকে অনুপ্রাণিত করেছে। তার উত্তরাধিকার মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।'
মামব্রের সঙ্গে মুম্বাইয়ের সম্পর্কও দীর্ঘকালীন। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম আসরে দলের কোচিং স্টাফে তিনি ছিলেন। ২০১০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে, মুম্বাই তাদের প্রথম আইপিএল এবং দুটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ শিরোপা জেতে।
ভারতের ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর, মামব্রে আবারও মুম্বাইয়ের বোলিং কোচ হিসেবে যোগ দেন। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পাশাপাশি এমআই এমিরেটসের বোলিং কোচ হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
এদিকে, ২০২৫ মৌসুমের আগে মুম্বাইয়ের ফিল্ডিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন হপকিন্স। এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের দলের প্রধান ফিল্ডিং কোচ ছিলেন তিনি। তার সময়ে ইংল্যান্ড ২০১৯ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে।
তিন কোচের বিদায়ের মাধ্যমে মুম্বাইয়ের কোচিং স্টাফ ঢেলে সাজানোর প্রক্রিয়া আরো স্পষ্ট হলো। ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আইপিএল দলগুলোকে খেলোয়াড় ধরে রাখা ও ছেড়ে দেওয়ার তালিকা জমা দিতে হবে, এবং ১৬ ডিসেম্বর গোয়ায় অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ মৌসুমের নিলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই কার্যক্রমের উদ্দেশ্য হলো নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করা এবং ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এটি পরিচালিত হচ্ছে।
ঈশ্বরগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড, উচাখিলা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড এবং বড়হিত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে কার্যক্রমটি শুরু হয়েছে। মোট ১৫ জন, যার মধ্যে তিনজন সুপারভাইজার এবং ১২ জন তথ্য সংগ্রহকারী রয়েছেন, এ কাজে নিয়োজিত আছেন।
তথ্য সংগ্রহকারীরা নির্ধারিত এলাকার প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন। এদিকে, সুপারভাইজাররা মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম তদারকি করছেন। এর মাধ্যমে তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য উপকারভোগীদের তথ্য যথাযথভাবে নথিভুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত নিম্নআয়ের ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করাই এ তথ্য সংগ্রহের অন্যতম উদ্দেশ্য। উপকারভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এদিকে, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাঁদের আশা, এ কর্মসূচির মাধ্যমে আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারগুলো উপকৃত হবে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দামের কারণে যেসব পরিবার সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে, তাদের জন্য এ সহায়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে কর্মসূচির সুফল নিশ্চিত করতে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি যাচাই-বাছাই ও উপকারভোগী নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, কোনো ধরনের অনিয়ম বা পক্ষপাত ছাড়াই প্রকৃত যোগ্য পরিবারগুলোকে নির্বাচিত করা গেলে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুফল মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হবে।
সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে উপকারভোগী নির্বাচন ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হলে নিম্নআয়ের মানুষের আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি তাঁদের জীবনমান উন্নয়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মির্জা নিজুয়ারা বলেন, "ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ চলমান আছে। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সংগৃহীত তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপকারভোগীরা এ কর্মসূচির আওতায় আসতে পারেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় মকবুল হোসেন (৭০) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন এবং ১০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ, যাদের মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয়ই রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মকবুল হোসেন ওই গ্রামের মৃত ফেলান মিয়ার ছেলে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. একাব্বর হোসেন, মো. হায়দার আলী, মো. আব্দুল জলিল মিয়া, মো. সুজা মিয়া, মো. ছামিউল ইসলাম, মো. ময়নুল হোসেন, মো. শাহাবুদ্দিন, মো. লিটন মিয়া, মো. নজরুল ইসলাম ও মো. মিন্টু মিয়া।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দুই মাস ধরে ছাতিনামারী গ্রামের মকবুল হোসেনের সঙ্গে প্রতিবেশী মো. শাহাবুদ্দিনের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের সময় শাহাবুদ্দিনের লোকজন লাঠিসোঁটা ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে মকবুল হোসেনসহ তার লোকজনকে আক্রমণ করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই মকবুল হোসেন নিহত হন এবং অন্তত ১০ জন আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ১৬ জনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন রাশেদুল ইসলাম (২৮), রেজাউল করিম (২৮), মোকছেদুল ইসলাম (১৮), আবিল হোসেন (১৮), মিন্টু মিয়া (৩৫), মঞ্জু মিয়া (৪০), লিটন মিয়া (৩৫), নজরুল ইসলাম (৫০), শাহাবুদ্দিন (৬০), নিরফুল বেগম (৪০), কল্পনা বেগম (২৫), নুর ভানু (৪৫), শিল্পী বেগম (৩৫), খোরশেদা বেগম (২৬), ফাতেমা বেগম (১৯) ও শাবানা খাতুন (২২)। এরা সবাই দক্ষিণ সীচা ছাতিনামারী গ্রামের বাসিন্দা।
নিহতের ছোট ছেলে মো. সুজা মিয়া জানান, শাহাবুদ্দিনের লোকজন নির্মমভাবে তার বাবার মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীদের ফাঁসি দাবি করেন।
সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম রেজা বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ব্যবহৃত লাঠিসোঁটা, ধারালো ছোরা ও শাবল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো জানিয়েছেন, অনিয়মিত অভিবাসন, মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে ইতালি আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে। তিনি উল্লেখ করেন, লিবিয়া হয়ে সাগরপথে ইউরোপে প্রবেশের পরিবর্তে বৈধভাবে বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে জনগণকে উৎসাহিত করতে চায় ইতালি। এই প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যম এবং সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মাদারীপুরের মোস্তফাপুরে মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ‘প্রত্যাশা-২’ প্রকল্পের আওতায় নিরাপদ অভিবাসন, মানব পাচার, অভিবাসী চোরাচালান এবং টেকসই পুনরেকত্রীকরণ বিষয়ে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় দুই জেলার ৬১ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বলেন, বিদেশে যাওয়াই জীবনে সফল হওয়ার একমাত্র উপায় নয়। দেশের অভ্যন্তরে সম্মানজনক জীবন গড়ার সুযোগ রয়েছে, সেটি মানুষের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন। তিনি অভিবাসনের ক্ষেত্রে দালালের ওপর নির্ভর না করে সরকারি সংস্থা এবং নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, অভিবাসন নিয়ে গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানব পাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পাচারকারী চক্রের কার্যক্রম নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা এবং অপরাধীদের চিহ্নিত করা সম্ভব। এইভাবে অনিয়মিত অভিবাসনের ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো যাবে।
কর্মশালায় আরও বক্তব্য দেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ কার্যালয়ের ফার্স্ট সেক্রেটারি লরা কার্তানিয়া ইয়াখ, সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার নূরুল কাদের, ঢাকায় অবস্থিত ইতালি দূতাবাসের মাইগ্রেশন অ্যাটাশে জুসেপ্পে দি জোভান্নি, মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম, ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান, ‘প্রবাস কথা’র সম্পাদক মুনজুরুল করিম এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সালাউদ্দিন রাসেল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ