০৬:১৩ পি.এম
দুৎক, দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে বন অধিদফতরের দেড় হাজার কোটি টাকার সুফল প্রকল্পের নথিপত্র সংগ্রহ করেছে। অভিযোগের মধ্যে প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্টদের নাম উঠে এসেছে। সংস্থাটির মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘সুফল’ প্রকল্পের পাশাপাশি বন অধিদফতরের অন্যান্য খাতের দুর্নীতির ব্যাপারেও অনুসন্ধান চলছে।
২০১৮ সালে ‘টেকসই বন ও জীবিকা’ শীর্ষক ‘সুফল’ প্রকল্প শুরু করে বন অধিদফতর। এটি বন মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় প্রকল্প, যার ব্যয় দেড় হাজার কোটি টাকা। দুৎকের অভিযোগ, প্রকল্পটির মাঠ পর্যায়ে ব্যাপকভাবে দুর্নীতি ঘটেছে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুৎক অভিযান চালিয়ে কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের প্রাথমিক প্রমাণ পায়। এতে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী এবং প্রকল্প পরিচালক গোবিন্দ রায়সহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন: ঢাবি এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে আটক তিনজনের পরিচয় জানা গেল
দুৎক জানিয়েছে, সুফল প্রকল্পের দুর্নীতির সমস্ত নথিপত্র অনুসন্ধানকারী দল সংগ্রহ করেছে। যাচাই-বাছাই করার পর তারা পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেবে। ইতিমধ্যে সাবেক বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে সংস্থাটি।
একই সময়ে, বরিশাল অঞ্চলের বন সংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে একদিনে ৭৭ জন কর্মচারীকে বদলি করার অভিযোগসহ দুর্নীতির নানা বিষয়ে সংস্থাটি অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন