ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে নাসিরউদ্দিন শাহ বললেন, ‘আমি গর্বিত দিমাগি নকশাল’


শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে নাসিরউদ্দিন শাহ বললেন, ‘আমি গর্বিত দিমাগি নকশাল’

জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সম্পর্কিত সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। তিনি নিজেকে ‘গর্বিত দিমাগি নকশাল’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে তিনি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা, গণতন্ত্র এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর উদ্বেগ তুলে ধরেন।

ভিডিওতে নাসিরুদ্দিন শাহ বলেন, “আমি গর্বের সঙ্গে বলছি যে, আমি একজন ‘দিমাগি নকশাল’। আমাদের মতো মানুষদের সম্বোধন করার জন্য তারা যে আর কী কী নতুন শব্দ উদ্ভাবন করেছে, তা আমার জানা নেই।”

তিনি ‘দেশবিরোধী’ এবং ‘টুকরে-টুকরে গ্যাং’-এর মতো শব্দের উল্লেখ করে বলেন, যদি সত্যিই এমন কোনো গোষ্ঠী থাকে, যারা ভারতকে বিভক্ত করতে চায়, তা হলো বর্তমান সরকার।

আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধী: আন্দোলন নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ইন্ডিয়া জোটের, কর্মসূচি একদিন পেছানো

জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, সত্যজিৎ রায় চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট এবং জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি তিনি সমর্থন জানান। বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬ সালে বিলুপ্ত হওয়া নির্বাচিত ছাত্র সংসদ পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বুধবার ১৭তম দিনে প্রবাহিত হয়। এ সময় ক্যাম্পাসে ভাঙচুর ও সহিংসতার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না।

ভিডিওতে নাসিরুদ্দিন শাহ অভিযোগ করেন, জেএনইউ, সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউটের পর এবার জামিয়ার শিক্ষার্থীদের নিশানা করা হচ্ছে। তিনি তরুণদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট করা, শিক্ষাব্যবস্থা দুর্বল করা এবং গণতন্ত্রকে বিপন্ন করার চেষ্টার সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে বিজেপির আইটি সেলের সদস্যদের অশিক্ষিত ও অযোগ্য বলে কটাক্ষ করেন। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, গণতন্ত্র টিকে থাকবে এবং সরকার তরুণদের মনোবল ভাঙতে সফল হবে না।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

আরএ

আরও পড়ুন: ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিউনিখ স্মৃতিসৌধে ভাঙচুর ও চুরি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় যেতে লাগতে পারে ৭ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৫ এম


মালয়েশিয়ায় যেতে লাগতে পারে ৭ লাখ টাকা

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা আসার পরও অভিবাসন ব্যয় সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকার কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে কর্মীপ্রতি সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা খরচ হতে পারে—এমন প্রচারণা চালিয়ে বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সি ও মধ্যস্বত্বভোগী সম্ভাব্য কর্মীদের কাছ থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ শুরু করেছে। ফলে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের খরচ অতীতের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিবাসন ব্যয় দ্রুত বাস্তবসম্মতভাবে নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং অর্থ পরিশোধের পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনভিত্তিক করা উচিত। অন্যথায়, এজেন্সিগুলো ইচ্ছামতো অর্থ আদায় করতে সক্ষম হবে। অপরদিকে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পূর্বে নির্ধারিত ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল না এবং নতুনভাবে ব্যয় নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

গত ১৫ অক্টোবর অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরুর ঘোষণা দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর থেকেই সম্ভাব্য কর্মীদের মধ্যে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার কার্যক্রম শুরুর ঘোষণাও এসেছে। তবে কর্মীপ্রতি মোট খরচ, বিভিন্ন ধাপের ফি এবং অর্থ পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকায় অনিশ্চয়তা কাটছে না।

ব্যয় নিয়ে এজেন্সিগুলোর দাবি

শ্রমশক্তি খাতের ব্যবসায়ীদের দাবি, সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পূর্ববর্তী অভিবাসন ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল না। ২০২২ সালে এ বিষয়ে আপত্তি জানানো হয়েছিল এবং এবারও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যয় নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য চাহিদাপত্র সংগ্রহে ব্যয় হতো ২-৩ হাজার রিঙ্গিত, যা বর্তমানে বেড়ে ৮-১০ হাজার রিঙ্গিত হয়েছে। কিছু ব্যবসায়ীর হিসাব অনুযায়ী, এই ব্যয় ১০ থেকে ১২ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত উঠেছে। ফলে কর্মীপ্রতি খরচও বাড়বে বলে তাদের ধারণা।

তথ্যানুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মোট অভিবাসন ব্যয় ছিল ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা। এই ব্যয়ের মধ্যে পাসপোর্ট ফি, মেডিকেল পরীক্ষা ফি, রিক্রুটিং এজেন্সির সার্ভিস চার্জ, রেজিস্ট্রেশন ফি, কল্যাণ ফি, বিমা বা ইন্স্যুরেন্স ফি অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু বাস্তব চিত্র ছিল ভিন্ন। বিভিন্ন স্তরে দালাল ও এজেন্সির সিন্ডিকেটের কারণে ওই সময়ে বাংলাদেশি কর্মীদের খরচ দাঁড়িয়েছিল ৫-৬ লাখ টাকা। অন্যদিকে, নেপালের নাগরিকদের খরচ ছিল দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা, ইন্দোনেশিয়ান কর্মীদের খরচ ছিল এক থেকে দেড় লাখ টাকা এবং ফিলিপাইন নাগরিকদের খরচ ছিল পঞ্চাশ থেকে আশি হাজার টাকা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাব-এজেন্সির তালিকাভুক্ত এক রিক্রুটিং এজেন্সির মালিক জানিয়েছেন, তিনি ইতিমধ্যে এক হাজারের বেশি পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন এবং আরও পাসপোর্ট সংগ্রহের কার্যক্রম চলছে। তার দাবি, আগ্রহীদের অন্তত সাত লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। চূড়ান্ত ব্যয় নির্ধারিত না হওয়ায় এই অঙ্ক আরো বাড়তে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

ওই ব্যবসায়ীর বক্তব্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার বিভিন্ন কোম্পানি থেকে চাহিদাপত্র সংগ্রহে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করছেন বড় ব্যবসায়ীরা। এর বাইরে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্বত্বভোগীদেরও অর্থ দিতে হয়। ফলে ছোট এজেন্সিগুলোর পক্ষে কম খরচে কর্মী পাঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম "আমার দেশ"কে বলেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ হলে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। তার আশঙ্কা, বর্তমান প্রক্রিয়ায় অভিবাসন ব্যয় আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। কর্মীদের জন্য আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধ্যে ব্যয় নির্ধারণ করা বাস্তবসম্মত বলেও তিনি মনে করেন।

কর্মীদের দুশ্চিন্তা

এদিকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা সম্ভাব্য কর্মীদের মধ্যে বাড়তি খরচের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সুনামগঞ্জের আলমাছ আলী গ্রামে মুদি দোকান চালিয়ে সংসার চালান। তিনি আড়াই বছর ধরে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার অপেক্ষায় ছিলেন। সম্প্রতি এক প্রতিবেশী তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে পাসপোর্ট জমা দিতে বলেন। খরচের বিষয়ে জানতে চাইলে সাত লাখ টাকার বেশি প্রস্তুত রাখতে বলা হয়।

ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা মুন্না মিয়া একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরুর খবর দেখে পরিচিত একটি রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মুন্না জানান, এবার খরচ বেশি হবে জানিয়ে তাকে প্রাথমিকভাবে সাত থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে।

সরকার নির্ধারণ করবে নতুন ব্যয়

মন্ত্রণালয়ের ১৫ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল), ২৫টি বেসরকারি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি এবং ৩১২টি রিক্রুটিং এজেন্সিসহ মোট ৩৩৮টি প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করতে সম্মত হয়েছে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ।

তালিকাভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তা খুঁজে বের করা, চাকরির চাহিদাপত্র সংগ্রহ, কর্মী নির্বাচন ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। অন্যদিকে, কলিং ভিসা ও ই-ভিসাসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কাজে বোয়েসেল ও তালিকাভুক্ত ২৫টি প্রসেসিং বা সার্ভিস এজেন্সি সহায়তা করবে। এরপর বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী কর্মীদের বিএমইটি ছাড়পত্রের ব্যবস্থা করা হবে।

প্রতিটি অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সি তাদের নির্বাচিত কর্মীদের বিএমইটি ছাড়পত্র নিতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রসেসিং অথবা সার্ভিস এজেন্সিগুলো প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিতে পারবে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা চূড়ান্ত করার কথাও জানানো হয়েছে। তবে কর্মীপ্রতি অভিবাসন ব্যয় কত হবে এবং কারা বিনা খরচে যাওয়ার সুযোগ পাবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।

মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, আগের নির্ধারিত ব্যয় সংশোধনের বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। তাদের দাবি, প্রায় ৭৯ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হলেও একটি এজেন্সির প্রায় ৩০ হাজার টাকা লাভের সুযোগ ছিল। এরপরও কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় ঠেকানো যায়নি। এজেন্সি মালিকরা যেন কর্মীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা না নেয়, এজন্য নতুন করে আরেকটি অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করার চিন্তা করছে মন্ত্রণালয়।

ওইপি ব্যবস্থায় অর্থ পরিশোধের প্রস্তাব

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর "আমার দেশ"কে বলেন, মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য দ্রুত বাস্তবসম্মত অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ করা জরুরি। একই সঙ্গে ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্ল্যাটফর্মের (ওইপি) মাধ্যমে পুরো অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা করা উচিত।

তার মতে, মূল এজেন্সি ও সাব-এজেন্সির সার্ভিস চার্জসহ কোন খাতে কত টাকা নেওয়া হচ্ছে, তা নির্দিষ্ট করে দিতে হবে। প্রয়োজনে পরীক্ষামূলকভাবে ওইপি সার্ভিস চার্জ নির্ধারণ করা যেতে পারে।

এখনই যারা পাসপোর্ট সংগ্রহ করছেন, তাদের কার্যক্রমও খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেন তিনি। পাসপোর্ট জমা দেওয়া কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে কত টাকা দাবি করা হচ্ছে, তা যাচাই এবং প্রয়োজনে টাস্কফোর্সের মাধ্যমে অভিযান চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এই বিশেষজ্ঞ।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, আগের নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল না এবং এটা কেউ মানেনি। সরকারি সংস্থা বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর খরচ আনুমানিক এক লাখ ৫৫ হাজার থেকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা হতে পারে। তবে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর ব্যয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ করে নির্ধারণ করা হবে।

আগেও বেড়েছিল ব্যয়

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার ২০০৮ সালে বন্ধ হওয়ার আট বছর পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয় দেশটি। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির পর ২০২২ সালে আবার কর্মী পাঠানো শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন ফের বন্ধ হয়ে যায় শ্রমবাজারটি।

২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১০টি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করা হয়। সে সময় সরকার নির্ধারিত অভিবাসন ব্যয় ছিল ৩৩ হাজার ৩৭৫ টাকা। কিন্তু কর্মীদের কাছ থেকে নেওয়া হতো দুই থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা।

পরবর্তী সময়ে ২০২২ সালে শ্রমবাজার চালুর পর প্রথমে ২৫টি এবং পরে ১০১টি এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, সিন্ডিকেট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে তখনও কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় কয়েক লাখ টাকায় পৌঁছায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এমবাপে বিতর্ক সমাধানে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লা লিগা প্রধানের বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৭ এম


এমবাপে বিতর্ক সমাধানে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে লা লিগা প্রধানের বৈঠক

রিয়াল মাদ্রিদ-এর তারকা কিলিয়ান এমবাপে বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি সমাধানের উদ্দেশ্যে লা লিগা সভাপতি হাভিয়ের তেবাস চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও জিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এমবাপের মন্তব্য, যা চীনের গণপ্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মাও সেতুংকে নিয়ে একটি মিমের প্রসঙ্গে ছিল, এশীয় দেশটিতে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

ইএফইর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি (সিসিটিভি) সন্ধ্যার লা লিগা ম্যাচ এবং এমবাপে অংশ নেওয়া সকল ম্যাচের সম্প্রচার সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তেবাস লিখেছেন, “আজ আমি স্পেনে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছি। কিলিয়ান এমবাপের মন্তব্য থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি এবং এই ঘটনার সমাধানের উপায় খুঁজেছি।”

তিনি আরো বলেন, “গত কয়েক বছরে লা লিগা চীনের কর্তৃপক্ষ, ফুটবল সংগঠন, সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছে। এর মাধ্যমে চীনে স্প্যানিশ ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের অভিজ্ঞতা ও সম্পদ ভাগ করে চীনা ফুটবলের উন্নয়নেও অবদান রেখেছে।”

চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লা লিগার একাধিক অংশীদারিত্ব চুক্তি রয়েছে। এর মধ্যে চাইনিজ প্রফেশনাল ফুটবল লিগ (সিএফএল)-এর সঙ্গে ২০২৯ সাল পর্যন্ত কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এছাড়া চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-এর সঙ্গেও লা লিগার চুক্তি রয়েছে, যার লক্ষ্য চীনা ফুটবলের উন্নয়ন এবং দেশটির কোটি কোটি সমর্থকের আরও কাছে স্প্যানিশ প্রতিযোগিতাগুলোকে পৌঁছে দেওয়া।

তেবাস আশা প্রকাশ করেছেন যে, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা যেন দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।

তার ভাষায়, “এই সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। আমাদের এটি সংরক্ষণ ও আরও শক্তিশালী করতে হবে। আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেন একটি মাত্র ঘটনা অর্জিত অগ্রগতিকে নষ্ট না করে এবং আমাদের প্রতিযোগিতাগুলো অনুসরণ করা লাখো চীনা সমর্থকের ওপর নেতিবাচক প্রভাব না ফেলে। চীন লা লিগার জন্য একটি কৌশলগত অংশীদার ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।”

এমবাপের মন্তব্যের পর এখন পর্যন্ত অন্তত তিনটি প্রতিষ্ঠান তার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।

মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বার্তায় এমবাপে চীনা জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন, মাও সেতুংকে নিয়ে তার মন্তব্য ছিল ‘অবিবেচনাপ্রসূত’।

রিয়াল মাদ্রিদও নিজেদের খেলোয়াড়ের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে চীনা জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়েছে।

ক্লাবটির বিবৃতিতে বলা হয়, “সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপের মন্তব্যে যদি চীনা জনগণের কোনো ধরনের অস্বস্তি সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে রিয়াল মাদ্রিদ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।”

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, “চীন, তার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জনগণের প্রতি এবং রিয়াল মাদ্রিদকে ভালোবাসা ও সমর্থন করা লাখো চীনা ভক্তের প্রতি আমাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারাকান্দায় কাভার্ড ভ্যান চাপায় প্রাণ গেল ২ বোনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


তারাকান্দায় কাভার্ড ভ্যান চাপায় প্রাণ গেল ২ বোনের

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার সময় সড়ক পার হওয়ার সময় অজ্ঞাত কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই বোনের মৃত্যু ঘটে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ৮টার দিকে ময়মনসিংহ-হালুয়াঘাট মহাসড়কের তালদিঘি পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাস্থলে দুই শিশু বোনের মৃত্যু ঘটে।

নিহত দুই বোন হলেন—তালদিঘি পশ্চিমপাড়ার মুখলেছুর রহমানের মেয়ে মোছা. আরপিয়া (৮) এবং রাবেয়া খাতুন (৬)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওইদিন সকালে দুই বোন স্থানীয় মাদরাসা থেকে পড়াশোনা শেষ করে মায়ের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল। সড়ক পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী অজ্ঞাত কাভার্ডভ্যান তাদের চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই বোনের মৃত্যু ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তারাকান্দা থানার এসআই জহিরুল হক জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিশু ঘটনাস্থলেই মারা গেছে। কাভার্ডভ্যানটি শনাক্ত করার প্রচেষ্টা চলছে। নিহত দুই শিশুর মরদেহ আইনানুসারে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সহিংসতাকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: ফ্রান্সে নতুন আইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


সহিংসতাকারীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে: ফ্রান্সে নতুন আইন

ফ্রান্সে বিক্ষোভ চলাকালীন ভাঙচুর, লুটপাট ও সহিংসতার ঘটনায় ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিধানকে আরো কঠোর করার উদ্দেশ্যে আইন প্রণেতারা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এ লক্ষ্যে সিনেটে অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রস্তাবিত ‘কাস্যর-পেয়র’ বিলটি এখন কার্যকর হওয়ার পথে। প্রস্তাবিত বিধান অনুসারে, নির্দিষ্ট আইনি শর্ত পূরণ হলে সহিংস বিক্ষোভের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ১০ হাজার ইউরো পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

ফরাসি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বিলটির পক্ষে সিনেটে ২২৯টি ভোট পড়েছে এবং বিপক্ষে ১০৫ জন সদস্য ভোট দিয়েছেন। জনসমক্ষে সংঘটিত সহিংসতা ও ভাঙচুরের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।

তবে, সিনেটে অনুমোদন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে বিলটি এখনই কার্যকর আইন হিসেবে গৃহীত হয়েছে। চূড়ান্ত সংসদীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এর আইনি অবস্থান স্পষ্ট হবে।

যৌথ দায়ের বিধান নিয়ে আলোচনা

বিলটির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, সহিংস সমাবেশে ক্ষয়ক্ষতির জন্য শুধু সরাসরি ভাঙচুরে জড়িত ব্যক্তিদের নয়, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর অন্যান্য সদস্যদেরও আর্থিকভাবে দায়ী করার সুযোগ রাখা। ফলে, কেউ যদি নিজ হাতে কোনো দোকান বা সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর না করে, তবুও আইনে নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ আদায়ের প্রশ্ন উঠতে পারে।

তবে, বিক্ষোভে উপস্থিত থাকা মাত্রই প্রত্যেক ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে—এমন প্রস্তাবিত ব্যবস্থা বিলটিতে নেই। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা, সহিংস গোষ্ঠীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং প্রযোজ্য আইনি শর্ত পূরণ হয়েছে কি না, এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় ক্ষতিপূরণের অর্থ আদায়ের পরিধি বাড়ানোর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে সামাজিক সহায়তার অর্থ থেকে পাওনা আদায়ের সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাওনা আদায় সহজ হতে পারে বলে মনে করছেন উদ্যোগটির সমর্থকেরা।

ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য সরকারের যুক্তি

ফ্রান্সে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক আন্দোলন, শ্রমিকদের বিক্ষোভ এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে দোকানপাট, যানবাহন ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ঘটনায় ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি, জনসাধারণের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রশ্ন উঠেছে।

বিলটির সমর্থকদের মতে, সহিংসতার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা নিরুৎসাহিত করার জন্য কার্যকর আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন। তাঁদের যুক্তি, ক্ষয়ক্ষতির দায় নির্ধারণ ও অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শক্তিশালী হলে জনসম্পদ রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থ সংরক্ষণ সহজ হবে।

শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার নিয়ে উদ্বেগ

অন্যদিকে, বিলটির বিরোধিতাকারীদের আশঙ্কা, যৌথ আর্থিক দায়ের বিধান প্রয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা না থাকলে সহিংসতায় সরাসরি জড়িত নন—এমন ব্যক্তিরাও আইনি জটিলতায় পড়তে পারেন। বিশেষ করে বড় কোনো বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

আইনগত বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ব্যক্তিগত দায় নির্ধারণের নীতি। কোনো সমাবেশে উপস্থিত থাকা এবং সেখানে সংঘটিত অপরাধে অংশ নেওয়া এক বিষয় নয়। ফলে, ক্ষতিপূরণ আদায়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা ও দায় প্রমাণের যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন সমালোচকেরা।

তাদের মতে, জনসম্পত্তি রক্ষা ও ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষ্য থাকলেও, নতুন বিধানের প্রয়োগ যেন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি না করে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হবে।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

সিনেটে অনুমোদনের পর বিলটির পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জাতীয় সংসদে আলোচনা ও অনুমোদনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য আইনি ধাপ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রস্তাবিত বিধানগুলোকে কার্যকর আইন হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

বিলটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হলে ফ্রান্সে বিক্ষোভের সময় সংঘটিত ভাঙচুরের ক্ষতিপূরণ আদায়ের পদ্ধতিতে পরিবর্তন আসতে পারে। একই সঙ্গে যৌথ দায় নির্ধারণ, ক্ষতিপূরণ আদায়ের সীমা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের অধিকার সুরক্ষার প্রশ্নও আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%