ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

উৎসবমুখর পরিবেশে কানাডায় ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’ উদযাপন


উৎসবমুখর পরিবেশে কানাডায় ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’ উদযাপন

কানাডায় দেশটির ১৫৯তম ‘কানাডা ডে’ পালিত হয়েছে বিশাল উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে। জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা আয়োজন ছিল, যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশিরাও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কানাডার জাতীয় সংগীত গাওয়ার মাধ্যমে। জন্মদিনের কেক কাটা, শিশু-কিশোরদের জন্য ফেস পেইন্টিং, জাম্পিং গেমস, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী শারীরিক কসরত এবং আলোচনা সভার মতো নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রদেশ ও শহরে মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং আলবার্টার প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ আলাদাভাবে শুভেচ্ছাবার্তা জানান দেশের মানুষের প্রতি।

আরও পড়ুন: ফ্রান্সে ব্লাড ব্যাংক ও ইউরোপজুড়ে কোল্ড স্টোরেজে সাইবার হামলা

কানাডার অভিবাসন সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় সাড়ে চার লাখ থেকে পাঁচ লাখ মানুষ দেশটিতে অভিবাসন গ্রহণ করেন। বিচারব্যবস্থা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, যোগাযোগব্যবস্থা, জননিরাপত্তা, স্থিতিশীল অর্থনীতি ও শক্তিশালী ব্যাংকিং ব্যবস্থার কারণে কানাডা বিশ্বের এক অন্যতম আকর্ষণীয় দেশ হিসেবে পরিচিত।

তবে এবারের ‘কানাডা ডে’ আলবার্তা প্রদেশে কিছুটা ভিন্ন আবহে পালিত হয়েছে। দেশপ্রেমের সঙ্গে অনেক বাসিন্দার মধ্যে ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার অনুভূতিও ছিল। এর কারণ, প্রদেশটির বিচ্ছিন্নতা নিয়ে গণভোটের রাজনৈতিক আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে।

আগামী ১৯ অক্টোবর আলবার্টার ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবেন, প্র provinceটি কানাডার অংশ হিসেবে থাকবে নাকি কনফেডারেশন থেকে বের হয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে দ্বিতীয় ও বাধ্যতামূলক গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। মে মাস থেকে পক্ষে-বিপক্ষে বিভিন্ন সংগঠন প্রচার চালাচ্ছে।

এ কারণে এবারের ‘কানাডা ডে’তে বিচ্ছিন্নতাবাদী ও কানাডাপন্থী উভয় পক্ষই আলবার্টাবাসীকে দেশের অতীত, অর্জন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবতে আহ্বান জানিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, আসন্ন গণভোটের ফল শুধু আলবার্টার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নয়, বরং কানাডার জাতীয় ঐক্যের জন্যও প্রভাব ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে ১৯ মামলার আসামি ফিরোজ বাবু আটক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কারা নির্যাতনের অভিজ্ঞতা জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


কারা নির্যাতনের অভিজ্ঞতা জানালেন বিএনপি নেতাকর্মীরা

বিএনপি’র রাজনীতি করার কারণে, বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন শ্রীপুর পৌর বিএনপির সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারি। বৃহস্পতিবার, শ্রীপুরের সিসিডিবি ক্লাইমেট সেন্টারের সভাকক্ষে, বিগত সরকারের আমলে কারা নির্যাতিত নেতাদের সংগঠন শ্রীপুর উপজেলা ও পৌর নির্যাতিত ঐক্য ফোরামের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি জেল জীবনের দিনগুলো স্মরণ করেন।

সংগঠনের সভাপতি আরিফুল ইসলাম সরকারের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ মিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।

শ্রীপুর পৌর বিএনপি’র সদস্য সচিব বিল্লাল হোসেন বেপারি জানিয়েছেন, তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক আক্রোশের শিকার হয়ে তিনি কয়েকবার কারাবরণ করেছেন এবং হয়েছেন কয়েক ডজন মামলার আসামি। তৎকালীন গাজীপুরের পুলিশ সুপার হারুনের রোষানলে পড়েছিলেন, যেখানে তাকে গ্রেফতার করে চালানো হয় শারীরিক নির্যাতন।

গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম সরকার যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে ৫১টি মামলার আসামি হয়েছিলেন তিনি। কয়েক ধাপে জেলে কাটিয়েছেন মোট ১৮৬ দিন।

আরিফুল ইসলাম সরকার জানালেন, কন্যা সন্তানের জন্মের খবর তিনি শুনেছিলেন কারাগার থেকেই, তিনি সেই সন্তানের মুখটা দেখেছিলেন কারাগারের ভেতর থেকেই। গ্রেফতার হওয়ার পরপরই তাকে টর্চার সেলে নেয়া হয় এবং সেখানে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিনুল ইসলাম সরকার। ২০২৩ সালে বিএনপির ডাকা হরতালের সময় শ্রীপুরের জৈনা বাজার এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ অবরোধ তৈরি করেন। এ ঘটনায়, একই বছরের ২ নভেম্বর রাতে, ময়মনসিংহের ভালুকার স্কয়ার মাস্টারবাড়ি থেকে র‌্যাব-১ কর্তৃক গ্রেফতার করা হয় তাকে।

এসময়, বিএনপি আন্দোলন নিয়ে পরিকল্পনা জানতে চেয়েছিল র‌্যাব সদস্যরা। কোন তথ্য না পাওয়া গেলে, আক্রোশের বর্শবর্তী হয়ে সেখানকার একটি কক্ষে দুইদিন ধরে তাকে বন্দি করে রাখা হয়। বন্দিশালায় থাকতে, মাঝে মধ্যে এক বেলা কখনো দুই বেলা খাবার দেওয়া হতো। প্রায় পাঁচ মাস পর, তিনি উচ্চ আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্ত হন।

অনুষ্ঠানে নির্যাতিত নেতাদের মধ্যে বিগত ১৭ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের নির্যাতনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, বিল্লাল হোসেন বেপারী, মোসলেম উদ্দিন মৃধা, অ্যাডভোকেট আবু জাফর, অ্যাডভোকেট আহসান কবির, আবুল হোসেন প্রধান, রাজীবুল বেপারী, মামুন আকন, মোক্তারুল করিম মোড়ল শামীম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ পি.এম


কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর দীর্ঘ ৪ মাস পর অবশেষে শুরু হচ্ছে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা।

ইসলাম ধর্মে দ্রুত দাফনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও খামেনির দাফন কেন এতদিন দেরি হলো, তা নিয়ে জনমনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অনেকে গুজব ছড়িয়েছিলেন যে তার লাশ সাময়িকভাবে কোথাও পুঁতে রাখা হয়েছিল। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এই দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।

তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল, তাই তখন শেষকৃত্য করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে দুই পক্ষ সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ায় এই বিশাল জানাজার আয়োজন করা হচ্ছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, ধর্মীয় ও আইনি নিয়ম মেনেই এতদিন তার মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইসলাম ধর্মে রাসায়নিক দিয়ে লাশ মমি বা তাজা রাখা নিষেধ। সুতরাং, খামেনির মরদেহ মমি না করে আধুনিক ফরেনসিক মর্গের হিমাগারে (ফ্রিজে) বরফ করে রাখা হয়েছিল। শিয়া ধর্মীয় আইন অনুযায়ী, বিশেষ জরুরি পরিস্থিতিতে লাশ ফ্রিজে রেখে দাফন দেরিতে করার সুযোগ রয়েছে।

মৃত্যুর ৪ মাস পর এই জানাজাকে ইরান সরকার নিজেদের রাজনৈতিক শক্তির বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছে। তারা প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম ঘটিয়ে বিশ্বকে নিজেদের ঐক্য প্রদর্শন করতে চায়। শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনি ও তার নিহত স্বজনদের লাশ রাখা হয়েছে। ৫টি শহরে শ্রদ্ধা জানানোর পর আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে তাকে দাফন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


গাইবান্ধায় ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

গাইবান্ধায় পৌরসভার একটি দ্রুতগামী ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) সকালে ১১ টার দিকে জেলা শহরের পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মাসুদ মিয়া গাইবান্ধা পৌর শহরের জুম্মা পাড়া এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে বলে পরিচিত।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোটরসাইকেল আরোহী মাসুদ মিয়া বাসস্ট্যান্ড হয়ে সংযোগ সড়ক দিয়ে সাদুল্যাপুর সড়কে উঠছিলেন। এসময় শহরমুখী পৌরসভার একটি দ্রুতগতির ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাক সেই মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ওই আরোহীর মৃত্যু ঘটে।

খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ঘাতক ট্রাকটির চালককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যা জাহাজ মালিকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করছে এবং তাদের ওপর হামলার ঝুঁকি কমে যাচ্ছে।

সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান 'সিগনাল'-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ জুলাইয়ের পর উপসাগরীয় এলাকায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৮টিতে দাঁড়িয়েছে। আগের যুদ্ধের সময়, এই সংখ্যা নেমে গিয়েছিল মাত্র ১ অথবা ২টিতে।

যাহোক, বর্তমান সময়ে জাহাজ চলাচল বেড়েছে, কিন্তু তা যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানায়, গত সপ্তাহে মোট ২৫৮টি জাহাজ এই রুট দিয়ে যাতায়াত করেছে, যেখানে মার্চ মাসের যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে সংখ্যা ছিল মাত্র ৪১টি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হত। সেই সময়, প্রতিদিন প্রায় ১৩৫টি জাহাজ এই প্রণালিতে যাতায়াত করত।

হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, খাবার, জ্বালানি এবং সার শিল্পে বড় প্রভাব পড়েছিল। তবে এই সংকটের সময় কিছু জাহাজ বিকল্প রুটে চলাচল শুরু করে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু বন্দর লাভবান হয়েছে। কাতারের দোহায় অবস্থিত হামাদ বন্দরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও, জেবেল আলী, খোর ফাক্কান এবং সোহার বন্দরগুলো বিকল্প রুটের বাড়তি জাহাজের চাপ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%