০৪:৫৫ পি.এম
জামালপুরে আদালত স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর জন্য মৃত্যুদণ্ড এবং এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে তিনজনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে, হত্যা মামলায় দণ্ডিত আসামিকে পাঁচ লাখ টাকা এবং অপহরণ মামলায় একজন আসামিকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে, জামালপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম পৃথক দুটো মামলার জন্য এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম হাফিজুল হক (৪৫), যিনি বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর এলাকার মৃত প্রধানের ছেলে। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী এলাকার শামীম (৩০), সাদেক মিয়া (২৫) এবং জালাল মিয়া (২৮)। রায় ঘোষণার সময়ে তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: চাঁদপুরে শিশুদের আঁকায় জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত
আদালত ও মামলা সূত্র থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সকালে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর গ্রামে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হনুফা বেগমকে মারধর করে হত্যা করেন তার স্বামী হাফিজুল হক। এই ঘটনায়, নিহতের মা আমেনা বেগম বকশীগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত হাফিজুলকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। অপর চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকালে, এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে সদর উপজেলার হরিপুর এলাকা থেকে অপহৃত হন। পরে তার বাবা সদর থানায় মামলা করেন। পুলিশ গাজীপুর থেকে কিশোরীকে উদ্ধার করে। মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন। পাশাপাশি, আসামি জালাল মিয়াকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক বলেন, ‘পৃথক দুটি মামলার রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। এর মধ্যে হত্যা মামলায় এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং কিশোরী অপহরণ মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
আরও পড়ুন: স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটির ভেতর পাওয়া গেল ধারালো ব্লেড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন