ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

খাল পুনঃখননে ৭৩ লাখ টাকা সাশ্রয়, সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন সালথার ইউএনও


খাল পুনঃখননে ৭৩ লাখ টাকা সাশ্রয়, সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন সালথার ইউএনও

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম, অপচয় অথবা অতিরিক্ত ব্যয়ের অভিযোগ মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসে। তবে ফরিদপুরের সালথা উপজেলা প্রশাসন প্রচলিত চিত্র থেকে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। উপজেলার তিনটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অব্যয়িত ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগটি নেতৃত্ব দেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন। সরকারি অর্থের সাশ্রয়ী ব্যবহার এবং উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার এই পদক্ষেপটি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) অফিস সূত্রে জানা গেছে, আটঘর, রামকান্তপুর ও সোনাপুর ইউনিয়নের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ খাল পুনঃখননের জন্য মোট ১ কোটি ৬৭ লাখ ৪৯ হাজার ৪০৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ৪ দশমিক ৫৩৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা, কৃষিজমির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা কমানোর লক্ষ্য নিয়েছে।

আরও পড়ুন: কুবি ক্যাম্পাসে ভুয়া পুলিশ সন্দেহে ৩ জনকে আটক, মারধরের অভিযোগ

প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। অল্প পরবর্তীকালে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে কাজের মান ও অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের পুরো সময়জুড়ে নিয়মিত তদারকি, ব্যয়ের প্রতিটি খাতের নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করায় নির্ধারিত মান বজায় রেখেই তুলনামূলক কম ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করা সম্ভব হয়েছে।

প্রায় তিন মাসব্যাপী পুনঃখননকাজ শেষে শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি, পরিবহন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়সহ সব বিল পরিশোধ করার পরেও ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা অব্যয়িত থাকে। সরকারি বিধি অনুযায়ী, ওই অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) একাধিক সদস্য উল্লেখ করেন, ইউএনও দবির উদ্দিন নিয়মিত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। তাদের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রেখে কাজের মান নিশ্চিত করায় সালথার এই খাল পুনঃখনন প্রকল্প অনেক অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি মানসম্মত হয়েছে।

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে অসুস্থ সাংবাদিকদের রোগমুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল

স্থানীয় কৃষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো ভরাট থাকায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকট ছিল নিয়মিত সমস্যা। খাল পুনঃখননের ফলে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এছাড়া খাল সচল থাকায় মাছের প্রাকৃতিক আবাসস্থল পুনরুদ্ধার হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।

এ বিষয়ে ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। তাই প্রতিটি টাকা ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। আমরা প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছি। প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর অবশিষ্ট অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দ হওয়া প্রতিটি টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।”

আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর সীতাকুণ্ডে ২০ স্পিডব্রেকার, যানজট বেড়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাসেও শুরু হয়নি ভৈরব পৌরসভার ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ, ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার প্রকল্প ঝুলে থাকায় জনদুর্ভোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ পি.এম


৬ মাসেও শুরু হয়নি ভৈরব পৌরসভার ১৫ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ, ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকার প্রকল্প ঝুলে থাকায় জনদুর্ভোগ

ভৈরব পৌরসভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ৯টি সড়ক এবং ৬টি ড্রেন নির্মাণের কাজ মোট ১৫টি প্রকল্পের কাজ, অনুমোদনের প্রায় ছয় মাস পরেও শুরু হয়নি। যার মোট ব্যয় প্রায় ১৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে এই দীর্ঘসূত্রতা পৌরবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ এবং হতাশার সৃষ্টি করেছে। পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পগুলো চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে অনুমোদন দেওয়া হয়। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে ভৈরব বাজার থেকে দুর্জয় মোড় পর্যন্ত সড়কের কার্পেটিংয়ের জন্য প্রায় ২ কোটি টাকা এবং একই সড়কের ফুটপাত নির্মাণের জন্য প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে। এছাড়া জগন্নাথপুর দক্ষিণপাড়া থেকে আওয়ালকান্দা সড়কের উন্নয়নসহ মোট ৯টি সড়ক ও ৬টি ড্রেন নির্মাণ প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ সব প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় খাগড়াছড়িভিত্তিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেলিম এন্ড বাদ্রাস। তবে অভিযোগ রয়েছে, কার্যাদেশ পাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এই প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকল্পের কাজ শুরু করেনি। ফলে পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো ভাঙাচোরা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব সড়কে পানি জমে যাতায়াত করার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে প্রতিদিন পথচারী, যানবাহন চালক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ভোগান্তির সৃষ্টি হচ্ছে। ভৈরব পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফ সারোয়ার বাতেন জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুই দফা নোটিশ দেওয়া হলেও তারা এখনও কাজ শুরু করেনি। জনদুর্ভোগ কমাতে জরুরি ভিত্তিতে ভৈরব বাজার–দুর্জয় মোড় সড়ক এবং ভৈরব ফেরিঘাট সড়কসহ পৌর এলাকার বিভিন্ন দুর্ঘটনাজনিত সড়কের অস্থায়ী সংস্কারের জন্য পৃথক টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। এ কাজ স্থানীয় ঠিকাদার আবু বক্করের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের ছয় মাস পরও কাজ শুরু না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। তারা জানাতে চান, কেন দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সময়ে কাজ শুরু করেনি। তারা দাবি করেছেন যে বিষয়টি জনসম্মুখে পরিষ্কার করা উচিত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। এলাকা বাসীর দাবি, দায়িত্বে অবহেলা এবং দীর্ঘসূত্রতার প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং তাদের ঠিকাদারি লাইসেন্স বাতিল করার বিষয়টিও ভাবা উচিত। একই সঙ্গে আটকে থাকা ১৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করা এবং নির্ধারিত সময়ে শেষ করার দাবি তুলেছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সেলিম এন্ড বাদ্রাসের কর্ণধারের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, তিনি প্রকল্প সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করলেও ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। পৌরবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই স্থবিরতা কাটিয়ে দ্রুত উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হবে, যাতে নাগরিকরা নিরাপদ সড়ক এবং উন্নত পৌরসেবা ভোগ করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুরোনো থানা ভবন ধ্বংসকাজে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


পুরোনো থানা ভবন ধ্বংসকাজে বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থানার পুরনো ভবন ভাঙার কাজ চলাকালে মাটির নিচে থাকা একটি বোমাসদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়। এতে দুই নির্মাণ শ্রমিক আহত হয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে থানা চত্বরের ভেতরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহত শ্রমিকেরা হলেন, উপজেলার বাজারগ্রাম এলাকার গফফার মোড়লের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪২) এবং একই এলাকার কামরুল হাসান (৩০)। তাদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুরাতন থানা ভবন ভাঙার অংশ হিসেবে শ্রমিকরা ভবনের ফ্লোরের নিচের মাটি অপসারণের কাজ করছিলেন। এ সময় বাজারগ্রাম এলাকার বাসিন্দা গফফার মোড়লের ছেলে শ্রমিক রফিকুল ইসলাম (৪২) কোদাল দিয়ে মাটিতে আঘাত করলে মাটির নিচে থাকা বোমাসদৃশ বস্তুটি বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হয়। এতে রফিকুলের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। এ সময় পাশে থাকা অপর শ্রমিক কামরুলের ডান পায়ে গুরুতর জখম হয়েছ।

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণের প্রকৃতি নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা থাকলেও পুলিশ বলছে, এটি ককটেল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত নয়।

এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, "পুরাতন থানা ভবনের মাটি সরানোর সময় এক শ্রমিকের কোদালের আঘাতে একটি বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিকভাবে এটি ককটেল বলে মনে হচ্ছে না। এটি আতশবাজি জাতীয় কোনো বস্তু হতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে."

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বান

 বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রন্থদের পাশে দাঁড়াতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন সংগঠনের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার।

আজ রবিবার, সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক তপন কুমার বসু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান, সিলেট, হবিগঞ্জসহ দেশের নানা অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় মানুষের অবর্ণনীয় কষ্ট ও দুর্ভোগ চলছে। সেদিকে খেয়াল রেখে বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার সকল জেলা, মহানগর, থানা কমিটিকে দুর্গত মানুষের পাশে থেকে জরুরি ওষুধ, শুকনো খাবার ও বস্ত্রসহ দুর্গত এলাকায় মানুষের পাশে থাকার জন্য আহবান জানিয়েছেন।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ শুরু করেই উধাও ঠিকাদার, ঝুঁকিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


কাজ শুরু করেই উধাও ঠিকাদার, ঝুঁকিতে সেতু নির্মাণ প্রকল্প

খুলনার পাইকগাছা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেতুর নির্মাণ কাজ এখনও পাঁচ বছরের পর শেষ হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান যে কাজ ফেলে উধাও হয়ে গেছে, সেই কারণে ভাঙা সাঁকো ব্যবহার করে হাজার হাজার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হচ্ছে।

সূত্র জানাচ্ছে, কপোতাক্ষ নদের ওপর শালিখা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর। এলজিইডির উদ্যোগে প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁকা-পাটকেলঘাটা সড়কে ৬৬ মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি গার্ডার সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালের আগস্টে। কিন্তু ৬৫ শতাংশ কাজ শেষ করার পর ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। ইতোমধ্যে ঠিকাদার ৪ কোটি ৪৫ লাখ, ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকা তুলে নিয়েছে। এরপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা ও যন্ত্রপাতি রাতের অন্ধকারে সাইট থেকে সরিয়ে নিয়ে গেছে।

ফলশ্রুতিতে তালা উপজেলার খেশরা, শালিখা, বালিয়া, জালালপুর ও মাগুরা ইউনিয়নের মানুষ প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে। সাইকেল, ভ্যান, ইঞ্জিনভ্যান ও মোটরসাইকেল এই ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর ওপর দিয়েও চলাচল করছে।

কাটিপাড়া বাজার, বাঁকা বাজার, পাইকগাছা, কয়রা, আশাশুনি ও সাতক্ষীরা জেলার সঙ্গে যোগাযোগের এই গুরুত্বপূর্ণ পথে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন।

এলজিইডি সূত্র জানাচ্ছে, ঠিকাদারকে একাধিকবার সতর্ক করার পরও সাড়া না পাওয়ায় ২০২৩ সালের ১০ মার্চ ২৮ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ দিয়ে কাজ বাতিলের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এস এ-জেডটি (জেভি)’ পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়।

প্রতিষ্ঠানটির জিয়াউল হাসান টিটুর বক্তব্য জানতে তার মোবাইল নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন দেওয়া হলেও নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, আপাতত শালিখা ব্রিজের কাজ বন্ধ রয়েছে। আমরা বারবার কার্যাদেশটি বাতিল করার জন্য জেলা অফিসে সুপারিশ করেছি। কাজটি বাতিল হলে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করে নতুন করে কাজ শুরু করা হবে।

পাঁচ বছর পার হলেও এই সেতুর কাজ শেষ হয়নি। ঠিকাদার পালিয়ে গেছে, কিন্তু প্রশাসনের কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেই। এই অবস্থায় ভোগান্তির শেষ কোথায়, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%