শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১৮ এম
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ফুটবলের গ্রুপ ‘বি’র ম্যাচে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) এর বিরুদ্ধে পাত্তাই পেল না ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। ড্যাফোডিল আইইউবির জালে হাফডজন গোল দিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করেছে।
ম্যাচে ডিআইইউর বিদেশি শিক্ষার্থী ইউনুসা হ্যাটট্রিক করেছেন। এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ টুর্নামেন্টে এটি প্রথম হ্যাটট্রিক হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় ম্যাচের শুরুতে আইইউবির শক্তিশালী রক্ষণের কারণে ডিআইইউর স্ট্রাইকাররা কিছুটা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ড্যাফোডিলের আক্রমণগুলোতে ইন্ডিপেন্ডেন্টের রক্ষণভাগ এলোমেলো হয়ে যায়।
ম্যাচের ২০ মিনিটে সাদিকের গোলে ডেডলক ভেঙে ড্যাফোডিল লিড নেয়।
এরপর পুরো সময়টাই ছিল ডিআইইউর বিদেশি শিক্ষার্থী ইউনুসার দখলে। এই বিদেশি শিক্ষার্থী একাই আইইউবিকে তছনছ করে দেয়।
ম্যাচের ২৫, ৩৫ এবং ৪৫ মিনিটে তিনি নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন।
এছাড়া ৪৪ ও ৫২ মিনিটে সেলিমের জোড়া গোলে আইইউবির জালে হাফডজন গোল করে ডিআইইউ বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
ম্যাচটি দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস দ্বারা সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।
দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’ গত ২৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে খাবারের বকেয়া টাকা চাওয়ার কারণে একটি রেস্টুরেন্টে তালা দেওয়ার অভিযোগ জামায়াতের এক নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর দাবি, টানা তিন দিন রেস্টুরেন্টটি বন্ধ থাকায় ভেতরে থাকা কাঁচামাল নষ্ট হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেস্টুরেন্টের মালিক শাহাদাত হোসেন। এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) তিনি এই ঘটনার জন্য রায়পুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তি সাইয়্যেদ জাহেদ ইজ্জুদ্দীন তাহের জাবিরী। তিনি জামায়াতের মনোনীত উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং হায়দারগঞ্জ বাজারের বড় মসজিদের খতিব।
শাহাদাত হোসেন হায়দারগঞ্জ বাজারের ঘরোয়া ফুড অ্যান্ড কাবাব ঘরের স্বত্বাধিকারী। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে জাহেদ ওই রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়েছেন। একাধিকবার মেহমানদের নিয়ে সেখানে গিয়েছেন। বেশিরভাগ সময় তিনি বাকিতে খাবার খেতেন। এর ফলে প্রায় পাঁচ মাস আগে তার কাছে ২০ হাজার টাকা বকেয়া হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি ওই টাকা পরিশোধ করেননি।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে গত ২৭ অক্টোবর ১২-১৩ জনকে সঙ্গে নিয়ে রেস্টুরেন্টে যান জাহেদ। এ সময় তিনি উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে রেস্টুরেন্টে তালা দেন, কর্মচারীদের বের করে দেন। ঘটনার কিছু দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করেছে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ।
রেস্টুরেন্টের কর্মচারী মো. রবিন বলেন, ঘটনার দিন সকালে জাহেদ লোকজন নিয়ে এসে রান্নাঘরে তালা দেন। রাতে রেস্টুরেন্টের মূল দরজায় তালা দিয়ে আমাদের বের করে দেওয়া হয়।
রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী শাহাদাত হোসেন জানান, পাওনা ২০ হাজার টাকা চাওয়ার কারণে জাহেদ ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, "তিন দিন ধরে আমার প্রতিষ্ঠান বন্ধ। কাঁচামাল পচে যাচ্ছে। উপার্জনও বন্ধ হয়ে গেছে। এ ঘটনায় আমি সুষ্ঠু বিচার চাই।"
অভিযোগ অস্বীকার করে জাহেদ বলেন, "আমি রেস্টুরেন্টে তালা দিইনি। শাহাদাত নিজেই তার রেস্টুরেন্টে তালা দিয়ে এখন মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমার কাছে তিনি কোনো টাকা পাবেন না। বরং আমি তার কাছে টাকা পাব।"
তবে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রতিবেদকের কাছে রয়েছে জানানো হলে তিনি অভিযোগের বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেননি।
হায়দারগঞ্জ বাজার কমিটির সদস্য মো. মিস্টার বলেন, জাহেদ ও শাহাদাতের মধ্যে টাকা লেনদেনের বিষয় রয়েছে বলে শুনেছেন। তিনি বলেন, "এ কারণেই হয়তো দোকানে তালা দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা নেই।"
রায়পুর থানার এএসআই নির্মল ত্রিপুরা জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) থানায় ডাকা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল এবং জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি আজ রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফয়সল আমীনকে অভিনন্দন জানিয়ে রাশেদ খান লেখেন, "ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রমাণিত হলো জামায়াতের জান্নাতের টিকিট আর কোথাও কাজে দিবে না। অভিনন্দন এমপি মির্জা ফয়সল আমীন....! জনগণ বুঝে গেছে যে, জামায়াতের মধ্যে ধর্মীয় লেবাসে অসংখ্য গাজী নজরুল ইসলাম রয়েছে। প্রতিনিয়ত যে দলের অসংখ্য নেতার পরকীয়ার সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, যে দল রোজা ও পূজাকে মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ মনে করে, যে দল মনে করে আগে ছিলো হিন্দু মানে নৌকা, এবার হবে হিন্দু মানে দাঁড়িপাল্লা, যে দলের আইনজীবী শহীদ আবরার ফাহাদের খুনিদের আইনজীবী হয়, যে দল সকাল বেলা ভারতের বিরুদ্ধে বলে রাতের বেলা ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক করে, যে দল তার নিজ দলের নেতাকর্মীদের জান্নাতের পথ দেখাতে হিমশিম খাচ্ছে, তারা কিভাবে জনগণকে হেদায়েতের পথ দেখাবে?"
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুল মালেকের মন্তব্য এবং ধর্মীয় বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খান তার পোস্টে আরও লেখেন, "ইসলাম নিয়ে জামায়াতের এসব ভণ্ডামি দেখে, বলা যায় একপ্রকার অতিষ্ঠ হয়ে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি জনাব আব্দুল মালেক জামায়াত সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন যে, যারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করবে তারা পথভ্রষ্ট। সুতরাং পথভ্রষ্ট জামায়াতের দেখানো জান্নাতের পথে হেঁটে মানুষ আর দাজ্জালের জান্নাতে যেতে আগ্রহী হবে না। মুফতি জনাব আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে ওয়াজের মাঠে আমির হামজা আর তারেক মনোয়ারের মত চাপাবাজদের নামিয়ে হয়তো নিজ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করা যাবে, কিন্তু জনগণের কাছে জামায়াতকে আর ইসলামিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা যাবে না।"
পোস্টের শেষাংশে জামায়াতের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি লেখেন, "যারা বিদেশিদের সাথে বৈঠক করে বলবে যে, কোথায় বলেছি ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন কায়েম করবো? সেই দলকে তো আর ইসলামিক দল বলা যায় না।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের রাষ্ট্রীয় ও অর্ধ-সরকারি গণমাধ্যমগুলো মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাঠানো একটি চিঠির সত্যতা স্বীকার করেছে। তবে তেহরান জানিয়েছে, মার্কিন শীর্ষ নেতৃত্বের এই চিঠির প্রতিক্রিয়া বা উত্তর তারা এখনো দেয়নি।
অর্ধ-সরকারি বার্তা সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ’ জানাচ্ছে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজাইয়ের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু তেহরান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এর কোনো উত্তর দেয়নি।
তাসনিমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, “ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনা বা যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেহরানের নির্ধারিত ৭টি শর্ত পূরণ করা আবশ্যক। ইরান যে সুদৃঢ় ও স্পষ্ট কাঠামো নির্ধারণ করেছে, সেটিকে ক্ষুণ্ন করে এমন কোনো অবস্থান বা প্রস্তাব তেহরানের কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না।”
এর আগে মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, নতুন করে শান্তি আলোচনা শুরুর এবং উত্তেজনা কমানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মহসেন রেজাইকে এই চিঠি লেখেন।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্যান্সের সাথে ইরানি কর্মকর্তাদের যোগাযোগের বিষয়টি স্বীকার করলেও শান্তি আলোচনার দাবির বিষয়টি একপ্রকার এড়িয়ে গেছেন। ট্রাম্প দাবি করেন, ভ্যান্স ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে যে বার্তা আদান-প্রদান হয়েছে তা মূলত চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহসংক্রান্ত বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত। যদিও এ ব্যাপারে বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি প্রদান করেননি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার অনুমোদন প্রদান করেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা, আগামী মাসে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন বায়েরা চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান দিয়েছেন।
প্রথম ইউনিটটির বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান জানিয়েছেন, প্রথম ইউনিটের হট কমিশনিংয়ের প্রথম উপধাপ ‘বি-১’ পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। এই পর্যায়ে মূলত পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং এবং চুল্লির সাবক্রিটিক্যাল অবস্থা যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। ইউনিটটিতে ‘বি-২’ পর্যায়ের ভৌত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জাহেদুল হাসান আরও বলেন, ‘পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও কমিশনিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হলে আগামী মাসে জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুমোদন পেলেও প্রথম ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আগে আরও কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।
তারা বলেন, এখন প্রকল্পটিকে ‘সি’ পর্যায়ে প্রবেশ করতে হবে। এই পর্যায়ে চুল্লির ক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে চালু অবস্থায় প্রধান যন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন ব্যবস্থার কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে।
প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের আগে চুল্লির ক্ষমতা পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধির পরীক্ষা এবং যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা যাচাই করা হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর আগে কমিশনিংয়ের আরও কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হবে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো জেনারেটরকে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সমন্বিত করা। এর মাধ্যমে কেন্দ্রটির ধারাবাহিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের সক্ষমতা যাচাই করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ