মোঃ সোহেল রানা, রাঙামাটি প্রতিনিধি
০৬:৫৯ পি.এম
পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে একত্রে কাজ করার আহ্বান করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি।
তিনি রোববার (২৩ আগস্ট) রাঙামটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের কর্ণফুলী সম্মেলন কক্ষে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং জনবান্ধব করার প্রয়োজন রয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে বলেন।
এ সভায় সভাপতিত্ব করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা, এনডিসি, পিএসসি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ (যুগ্মসচিব)। এ ছাড়াও বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তারা সভায় উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বোর্ডের চলমান এবং বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, কর্মপরিবেশ এবং পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভা শেষে মাইনী মিলনায়তনে বোর্ডের বিভিন্ন স্কিমের আওতায় তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী এবং নারীদের জন্য সেলাই মেশিন বিতরণ করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়।
এ সময় জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে তিনটি পার্বত্য জেলায় দুই শতাধিক তরুণ-তরুণীকে তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে তাদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ তৈরিতেও এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পার্বত্য অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে সাংবাদিক দম্পতি শাকিল আহমেদ এবং ফারজানা রূপার কাছ থেকে সম্পদ বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত সম্প্রতি নেওয়া হয়েছে, এবং রোববার (২৩ আগস্ট) তা জানান দেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম।
দুদক জানায়, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শাকিল আহমেদ এবং ফারজানা রূপার জন্য পৃথক পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে তাদের নামে পৃথক আদেশপত্র এবং সম্পদ বিবরণীর ফরম ইস্যু করা হয়েছে।
নোটিশটি তাদের ঠিকানায় সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ পৌঁছে দিতে কনস্টেবল মো. জুয়েল মিয়া দায়িত্ব পালন করেন। তবে, সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় গিয়ে তাদের না পেয়ে তিনি সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশপত্রসহ মূল ফরম ফেরত দেন।
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তীতে জানা যায়, শাকিল আহমেদ তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলা নম্বর ২ (৯) ২০২৪-এ গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক রয়েছেন। অপরদিকে, তার স্ত্রী ফারজানা রূপা যাত্রাবাড়ী থানার মামলা নম্বর ৩৩ (৯) ২০২৪-এ গ্রেফতার হয়ে মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারে অন্তরীণ রয়েছেন।
এই অবস্থায়, তাদের কারাগারে আটক থাকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে, সংশ্লিষ্ট জেল সুপারের মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।
দুদকের নথি অনুযায়ী, শাকিল আহমেদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারের মাধ্যমে এবং ফারজানা রূপার আদেশ মুন্সিগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপারের মাধ্যমে জারি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর রেঞ্জ এবং পুলিশের এসবি শাখায় কর্মরত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার যে ২ কর্মকর্তা রয়েছেন, তাদের জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) আমলা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রেষণ-১ শাখা থেকে এসব বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
এনএসআইয়ের পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা ২ জন হলেন- রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি আমিনুল ইসলাম এবং পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের।
এই নিয়োগের বিষয় নিয়ে উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলমের সই করা প্রজ্ঞাপনে বিস্তারিত বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পুলিশের উল্লিখিত কর্মকর্তাদের বদলিপূর্বক নামের পাশে উল্লেখিত পদে প্রেষণে নিয়োগের জন্য তাদের চাকরি সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
জনস্বার্থে এই আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দেশের সরকারের কাছে চিঠি লিখেছেন বিশ্বের বেশ কয়েকজন সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররা। কিংবদন্তি ক্রিকেটারের শারীরিক অবস্থা নিয়ে গত ছয় মাসের মধ্যে এটি তাদের দ্বিতীয় আবেদন।
ভারতের সাবেক অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার, কপিল দেব ও দিলীপ ভেঙসরকারসহ মোট ২১ জন বিখ্যাত ক্রিকেটার ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে পাকিস্তান সরকারের কাছে তাদের আবেদন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক এবং ভারতের কোচ গ্রেগ চ্যাপেলের উদ্যোগে নেওয়া এই আবেদনে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে আরও রয়েছেন অ্যালান বর্ডার, ইয়ান চ্যাপেল, মাইক গ্যাটিং, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, অ্যান্ড্রু স্ট্রস, অ্যালিস্টার কুক এবং ক্লাইভ লয়েড।
চলতি সপ্তাহে ইমরান খানের সংক্ষিপ্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর সাবেক ক্রিকেটাররা পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে চিঠিটি লিখেছেন। মোট ২১ জন ক্রিকেটার এই আবেদনের মাধ্যমে জানিয়েছেন, বর্তমান অবস্থায় ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
এর আগে ফেব্রুয়ারিতে ১৪ জন সাবেক অধিনায়কের পাঠানো একটি চিঠির সূত্র ধরেই এই নতুন চিঠিটি লেখা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওই নির্দেশে বলা হয়েছিল, ইমরান খানকে একটি মেডিকেল বোর্ডের (যাতে তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এবং বোন ডা. উজমা খানও অন্তর্ভুক্ত থাকবেন) মাধ্যমে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর এবং একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাপ্তাহিক সাক্ষাতের সুযোগ পুনর্বহাল করতে হবে।
সাবেক ক্রিকেটাররা চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, হাসপাতালে ইমরান খানের অবস্থান ছিল মাত্র কয়েক ঘণ্টার। এরপরই তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়, যেখানে তিনি গত তিন বছর ধরে বন্দী আছেন। তাদের চিঠিতে তিনটি সুনির্দিষ্ট অনুরোধ জানানো হয়েছে। আদালতের নির্দেশিত মেডিকেল বোর্ডকে যেন তাদের স্বাধীন মূল্যায়ন বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার অনুমতি দেওয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে সাপ্তাহিক সাক্ষাতের ব্যবস্থা যেন পুনর্বহাল করা হয় এবং ওই মূল্যায়নের ভিত্তিতে চিকিৎসার কোনো সুপারিশ করা হলে তা যেন অবিলম্বে কার্যকর করা হয়।
আদালতের নির্দেশিত বোর্ডের পরিবর্তে রাষ্ট্র-নিযুক্ত একটি মেডিকেল টিম ইমরান খানকে পরীক্ষা করে এবং তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করে। এরপর ওই বোর্ড তাদের কাজ শেষ করার আগেই তাকে আদিয়ালা কারাগারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বিষয়টি আদালতের নির্দেশনার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে তার পরিবার ও আইনি দল দাবি করেছেন।
গ্রেগ চ্যাপেল বলেন, আমরা পাকিস্তানের কাছে কোনো অস্বাভাবিক কিছু চাইছি না। আমাদের কেবল চাইছি আদালতের একটি নির্দেশ কার্যকর করা হোক, যা অধিকাংশ দেশেই স্বাভাবিক বা সাধারণ বিষয় হিসেবে গণ্য করা হয়। চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের পরিচয় দিয়েছেন এভাবে, রাজনীতিবিদ হিসেবে নয়, বরং সাবেক সতীর্থ ও প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে, যাদের মধ্যে ক্রিকেট মাঠের সুবাদে গড়ে ওঠা এক বিশেষ বন্ধন রয়েছে। তারা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়ে কোনো রায় দেওয়া বা বিচার করা তাদের উদ্দেশ্য নয়।
স্বাক্ষরকারী ২১ জন হলেন, মাইকেল আথারটন, অ্যালেক্স ব্ল্যাকওয়েল, অ্যালান বর্ডার, মাইকেল ব্রিয়ারলি, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, অ্যালিস্টার কুক, মাইকেল গ্যাটিং, সুনীল গাভাস্কার, লি জারমন, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ডেভিড গাওয়ার, কিম হিউজ, নাসের হোসেন, ক্লাইভ লয়েড, কপিল দেব নিখানজ, অর্জুনা রানাতুঙ্গা, অ্যান্ড্রু স্ট্রস, দিলীপ ভেংসরকার, স্টিভ ওয়াহ এবং জন রাইট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ : জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে সরকার বিশ্বব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনস্থ প্রধান কার্যালয়ে বাংলাদেশ-সংশ্লিষ্ট কনস্টিটিউয়েন্সি -এর ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে।
সরকারের এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. আবদুর রহমান খান (পরিচিতি নম্বর-৭৬৮)-এর ভোগকৃত অবসর-উত্তর ছুটি এবং তৎসংশ্লিষ্ট সুবিধাগুলো স্থগিত করে তাকে বিশ্বব্যাংকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি যৌথ ভাবে দায়িত্ব গ্রহণের নির্ধারিত তারিখ থেকে তিন বছর মেয়াদে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন, অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে।
প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, আবদুর রহমান খানের নিয়োগের অন্যান্য শর্ত সংশ্লিষ্ট চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা কাঠামোয় নির্বাহী পরিচালকরা বিভিন্ন দেশের সমন্বয়ে গঠিত কনস্টিটিউয়েন্সি-এর প্রতিনিধিত্ব করেন। সংশ্লিষ্ট দেশের নীতি, অর্থনৈতিক স্বার্থ ও উন্নয়ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলো বিশ্বব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এ প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বাংলাদেশ যে কনস্টিটিউয়েন্সি-এর অন্তর্ভুক্ত, সেখানে আবদুর রহমান খানের নিয়োগ বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন এই দায়িত্ব পালনকালে তিনি বিশ্বব্যাংকের ঋণ, উন্নয়ন প্রকল্প, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন অগ্রাধিকার সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশ নেবেন।
এছাড়াও, বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় বিশ্বব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তিনি উপস্থাপন করবেন।
প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে আবদুর রহমান অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক রাখতে পারবেন না।
তার নিয়োগের মেয়াদ হবে যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছর। মো. আবদুর রহমান খান ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। এর আগে তিনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ছিলেন এবং চলতি বছরের ২৯ জুন এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে তার চাকরির মেয়াদ শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ