ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন কঙ্গনা, ‘নর্দমার প্রজন্ম’ হয়ে গেল ‘দেশের বড় সম্পদ’


১৮০ ডিগ্রি ঘুরলেন কঙ্গনা, ‘নর্দমার প্রজন্ম’ হয়ে গেল ‘দেশের বড় সম্পদ’

কয়েক দিন আগেই ভারতের ‘জেন-জি’ বিক্ষোভকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ আখ্যা দিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি করার পর বলিউড অভিনেত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত তাঁর অবস্থান সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করেছেন। তিনি দেশের নতুন প্রজন্মকে ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সংস্কৃতি ও পরিচয়ের প্রকৃত প্রতিনিধি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রধান মোহন ভাগবত, যিনি জেন-জি তরুণদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে তাদের ‘দেশবিরোধী’ না বলার আহ্বান করেছেন, সেই বক্তব্যের পরদিনই কঙ্গনা যে সুর বদলালেন, তা দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।

শুক্রবার ভারতের সংসদ ভবনের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে কঙ্গনা বলেন, ‘জেন-জি তরুণরা আমাদের দেশের শক্তি এবং এক অর্থে আমাদের জাতির অনেক বড় সম্পদ। আমাদের তরুণসমাজ যেভাবে ক্রমবর্ধমান হারে দেশের সংস্কৃতি ও স্বকীয়তার প্রতিনিধি হিসেবে উঠে আসছে, এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।’ কঙ্গনা বলেন, ‘আমরা মোহন ভাগবতজির বক্তব্য শোনার সুযোগ পেয়েছি, যাকে আমরা অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র মনে করি এবং তার প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা থেকে আমরা লাভবান হয়েছি। দেশের যুবসমাজ আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে এবং আমাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে গ্রহণ করছে, এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

আরও পড়ুন: গৃহবন্দির শর্ত পূরণে জরিমানা পরিশোধ করলেন মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের বিরুদ্ধে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করায় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা করেন কঙ্গনা। দিল্লিতে যন্তর মন্তরে কাকরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ব্যানারে আয়োজিত সাম্প্রতিক বিক্ষোভ নিয়ে মন্তব্য করার পর সমালোচনার মুখে পড়লেও, এই দিন তিনি ঝাড়খণ্ডে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদকারী শিক্ষার্থী এবং অলিম্পিক বা আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদক জিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তা উৎসর্গকারী অ্যাথলেটদের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

নিজের আগের কঠোর মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে এই বলিউড তারকা দাবি করেন, ‘কতিপয় মানুষের জন্য পুরো প্রজন্মের নাম খারাপ হচ্ছে। জেন-জি তো সরকারেরই অংশ। এটি তাদেরই দেওয়া জনরায়, যা আমাদের সরকার বহু বছর ধরে বাস্তবায়ন করে আসছে। জেন-জি তরুণরা চমৎকার।’ তিনি বলেন, ‘গালাগালি দেওয়া ওই ১০-১৫ জন লোক কিন্তু পুরো জেন-জি প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করে না।’ মূলত কিছু ব্যক্তির কারণে পুরো জেন-জি শব্দটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত স্পষ্টভাবে বলেন, ‘দেশের তরুণরা আমাদের নিজেদেরই নতুন প্রজন্ম এবং তাদের প্রতি ভালোবাসা থাকতে হবে। তারা যদি শান্তিপূর্ণভাবে কোনো দাবি বা প্রতিবাদের কথা তুলে ধরে, তবে তাদের গায়ে ঢালাওভাবে ‘দেশবিরোধী’ তকমা দেওয়া যাবে না।’

ভাগবতের এই ইতিবাচক বার্তার পরপরই কঙ্গনার ১৮০ ডিগ্রি অবস্থান পরিবর্তন রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বেশ আলোচনা সৃষ্টি করেছে। এর আগে যন্তর মন্তরের জেন-জি বিক্ষোভের একটি ভিডিও প্রকাশ করে কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ বিভিন্ন শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের ব্যবহৃত ভাষার সমালোচনা করেও তিনি বলেছিলেন, ‘আমি আমার জীবনে এক জায়গায় এত কদর্য রূপ আর কখনো দেখিনি। জেন-জি বিক্ষোভের এসব ভিডিও ও রিলস দেখলে বমি আসে।’ তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, ‘তারা যেভাবে কথা বলছে এবং যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছে তা অত্যন্ত জঘন্য ও অশোভন। কারা এদের জন্ম দিচ্ছে আর মানুষ করছে?’ শুধু তাই নয়, পশ্চিমা ধাঁচে বেড়ে ওঠা এসব তরুণীকে লক্ষ্য করে সে সময় কঙ্গনা ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বা ‘জেনারেশন গটার’ বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় ২৪ ঘণ্টার অভিযানে আটক ৫৪৪ জন

তবে আরএসএসপ্রধানের সাম্প্রতিক হস্তক্ষেপের পর সেই আগের কঠোর অবস্থান থেকে পুরোপুরি সরে আসলেন বিতর্কিত এই বিজেপি এমপি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০০ এম


জাহাঙ্গীর গেটে কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেট এলাকার একটি দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী সেলিম শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মহাখালী থেকে আসা ইউটার্নের সামনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত সেলিম শেখ ছিলেন একজন পেশাদার প্রাইভেটকারচালক। তিনি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ফুল মিয়ার ছেলে। বর্তমানে তিনি আদাবরের ১৭-সি নম্বর বাসায় বসবাস করতেন।

ঘটনার সততা নিশ্চিত করে তেজগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়াস উদ্দিন বলেন, রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগতিশীল কাভার্ডভ্যানটি তার মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে সেলিম শেখ ঘটনাস্থলেই মারা যান। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা কাভার্ডভ্যানটিকে আটক করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করে এবং এর চালককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ জানায়, সেলিমের মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জাতীয় ফুপু’ হয়ে গেলাম: দীপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০২ এম


‘জাতীয় ফুপু’ হয়ে গেলাম: দীপা

অভিনয় জগতে দীপা খন্দকারের পথচলা আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে। দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য নাটক ও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। এই সময়ের মধ্যে কখনো মা, কখনো ফুপু, আবার কখনো স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছেন। বর্তমানে চ্যানেল আইতে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের ধারাবাহিক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ নাটকে ‘ফাতেমা ফুপু’ চরিত্রে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা। অভিনয় নিয়ে তিনি তাঁর প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর কাছে তুলে ধরেছেন।

দীপা বলেছেন, "এটা আমাদেরই গল্প ধারাবাহিকে অভিনয় দারুণভাবে উপভোগ করছি। আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি কখনো দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন।"

দেশের এই নাটকটির যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে নাড়া দেবে, সেটি দীপার জন্য একটি চমক। তিনি বলেন, "এ জন্য রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। একই সঙ্গে দর্শকের কাছেও আমি অনেক কৃতজ্ঞ। তারা আমাদের সাদরে গ্রহণ করেছেন।"

দীপা বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমে তিনি এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন। তিনি জানিয়েছেন, "মানে জাতীয় ফুফু হয়ে গেলাম। দর্শকের এমন প্রতিক্রিয়ায় ভালো লাগাটা আসলেই অসাধারণ। এতে আমার অভিনীত ফুপু চরিত্রটি বাস্তব জীবনের এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে।"

অভিনয়ের ভিন্নতা নিয়ে দীপা বলেন, "আমার কাছে মনে হয়, পারফেক্ট চরিত্র করতে পারছি। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, বয়সের সঙ্গে মিলিয়ে, পারফেক্ট চরিত্র করতে পারছি। কোনো নাটকে ২০ বছরের সন্তানের মা হচ্ছি, আবার অন্য নাটকে ফুফুর চরিত্র করছি। এখন দর্শকের চাওয়া ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।"

তার প্রত্যাশা যত রকম ব্যতিক্রমী চরিত্র আছে, তা করাই তার লক্ষ্য। দীপা শেষ করেছেন, "ভিন্নতা আনতে চাই।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আতলেতিকো ছেড়ে রিভার প্লেটে আলমাদা, দলবদলে নতুন ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ এম


আতলেতিকো ছেড়ে রিভার প্লেটে আলমাদা, দলবদলে নতুন ইতিহাস

আর্জেন্টিনার দলবদল বাজারে নতুন ইতিহাসের অধ্যায় লিখেছেন থিয়াগো আলমাদা। আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে রেকর্ড ২ কোটি ২০ লাখ ডলারের ট্রান্সফার ফিতে রিভার প্লেট এই আর্জেন্টাইন তারকাকে দলে ভিড়িয়েছে। চুক্তিটি অঙ্কের দিক থেকে নয়, দেশের ফুটবল অঙ্গনেও একটি নতুন আলোড়ন তৈরি করেছে।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ওলে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এটি দেশের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বা রেকর্ড ট্রান্সফার হতে চলেছে। গত মৌসুমে আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন আলমাদা। তবে স্পেনে নিজের সেরাটা মেলে ধরতে এবং শুরুর একাদশে নিয়মিত জায়গা নিশ্চিত করতে তাঁকে বেশ সংগ্রাম করতে হয়েছে। গত মৌসুমে সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ক্লাবের হয়ে ৪০টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পান তিনি। আতলেতিকোর হয়ে মোট ৪ গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করেন ২৫ বছর বয়সী উইঙ্গার।

রিভার প্লেটের সাথে চুক্তি সম্পন্ন করে, শতভাগ ট্রান্সফার ফি নিশ্চিত হওয়ার পর আলমাদা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রিভার প্লেটের একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, ক্লাবের সঙ্গে যোগ দিতে ইতোমধ্যেই আর্জেন্টিনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

আগামী সোমবার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচয় করিয়ে দিতে পারে রিভার প্লেট কর্তৃপক্ষ। শুধু তাই নয়, সেদিনই 'রিভার ক্যাম্প'-এ কোচ এদুয়ার্দো কোউদেতের অধীনে অনুশীলনে নেমে পড়তে পারেন আলমাদা। এরপর কোপা সুদআমেরিকানায় ইন্ডিপেনদিয়েন্তে সান্তা ফেরের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হতে সতীর্থদের সাথে কোলম্বিয়া সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে তাঁর।

ভেলেজ সার্সফিল্ডের অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা আলমাদা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী আগামী সাড়ে তিন বছর রিভার প্লেটে থাকবেন। তবে আগামী ১৮ মাসের মধ্যে আতলেতিকো মাদ্রিদ চাইলে ৪ কোটি ইউরোর বাই-ব্যাক ক্লজ কার্যকর করে তাঁকে আবার ফিরিয়ে নিতে পারবে।

ইতিমধ্যে নিজেদের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আলমাদাকে বিদায় জানিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদ লিখেছে, ‘আলমাদাকে আর্জেন্টাইন ক্লাব রিভার প্লেটের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছেছে। থিয়াগো, তোমার জীবনের নতুন এই চ্যালেঞ্জ এবং পেশাদার ও ব্যক্তিগত ভবিষ্যতের জন্য অনেক শুভকামনা!’

২৫ বছর বয়সী আলমাদা নিজের শৈশবের ক্লাব ভেলেজ সার্সফিল্ড ছাড়ার চার বছরেরও বেশি সময় পর আবারও আর্জেন্টিনার ফুটবলে ফিরলেন। ব্রাজিলের ক্লা বোতাফোগো থেকে ধারে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ফ্রান্সের ক্লাব লিওঁ-তে কাটান তিনি। এরপর গত গ্রীষ্মে ২১ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে আতলেতিকো মাদ্রিদে যোগ দিয়েছিলেন আলমাদা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবা হোর্হেকে নিয়ে মেসির আবেগঘন স্মৃতিচারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ এম


বাবা হোর্হেকে নিয়ে মেসির আবেগঘন স্মৃতিচারণ

ফুটবল বিশ্ব যার পায়ের জাদুতে বুঁদ হয়ে থাকে, যার পায়ের মায়াবী শিল্পে কোটি প্রাণ নতুন করে ফুটবলকে ভালোবেসেছে, যার শূন্যে আঁকা ক্যানভাসে বারবার ধন্য হয়েছে সবুজ গালিচা। সেই লিওনেল মেসির জন্ম কিন্তু শুধুমাত্র বিধাতার একার সৃষ্টি নয়। সাধারণ এক কিশোর লিওনেল থেকে আজকের কিংবদন্তি 'মেসি' হয়ে ওঠার পেছনে যিনি নিজের রক্ত-ঘাম জল করেছেন, সেই বাবা হোর্হে মেসির জন্য শুধু লিওনেল মেসিই নয়, ফুটবলও চিরকাল কৃতজ্ঞ। মাঠের সবুজ ঘাসে যখন লিও একের পর এক গোলের আনন্দে ভাসতেন, তখন নিঃশব্দে ছায়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন একজনই—তার বাবা, তার মেন্টর, তার সবচেয়ে বড় আশ্রয় জোর্হে মেসি। আজ সেই পরম ছায়াবৃক্ষ হারিয়ে গেছে ওপারে, রয়ে গেছে কেবল বাবার শেখানো পাঠ ও একবুক স্মৃতির দীর্ঘশ্বাস। বাবার বিদায়ের আগেই স্মৃতির ঝাঁপি খুলে আবেগ-ভরা কণ্ঠে মহাতারকা মেসি যেন ফিরে গিয়েছিলেন হারানো সেই শৈশবে, শোনালেন বাবা ও ছেলের অকৃত্রিম ভালোবাসার মহাকাব্য। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ‘ওলে’তে বাবার হোর্হে মেসিকে নিয়ে মেসির কিছু স্মৃতিচারণ প্রকাশ পেয়েছে। বাবার গঠনমূলক সমালোচনা নিয়ে মেসি বলেছেন: ‘আমার বাবা আমাকে অনেক সাহায্য করেছেন। তিনি ছিলেন আমার ব্যাপারে ভীষণ কঠোর সমালোচক, যা আমাকে সব সময় আরও ভালো করার তাগিদ দিত। তিনি জেনে ছিলেন যে আমি নিজেই নিজের সবচেয়ে বড় সমালোচক। তবে আমার মায়ের কাছে আমিই সবসময় সেরা—এমনকি যখন আমি জঘন্য খেলতাম তখনও! মায়ের চোখে আমি প্রতিটি ম্যাচেই দুর্দান্ত খেলি, কোনো কিছুতেই আমার দোষ থাকে না। আর দশটা মায়ের মতো উনি।’ বাবার হাড়ভাঙা খাটুনি ও আদর্শ বিষয়ে মেসি জানিয়েছেন: ‘আমি বাবার অনেক স্বভাবই পেয়েছি। তবে তিনি সারাদিন কাজ করতেন বলে আমাদের সঙ্গে খুব বেশি সময় কাটাতে পারতেন না। তিনি ভোর ৪টায় উঠতেন এবং রাতের খাবারের সময় ফিরতেন। যখনই দেখা হতো, উনি সেই সময়টা বেশ উপভোগ করতেন; কখনো আমার ওপরে চিৎকারও করেননি। আমি ওনাকে খুব মিস করতাম। আজ আমি ভাগ্যবান যে আমার সন্তানদের সঙ্গে অনেক বেশি সময় কাটাতে পারি। নিজের বাচ্চাদের মানুষ করার ক্ষেত্রে আমি আমার বাবা-মাকেই অনুসরণ করার চেষ্টা করি।’ ফুটবল নিয়ে নিজের বোঝাপড়া প্রকাশ করে মেসি বলেন: ‘হোর্হে ফুটবল দেখতে ও খেলতে ভীষণ ভালোবাসেন, আমার সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন। বার্সেলোনা এবং জাতীয় দলের হয়ে আমার ম্যাচগুলো নিয়ে আমাদের কথা হয়, এর বাইরে আর কিছু নয়। তিনি ফুটবল ভালোই বোঝেন... (হেসে)। ব্যক্তিজীবনে এবং দলগতভাবে—দুই জায়গাতেই আমরা বিষয়গুলোকে একইভাবে দেখি।’ উন্নতির তাগিদ সম্পর্কে মেসি বলেছেন: ‘ধরা যাক আমি একটা অসাধারণ ম্যাচ খেলেছি, তবুও তিনি আমাকে বলতেন, “তুই তো একটা সুযোগ মিস করেছিস!”—এ কথা বলে আমাকে একটু খেপিয়ে দিতেন। এতে আমার ভালোই লাগত, নিজের ভুলগুলো শুধরে আরও ভালো করার জিল বা তাগিদ পেতাম। আমরা দুজনই নিজের কাজের কঠোর সমালোচক।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%