০২:১৪ পি.এম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, আমরা হাসপাতাল বন্ধ করেছি কিন্তু মেডিকেল কলেজ বন্ধ করিনি। শিক্ষার্থীরা প্র্যাকটিসের জন্য অন্য হাসপাতালগুলোতে যেতে পারবে। তাদের জন্য অন্যান্য হাসপাতাল আছে, সেখানে তারা প্র্যাকটিস করতে নিতে পারে। অমানবিক সেবার কারণে আমরা এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি।
সোমবার (১৫ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তৃতা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আমরা নিশ্চিত করতে চাই। স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে যদি কেউ খারাপ কিছু করে, তাহলে তাকে কঠিন শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।
আরও পড়ুন: মিসরে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে ৬৪ জন আহত
হামের পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, হাম টিকাদানে শতভাগ সফলতা অর্জিত হয়েছে। পুরো দেশে শতভাগের বেশি টার্গেট আমরা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। টিকাদান আমরা বন্ধ করার জন্য থামিয়ে দেইনি। ঈদের আগে থেকেই প্রতিদিন আমরা ডাক দিয়েছি এবং মাইকিংও করা হয়েছে। ইপিআই কর্মসূচি চলমান আছে।
তিনি আরও বলেন, এখনও হাম আক্রান্ত হচ্ছে। হাম একেবারে শেষ হবে না, গত পরশু দিন ৭০০ ছিল, আবার গতকাল ১,০০০ এ উঠেছে। অনেক সময় জ্বর হলে হাম দ্বারা আক্রান্ত হওয়া যায়। পরীক্ষিত সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা আসছে ৫, ৪, ৩ জন। তবে, গত সপ্তাহ ধরে হাম থেকে মৃত্যুর সংখ্যা শূন্য রয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি বলবো না হামে মারা যাচ্ছে না, দুই একজন মারা যাচ্ছে। যেদিন ২০ তারিখে টিকাটি দেওয়া হয়েছে, অ্যান্টিবডি তৈরি হতে এক মাস সময় লাগে। হাম থেকে মৃত্যু যেভাবে শুরু হয়েছিল, যদি আমরা সফল না হতাম এবং টিকা না দিতাম, ডাক্তার-নার্সরা সেবা না দিতেন এবং যন্ত্রপাতি না দিতাম, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হত।
আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তামাক একটি আসক্তি, এ নিয়ে কারোর ভুল নেই। যারা ধূমপান করেন, তারাই বড় সাক্ষী হতে পারেন যে এটি কত খারাপ। তামাক মানুষের ঘুম নষ্ট করে, ক্ষুধা কমিয়ে দেয় এবং ওজন কমিয়ে দেয়। সেইসঙ্গে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ নেই যা আক্রান্ত করে না। তামাক খেলে গালে এবং দাঁতে ক্যানসার হতে পারে। তামক থেকে এখন সমাজ নেশায় আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। আইনের ফাঁকে অপরাধীরা বের হয়ে যাচ্ছে, আইনের খসড়া আরও শক্ত করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে সরকার
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন