০৫:২৪ পি.এম
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় যে বিধিনিষেধ বাণিজ্যিক তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে আরোপ করা হয়েছিল, তা ভারত প্রত্যাহার করেছে।
এটি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত হওয়ার পর, ওই নৌপথ দিয়ে জ্বালানিবাহী কার্গো চলাচল বৃদ্ধি পাওয়ার পরই ভারত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নয়াদিল্লি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক
ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ‘অ-গৃহস্থালি প্যাকেটজাত এলপিজি’র ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে।
সেখানে আরো বলা হয়, সংকটের শুরুতে স্থগিত করা বাল্ক এলপিজি সরবরাহও শিথিল করা হয়েছে। সংকট-পূর্ব ভোগের মাত্রার ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এলপিজি সরবরাহ পরিস্থিতির সাম্প্রতিক উন্নতির পরিপ্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হিসেবে ভারত এলপিজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারক। এর অধিকাংশ এলপিজি আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় চলে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই নৌপথটি বন্ধ হয়ে যায়। উপসাগরীয় নৌপথে সরবরাহ ব্যাহত হলে ভারতের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এতে দেশটির প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাসও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
দেশটির লাখো পরিবারের রান্নার প্রধান জ্বালানি হলো এলপিজি। সংকট চলাকালে সরকার এলপিজির দাম বাড়ানোর পদক্ষেপ নেয়।
গত মাসে যুদ্ধের ফলে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলা করার লক্ষ্যে অপেক্ষাকৃত পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তিতে কয়লা ব্যবহারের উদ্দেশ্যে কয়লা গ্যাসিফিকেশন সম্প্রসারণে প্রায় ৪০০ কোটি ডলারের একটি পরিকল্পনার অনুমোদনও ভারত দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন