১২:৫২ পি.এম
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চল মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৫ জনে পৌঁছেছে। শুক্রবার উদ্ধারকর্মীরা ভারী বৃষ্টি ও আফটারশকের মধ্যেও রাস্তা পরিষ্কার করে ধ্বংসস্তূপের নিচে তল্লাশি এবং নিখোঁজদের উদ্ধারে এখনো অভিযান চালাচ্ছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত সোমবার দেশটির মিন্দানাও উপকূলের কাছে ৭.৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর ফলে বহু ভবন ধসে পড়ে এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটে। পাশাপাশি পুরো অঞ্চলে সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়।
আরও পড়ুন: রাশেদ খাঁন: আগামী তিন মাস বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে
শুক্রবার সরকারি এক পরিসংখ্যানে আরও আটজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এতে করে মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বিভিন্ন এলাকা থেকে তথ্য আসতে থাকায় নিখোঁজের সংখ্যা ৩১ জনে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর একটি সারাঙ্গানি প্রদেশে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রধান রেনে পুঞ্জালান এএফপি’কে জানান, অনেক অবরুদ্ধ সড়ক সচল করা হয়েছে। তবে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন এলাকায় খাবার ও পানি পৌঁছাতে এখনো হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, বড় বড় পাথর ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর জন্য খননযন্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। আফটারশক এখনো আমাদের কাজ ধীর করে দিচ্ছে। পাশাপাশি গত রাতে বৃষ্টিও হয়েছে, তাই আমাদের কিছু সময়ের জন্য অভিযান বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
নিখোঁজদের সন্ধান অব্যাহত থাকলেও অনেকের জীবিত উদ্ধার হওয়ার আশা কমে যাচ্ছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: দুই বছরেও কর্ণফুলী নদীর দখলদারদের তালিকা দিতে পারেনি প্রশাসন
রেনে পুঞ্জালান বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর কয়েক দিন পেরিয়ে গেছে। তাই জীবিত কাউকে পাওয়া গেলে সেটি হবে অলৌকিক ঘটনা। আমাদের লক্ষ্য এখন মরদেহ উদ্ধার করা।’
ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস বুধবার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত শহরের অংশগুলো ঘুরে দেখেন। তিনি একটি ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল এবং একটি ত্রাণ বিতরণ এলাকাও পরিদর্শন করেছেন।
তিনি জানান, শহর পুনর্গঠনের জন্য সরকার ১০ কোটি পেসো (প্রায় ১৬ লাখ ডলার) বরাদ্দ দেবে।
আরও পড়ুন: সেতুমন্ত্রী: দেশে আসতে কেউ নিষেধ করেনি, বিচার শুরু হয়েছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন