০৯:৪৭ এম
আজ মহাঅষ্টমী, শারদীয় দুর্গোৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) ভোর থেকে কল্পারম্ভ, বিহিতপূজা ও চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে দেবী দুর্গার আরাধনা শুরু হয়েছে। দিনব্যাপী বিভিন্ন মন্দিরে পূজা, পুষ্পাঞ্জলি ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন ভক্তরা।
মহাঅষ্টমীর বিশেষ আকর্ষণ হলো কুমারী পূজা। নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে, এদিন কুমারী কন্যাকে দেবী দুর্গার প্রতীক হিসেবে পূজা করা হয়।
রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল থেকে মহাঅষ্টমীর পূজা ও অর্চনা চলছে। সেখানে সকাল সাড়ে ৯টায় কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, এক থেকে ১৬ বছর বয়সী কুমারী কন্যাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়।
আরও পড়ুন: সরকার পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে: মীর শাহে আলম
সনাতন শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কুমারী কন্যার মধ্যে জগৎমাতার রূপ কল্পনা করে ভক্তরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্রতিটি নারীর মধ্যে মহামায়ার শক্তির প্রকাশ রয়েছে, এই বিশ্বাস থেকেই কুমারী পূজার আয়োজন করা হয়। নারীকে সম্মান জানানো এবং নারীশক্তির আরাধনা এই পূজার অন্যতম তাৎপর্য।
মহাঅষ্টমীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার হলো সন্ধিপূজা। অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে এই পূজা অনুষ্ঠিত হয়। হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী, চণ্ড ও মুণ্ড নামের দুই অসুরকে বধের জন্য দেবী দুর্গার চামুণ্ডা রূপ ধারণের স্মরণে এই আচার পালন করা হয়।
অষ্টমীর পূজায় ভক্তরা ফুল ও বেলপাতা হাতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে দেবীর চরণে পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। পূজা শেষে কুমারী দেবীর আশীর্বাদ গ্রহণ করবেন তারা। এছাড়া, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মন্দিরে পূজা-অর্চনা শেষে ভক্তদের মধ্যে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হবে।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, ভক্তি ও উৎসবের আবহে মহাঅষ্টমীর দিনটি উদ্যাপন করছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন