সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫০ পি.এম
ব্রাজিলের ইনফ্লুয়েন্সার এবং রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গী ভার্জিনিয়া ফনসেকার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী রুজেরিও কামিলো রামোস এবং তার স্ত্রী পাউলা রেজিনা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুঃখজনক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফনসেকা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘রোতা ভের্দে গোইয়াস’এর তথ্য অনুযায়ী, ব্রাজিলের গোইয়ানিয়া মেট্রোপলিটন অঞ্চলের গুয়াপো পৌরসভার রিবেইরাও দাস পোস এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনার পর জরুরি বিভাগের একজন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে মোটরসাইকেলে থাকা রুজেরিওর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। তার স্ত্রী পাউলা রেজিনাকে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ফনসেকা স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্র্যান্ড প্রিক্সের মাদ্রিং সার্কিটের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইনস্টাগ্রামে নিরাপত্তারক্ষী ও তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, নিহতদের পরিবারের সকল সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে খবর দেওয়ার আগে বিষয়টি প্রকাশ করতে চাননি তিনি।
ফনসেকা তার আবেগঘন বার্তায় লিখেছেন, "আমাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী কামিলো ও তার স্ত্রীর অকালমৃত্যুর খবর পেলাম। এতক্ষণ কিছু পোস্ট করিনি, কারণ আমরা চেয়েছিলাম খবরটি যেন আগে পরিবারের সব সদস্য জানতে পারেন। কিন্তু খবরটি পাওয়ার পর থেকে আমি আর কোনো কাজই করতে পারছি না। আমার হৃদয় একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।"
কামিলোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, "আমাদের পরিবারের প্রতি আপনার যে যত্ন, সুরক্ষা, প্রজ্ঞা ও ভালোবাসা ছিল, তার জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। আপনার উপস্থিতি ছিল আমাদের কাছে এক নিরাপদ আশ্রয়, আর আপনার স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।"
প্রয়াত দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। হেলোইস নামের শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন ফনসেকা। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির অভিভাবক হিসেবে পাশে থাকবেন এবং ভবিষ্যতেও তার দেখভাল করবেন।
ফনসেকা মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
সূত্র: গোলডটকম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বিআরটিসি বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে মৃত্যু ঘটেছে মাহিন (০৬) নামের এক শিশু শিক্ষার্থীর। সোমবার দুপুর বারোটায় কুয়াকাটা-কলাপাড়া মহাসড়কের হাজিপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মাহিন ছিল লতাচাপলী ইউনিয়নের মুসুল্লীয়াবাদ গ্রামের মহিউদ্দিন বিশ্বাসের পুত্র এবং দক্ষিণ মুসুল্লিয়াবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহিনের নানা বাড়ি হাজিপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। দুপুরের সময় বরিশালে খালার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে মাহিন এবং তার নানা নানি মহাসড়কে এসে বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় কুয়াকাটা থেকে আসা একটি বিআরটিসি (ঢাকা মেট্রো-ব ১৫-৬৪৩৫) বাসের জন্য তারা সংকেত দেন। বাসটি থামানোর চেষ্টা করতে গিয়ে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাহিনের শরীরের উপর উঠে যায় এবং চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।
কলাপাড়া থানার ওসি মো নজরুল ইসলাম জানান, বাসের চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি) ২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেলচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে ট্রেন পরিচালনা করছে। সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক ট্রেনে ৪০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং ট্রেনের গতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা এবং এর দুই পাশের শিল্পাঞ্চল গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের মধ্যে যানজট ও গাড়ির চাপ কমাতে এই রুটটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট লিংক হিসেবে কাজ করবে। পুরোনো ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের কারণে বর্তমানে ট্রেনগুলো কাঙ্ক্ষিত গতিতে চলতে পারছে না এবং যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ট্রিপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
এই বাধাগুলো দূর করার জন্য রেলওয়ে প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে। এটি চালু হলে প্রতিদিন গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রী দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ গণপরিবহন সুবিধা লাভ করবেন।
এই উদ্যোগের আওতায় ট্রেনের পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ডিজেল থেকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত হবে। রেললাইনের ওপর দিয়ে ‘ওভারহেড ওয়্যার’ বা বিদ্যুতের তার স্থাপন করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে বিশেষায়িত ‘ট্রাকশন সাবস্টেশন’ নির্মাণ করা হবে।
নিরাপদ ও মসৃণ চলাচল নিশ্চিত করতে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ‘ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট’ (ইএমইউ) ট্রেন, বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন এবং কম্পিউটারভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা যুক্ত করা হবে।
প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ট্রেন অর্থনীতি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় বৈদ্যুতিক ট্রেন অনেক দ্রুতগতিতে চলতে এবং থামতে সক্ষম। ফলে স্টেশনে থামার পর দ্রুত সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে যাতায়াতের সময় অর্ধেকের বেশি কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩ হাজার ৯৩ কিলোমিটার নেটওয়ার্কে ডিজেলচালিত ট্রেন পরিচালনা করছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেনে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম। এই ব্যবস্থা অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব।
কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু হলে পরিচালনা ব্যয় ৩৫ শতাংশ এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমবে।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রেলওয়ে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের ৬৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৮ হাজার ৮১২ কিলোমিটার বিদ্যুতায়ন করেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বৈদ্যুতিক ট্রাকশন চালুর জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
সাংসদ মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও প্রকল্পের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেন চলবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর মহানগর ডিবি পুলিশ ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মমিনুল ইসলাম মমিন, যিনি সানি নামেও পরিচিত, তাকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারটি রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার সময় গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানাধীন ভোগড়া-বাইপাস এলাকা থেকে ঘটেছে। মহানগর ডিবি পুলিশের উত্তর বিভাগের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
মমিনুল ইসলাম মমিন, যিনি সানি নামে পরিচিত, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানার কেকেপাড়া এলাকার মো. সিরাজুল ইসলামের পুত্র।
গাজীপুর মহানগর ডিবি পুলিশের উত্তর বিভাগের ভারপ্রাপ্ত উপ-পুলিশ কমিশনার অশোক কুমার পাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একটি জিআর মামলায় আদালত মমিনুলকে ১০ বছরের সাজা প্রদান করেছেন।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগর ডিবি পুলিশের এস আই কামরুল হাসান তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বাসন থানা এলাকায় রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার সময় অভিযান চালিয়ে মমিনুলকে গ্রেফতার করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত মমিনুল ওই মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, প্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে দুই মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সাচিং প্রু মন্তব্য করেন, "পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুভাষী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের সম্পদ।" বান্দরবানে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগণের ১২টি জাতিসত্তার স্বকীয় আচার-আচরণ, পোশাক, রীতিনীতি ও লোকসংস্কৃতিকে এক সুতোয় গেঁথে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, "পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এখনই উপযুক্ত সময়।" সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের মধ্যে আত্মিক দূরত্ব কমিয়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাক্ষাতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ