প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ কর্মকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী ও বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র সাচিং প্রু।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর দপ্তরে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই সহযোগিতা কামনা করেন।
সাক্ষাৎকালে পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, প্রকৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী। এ সময় পার্বত্য অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে দুই মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
সাচিং প্রু মন্তব্য করেন, "পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুভাষী জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের সম্পদ।" বান্দরবানে বসবাসরত বাঙালি ও পাহাড়ি জনগণের ১২টি জাতিসত্তার স্বকীয় আচার-আচরণ, পোশাক, রীতিনীতি ও লোকসংস্কৃতিকে এক সুতোয় গেঁথে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, "পাহাড়ে শান্তি, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক জাগরণের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের এখনই উপযুক্ত সময়।" সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগণের মধ্যে আত্মিক দূরত্ব কমিয়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করার সম্ভাবনা রয়েছে।
সাক্ষাতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। তিনি দুই মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে আগামী ২৫ অক্টোবর বান্দরবানে আয়োজিত প্রবারণা পূর্ণিমা ও পিঠা উৎসবে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন