ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হঠাৎ মৌমাছির আক্রমণে যুবক আহত, ঘটনাস্থলের ভিডিও ভাইরাল


হঠাৎ মৌমাছির আক্রমণে যুবক আহত, ঘটনাস্থলের ভিডিও ভাইরাল

গাছের ডালে চাক বাঁধে মৌমাছি। কখনো কখনো মানুষের বসত ঘরেও বাসা বাঁধতে দেখা যায়। তবে এমনভাবেও বলা যায়, কোনও মানুষের পশ্চাৎদেশে মৌমাছির ঝাঁক এসে বসার ঘটনা কেবল অদ্ভুতই নয়, বরং বিপজ্জনকও। অবিশ্বাস্য হলেও, এমন অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হয়েছেন এক তরুণ। বহু মৌমাছির একটি ঝাঁক এসে তাঁর প্যান্টের পেছনে বসায় এবং তাকে ৩০ মিনিট নিশ্চল দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

সমাজমাধ্যমে ওই ঘটনার ভিডিওটি পোস্ট করার পর তা ভাইরাল হয়ে যায়। যদিও পোস্টটির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি সময় সংবাদ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকার অনলাইনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গ্যারেজে যাওয়ার সময় ওই যুবক এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন। একটি রানি মৌমাছি উড়ে এসে তার প্যান্টের উপর বসে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই পরিস্থিতি মারাত্মক হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

ঘটনাটি তবে বেশ পুরনো। ২০২৫ সালের আগস্টে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্যা সান তাদের ফেসবুক পেজে ভিডিওটির পোস্ট করে। তারা ক্যাপশনে লেখে, 'মৌমাছির রাজা হলেন এক ব্যক্তি'। ওই পোস্টের দাবি অনুযায়ী, রানি মৌমাছিটি যখন তার পোশাকে বসে, তখনই হাজার হাজার কর্মী মৌমাছি তাকে ঘিরে ধরে। এক মুহূর্তে যুবকের পশ্চাৎদেশে মৌমাছির 'চাক' তৈরি হয়ে যেতে থাকে। হাজার হাজার মৌমাছির আক্রমণের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও, ভয় এবং অস্বস্তির মধ্যেও তরুণটি সম্পূর্ণ নিশ্চল থেকেছিলেন। কারণ, যদি তিনি একচুলও নড়তেন, তাহলে তার শরীরে শয়ে শয়ে মৌমাছির হুল ফুটে যেতে পারতো। তিনি প্রায় ৩০ মিনিট ধরে স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন। ফলে মৌমাছিগুলি একটিও হুল ফুটাতে পারেনি।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে যে, অন্য একজন যুবক রানি মৌমাছিটিকে এক অন্য পাত্রে ঢোকানোর পর এই দুর্ভোগের অবসান ঘটে। রানি মৌমাছিটিকে আলাদা করার পর মৌমাছির ঝাঁকটি ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। ফলে ওই যুবক হাঁফ ছেড়ে বাঁচেন।

সোমবার (১ জুন) ‘মিডিসারাসু’ নামের একটি এক্স হ্যান্ডল থেকে ঘটনাটি নতুন করে পোস্ট করা হয়, যা আবারও ভাইরাল হয়ে যায়। পোস্টের শিরোনাম হলো- ভয়ংকর ৩০ মিনিট।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের ২৫ বছর বয়সী ভেরেলের এই অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। হাঁটার সময় একটি রানী মৌমাছি এসে তার প্যান্টে বসে যায়। পরবর্তী মুহূর্তেই হাজার হাজার মধুমক্ষিকা ঝাঁক বেঁধে তার চারপাশে ভিড় করে। তারা পশ্চাৎদেশকেই তাদের নতুন “বাসা” হিসেবে বেছে নেয়।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

এ অবস্থায় তরুণটি যদি নাড়াচাড়া করতেন, তবে তার শরীরে মৌমাছির হুল ফুটে যেতে পারতো, এমনকি প্রাণহানির ঝুঁকিও ছিল। ভয় ও বিব্রতকর পরিস্থিতিকে তিনি জয় করে ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

চারপাশে যখন হইচই এবং বিশৃঙ্খলা চলছিল, তখন তিনি শুধু সময় পার হওয়ার অপেক্ষা করছিলেন।

শেষ পর্যন্ত সুযোগ বুঝে তিনি রানী মৌমাছিটিকে একটি পাত্রে ঢুকিয়ে ফেলতে সক্ষম হন। এর ফলে মৌমাছির ঝাঁকও আলাদা হয়ে যায়।

এ ঘটনার পর নেটমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একজন নেটাগরিক তরুণের উদ্দেশে লিখেছেন, “আপনার নিতম্বে একটি রানি মৌমাছি এসে বসার পর যদি ওই পরিস্থিতিতে ৩০ মিনিট স্থির থাকার মানসিক দৃঢ়তা থাকে, তবে সেটা অনেক বেশি।”

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

অন্য এক এক্স ব্যবহারকারী লিখেছেন, 'একটু নড়লেই সব শেষ।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


বরিশালে ফুটপাত দখলমুক্ত অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে জরিমানা

বরিশাল নগরী অবৈধ দখলমুক্ত করার উদ্দেশ্যে এবং জনসাধারণের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে ফুটপাত দখলের অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং একই সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনা করার অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন বান্দরোড ও কেডিসি রোড এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত ও প্রবেশপথ অবৈধভাবে দখল করে রাখার অভিযোগে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে, দখলকৃত ফুটপাত উচ্ছেদ করে পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বরিশাল সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হান উজ জামান এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।

এ সময় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এ অভিযান চলাকালে মোট পাঁচটি মামলায় ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করার পাশাপাশি নগরীর ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থান দখল না করার জন্য সতর্ক করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নগরীর শৃঙ্খলা বজায় রাখা, পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল অবহেলিত, চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল অবহেলিত, চর উন্নয়ন বোর্ড গঠনের দাবি

মহান সুযোগ থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতা পরবর্তী সময় থেকে দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলগুলি পরিকল্পনার বাইরে থাকছে। এই ৩৬ লাখ একর চরভূমিতে কৃষি, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ খাত থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের অর্থনীতিতে যোগ করা সম্ভব হতে পারে। এজন্য সচেতন নাগরিকরা জনপ্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে চর উন্নয়ন বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনাতে চরাঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তারা এ বিষয়ে উল্লেখ করেন, চর উন্নয়ন বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ গঠন করা উচিত পার্বত্য ও হাওড়াঞ্চলের মতো, যা সময়ের দাবি হয়ে উঠছে।

চারপাশে থৈ থৈ পানি রয়েছে এবং মাঝখানে জেগে থাকা বালুচরগুলো এমন, যেখানে বর্ষার সময় বন্যার জলে ভাসতে হয়। গ্রীষ্মের সময় খরার সঙ্গে লড়াই করতে হয় এবং ভাঙনের কারণে সব কিছু হারানোর কষ্ট সহ্য করতে হয় চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের। ইউপি সদস্য মহির উদ্দিন বলেন, চরাঞ্চলের বাসিন্দারা খরা, বন্যা এবং নদীভাঙনের সঙ্গে সবসময় লড়াই করেন।

গাইবান্ধার দুর্গম গুপ্তমণি চরের এই দৃশ্য কেবল এখানে সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের ৩২টি জেলায় ১০০টি উপজেলার চরাঞ্চলেও এটি দেখা যায়। এখানে প্রায় ১৫ লাখ পরিবারে ৬০ লাখ মানুষ বসবাস করছে। নদীভাঙনের কারণে সর্বহারা হওয়া এই মানুষগুলোর টিকে থাকার সংগ্রাম চিরন্তন। যোগাযোগ ব্যবস্থা অপ্রতুল এবং শিক্ষায় তারা পিছিয়ে রয়েছে। চিকিৎসার অভাবও তাদের দুশ্চিন্তার একটি বড় কারণ। মানসম্মত শিক্ষা এবং কর্মসংস্থানের অভাবে চরাঞ্চলের মানুষ বারবার পিছিয়ে পড়ছে।

তবে এই চরাঞ্চলগুলিতে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। পল্লী উন্নয়ন একাডেমির তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩৬ লাখ একর চরভূমির মধ্যে প্রায় ১০ লাখ একর জমি চাষের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। মাত্র ভুট্টা চাষের মাধ্যমে ১৪ হাজার কোটি টাকা এবং মরিচ, পাট, বাদাম ও অন্যান্য ফসল চাষ করে চরাঞ্চল থেকে বছরে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ফসল পাওয়া সম্ভব। এখানে প্রচুর চারণভূমি রয়েছে এবং প্রায় সব পরিবারে ৪ থেকে ৫টি গবাদিপশু রয়েছে। চরবাসীরা দিনরাত শ্রম দিয়ে উর্বর পলি মাটিতে সোনা রাঙা ফসল ফলিয়ে থাকে।

অর্থনীতিবিদ ও ক্ষেত্রবিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যদি চরাঞ্চলের বিপুল কৃষি, মৎস্য এবং প্রাণিসম্পদ খাতকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়, তবে দেশের অর্থনীতির চেহারা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। এর জন্য প্রয়োজন একটি সুস্পষ্ট ‘মাস্টারপ্ল্যান’ এবং ‘চর উন্নয়ন বোর্ড’ গঠন করা। এটি করা হলে চরাঞ্চলের মানুষের দরিদ্রতা অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে দাবি করেন বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমি-আরডিএ’র চর ডেভলপমেন্ট রিসার্স সেন্টারের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মোজাহারুল হক।

তিনি আরো বলেন, বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতার পর থেকে দেশের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল মূল পরিকল্পনার বাইরে রয়ে গেছে। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাবে প্রায় ৬০ লাখ চরবাসী পিছিয়ে পড়ছে। চরম অবহেলা এবং লাঞ্ছনা-বঞ্চনার শিকার এসব মানুষ দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে আছে।

সাংস্কৃতিক কর্মী মানিক বাহার বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোনো সরকারই চরের এই বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য স্থায়ী বা কার্যকর কোনো মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেনি।’

প্রবীণ সাংস্কৃতিককর্মী ও রাজনীতিক শাজাহান খান আবু মন্তব্য করেন, অতীতে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হলেও, বর্তমানে তার কার্যকারিতা নেই। কেউই চরাঞ্চলের দিকে নজর দিচ্ছেন না। চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, উৎপাদিত কৃষি পণ্যের বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা, এবং তাদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পিত উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক বলেন, পার্বত্য এবং হাওড়াঞ্চলের জন্য আলাদা কর্তৃপক্ষ রয়েছে। কিন্তু চরাঞ্চলের জন্য কোনো কিছুই নেই। তাই চরাঞ্চলকে উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় আনার জন্য সরকারের উচিত চর উন্নয়ন বোর্ড বা কর্তৃপক্ষ গঠন করা। তা হলেই চরাঞ্চলের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ থেকে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা সম্ভব।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের মোট জনসংখ্যার ২৪.৩ শতাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে, কিন্তু চরাঞ্চলের অতি-দারিদ্র্যের হার ১২.৯ শতাংশে রয়েছে। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা জানিয়েছেন, সরকার চরাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কিছু নতুন পরিকল্পনা গঠন করেছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি ডিসি সম্মেলনে সরকারের পক্ষ থেকে উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা উঠে এসেছে, যেখানে চরাঞ্চলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষ করে প্রাণিসম্পদ এবং মৎস্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। অন্যদিকে গাইবান্ধা সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, 'তিস্তা মহাপরিকল্পনা' চূড়ান্ত বাস্তবায়িত হলে চরাঞ্চলের সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে।

সচেতন নাগরিকরা মন্তব্য করেন, তিস্তা বা ব্রহ্মপুত্রের চরগুলোকে অভিশাপের পরিবর্তে আশীর্বাদে রূপান্তরিত করার জন্য সঠিক উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। এর মাধ্যমে চরাঞ্চলকে দেশের একটি প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিতে রূপান্তরিত করা যাবে। ৬০ লাখ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং টেকসই বাংলাদেশ গড়তে চরাঞ্চলকে মূলধারার পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুশইনের প্রতিবাদে বেনাপোল সীমান্তে যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


পুশইনের প্রতিবাদে বেনাপোল সীমান্তে যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

বেনাপোল সীমান্তে ভারত থেকে জোরপূর্বক পুশইনের প্রতিবাদ জানাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এলাকায় সফরে যাচ্ছেন। বুধবার তার এই সফর নির্ধারিত।

আজ মঙ্গলবার এনসিপির পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সফরের পরিকল্পনায় বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় বেনাপোল সীমান্তে যাওয়ার কথা রয়েছে, এরপর সকাল পৌনে ১২টায় সাদিপুর সীমান্ত পরিদর্শন করবেন এবং দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেল লবিতে তিনি একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে অংশগ্রহণ করবেন।

এনসিপি জানিয়েছে যে, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সফরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সীমান্তের নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব ও স্থানীয় বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করা। তার আগের সফর ছিল গত ২২ মে ঝিনাইদহ সীমান্তের দিকে, যেখানে হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি। পৌর কালেক্টর জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করার পরপরই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছিলেন তিনি। এর আগে, লালমনিরহাট সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদ জানাতে হাতীবান্ধায় যান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক পরিবারের তিনজন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


মাদকসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এক পরিবারের তিনজন আটক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলায় ১ কেজি গাঁজা ও ২৪ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইনসহ মা, ছেলে এবং পুত্রবধূকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে ৭টা ১০ মিনিট থেকে ৮টা পর্যন্ত উপজেলার গোহালবাড়ী ইউনিয়নের সুরানপুর গ্রামে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- সুরানপুর গ্রামের বাসিন্দা তাজেনুর বেগম (৫৩), তার ছেলে সাবিরুল ইসলাম (৩১) এবং পুত্রবধূ ববিতা খাতুন (২৫)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুরানপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। পরে আটককৃতদের দেহ তল্লাশি করা হলে তাদের কাছ থেকে ১ কেজি গাঁজা এবং ২৪ দশমিক ৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশীদ বাদী হয়ে ভোলাহাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের কার্যক্রম সম্পন্ন করছেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় দেশে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%