ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ওভারটাইমের পাওনা টাকা বাকি থাকায় মালিকের প্রাইভেটকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন চালক


ওভারটাইমের পাওনা টাকা বাকি থাকায় মালিকের প্রাইভেটকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন চালক

মালিকের ওভারটাইমের পাওনা টাকা পরিশোধ না করার কারণে চালক এক প্রাইভেটকার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করার পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তৎপরতার ফলে অল্প সময়ের মধ্যে গাড়িটি উদ্ধার করা সম্ভব হয় এবং চালককে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে ঢাকার ভাটারা থানাধীন নতুনবাজার এলাকার এক ব্যক্তি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তার ব্যক্তিগত গাড়ির চালক কাউকে কিছু না বলে গাড়ি নিয়ে চলে গেছেন। চালকের মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না, এই পরিস্থিতিতে তিনি ৯৯৯-এর সহায়তা চান গাড়িটি উদ্ধার করতে।

৯৯৯ কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিষয়টি ডিএমপির ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমকে জানিয়ে দেয়। কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মো. মৃদুল আহমেদ। পুরো ঘটনায় কলকারী এবং উদ্ধারকারী ইউনিটের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করেন ৯৯৯-এর পুলিশ ডিসপ্যাচার এএসআই মো. হারুনুর রশিদ।

আরও পড়ুন: শ্বশুরের মৃত্যুর এক দিন পর মারা গেলেন পুত্রবধূ

ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের তথ্যের ভিত্তিতে বংশাল থানার চাঁখারপুল চৌরাস্তার ৭৮/৩ নাজিমউদ্দিন রোডে শামীম ডেন্টালের সামনে দায়িত্বে থাকা সার্জেন্ট তৌফিক এলাহী সুজন ঢাকা মেট্রো-গ-২২-৮৮৭৮ নম্বরের প্রাইভেটকারটি আটক ও উদ্ধার করেন।

পরে বংশাল থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়িটি থানায় নিয়ে যায় এবং প্রকৃত মালিককে ডেকে বুঝিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় প্রাইভেটকার চুরির অভিযোগে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার ভাইয়ার হাউলা গ্রামের বাসিন্দা চালক মো. জলিল মৃধাকে (৫৯) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার ভাটারা থানার সাইদনগর এলাকার এপি বাসা নং-১৪, রোড-১৫, ব্লক-এ-তে বাস করছেন।

আরও পড়ুন: নেছারাবাদে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় দুজন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


চট্টগ্রামে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার এলাকা থেকে পুলিশ বিদেশি একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন বায়েজিদ বোস্তামী থানার ট্যানারি বটতল এলাকার মো. আসিফ (২৫) এবং অপরজন হলেন হাটহাজারী থানার ১ নম্বর পাহাড়তলী এলাকার সাইদুল ইসলাম, যিনি আরিফ (২৪) নামে পরিচিত।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে সিএমপির সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আসিফের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে, চাঁদাবাজি, অস্ত্র আইন এবং পুলিশের ওপর আক্রমণসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোট ১১টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে, আরিফের বিরুদ্ধে দুটি চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ. ই. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার মন্ত্রীর কার্যালয়ে।

বৈঠকে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবারের কল্যাণ সাধন এবং আহত যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও সামাজিক পুনর্বাসন কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) জিয়াউদ্দীন আহমেদ এবং যুগ্মসচিব (সংযুক্ত) মো. জেহাদ উদ্দিন।

অন্যদিকে, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন নোট টেকার জোশ পোপ, প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া অফিসার রিকি সালমিনা এবং প্রোটোকল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাদ বিন এলাহী।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

আলোচনা শুরুতে সচিব উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গৌরবময় অর্জন, স্মৃতি, ইতিহাস ও আদর্শ লালন ও সংরক্ষণ করা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

এই আলোচনা চলাকালে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক ও নির্ভুল তালিকা তৈরির প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ এবং বর্তমান অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দী পার হলেও অতীতে সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যানগত পদ্ধতির অভাবে একটি সর্বজনগ্রাহ্য ডাটাবেজ তৈরি জটিল ছিল। বর্তমানে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)-এর তত্ত্বাবধানে তথ্যপ্রযুক্তি (ICT) এবং ডিজিটাল প্রোফাইলিং প্রসেস ব্যবহার করে সঠিক ও নিরপেক্ষ তালিকা চূড়ান্ত করার কাজ পুরোদমে চলছে।

বৈঠকে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বৈপ্লবিক পদক্ষেপসমূহও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। মন্ত্রণালয়ের গঠিত বিশেষায়িত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’-এর আওতায় ৮৪৩ জন বীর শহীদ এবং ১৫,০৩০ জন আহত যোদ্ধার বিস্তারিত ডাটাবেজ প্রণয়ন করা হয়েছে। শহীদ পরিবারসমূহে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা অনুদান ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। গুরুতর আহতদের চিকিৎসার জন্য ক্যাটাগরি ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর আওতায় যথাক্রমে ৫ লাখ, ৩ লাখ এবং ১ লাখ টাকার এককালীন অনুদান ও নিয়মভিত্তিক মাসিক ভাতা প্রদান নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষায়িত চিকিৎসার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে ১৫৪ জন সংকটাপন্ন আহতকে সরকারি খরচে থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও রাশিয়ায় প্রেরণ করা হয়েছে। চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে এ খাতে ৪৪৮.১১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বহুমুখী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন, বিশেষ করে আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নির্ভুল করার চেষ্টা এবং জুলাই বিপ্লবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস সংরক্ষণের অভিজ্ঞতা (যেমন-ন্যাশনাল আর্কাইভস, স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউট) উল্লেখ করে বলেন, ইতিহাস সংরক্ষণ একটি সতত চলমান প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সঠিক ইতিহাস সুরক্ষায় এবং ডাটাবেজ তৈরিতে মার্কিন পাবলিক ডিপ্লোমেসি টিমের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

বৈঠক শেষে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশ সম্পর্কিত ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাবলীভিত্তিক গ্রন্থ ‘প্রেসিডেন্ট জিয়া: রাজনৈতিক জীবনী’ এবং ‘বেগম খালেদা জিয়া: দ্য লাইফ অ্যান্ড স্টোরি’ সহ অন্যান্য স্মারকগ্রন্থ ও উপহারসামগ্রী হস্তান্তর করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫০ পি.এম


বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে স্থাপিত 'চায়না অর্থনৈতিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন' (সিইআইজেড)-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ফলে বাংলাদেশের শিল্প খাতে একটি নতুন এবং ঐতিহাসিক যুগের সূচনা ঘটেছে। এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও গণচীন সরকারের (জি-টু-জি) যৌথ উদ্যোগ এবং 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ'-এর নীতিমালার আলোকে গৃহীত, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বৈচিত্র্যময় শিল্পায়ন এবং বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ববহ ভূমিকা পালন করবে।

আজ সোমবার, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সভাপতির ভূমিকা পালন করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সহজীকরণে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এরই ধারাবাহিকতায় চীন-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চলে সরকারের নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে অবকাঠামো ও শিল্প স্থাপনে প্রায় ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ অর্জিত হবে।

তিনি বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীদের দ্রুত ও সহজ সেবা প্রদানে নিশ্চিৎ করতে খুব শিগগিরই শতভাগ কার্যকর ‘সিঙ্গেল উইন্ডো সার্ভিস’ চালু করবে। পুঁজিবাজার ও মূলধনী খাতে কৌশলগত বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার ব্যাপক উদ্যোগও গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শ্রমিকদের আবাসন, আধুনিক জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের বিষয়গুলো বর্তমান সরকারের প্রধান অগ্রাধিকারে রয়েছে। তিনি চায়নিজ অংশীদারদের কাছে আনোয়ারা শিল্পাঞ্চলে দেশীয় শিল্পের উন্নয়ন, সাপ্লাই চেইন জোরদারকরণ এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির লক্ষ্যে একটি আধুনিক ‘স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার আবেদন জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আনোয়ারা অঞ্চলের এই উর্বর মাটিতে সিইআইজেড-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মাধ্যমে আমরা কেবলএকটি কোদাল মাটি তুলছি না বরং বাংলাদেশের শিল্প রূপান্তরের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছি।

তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক বিশ্বাস, গভীর বন্ধুত্বের ভিত্তি ও যৌথ সনদের আলোকে গৃহীত এ জি-টু-জি প্রকল্পের মাধ্যমে দু'দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।

আপনারা জানার জন্য বলছি, প্রায় ৭৭৬ একর (৩১৪.৩৯ হেক্টর) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বৃহৎ প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৩৬ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এটা স্থানীয় যুবসমাজের ভাগ্যোন্নয়নে বিশাল প্রভাব ফেলবে। তৈরি পোশাক ও টেক্সটাইল শিল্পের পাশাপাশি এই অঞ্চলে বায়ো-ফার্মাসিউটিক্যালস, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রসেসিং এবং চামড়াজাত পণ্যের মতো উচ্চ-মূল্যের শিল্প প্রতিষ্ঠিত হবে। যা বাংলাদেশের রফতানি খাতকে আরও শক্তিশালী এবং বৈচিত্র্যময় করবে।

ভৌগোলিক ও লজিস্টিক দিক থেকে সিইআইজেড অত্যন্ত সুবিধাজনক স্থানে অবস্থিত। এটি কর্ণফুলী টানেল থেকে মাত্র ৭০০ মিটার, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৬ কিলোমিটার এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এন-১ জাতীয় মহাসড়কের সাথে সরাসরি যুক্ত হওয়ায় পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা হবে অত্যন্ত সহজ ও দ্রুত।

তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে এখানে আন্তর্জাতিক মানের সেন্ট্রাল এফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি) ও পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে, যা টেকসই শিল্পায়নের জন্য একটি অনন্য উদাহরণ স্থাপন করবে।

মন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করে বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও সিইআইজেড-এর নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা প্রস্তুত থাকবে। একসঙ্গে, বেজা-এর 'ওয়ান-স্টপ সার্ভিস (OSS)' ব্যবহার করে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এড়িয়ে দ্রুত অনুমোদন ও গ্যাস-বিদ্যুতের মতো পরিষেবা নিশ্চিত করবে, যা একটি সহজ ও সমৃদ্ধ বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নির্মাণ করবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই বৃহৎ প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের জন্য বেজা, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি), ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এবং বিশেষভাবে আনোয়ারা ও চট্টগ্রামের জনগণকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই শিল্প অঞ্চলটি বাংলাদেশ ও চীনের অর্থনৈতিক ও বন্ধুত্বের একটি টেকসই সেতু হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সারোয়ার জামাল নিজাম এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশন (সিআরবিসি)-এর ভাইস চেয়ারম্যান লি চাংগুই। স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিইআইজিডি কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) নির্মাণ কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। সোমবার ‘সিইআইজেড’র নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ১.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এক লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ‌‌‘সিইআইজেড’ একটি মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) আশিক চৌধুরী।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। এ সময় চট্টগ্রামের স্থানীয় সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল (সিইআইজেড) প্রকল্পের ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট Li Changgui এবং বাংলাদেশ সিইআইজেড কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিসিএল) চেয়ারম্যান Wang Benqian-ও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের বিদ্যমান ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীসহ প্রায় ৭০ জন চীনা ব্যবসায়িক প্রতিনিধি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে কয়েকটি সাব-লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, সিইআইজেড’র ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারের উদ্বোধন করা হয় এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সিইআইজেড’র নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই মন্তব্য করেন, আজকের গ্রাউন্ডব্রেকিংয়ের মধ্য দিয়ে প্রকল্পটি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করল, যার সঙ্গে যুক্ত হলো নতুন দায়িত্ব ও প্রত্যাশা। সিইআইজেড-এর নির্মাণ ও পরিচালনা এগিয়ে নিতে সিআরবিসি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। দ্বিপাক্ষিক শিল্প সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের একটি আকর্ষণীয় গন্তব্য এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার একটি মডেল জোন হিসেবে সিইআইজেড-কে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়নে আমরা আরও বড় অবদান রাখতে চাই।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ওয়েন মন্তব্য করেন, চট্টগ্রামে চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের আজকের গ্রাউন্ডব্রেকিং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের ফলাফল বাস্তবায়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই নতুন ঐতিহাসিক সূচনালগ্নে চীন বাংলাদেশের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও এগিয়ে নিতে, কৌশলগত সমন্বয় গভীর করতে এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রস্তুত। দুই দেশের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যকে উন্নয়নের বাস্তব সুফলে রূপ দিতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে চাই।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমাদের সবার লক্ষ্য একটিই-বিনিয়োগ। দেশের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রধান চালিকাশক্তি হবে বিনিয়োগ। চাইনিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের আজকের অগ্রগতি তাই সরকারের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ মন্তব্য করেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের প্রতি আমাদের বার্তা স্পষ্ট, বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত এবং আমরা এ বিষয়ে আন্তরিক। আজকের গ্রাউন্ডব্রেকিং শুধু নির্মাণকাজের সূচনা নয়; এটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সেতুবন্ধনের ভিত্তি। আমরা একসঙ্গে এমন একটি জোন গড়ে তুলতে চাই, যা নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে, টেকসই প্রবৃদ্ধি এগিয়ে নেবে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ তৈরি করবে।

বেজা’র নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানান, জুন মাসে প্রধানমন্ত্রীর বেইজিং ও দালিয়ান সফরের পর ৩০টির বেশি চীনা কোম্পানি এই জোনে প্রায় অর্ধ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণত একটি কারখানা স্থাপন বা প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে ছয় মাস থেকে এক বছর সময় লেগে যায়। আমরা ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, আগামী তিন মাসের মধ্যে এমন একটি প্রক্রিয়া চালু করা হবে, যার মাধ্যমে ব্যবসা শুরুর কাজ ১৪ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশে বহু দশকের অভিজ্ঞতার তুলনায় এটি একটি বাস্তব ও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিল্প, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে সিইআইজেড প্রায় ৮০০ একর জমির উপর গড়ে উঠছে। জিটুজি উদ্যোগের আওতায় বাস্তবায়িত এই অর্থনৈতিক অঞ্চলটি বাংলাদেশে বৃহৎ পরিসরের চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আধুনিক শিল্প অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২০১৬ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ধারাবাহিকতায় এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

গত ১৭ জুন অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সিইআইজেড বাস্তবায়নের জন্য গঠিত Bangladesh CEIZ Company Limited-এর সঙ্গে Development Agreement এবং Land Lease Agreement অনুমোদন করে। এ কোম্পানিতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ৩০ শতাংশ এবং China Road and Bridge Corporation ( CRBC) ৭০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করবে। বেজার অংশ হিসেবে অধিগ্রহণকৃত ভূমির ৫০ বছরের লিজমূল্য ইকুইটি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং ডেভেলপার তাদের অংশ নগদ মূলধন হিসেবে বিনিয়োগ করবে, যা জোনের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনায় ব্যবহৃত হবে।

সিইআইজেড-এ বিশ্বমানের শিল্প পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে Supporting Infrastructure Project for Chinese Economic and Industrial Zone গত ১৬ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) কর্তৃক অনুমোদিত হয়েছে। প্রায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হবে ১ হাজার ২৩৫ মিটার দীর্ঘ জেটি লিংক রোড, ১ হাজার ১৮১ মিটার দীর্ঘ চার লেন সড়ক, ২০ হাজার ডেডওয়েট টন ধারণক্ষমতার বহুমুখী জেটি, ২৫ এমএলডি ক্ষমতাসম্পন্ন সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (সিইটিপি), ৪.২৪ এমএমসিএফডি ক্ষমতাসম্পন্ন গ্যাস ট্রান্সমিশন লাইন ও ডিস্ট্রিক্ট রেগুলেটিং স্টেশন (ডিআরএস), ২০ হাজার ৩০৪ ঘনমিটার ধারণক্ষমতার পানি সংরক্ষণাগার, ৬০ টন প্রতিদিন ক্ষমতাসম্পন্ন সলিড ওয়েস্ট কালেকশন স্টেশন, প্রায় ১২ কিলোমিটার সীমানা প্রাচীর এবং দুটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন।

উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুযায়ী প্রকল্পের মোট ব্যয় প্রায় ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ সহায়তা এবং প্রায় ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ব্যয় করা হবে। বৈদেশিক অর্থায়নের অংশ চীনের এক্সিম ব্যাংকের Preferential Buyer’s Credit (PBC) সুবিধার আওতায় প্রাপ্তির প্রস্তাব রয়েছে।

এই অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিইআইজেড-এ শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবহন ও জেটি সুবিধাসহ আন্তর্জাতিক মানের সকল সহায়ক অবকাঠামো নিশ্চিত হবে। ইতোমধ্যে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বেজা, চট্টগ্রাম ওয়াসা (CWASA) এবং CRBC-এর মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ডিসেম্বর ২০৩১ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়ায় ভৌগোলিকভাবে এই অঞ্চলটির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%