বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:১১ এম
লোকসান কমাতে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ১১টি ট্রেন বেসরকারিকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের বেশির ভাগ আন্তঃনগর ও লোকাল মেইল ট্রেনগুলো আয়ের লক্ষ্যমাত্রার প্রায় অর্ধেকও আয় করতে পারছে না। বরং দিনে দিনে শুধুই লোকসান গুনছে। এর পাশাপাশি, টিকিটবিহীন যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা টাকার বেশির ভাগ ট্রেনের দায়িত্বরতদের পকেটে চলে যাচ্ছে। যদিও পশ্চিমাঞ্চল থেকে চলাচলকারী ৬৮টি ট্রেনের মধ্যে কোনোমতে লাভের মুখ দেখছে ১২টি ট্রেন। আর অন্য ট্রেনগুলোর আয় পরিচালন ব্যয়ের তুলনায় কম। এমন অবস্থায়, আরো ১১টি ট্রেন বেসরকারীকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মাত্র ১২টি ট্রেন লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। যাত্রীর চাহিদা বেশি থাকা ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী-খুলনা রুটে ওই ট্রেনগুলো চলাচল করে। এর মধ্যে পদ্মা, সিল্কসিটি, ধূমকেতু, বনলতা, সাগরদাড়ি ও কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস উল্লেখযোগ্য। কিন্তু মেইল ও কমিউটার ট্রেনগুলোতে লোকসান গুনতে হচ্ছে দিনের পর দিন। মূলত স্বল্প ভাড়া ও পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে বেশির ভাগ ট্রেন লোকসানে চলছে। জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল ও অবকাঠামোগত ব্যয় বেড়ে যাওয়াতে নষ্ট হচ্ছে অনেক ট্রেনের আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য।
সূত্র জানায়, লোকসানে ট্রেন চললেও আঞ্চলিক যোগাযোগ ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের স্বার্থে সেগুলো চালু রাখা হচ্ছে। কারণ রেলওয়ে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি জনসেবামূলক পরিবহনব্যবস্থাও। বর্তমানে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের আওতায় মোট ৬৮টি ট্রেন চলাচল করছে। এর মধ্যে ৩২টি আন্তঃজেলা ও ৩০টি আন্তঃনগর ট্রেন রয়েছে। আন্তঃনগর ট্রেনগুলো পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে চলাচল করে। আর আন্তঃজেলা ট্রেনগুলো পশ্চিমাঞ্চল-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে চলাচল করে। তাছাড়া ৬টি আন্তঃনগর কমিউটার ট্রেনও রয়েছে। কিন্তু চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমাঞ্চল রেলের আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৮২৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ধরা হলেও এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ৫৬৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা আয় হয়েছে। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ১৫৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। কিন্তু সেখানে ৬২১ কোটি ৩১ লাখ টাকা আয় হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে ট্রেনে যাত্রী ও মালপত্র পরিবহন থেকে আয়ের লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল এক হাজার ৩৭৭ কোটি পাঁচ লাখ টাকা, কিন্তু আয় হয়েছে ৬৪৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
সূত্র আরো জানায়, পশ্চিমাঞ্চলের মেইল ও লোকাল ট্রেনগুলোতে বিপুলসংখ্যক যাত্রী উঠলেও তাদের বেশির ভাগই টিকিট কাটে না। আবার টিকিট চেক করার জন্য ট্রেনে যাদের দায়িত্ব দেয়া হয়, তাঁরা যাত্রীদের কাছ থেকে যে টাকা আদায় করে, সেই টাকাও পুরোপুরি জমা দেয় না। এর ফলে দিনের পর দিন ওই ট্রেনগুলো লোকসান গুনছে। আর এই লোকসান কমাতে, ওই ট্রেনগুলোর মধ্যে আরো ১১টি ট্রেন বেসরকারি খাতে ইজারা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তাছাড়া আন্তঃনগর ও আন্তঃজেলা ট্রেনেও বিপুল পরিমাণ যাত্রী প্রতিদিন টিকিটবিহীন যাতায়াত করছে। সেখান থেকেও আয়ের একটি অংশ টিকিট চেকারদের পকেটে চলে যায়। ফলে কোনো কোনো বছরে পশ্চিমাঞ্চল রেলের লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেকও আয় হচ্ছে না।
এদিকে, এই প্রসঙ্গে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আনসার আলী জানান, “টিকিট থেকে রেলওয়ে পর্যাপ্ত আয় করতে পারছে না।” বিশেষ করে লোকাল ও মেইল ট্রেনগুলোতে যাত্রীরা টিকিট কাটতেই চায় না। ফলে আরো ১১টি ট্রেন বেসরকারীকরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জে একটি গণধর্ষণ মামলায় সাক্ষ্য না দেয়ার কারণে মামলার সাক্ষী ডা. সানজিদা ইসলামকে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করেছে আদালত। বুধবার (১ জুলাই) দুপুরের সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন। চিকিৎসক সানজিদা ইসলাম বর্তমানে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, একটি গণধর্ষণ মামলায় ভুক্তভোগী নারীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করে মেডিকেল সার্টিফিকেট দাখিল করেছিলেন ডা. সানজিদা ইসলাম। পরে আদালত এই মামলার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের জন্য ডা. সানজিদা ইসলামকে বারবার তলব করে। কিন্তু তিনি আদালতে কখনো আসেননি। গত ২৯ জুন আদালত ওই চিকিৎসককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। সেই নোটিশে তাকে ০১ জুলাই আদালতে উপস্থিত হয়ে সাক্ষ্য দেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসক এই নির্দেশ পালন করেননি। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ৪৮৫ ধারার বিধান অনুযায়ী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে দুই শত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সেই জরিমানার টাকা পরিশোধের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়। জরিমানার টাকা না দেয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৭ ধারার ভিত্তিতে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে। আদালতের সরকারের পক্ষের আইনজীবী (পিপি) আইনজীবী ফজলুল হক জানান, 'সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির না হওয়ায় চিকিৎসককে ২৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন আদালত। কিন্তু নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফেনীর পরশুরামে মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল (২২) নামে এক যুবক অসাবধানতাবশত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করার পর তাকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ফেরত নিয়ে এসেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে বিলোনিয়া স্থলবন্দরসংলগ্ন চেকপোস্টে বাংলাদেশী বিজিবি ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
রুবেল পরশুরাম উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের পশ্চিম রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ইউসুফ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুবেল বেশ কিছুদিন প্রবাসে ছিলেন। দেশে ফিরে আসার পর থেকেই তিনি মানসিক সমস্যা ভুগছিলেন।
পরিবার ও সাধারণ ডায়েরি (জিডি) সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রুবেল সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে পথ হারিয়ে অসাবধানতাবশত সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। ভারতে ঈশানচন্দ্রনগর এলাকার স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে ৪৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের মন্ডুবস্তি ক্যাম্পের টহলরত সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করেন।
এদিকে রুবেলকে খুঁজে না পেয়ে তার নানা জয়নাল আবেদীন মজুমদার পরশুরাম মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বিষয়টি জানার পর বিজিবি ও বিএসএফের সঙ্গে অধিনায়ক পর্যায়ে যোগাযোগ করা হয়। পরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আটক বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে বিএসএফ সম্মতি দেয়।
বিজিবি জানায়, বুধবার বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) মজুমদারহাট বিওপির কোম্পানি কমান্ডার এবং প্রতিপক্ষ ৪৩ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের বিলোনিয়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডারের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ রুবেলকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। পরে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
রুবেলকে অক্ষত অবস্থায় ফিরে পেয়ে তার পরিবার বিজিবি, পরশুরাম মডেল থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
এ ব্যাপারে ফেনী ব্যাটালিয়নের (৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, বিজিবি ও বিএসএফের অধিনায়ক পর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনার পর বিলোনিয়া সীমান্তে পতাকা বৈঠকের আয়োজন করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিএসএফ বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে।
বৃহস্পতিবার (২ julho) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই পরীক্ষা শুরু হবে এবং এটি চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত।
এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ে ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন। গত বছরের তুলনায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন।
সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে পরীক্ষার্থীদের জন্য একাধিক কঠোর নির্দেশনাও এরই মধ্যে জারি করেছে শিক্ষা বোর্ড।
এদিকে, কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে ১৫ আগস্টের মধ্যে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ইতিমধ্যে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে।
নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষা চলবে বেলা ১টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষাকক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।
পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবারের পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অভিন্ন প্রশ্নপত্র ব্যবহার করা হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড জানিয়েছে, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে সব বোর্ডে একই মানদণ্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়ন নিশ্চিত করাও শিক্ষাবিদদের মতে বড় চ্যালেঞ্জ।
সারা দেশে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রের পরীক্ষায় অংশ নেবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টি ঢাকায়। পরীক্ষা পরিচালনার ক্ষেত্রে ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গঠন করা হয়েছে একটি বিশেষ সিসিটিভি মনিটরিং সেল, যার মাধ্যমে অনলাইনে দেশের যে কোনো কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এছাড়া কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিটি পরীক্ষাকক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কোনো কক্ষে দুইজনের কম কক্ষপরিদর্শক রাখা যাবে না। বসার ক্ষেত্রেও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট মানদণ্ড। পাঁচ ফুট বাই ছয় ফুট বেঞ্চে দুজন এবং চার ফুট বেঞ্চে একজন পরীক্ষার্থী বসতে পারবেন।
প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একাধিক স্তরের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে ট্রেজারি বা থানা লকারে সংরক্ষিত প্রশ্নপত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে যাচাই করতে হবে। পরীক্ষার দিন ট্যাগ অফিসার ও পুলিশের পাহারায় প্রশ্নপত্র কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। পরে মোবাইলের মাধ্যমে নির্ধারিত সেট কোড পাওয়ার পরই প্রশ্নপত্র খোলা যাবে। নির্ধারিত সেটের বাইরে কোনো প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সূত্রে জানা গেছে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশে ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে পরে নতুন করে পরীক্ষা নেয়া হবে।
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে বুধবার (১ julho) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এইচছানুল হক মিলন বলেন, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁস, জালিয়াতি বা যে কোনো অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে সংশোধিত পাবলিক পরীক্ষা আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা অনিয়মে জড়িত থাকলেও কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন বলেন, সরকার এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যেখানে পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের পাশাপাশি সংস্কৃতি, ক্রীড়া, নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক মূল্যবোধ এবং কর্মদক্ষতা সমান গুরুত্ব পাবে। ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি ও পেশাভিত্তিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৬টি জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে, এমনটাই জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসাথে, বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাতে, আবহাওয়া অফিসের রাত ১২টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদী বন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই গুরুত্বপূর্ণ পূর্বাভাস প্রদান করা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
এসব অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনার কথাও চিন্তা করতে হবে। তাই, এসব এলাকার নদী বন্দরগুলোকে ১ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ