মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৯ পি.এম
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য বিশ্ব অর্থনীতির সাথে মিল রেখে ক্রমাগতভাবে প্রসারিত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনের জন্য বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে।
বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট জোগান থাকা সত্ত্বেও, গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত পূরণের লক্ষ্যে ধাপে ধাপে ডলারের মূল্য বৃদ্ধি এবং টাকার মান হ্রাস করা হয়েছিল। বর্তমানে ডলারের দাম ওঠানামার মধ্যে রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী, কিছু মাস আগে ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে বর্তমানে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে আজকের (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে উপস্থাপন করা হলো—
মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা
ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা
ইউরো : ১৩৯ টাকা ৫৬ পয়সা
পাউন্ড : ১৬২ টাকা ৬৬ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৫৮ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ০৯ পয়সা
চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ২৮ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৬ টাকা ০৮ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৭ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ২০ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৮০ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮০ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ০৮ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৫৫ পয়সা
*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিসিয়াল রেটের মধ্যে ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।
যদিও আইএমএফের শর্ত পূরণ করতে গিয়ে মাস খানেক আগে ডলারের দাম কিছুটা বেড়ে গিয়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এ সাক্ষাৎটি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে, ভারতের হাইকমিশনার হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান।
বৈঠকের সময়, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও মতবিনিময় করেন তারা। আলোচনার মধ্যে নিউইয়র্কে সদ্য সমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের বিষয়টি উঠে আসে।
এ সময়, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে ভারতের সঙ্গে দূরদর্শী ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে কাজ করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা ও যোগাযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিঙ্গাপুর থেকে এক মাস আগে ছুটিতে এসেছিলেন রোকন আহমেদ জয়; হত্যার অভিযোগ স্বজনদের, তদন্তে পুলিশ
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রোকন আহমেদ জয় (২৬) নামে এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্ব নয়াহাটী এলাকায় নিজ বাড়ির উঠান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোকন আহমেদ জয় কালিকাপ্রসাদ পূর্ব নয়াহাটী এলাকার মো. সাত্তার মিয়ার ছেলে। তিনি জীবিকার তাগিদে সিঙ্গাপুরে পাড়ি জমিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় দুই বছর থাকার পর এক মাস আগে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি।
স্থানীয় ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে বাড়ির উঠানে একটি গাছের সঙ্গে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রোকনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে বিষয়টি ভৈরব থানা-পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা রোকনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাঁর হাত-পা ও মুখ বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা লোকমান মিয়া বলেন, রোকন প্রায় এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, রাত আনুমানিক ২টার দিকে রোকনকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। পরে হাত-পা ও মুখ বেঁধে তাঁকে হত্যা করে বাড়ির উঠানের একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে যায়।
তিনি বলেন, ‘এভাবে একজন প্রবাসী যুবককে হত্যার ঘটনা অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।’
নিহতের বাবা মো. সাত্তার মিয়া বলেন, আগের দিন কক্সবাজারে যাওয়ার জন্য কিছু কাপড় কিনবে বলে টাকা নিয়ে ঢাকায় যায়। আর সে ঢাকা থেকে মার্কেটও করে বাড়িতে আসে কিন্তু রাতের কোন একসময় তাকে কে বা কারা ডেকে নিয়ে যায় আর সকালে আমার একজন জন বলতেছে তুমি তাড়াতাড়ি বাড়িতে যাও কিছু একটা হয়েছে। বাড়িতে এসে দেখি আমার ছেলে আর নাই।
তিনি প্রশাসনের কাছে তাঁর ছেলের মৃত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত, হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
নিহতের মা ছেলের মৃত্যুর ঘটনায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বলেন, কালিকাপ্রসাদ এলাকায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা এক যুবকের মরদেহ গাছে ঝুলছে এমন খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয় এবং ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও জানান, ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে তা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ২৫টি অভিযান চালিয়ে ৬৭ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। পরে তাদের মধ্যে ৬২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি পাঁচজনের মধ্যে একজনকে ১৫১ ধারায়, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে, সোমবার দিনব্যাপী অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন থানায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানা, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ মডেল থানা, সেনবাগ, চাটখিল ও চরজব্বর থানায় আটক কিশোরদের মধ্যে যথাক্রমে ৭, ৭, ১৩, ১১, ১১ ও ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সোনাইমুড়ী থানায় একজনকে ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার, একজনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার এবং দুজনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ছাড়া কবিরহাট থানায় তিনজনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার আরও বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধপ্রবণতা রোধে নিয়মিত অভিযানের পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান দাবি করেছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের তুলনায় বর্তমানে দেশে নৈরাজ্য কমে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, "বর্তমানে আগের তুলনায় সহিংসতা অনেকটাই কমে এসেছে।"
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় সরকারের অগ্রগতি, কার্যক্রম ও সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তথ্য উপদেষ্টা আরও জানান, "এই সরকার পুলিশ বাহিনীকে যে পরিস্থিতির মধ্যে পেয়েছে, সেটাকে বিবেচনায় নিয়ে আমি বলছি যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।" তিনি বলেন, "বাহিনী চেষ্টা করছে। তারা ভালো কাজ করছেন বলে আমরা মনে করি।"
তবে তিনি স্বীকার করেন যে, কিছু ঘটনা ঘটছে এবং কারো কারো দায়িত্ব অবহেলা রয়েছে। তিনি বলেন, "যেখানে যেখানে ঘটনা ঘটছে, সেখানে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।"
ডা. জাহেদ উর রহমান দাবি করেন, "অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের চেয়ে বর্তমানে অপরাধের সংখ্যা কম।" তিনি বলেন, "আমি অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ের সঙ্গে তুলনা করছি। কারণ হলো, ধ্বংসপ্রাপ্ত বা বিধ্বস্ত পুলিশ আমরা ৫ আগস্টের পর থেকে দেখছি।"
তিনি বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এক নৈরাজ্য ছিল।" তথ্য উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, "আগে অ্যানার্কি মনে হতো। ধরুন দুটো লিডিং পত্রিকায় ঘোষণা দিয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়া যাবে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।" তিনি জানান, "একটা নিষ্ক্রিয় বাহিনী কিছুই করার চেষ্টা করেনি।"
তিনি আরও বলেন, "কোনো পত্রিকার মতাদর্শ নিয়ে কারো দ্বিমত থাকতে পারে। কিন্তু ঘোষণা দিয়ে কাজটা করলেন, আমরা নিষ্ক্রিয়তা দেখেছি।"
তিনি জানান, "অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা মাজার ভাঙতে দেখেছি। ফুটবল খেলা যাবে না। ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, প্রকাশ্যে যে এখানে ফুটবল খেলা যাবে না। কোথাও নাটক মেলা অসংখ্য বন্ধ হয়েছে।"
বর্তমান সরকারের সময়েও কিছু নৈরাজ্য হয়েছে, স্বীকার করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, "এই সময় দুই-তিনটা ঘটনা ঘটেছে। এটা ঘটাও উচিত হয়নি।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, "কিন্তু আমি বলছি, ওটার (অন্তর্বর্তী সরকার) সঙ্গে যদি তুলনা করি, মাচ বেটার ডিসিশন।"
এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটদের বরাত দিয়ে ব্রিফিংয়ে তথ্য উপদেষ্টা জানান, "দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই।" এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তির সহযোগিতা চুক্তি, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ব্যবহারে এগিয়ে যাবে।"
সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি হলে অপতথ্য অনেকটাই কমে আসবে বলে সরকার আশাবাদী বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ