মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:২৩ এম
আজ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আফগানিস্তানের টেস্টের শেষ দিন। রাতের বেলায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
ক্রিকেট
জাতীয় ক্রিকেট লিগ
সিলেট–ঢাকা
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
ময়মনসিংহ–রংপুর
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
খুলনা–রাজশাহী
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
চট্টগ্রাম–বরিশাল
সকাল ৯–৩০ মি., ইউটিউব/বিসিবি
আবুধাবি টেস্ট: ৫ম দিন
বাংলাদেশ–আফগানিস্তান
দুপুর ১২টা, টি স্পোর্টস
ডারবান টেস্ট: ৫ম দিন
দক্ষিণ আফ্রিকা–অস্ট্রেলিয়া
বেলা ১–৩০ মি., ট্যাপম্যাড
৩য় টি–টোয়েন্টি
পাকিস্তান–শ্রীলঙ্কা
সন্ধ্যা ৭টায় ট্যাপম্যাডে ম্যাচটি সম্প্রচারিত হবে, যা পিটিভি স্পোর্টসে দেখা যাবে।
ফুটবল
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
সাবাহ–স্লাভিয়া প্রাগ
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ১
লাঁস–স্পোর্তিং
রাত ১০–৪৫ মি., সনি স্পোর্টস ২
আর্সেনাল–লিল
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ১
অ্যাতলেটিকো–ম্যান ইউনাইটেড
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ২
গালাতাসারাই–বার্সেলোনা
রাত ১টা, সনি স্পোর্টস ৫
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নামাজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে, তাই নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।
ঢাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নামাজের সময়সূচি নিম্নরূপ উল্লেখ করা হলো-
জোহর- ১১:৪৯ মিনিট
আসর- ০৩:৫৭ মিনিট
মাগরিব- ০৫:৩৯ মিনিট
এশা- ০৬:৫২ মিনিট
ফজর নামাজের সময় আগামীকাল ০৪:৪১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
উল্লিখিত সময়ের সঙ্গে যেসব বিভাগের সময় যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলো নিম্নরূপ-
যোগ করতে হবে:
খুলনা: ০৩ মিনিট
রাজশাহী: ০৭ মিনিট
রংপুর: ০৮ মিনিট
বরিশাল: ০১ মিনিট
বিয়োগ করতে হবে:
চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট
সিলেট: ০৬ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে দোকানপাট ও মার্কেটে প্রবেশ করে। কিন্তু যদি তারা তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে দেখে যে সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে তাদের প্রচেষ্টা বিফলে যাবে। তাই মঙ্গলবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে, তা জানা প্রয়োজন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
যেসব এলাকায় দোকানপাট বন্ধ থাকবে সেগুলি হলো কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া এভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমণ্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা, লালমাটিয়া।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
এছাড়া, বন্ধ থাকবে বসুন্ধরা সিটি, মোতালেব প্লাজা, ইস্টার্ন প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউ মার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমণ্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসুল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমণ্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিং মল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার ডিআইটি মার্কেট, অর্কিড প্লাজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার রক্ষা এবং জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার তরুণ সংগঠক অনন্যা খাতুন। আগামী ১৩ অক্টোবর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিতব্য দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক ফোরাম South Asian Regional Forum on Ending Child Marriage-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন তিনি।
অনন্যা খাতুন নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) আমিনুর ইসলামের কন্যা। নাগেশ্বরীর মেয়ে অনন্যার এই আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণের সুযোগ স্থানীয় পর্যায়ে নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করা তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
আসমানি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের Space to Lead Project-এর আওতায় ফোরামটিতে অংশ নেবেন অনন্যা। সেখানে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তরুণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তরুণদের ভূমিকা, কন্যাশিশুর অধিকার এবং এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরার সুযোগ পাবেন তিনি।
অনন্যা কুড়িগ্রামের মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের অনার্স তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। পড়াশোনার পাশাপাশি ২০২২ সাল থেকে তিনি স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন। নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার, মানবাধিকার, জেন্ডার সমতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করছেন তিনি।
তিনি Alliance for Rights Women Organization (ARWO)-এর প্রতিষ্ঠাতা। সংগঠনটির মাধ্যমে নারী ও কন্যাশিশুর নিরাপত্তা, অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করছেন অনন্যা।
কুড়িগ্রামের মতো বন্যা, নদীভাঙন ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে কন্যাশিশুদের শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও তরুণদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে এসব বিষয়ে কাজ করে আসছেন তিনি।
কাঠমান্ডুর আঞ্চলিক ফোরামে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে গৃহীত উদ্যোগ, অভিজ্ঞতা ও কার্যকর কৌশল সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন অনন্যা। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতা এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে তরুণদের কার্যকর অংশগ্রহণের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে পারবেন তিনি।
অনন্যা খাতুন বলেন,বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু সচেতনতা নয়, প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা, পরিবারের সহযোগিতা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং তরুণদের কার্যকর অংশগ্রহণ।
তিনি আরও বলেন, কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজ ও তরুণদের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
নাগেশ্বরীর সন্তোষপুর ইউনিয়ন থেকে উঠে আসা অনন্যা খাতুনের এই আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণ নারী ও কন্যাশিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণ নেতৃত্বের গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও কন্যাশিশুর নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার প্রচেষ্টায় তাঁর এই অংশগ্রহণ অন্য তরুণদেরও সামাজিক কাজে এগিয়ে আসতে অনুপ্রাণিত করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী, ১২ অক্টোবর, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে নরসিংদী সদর উপজেলার পাঁচদোনা এলাকার দুই হাতবিহীন শিক্ষক দুখু মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে পা দিয়ে ব্ল্যাকবোর্ডে লিখে শিশুদের পাঠদান করা শিক্ষক দুখু মিয়াকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ হলে তিনি দুখু মিয়া এবং তার বিদ্যালয় সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার নির্দেশ দেন।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যালয়টির নিবন্ধনসহ অবকাঠামোগত উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এর আগে জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান কেয়া ‘প্রতিভা দুখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও শিক্ষক আলতাফ হোসেন দুখু মিয়া এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখোঁজ নেন।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা জাহান সরকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিফতাহুলসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দুখু মিয়া বলেন, ‘আমার বিদ্যালয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী খোঁজ নিয়েছেন, এটা জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার স্বপ্ন হলো প্রতিষ্ঠানটিকে পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তর করা। সরকার ও প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।’
আলতাফ হোসেন দুখু মিয়া জন্ম থেকেই দুই হাতহীন। শৈশবে তার বাবা পাতিলের ভূসোকালিতে পানি মিশিয়ে কালি তৈরি করে এবং কঞ্চিকে কলম বানিয়ে কলাপাতায় পা দিয়ে লিখতে শেখান। এভাবেই তিনি প্রাথমিক থেকে শুরু করে শিক্ষাজীবনের দীর্ঘ সিঁড়ি পার হয়ে ডিগ্রি পাসের অসাধারণ কৃতিত্ব দেখান। এরপর চাকরির আশায় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করেছেন, ঘুরেছেন নানা দপ্তরে। কিন্তু চাকরি পাননি।
অবশেষে আত্মকর্মসংস্থানের উদ্যোগী হন দুখু মিয়া। তার সেই মহতী উদ্যোগে অনেক শিশুর জন্য শিক্ষার সুযোগ তৈরি হয়।
বাবার দেওয়া জমি বিক্রির টাকা এবং নিজের জমানো অর্থ দিয়ে ২০০৭ সালে পৈতৃক জমিতে 'প্রতিভা দুখু মিয়া কিন্ডারগার্টেন’ প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৪৫ জন শিশু পড়ালেখা করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ