১১:৩২ পি.এম
ববি হাজ্জাজ, যিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য, বলেছেন যে, ঢাকার ১৩ আসনের বসতি ও জনসংখ্যার দিক থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো বেশি মজবুত করতে ২০২৭ সালের মধ্যে বসিলা ও রায়েরবাজারে দুটি আলাদা থানা প্রতিষ্ঠা করা হবে।
তিনি বুধবার, ১২ আগস্ট, চলমান ‘মন্ত্রীর সাথে চা, ঠিকানা আপনার বাসা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় এ তথ্য জানান।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মোহাম্মদপুর থানা ঢাকা শহরের অন্যতম বৃহৎ জনসংখ্যার একটি এলাকা হওয়ায় এখানে মানুষের নিরাপত্তা এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশি সক্ষমতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যেই বসিলা ও রায়েরবাজারের অধিবাসীদের জন্য পৃথক দু’টি থানা প্রতিষ্ঠার প্রশাসনিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন
তিনি কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানও তুলে ধরেন এবং বলেন, গত কয়েক মাসে এলাকার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।
এছাড়া, বসিলা ব্রিজ এলাকায় একটি শক্তিশালী বিট পুলিশিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে কেরানীগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে অপরাধীরা এসে বসিলা বা মোহাম্মদপুর এলাকায় অপরাধ ঘটিয়ে পালাতে না পারে।
নিরাপত্তার পাশাপাশি তিনি জানান, এলাকার সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ আধুনিকায়নের জন্য শিগগিরই মোহাম্মদপুরে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক শিক্ষা খাতের শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দেশের কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ভর্তি পরীক্ষার কোনো নিয়ম নেই। যদি কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম লঙ্ঘন করে, তবে তা সম্পূর্ণ বেআইনি হবে।
আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের বক্তব্যে মানুষ হাসি-তামাশা করছে: রাশেদ খান
তিনি আরো জানান, আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে দেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি কার্যকর নিবন্ধন ও আইনি কাঠামোর অধীনে আনা হবে।
জনপ্রতিনিধিদের সরাসরি জনগণের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি এবং বলেন, 'কেবল অফিসে বসে বা সংসদে কথা বললেই দায়িত্ব শেষ হয় না।' মানুষের ঘরে গিয়ে তাদের জীবনযাত্রার বাস্তব সমস্যা শুনতে হবে।
ঢাকা-১৩ আসনকে একটি নিরাপদ, আধুনিক ও আদর্শ আবাসিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য তাদের আছে, যেখানে দেশের মানুষ বসবাসের স্বপ্ন দেখবে।
মতবিনিময়কালে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তা, গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ ও পরিবেশসংক্রান্ত নানা সমস্যার কথা তুলে ধরলে, প্রতিমন্ত্রী তা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন।
আরও পড়ুন: সোনাতলা গ্রামে বাঘের পায়ের ছাপ ঘিরে আতঙ্ক, সতর্ক করতে মাইকিং
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন