প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের বাজারে পাকিস্তানে সংযোজিত গাড়ি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগটি একদিকে ক্রেতাদের সামনে বিকল্প বাড়াতে পারে, তেমনি অন্যান্য বাণিজ্য কৌশলের আলোচনাকেও সামনে এনেছে।
কেবল গাড়ি নয়, যে কোনো পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট দেশ নয়; পণ্যের গুণগত মান হওয়া উচিত মূল বিবেচনা। তদুপরি, বাংলাদেশী ক্রেতাদের স্বার্থ, দেশীয় শিল্পের সুরক্ষা ও বিকাশের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
সম্প্রতি ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’ এবং বাংলাদেশের একটি কম্পানির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আওতায় আশা করা হচ্ছে এই বছর ১০০টি গাড়ি আমদানি করা হবে।
আগামী চার বছরে এই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৮০০-তে উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। এই প্রস্তাবকে দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক উষ্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্কের নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের গাড়ি শিল্প সম্প্রসারণের জন্য এটির অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তবে বাংলাদেশের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, কেবল পাকিস্তানি গাড়ি বাজারে প্রবেশ করা উচিত কি না; তাও নয়।
বরং প্রধান প্রশ্ন হলো, এই গাড়িগুলো বাংলাদেশি ক্রেতাদের জন্য মূল্য, নিরাপত্তা, গুণমান, প্রযুক্তি, নির্ভরযোগ্যতা এবং বিক্রয়োত্তর সেবার সেরা সমন্বয় দিতে পারে কিনা। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ তার ক্রেতাদের জন্য আরো ভালো সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে কিনা; এটি একটিকে কার্যকর পরীক্ষাও হতে পারে।
বাংলাদেশকে গাড়ি বাজারে প্রতিযোগিতাকে অবশ্যই স্বাগত জানানো উচিত। তবে একসঙ্গে অন্যান্য সুযোগগুলো খতিয়ে দেখা দরকার। যদি উদ্দেশ্য হয় ক্রেতাদের আরো বেশি বিকল্প এবং সাশ্রয়ী মূল্য দেওয়া, তবে ঢাকার জন্য এই খোঁজ কেবল পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
বাংলাদেশের উচিত ভারত, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক গাড়ি নির্মাণকারী দেশের যানবাহন ও বাণিজ্যিক প্রস্তাবগুলোর মধ্যে সক্রিয়ভাবে তুলনা করা। বাজার কে দখল করবে, সেটি বাজারই ঠিক করবে; কূটনীতি নয়।
পাকিস্তান নিজেই এখনো তার অটোমোটিভ নিয়ন্ত্রন কাঠামো শক্তিশালী করার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। ২০২৫ সালে দেশটির ইঞ্জিনিয়ারিং ডেভেলপমেন্ট বোর্ড স্থানীয়ভাবে তৈরি ও সংযোজিত গাড়ির জন্য নিরাপত্তা, গুণমান ও পরিবেশগত মানদণ্ড চালু করে। একই সময়ে, সংসদীয় আলোচনায় গাড়ির গুণমানের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি বেড়িয়ে এসেছে।
২০২৫ সালের একটি সংসদীয় আলোচনা, আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছিল যে, পাকিস্তানি নির্মাতা ও সংযোজনকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ২০০টি গাড়ির নিরাপত্তা মানদণ্ডের মধ্যে মাত্র ১৮টি মেনে চলে। তবে এটি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত; কারণ এটি প্রতিটি পাকিস্তানি গাড়ির কোনো স্বাধীন নিরীক্ষা নয়। বরং এটি ছিল একটি সংসদীয় কমিটির উপস্থাপিত তথ্য।
আবারও, রাতিটির জন্য গাড়ির গুণমান সম্পর্কে ঢালাও আশ্বাসের ওপর নির্ভর না করে, প্রতিটি মডেলের মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়টি পরীক্ষা করা উচিত। ঢাকার জন্য প্রশ্নটি খুবই সহজ ও স্পষ্ট- বাংলাদেশের যে মডেলের গাড়ি রপ্তানির প্রস্তাব করা হচ্ছে, সেটি কি বাংলাদেশের এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা, নির্গমন ও কারিগরি প্রয়োজনীয়তাগুলো পূরণ করে? এবং এই মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়টি কি স্বাধীনভাবে প্রমাণ করা সম্ভব?
প্রশ্নটি পাকিস্তানের পক্ষ-বিপক্ষের নয়। এটি ক্রেতাদের সুরক্ষার মৌলিক বিষয়। পাকিস্তানের সড়ক নিরাপত্তার রেকর্ডের প্রেক্ষাপটও এখানে প্রাসঙ্গিক। ২০১৬ সালের তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার প্রতি লাখে ১১ দশমিক ৯ জন। তবে সড়ক দুর্ঘটনার পেছনে একাধিক কারণ থাকে; যার মধ্যে চালকের আচরণ, সড়কের অবস্থা, আইনের প্রয়োগ, গাড়ির অবস্থা এবং জরুরি উদ্ধার সেবা অন্যতম।
এটি নিশ্চিত করে না যে পাকিস্তানি যাত্রীবাহী গাড়িগুলো স্বভাবগতভাবে অনিরাপদ। তবে এটি গাড়ির নিরাপত্তা এবং যান্ত্রিক মানদণ্ডের কঠোর পরিদর্শনের প্রয়োজনীয়তা বাড়ায়।
আরেকটি গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো, ‘মেড ইন পাকিস্তান’ শব্দগুচ্ছের আড়ালে যেন বাস্তবতা হারিয়ে না যায়। ‘এমজি জেডব্লিউ অটোমোবাইল পাকিস্তান’ মূলত ‘জেডব্লিউ-এসইজেড’ এবং ‘এসএআইসি’-এর সঙ্গে যুক্ত একটি আন্তর্জাতিক অটোমোটিভ সাপ্লাই চেইনের অংশ। একটি গাড়ি পাকিস্তানে সংযোজিত হওয়ার মানে এই নয় যে তার ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রযুক্তি বা যন্ত্রাংশগুলো সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানি। অতএব, বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত মাপকাঠি কোন দেশে সংযোজিত তা নয়। আসল বিবেচনা হওয়া উচিত গাড়িটি কেমন সেটি।
পাকিস্তানে সংযোজিত একটি ‘এমজি’ গাড়িকে একটি সাধারণ স্কোরকার্ডের ভিত্তিতে চীন, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, জাপান অথবা দক্ষিণ কোরিয়ার সমমানের গাড়ির সঙ্গে তুলনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গাড়িতে কয়টি এয়ারব্যাগ আছে? মডেলটিতে কি এবিএস এবং ইলেকট্রনিক স্ট্যাবিলিটি কন্ট্রোল আছে? ক্র্যাশ-টেস্টে এর পারফরম্যান্স কি? এটি কোন নির্গমন মানদণ্ড পূরণ করে? ওয়ারেন্টির মেয়াদ কতদিন? জ্বালানি বা বিদ্যুৎ বাবদ আনুমানিক খরচ কত হবে? খুচরা যন্ত্রাংশ কতটা সহজে পাওয়া যাবে? তিন, পাঁচ বা সাত বছর পর সার্ভিসিং খরচ কেমন হবে? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো- শুল্ক, কর, নিবন্ধন, ফাইন্যান্সিং এবং রক্ষণাবেক্ষণের পর গাড়িটির জন্য একজন ক্রেতার প্রকৃত মোট খরচ কত হবে?
একই নীতি বিক্রয়োত্তর সেবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। বড় আকারের কোনো আমদানি কর্মসূচি অনুমোদন করার আগে বাংলাদেশের জানা উচিত, কে ওয়ারেন্টির নিশ্চয়তা দেবে, গাড়ির ত্রুটিজনিত কারণে তা তুলে নেওয়ার খরচ কে বহন করবেন, কত দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ করা যাবে এবং ঢাকার বাইরে দক্ষ টেকনিশিয়ান ও ডায়াগনস্টিক সরঞ্জাম পাওয়া যাবে কি না।
এ কারণে প্রস্তাবিত ৫ হাজার ৮০০ ইউনিটের আমদানি কর্মসূচিটি প্রধান অটোমেবল বাজারের তুলনায় ছোট হলেও, এর বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা ও ঝুঁকি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখার জন্য যথেষ্ট বড়। পাকিস্তানের বর্তমান রপ্তানি রেকর্ড আমাদের জন্য একটি দরকারি প্রেক্ষাপট প্রদান করে। পাকিস্তানের সিনেটে উপস্থাপিত সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত তিন অর্থবছরে ২০টি দেশে পাকিস্তান স্থানীয়ভাবে সংযোজিত মাত্র ৪৩৪টি গাড়ি রপ্তানি করেছে। এই গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, থাইল্যান্ড, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশ।
এই পরিসংখ্যানের পাশে চার বছরে বাংলাদেশে ৫ হাজার ৮০০ গাড়ি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রাকে একটু বেশী আগ্রাসী ও উচ্চাকাঙ্খী মনে হতে পারে। পাকিস্তানের অটোমোটিভ রপ্তানির পরিমাণ এখনো খুব সীমিত। ফলে বাংলাদেশের এই প্রস্তাবিত কর্মসূচীটি সফল হলে তা পাকিস্তানের যাত্রীবাহী গাড়ির রপ্তানিতে একটি বড় সম্প্রসারণ হিসেবে গণ্য হতে পারে। ঠিক এই কারণে বাংলাদেশ উচিত প্রথম চালানের গাড়িগুলোকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহের একটি সুযোগ হিসেবে দেখা।
যদি গাড়িগুলো ভালো পারফর্ম করে, তবে ক্রেতারাই লাভবান হবেন। বিদ্যমান গাড়ি পরিবেশকদের উপর আরো বেশি প্রতিযোগিতামূলক চাপ পড়বে। গাড়ির দাম সাশ্রয়ী হতে পারে, সুযোগ-সুবিধার মান বাড়তে পারে এবং নির্মাতাদের আরো ভালো ওয়ারেন্টি ও সেবা দিতে হতে পারে। সুতরাং শেষ পর্যন্ত ক্রেতারাই লাভবান হবেন।
তবে একসঙ্গে অন্যান্য গাড়ি উৎপাদনকারীদের কাছ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব আহ্বান করার জন্য ঢাকার উচিত পাকিস্তানের এই চুক্তির মাধ্যমে তৈরি হওয়া সুযোগটিকে কাজে লাগানো। চীন যদি কম খরচে আরো উন্নত সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক গাড়ি দিতে পারে, ভারত যদি একটি প্রতিষ্ঠিত আঞ্চলিক সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে কমপ্যাক্ট গাড়ি দিতে পারে, থাইল্যান্ড বা ইন্দোনেশিয়া যদি আরো শক্তিশালী উৎপাদন গুণমান ও যন্ত্রাংশের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে পারে, এবং জাপানি বা কোরিয়ান নির্মাতারা যদি গাড়ির দীর্ঘস্থায়ী মেয়াদে চমৎকার নির্ভরযোগ্যতা ও নিরাপত্তা দিতে পারে; তবে বাংলাদেশের উচিত সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। যাতে ক্রেতাদের বেছে নেওয়ার সুযোগ বাড়ে।
মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত একটি প্রতিযোগিতামূলক সোর্সিং কৌশল তৈরি করা। কেবল ব্র্যান্ডের সংখ্যা বাড়ানোর নয়, বাংলাদেশী ক্রেতারা যাতে অর্থপূর্ণ প্রতিযোগিতা থেকে লাভবান হতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি আমদানিকারককে একই ধরনের নিরাপত্তা প্রয়োজনীয়তা, নির্গমন বিধি, পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ক্রেতা-সুরক্ষার বাধ্যবাধকতার সম্মুখীন হতে হবে।
প্রতিটি প্রস্তুতকারককে তাদের ওয়ারেন্টির শর্তাবলী এবং ত্রুটিজনিত কারণে গাড়ি তুলে নেয়ার ব্যবস্থা স্পষ্ট করতে হবে এবং প্রতিটি গাড়িকে তার নিজস্ব কারিগরি যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে।
যানবাহন আমদানির জন্য বাংলাদেশের ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত নীতিমালা রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অটোমোবাইল নীতিতে গাড়ির গুণমান, নিরাপত্তা এবং নির্গমন মানদণ্ড প্রণয়ন ও প্রয়োগের ওপর স্পষ্টভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। সেই ব্যবস্থাগুলোকে কঠোরভাবে প্রয়োগ করা উচিত। এখানে আরো বড় একটি অর্থনৈতিক সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ যদি তার নিজস্ব অটোমোবাইল শিল্পের উন্নয়ন ঘটাতে চায়, তবে তাকে কৌশলগতভাবে এই আমদানি প্রস্তাবটি কাজে লাগাতে হবে।
বিদেশী নির্মাতাদের কেবল গাড়ি বিক্রির কাজে নয়; বরং বাংলাদেশে সংযোজন কারখানা স্থাপন, স্থানীয় সরবরাহকারী গড়ে তোলা, প্রযুক্তি হস্তান্তর, টেকনিশিয়ানদের প্রশিক্ষণ এবং শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে যন্ত্রাংশ তৈরি করতে উৎসাহিত করা সম্ভব। ফলে প্রতিযোগিতাকে একটি শিল্প-নীতি কৌশল হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।
পাকিস্তানি গাড়িগুলো যদি দেশের মানদণ্ড পূরণ করে এবং ক্রেতাদের প্রকৃত মূল্য দিতে পারে, তবে বাংলাদেশের সেগুলোকে অবশ্যই স্বাগত জানানো উচিত। তবে ঢাকার উচিত একই সাথে অন্যান্য দেশ এবং নির্মাতাদের কাছ থেকেও প্রতিযোগিতামূলক প্রস্তাব আহ্বান করা। প্রশ্নটি কখনোই হওয়া উচিত নয় যে, বাংলাদেশ কোন দেশকে বেশি সুবিধা দেবে? বরং প্রশ্নটি হওয়া উচিত, কোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি বাংলাদেশি ক্রেতাদের নিরাপদ, সুসজ্জিত এবং নির্ভরযোগ্য গাড়িটি দিচ্ছে; যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারের ক্ষেত্রে হবে সবচেয়ে সাশ্রয়ী? বিকাশমান বা ক্রমবর্ধমান ক্রেতাবাজারের জন্য ঠিক এই মানদণ্ডটি প্রয়োজন। বাণিজ্য কূটনীতি হয়তো সুযোগের দ্বার খুলতে পারে, তবে একটি প্রতিযোগিতামূলক অটোমোবাইল বাজারে কোন গাড়িগুলো রাস্তায় চলবে তা কূটনীতিকরা নয়; বরং চূড়ান্তভাবে ক্রেতারাই নির্ধারণ করবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন