ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ৫ কোর্স, দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ


বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ৫ কোর্স, দক্ষ জনবল তৈরির সুযোগ

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানি ভাষা এবং আইসিটি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পাঁচটি আন্তর্জাতিক মানের কোর্স চালু হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রাম (সিসিপ) এবং বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

চুক্তিটি মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড রুমে স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিসিপ-এর অতিরিক্ত সচিব ও নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন, যুগ্মসচিব ও উপ-নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক ড. মাইনুল হাসান, উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মো. মতিউর রহমান এবং উপসচিব ও সহকারী নির্বাহী প্রোগ্রাম পরিচালক মৌরীন করিম।

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মোল্যা, নির্বাহী পরিচালক মো. শামিম আহসান পারভেজ, পাবলিক হেলথ প্রোগ্রামের ভিজিটিং প্রফেসর ড. মো. মুনসুর আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল মো. খালেদ বিন ইউসুফ (অব.).

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-এর অর্থায়নে পরিচালিত এই কর্মসূচির আওতায় ক্লাউড কম্পিউটিং, ডেটা ইঞ্জিনিয়ারিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং এবং নেটওয়ার্ক প্রশাসনসহ জাপানি ভাষার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন সনদ অর্জনের সুযোগ পাবেন।

এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৮ সালের জুলাই পর্যন্ত চলবে। এতে মোট ১ হাজার ২০০ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রাজশাহী কেন্দ্র থেকে ৪৫০ জন এবং ঢাকার কেন্দ্র থেকে ৭৫০ জন প্রশিক্ষণ নেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. খাদেমুল ইসলাম মন্তব্য করেন, রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের আইসিটি গ্র্যাজুয়েটদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তুলনামূলকভাবে সীমিত। নতুন এই কর্মসূচির মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের গ্র্যাজুয়েটদের নিজ এলাকায় আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি হবে। শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে শিল্পখাতের একটি দূরত্ব রয়েছে। এই দূরত্ব কমিয়ে শিক্ষার্থীদের শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। একই সঙ্গে গ্র্যাজুয়েটদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তাদের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ও চাহিদাসম্পন্ন খাতে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের দক্ষতা অর্জনে সক্ষম হবে।

আরও পড়ুন: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ: রিজভী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে দুর্নীতির সুযোগ কমবে : অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে দুর্নীতির সুযোগ কমবে : অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী মন্তব্য করেছেন যে, ডিজিটাল লেনদেন বৃদ্ধি পেলে দুর্নীতির সুযোগ কমে যাবে।

তিনি মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, অর্থনীতিকে আরও স্বচ্ছ ও গতিশীল করার জন্য ডিজিটালাইজেশন এবং ক্যাশলেস লেনদেনের গুরুত্ব অপরিসীম। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ডিজিটালাইজেশনের গুরুত্ব অনেক বেশি। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারেও ডিজিটাল অর্থনীতির বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। নগদ লেনদেন কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেন বাড়ানো গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতির সুযোগ কমবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলা কিউআরকে কার্যকর ও গতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আন্তঃসংযোগ বা ইন্টারঅপারেবিলিটি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মধ্যে আন্তঃসংযোগ না থাকলে বাংলা কিউআরের পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার সম্ভব হবে না।

অর্থমন্ত্রী জানান, ডিজিটাল লেনদেনের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেনের একটি তথ্যভিত্তিক রেকর্ড তৈরি হবে। এর ফলে কর আদায় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ট্র্যাক করা সহজ হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণেও তা কাজে লাগানো যাবে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল সেবা বিস্তৃত হলে মানুষকে বারবার শারীরিকভাবে বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হবে না। বাসায় বসেই অনেক ধরনের সরকারি ও আর্থিক সেবা পাওয়া সম্ভব হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে যত বেশি সম্ভব ফিজিক্যাল কন্টাক্টের বাইরে নিয়ে আসতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অটোমেশন বৃদ্ধি পেলে ব্যবসা পরিচালনার খরচ বা কস্ট অব ডুয়িং বিজনেস কমবে। বন্দর থেকে বিমানবন্দর—অর্থনীতির প্রতিটি পর্যায়ে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অটোমেশন নিয়ে আসতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের ব্যবসা ও সেবাকে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, ক্যাশলেস অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা হলে লেনদেনের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং কর আদায়ের সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে অটোমেশন ও ডিজিটালাইজেশনের মাধ্যমে ব্যবসার খরচ কমিয়ে অর্থনীতিকে আরও দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা ও আওতা বাড়িয়েছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতা ও আওতা বাড়িয়েছে সরকার: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সংসদ ভবন, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : দেশের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অর্থ বণ্টনে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার ধারাবাহিক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

আজ জাতীয় সংসদে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালীর এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ সব তথ্য উপস্থাপন করেন।

মন্ত্রী জানান, প্রকৃত দুস্থদের নির্বাচনে চরম স্বচ্ছতা আনতে জাতীয় পরিচয়পত্রের কেন্দ্রীয় ডাটাবেজের সঙ্গে উপকারভোগীদের সার্বিক তথ্য যাচাই-বাছাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে করে কোনো অযোগ্য ব্যক্তি রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতার আওতায় আসার সুযোগ বন্ধ হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রথাগত ম্যানুয়াল পদ্ধতির অবসান ঘটিয়ে এখন অনলাইনে সরাসরি আবেদন গ্রহণ এবং ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে উন্মুক্ত যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষের তালিকা প্রস্তুত ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।

সরকারি অনুদান মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি প্রকৃত উপকারভোগীর হাতে পৌঁছে দিতে ‘জিটুপি’ (জিটুপি-গভমেন্ট টু পারসন) পদ্ধতি সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এর মাধ্যমে সরকারি অনুদান সরাসরি সুফলভোগীর নিজ ব্যাংক হিসাব কিংবা পছন্দসই মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে। ফলে ডিজিটাল বাংলাদেশ ব্যবস্থার সুবাদে মধ্যস্বত্বভোগীদের অবৈধ দৌরাত্ম্য ও কমিশন বাণিজ্য পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।’

সংসদে মন্ত্রী জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাজেট, ভাতার পরিমাণ এবং উপকারভোগী—তিনটিরই পরিধি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।

এ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতার মাসিক হার ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ৬১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৬২ লাখ করা হয়েছে।

একইভাবে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতার মাসিক হার ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা এবং উপকারভোগীর সংখ্যা ২৯ লাখ থেকে ৩০ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতার হারও বৃদ্ধি পেয়ে মাসিক ৯০০ টাকা থেকে ১ হাজার টাকায় দাঁড়িয়েছে; যেখানে উপকারভোগীর সংখ্যা ৩৪ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩৮ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তির হার ও পরিসর উভয়ই বাড়ানো হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রাথমিক স্তরে মাসিক ১ হাজার টাকা, মাধ্যমিক স্তরে ১ হাজার ১০০ টাকা, উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং উচ্চতর বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে ১ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপবৃত্তির সুফলভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৮১ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১ লাখে উন্নীত করা হয়েছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আরও জানান, ক্যান্সার, কিডনি রোগ, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইসিস, জটিল হৃদরোগ, লিউকেমিয়া ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত সংকটাপন্ন রোগীদের আর্থিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬৫ হাজার করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ কর্মসূচির আওতায় এককালীন জরুরি চিকিৎসা সহায়তার পরিমাণ রোগীপ্রতি ৫০ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা করা হয়েছে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বাত্মক প্রয়োগ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষম সম্প্রসারণ এবং উপকারভোগী নির্বাচনে নিবিড় তদারকির মাধ্যমে রাষ্ট্রের সকল সুবিধা সরাসরি প্রকৃত দুস্থ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এই ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপগঞ্জে মোবাইল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৭ পি.এম


রূপগঞ্জে মোবাইল চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে চোরাই মোবাইল ফোন চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছ থেকে ৫৪টি চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

‎

সোমবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে রূপগঞ্জ থানাধীন মিলের সামনে পাকা সড়কে একটি চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার খাড়াসার এলাকার মৃত ইদন মিয়ার ছেলে আরমান হোসেন (৩২) এবং ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু থানার গোবরাপাড়া এলাকার মৃত নূর ইসলামের ছেলে হৃদয় ইসলাম (৩১)।

‎

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছিল। এ সময় সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তিকে আটক করে তাদের তল্লাশি চালানো হলে ৫৪টি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চোরাই মোবাইল ফোন সংগ্রহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য প্রকাশ করেছে বলে পুলিশের দাবি। পুলিশের আরও তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিষয়ে সিডিএমে (ক্রিমিনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট) অনুসন্ধান করে পূর্বের মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। পুলিশ বলছে, তারা পেশাদার অপরাধী চক্রের সদস্য।

‎

এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইন প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাতৃমৃত্যু হ্রাস ও মাতৃ-নবজাতক টিটেনাস নির্মূলে বাংলাদেশকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিনন্দন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৫:২৮ পি.এম


মাতৃমৃত্যু হ্রাস ও মাতৃ-নবজাতক টিটেনাস নির্মূলে বাংলাদেশকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অভিনন্দন

ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অনুযায়ী নির্ধারিত ২০৩০ সালের সময়সীমার অনেক আগেই মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে অর্জন করায় বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

পূর্ব তিমুরের দিলিতে ৭ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটির ৭৯তম অধিবেশনে আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের হাতে এ অভিনন্দনপত্র তুলে দেন ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক ড. টেড্রোস আধানম ঘেব্রেয়েসাস।

অভিনন্দনপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশের এই অর্জন জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সরকারের দৃঢ় নেতৃত্ব, কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, সুসংগঠিত প্রজনন ও মাতৃস্বাস্থ্য কর্মসূচি এবং মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির ফলেই এই সাফল্য এসেছে। পাশাপাশি দক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীদের মাধ্যমে প্রসব ও মিডওয়াইফারি সেবা নিশ্চিত করা, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন অংশীদারের সহযোগিতা এতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ডব্লিউএইচও’র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কার্যালয় আরও জানায়, গত ১০ বছর ধরে মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের ধারা বজায় রাখার জন্যও বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে। জোরালো জাতীয় অঙ্গীকার, উচ্চমানের টিকাদান কর্মসূচি এবং দেশজুড়ে নিরাপদ প্রসবের চর্চা এই অর্জনে মূল অবদান রেখেছে।

অভিনন্দনপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, গত এক দশক ধরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মাতৃ ও নবজাতক টিটেনাস নির্মূলের সমন্বিত আঞ্চলিক প্রচেষ্টা ধরে রাখতে বাংলাদেশের এই সাফল্য বড় ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশ সরকার- বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এই অবদানকে স্বীকৃতি দিতে পেরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%