০৮:৫৯ এম
দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদ চলাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে আপত্তিকর স্লোগান দেওয়ার একটি ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ একজন তরুণীর বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
কিন্তু মোদি এ বিষয়ে কোনো ক্ষোভ প্রকাশ করেননি। বরং তিনি দেশবাসীকে সংযম ও ক্ষমা দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তরুণদের প্রতি রাগ না করে তাদের আপন করে নেওয়া এবং সঠিক পথ দেখানোর জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ করেছেন।
প্রদেশ ও কেন্দ্রীয় নীতি সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র ব্যানারে আয়োজিত একটি ছাত্র বিক্ষোভ চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে।
আরও পড়ুন: কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে পেলে কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন নেতানিয়াহু?
এই ঘটনায় জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত এবং মানহানির একাধিক ধারায় নয়ডার থানায় একটি জিরো এফআইআর নথিভুক্ত হয়েছে, যা পরে দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় স্থানান্তরিত করা হয়।
আইনি ব্যবস্থার পরে প্রধানমন্ত্রী এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, ‘যন্তর মন্তরে যা ঘটেছে তা দেশ দেখেছে। এমন ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে যা সভ্য সমাজে অগ্রহণযোগ্য। আমাকে ও আমার প্রয়াত মাকে গালি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গালিগালাজ বা প্রতিশোধে কোনো সমাধান হয় না।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘তরুণ বয়সে ভুল হওয়া স্বাভাবিক। তাদের আদালতে টেনে এনে আইনিভাবে হয়রানি করলে পরিস্থিতি পাল্টাবে না। তাদের পথ হারিয়ে গেছে, তাদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের কাজ। আমি তাদের ক্ষমা করতে চাই।’
অন্যদিকে, আয়োজক সংগঠন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, ব্যবহৃত ভাষা অনাকাঙ্ক্ষিত হতে পারে, তবে এজন্য দেওয়ানি বা ব্যক্তিগত মানহানির মামলা করা যেতে পারে। তবে সাধারণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক দমনপীড়ন অত্যন্ত নিন্দনীয়।
আরও পড়ুন: ‘নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি আস্থার অভাব’, বুথফেরত জরিপে মন্তব্য আইজেনকোটের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
