ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে


দুর্গাপূজায় ২০-২২ অক্টোবর ব্যাংক বন্ধ, ১৭ অক্টোবর খোলা থাকবে

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত টানা তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর শনিবার ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভিশন ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০, ২১ ও ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটি থাকবে। এই কারণে ওই তিন দিন দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে ১৭ অক্টোবর শনিবার ব্যাংকগুলো স্বাভাবিক সময়সূচি অনুযায়ী খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন: অক্টোবরের ২৬ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

এছাড়া সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা ও উপশাখাগুলো সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আগের নির্দেশনা বহাল থাকবে। তবে আগামী ২০ হতে ২২ অক্টোবর সরকারি ছুটির দিন এবং আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর (শুক্রবার ও শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এসব শাখা ও উপশাখায় আমদানি-রফতানি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সীমিত আকারে চালু রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ এম


যেসব এলাকায় আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না

জয়পুরহাটের বেশকিছু এলাকায় সোমবার জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না।

রবিবার (১১ অক্টোবর) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসির জয়পুরহাট বিক্রয় ও বিতরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১১ কেভি লাইনের নিকটবর্তী ঝুঁকিপূর্ণ গাছের ডালপালা কর্তন কাজের জন্য সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মোট ৮ ঘণ্টা নেসকো জয়পুরহাট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের আওতাধীন বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ থাকবে না—বিহারীপাড়া, মহিলা কলেজ, কাপড়পটি, মৌসুমী মার্কেট, ধানমণ্ডি, ইরাক নগর, কৃষি অফিস, গোরস্তান রোড, সুফিয়ান ঠিকাদার বাড়ী, শহিদ জিয়া কলেজ, পৌর কমিউনিটি সেন্টার, পাচুর রোড, শামশুল হাজীর ডিপ, পাগলির মোড়, এতিমখানা রোড, মাদারগঞ্জ, টুকুর মোড়, শুপাড়ি ডোবা, পারুলিয়া, বামনপুর চারমাথা, হেলকুন্ডা রোডসহ তৎসংলগ্ন এলাকা।

যদি নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রাহকদের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে নেসকো কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যালিক ফুটবল কী? জেনে নিন এর সব নিয়ম-কানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ এম


গ্যালিক ফুটবল কী? জেনে নিন এর সব নিয়ম-কানুন

গ্যালিক ফুটবল একটি অত্যন্ত জনপ্রিয়, দ্রুতগতির এবং শারীরিক শক্তির খেলা, যা আয়ারল্যান্ডের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সকার বা ফুটবল, রাগবি এবং বাস্কেটবলের একটি চমৎকার মিশ্রণ, যেখানে খেলোয়াড়েরা হাত এবং পা—দুইই ব্যবহার করে বলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন এবং গোল করতে পারেন।

গ্যালিক ফুটবলের অফিশিয়াল নিয়ম, স্কোরিং এবং খেলার পদ্ধতি নিম্নরূপ—

খেলার মাঠ, খেলোয়াড় এবং সময়

খেলার মাঠ : এই খেলা একটি বড় ঘাসের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়, যা সাধারণ ফুটবল মাঠের তুলনায় আকারে বড় (সাধারণত ১৩০-১৪৫ মিটার লম্বা এবং ৮০-৯০ মিটার চওড়া)। গোলপোস্টটি ইংরেজি ‘H’ (এইচ) বর্ণের মতো দেখতে, যা রাগবি পোস্ট এবং ফুটবল নেটের একটি সমন্বিত রূপ।

খেলোয়াড় : প্রতিটি দলে মাঠের ভেতর ১৫ জন খেলোয়াড় থাকে (১ জন গোলরক্ষক, ৬ জন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়, ২ জন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় এবং ৬ জন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়)।

সময় : একটি আদর্শ ম্যাচ ৭০ মিনিট স্থায়ী হয়, যা ৩৫ মিনিট করে দুটি অর্ধে বিভক্ত করা হয়।

বল নিয়ন্ত্রণ ও পাসিং

খেলোয়াড়েরা বল হাতে নিয়ে দৌড়াতে পারেন, তবে খেলাটিকে গতিশীল রাখার জন্য বল বহনের ক্ষেত্রে কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে।

৪ ধাপের নিয়ম : একজন খেলোয়াড় বল হাতে নিয়ে সর্বাধিক ৪ কদম বা ধাপ এগোতে পারেন।

বাউন্স : ৪ ধাপ যাওয়ার পর খেলোয়াড় বলটিকে মাটিতে ড্রপ বা বাউন্স খাইয়ে আবার হাতে লুফে নিতে পারেন। তবে একবার বল পাওয়ার পর কেবল একবারই বাউন্স করা যাবে।

সোলো বা টো-ট্যাপ: বাউন্স করার পর যদি খেলোয়াড় আরো সামনে এগোতে চান, তাহলে তাকে ‘সোলো’ করতে হবে। সোলো হলো বলটি হাত থেকে নিজের পায়ে ফেলে কিক করে আবার হাতে লুফে নেওয়া।

গতিপথের নিয়ম: একজন খেলোয়াড় যতবার খুশি সোলো করতে পারেন এবং ইচ্ছে হলে একটি সোলো ও একটি বাউন্স পর্যায়ক্রমে মিলিয়ে করতে পারেন (যেমন: ৪ ধাপ ➔ বাউন্স ➔ ৪ ধাপ ➔ সোলো ➔ ৪ ধাপ ➔ সোলো...)। তবে পর পর দুইবার বল বাউন্স করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পাস দেওয়া: এই খেলায় বল ছুড়ে (থ্রো করে) পাস দেওয়া যায় না। পাস দেওয়ার জন্য হাতের খোলা তালু বা মুষ্টি দিয়ে বল আঘাত করতে হয় (যাকে হ্যান্ড পাস বলে) অথবা পায়ে কিক করে পাস দিতে হয়।

স্কোর বা পয়েন্ট পদ্ধতি

‘H’ আকৃতির গোলপোস্টের কোন অংশ দিয়ে বল পার হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে পয়েন্ট দেওয়া হয়।

ক্রসবারের ওপর দিয়ে (১ পয়েন্ট): বলটিকে কিক করে বা হ্যান্ড পাস দিয়ে পোস্টের মাঝখান দিয়ে এবং ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠালে দল ১ পয়েন্ট পায়। এটি হলে আম্পায়ার একটি সাদা পতাকা তোলেন।

ক্রসবারের নিচ দিয়ে বা জালে (৩ পয়েন্ট): বলটিকে কিক করে ক্রসবারের নিচ দিয়ে জালের ভেতর পাঠালে তাকে গোল বলা হয়। একটি গোলের মান ৩ পয়েন্ট। এটি হলে আম্পায়ার একটি সবুজ পতাকা তোলেন। (মনে রাখবেন: অন্য কোনো খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বাতাসে ভেসে আসা বল ছাড়া, সরাসরি হাত দিয়ে বল নেটের ভেতর ঠেলে গোল দেওয়া যায় না)।

স্কোর লেখার নিয়ম

খেলার স্কোর সাধারণত [গোল]-[পয়েন্ট] এভাবে লেখা হয়। মোট পয়েন্ট হিসাব করতে গোল সংখ্যাকে ৩ দিয়ে গুণ করে তার সঙ্গে পয়েন্ট সংখ্যা যোগ করতে হয়।

উদাহরণ: কোনো দলের স্কোর যদি ২-১২ হয়, তার মানে তারা ২টি গোল (৬ পয়েন্ট) এবং ১২টি একক পয়েন্ট পেয়েছে, অর্থাৎ তাদের মোট পয়েন্ট ১৮।

ট্যাকলিং এবং ফাউল

গ্যালিক ফুটবল একটি শারীরিক সংস্পর্শের (কন্টাক্ট) খেলা হলেও এতে ধাক্কাধাক্কির কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।

বৈধ ট্যাকল: একজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে পাশ থেকে কাঁধ দিয়ে ধাক্কা (শোল্ডার চার্জ) দিয়ে তার ভারসাম্যের ব্যত্যয় ঘটাতে পারেন। এছাড়া এক হাত দিয়ে আঘাত করে প্রতিপক্ষের হাত থেকে বল কেড়ে নেওয়া বৈধ।

অবৈধ ট্যাকল: পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া, ল্যাং মারা, টেনে ধরা, জার্সি ধরে টানা বা পেছন থেকে ট্যাকল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়াও ফাউল হিসেবে গণ্য হয়।

কৌশলগত ফাউল: পর পর দুইবার বল মাটিতে বাউন্স করা, মাটি থেকে সরাসরি হাত দিয়ে বল তুলে নেওয়া (মাটি থেকে বল তুলতে হলে পা দিয়ে ফ্লিক করে বা কিক করে হাতে তুলতে হয়) এবং ‘স্কয়ার বল’ (বল পৌঁছানোর আগেই আক্রমণভাগের কোনো খেলোয়াড় গোলপোস্টের ছোট বক্সে প্রবেশ করা)।

শাস্তি ও কার্ডের ব্যবহার

কোনো ফাউল হলে প্রতিপক্ষ দল সেই নির্দিষ্ট স্থান থেকে একটি ফ্রি কিক পায়।

কার্ডের নিয়ম: রেফারি ম্যাচে তিন ধরনের কার্ড ব্যবহার করেন:

হলুদ কার্ড : বারবার বা মারাত্মক ফাউল করার জন্য সতর্কবার্তা।

কালো কার্ড : ইচ্ছাকৃত বা ক্ষতিকর ফাউলের জন্য খেলোয়াড়কে ১০ মিনিটের জন্য সাময়িকভাবে মাঠের বাইরে (সিন বিন) পাঠানো।

লাল কার্ড : ম্যাচ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার। এই ক্ষেত্রে ওই খেলোয়াড়ের পরিবর্তে অন্য কোনো খেলোয়াড় মাঠে নামানো যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ, আহত ২৪ চিকিৎসাধীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ, আহত ২৪ চিকিৎসাধীন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন বগুড়ার মো. শাহেদ আহম্মদ এবং অন্যজন হলেন কুমিল্লার মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৪ বাংলাদেশি, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের চিকিৎসা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চলছে।

এ তথ্য পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে। নিহত শাহেদ আহম্মদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তার বাবা মো. রফিকুল ইসলাম এবং মা শাহেরা বেগম। তিনি সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছুটি কাটিয়ে দেশে থেকে রিয়াদ হয়ে কর্মস্থলে ফেরার পথে হামলার শিকার হন তিনি।

অন্যদিকে, নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদপুর গ্রামে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ এবং মা জাহানারা বেগম। তিনি ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, আহত ২৪ বাংলাদেশির মধ্যে ১১ জন সৌদি আরবে কর্মরত এবং ১৩ জন ওমরাহ ভিসায় দেশটিতে গিয়েছিলেন। দূতাবাস আহতদের চিকিৎসা ও পরিচয় নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

কিং আবদুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশি হলেন হাফেজ হাসান, কাজী নুরুল্লাহ এবং মো. ওমর ফারুক। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। হাফেজ হাসানের বাড়ি ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে এবং কাজী নুরুল্লাহর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার ঘাটুরা গ্রামে। ওমর ফারুক সৌদি আরবে কর্মরত।

রিয়াদ ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাফফাত রহমান ও মো. দাউদুল ইসলাম। তাদের মধ্যে সাফফাত অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। দুজনই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

এছাড়া, রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতালে মো. সাইদুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন, প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে মো. আবদুল্লাহ এবং সুলাইমান আল হাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় আরমান হোসেন, মোহাম্মদ ও ফয়সাল আহমদ আবদুল হক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কিংডম হাসপাতালে মো. রফিক মিয়া, কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটিতে ইসমাইল হোসেন, মো. মিসবাহ উদ্দীন হীরা ও মো. রায়হানুল ইসলাম চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়া প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ হাসপাতালে পাঁচজন, এস্টার সনদ হাসপাতালে দুজন, সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে একজন এবং সুলাইমান আল হাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় দুজন বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হামলার পর ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ওমরাহযাত্রী ও সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিরাও ছিলেন।

দূতাবাসের উদ্যোগে আটকে পড়া যাত্রীদের আবাসন, খাবার ও বিকল্প যাত্রার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালে থাকা প্রায় ১০০ যাত্রীর জন্য হোটেল ও আবাসিক হলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইহরামের পোশাক পরা ৬৭ জন ওমরাহযাত্রীকে বিশেষ বাসে জেদ্দায় পাঠানো হয়েছে।

রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া এসভি৮০৪ ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজমীন হত্যা মামলায় হোটেলকর্মী রাজু গ্রেপ্তার, মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ এম


তাজমীন হত্যা মামলায় হোটেলকর্মী রাজু গ্রেপ্তার, মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কুমিল্লায় জান্নাতুল তাজমীন হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে হোটেল কর্মচারী রিয়াজ উদ্দিন, যিনি রাজু নামে পরিচিত, তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই যুবক প্রাথমিকভাবে পুলিশকে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে কলাতলীর বিকাশ বিল্ডিং এলাকা থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

রাজু বান্দরবানের লামা উপজেলার বাসিন্দা এবং কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেটির নাম ও পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, "এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।" কুমিল্লা থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আসলে তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অন্যথায়, কক্সবাজারে আদালত থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে পাঠানো হবে। পরে কুমিল্লার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অহিদুর রহমান আরও জানান, রাজুকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তিনি বলেন, "মূল ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজু বেশ কিছু তথ্য দিয়েছে যা তদন্তকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি সব তথ্য বিস্তারিতভাবে জানাতে চাননি।

এর আগে, ৪ অক্টোবর থেকে তাজমীন নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের চার দিন পর গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে কুমিল্লার জগতপুর গ্রামের কাছিকাটা মসজিদসংলগ্ন কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ফসলি জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তাজমীনের বাবা আবদুল হালিম দাবি করেছেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পরও তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তখন তাজমীন জানিয়েছিল যে সে বান্ধবীর বাসায় রয়েছে। পরে দুপুরের দিকে তিনি মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। এ ঘটনায় মূল আসামি হিসেবে সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। পরে সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%