ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গ্যালিক ফুটবল কী? জেনে নিন এর সব নিয়ম-কানুন


গ্যালিক ফুটবল কী? জেনে নিন এর সব নিয়ম-কানুন

গ্যালিক ফুটবল একটি অত্যন্ত জনপ্রিয়, দ্রুতগতির এবং শারীরিক শক্তির খেলা, যা আয়ারল্যান্ডের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সকার বা ফুটবল, রাগবি এবং বাস্কেটবলের একটি চমৎকার মিশ্রণ, যেখানে খেলোয়াড়েরা হাত এবং পা—দুইই ব্যবহার করে বলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন এবং গোল করতে পারেন।

গ্যালিক ফুটবলের অফিশিয়াল নিয়ম, স্কোরিং এবং খেলার পদ্ধতি নিম্নরূপ—

খেলার মাঠ, খেলোয়াড় এবং সময়

আরও পড়ুন: ভিনিসিয়ুসের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মোরিনিওর বিস্ফোরক মন্তব্য: ‘চুপ থাকো’

খেলার মাঠ : এই খেলা একটি বড় ঘাসের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়, যা সাধারণ ফুটবল মাঠের তুলনায় আকারে বড় (সাধারণত ১৩০-১৪৫ মিটার লম্বা এবং ৮০-৯০ মিটার চওড়া)। গোলপোস্টটি ইংরেজি ‘H’ (এইচ) বর্ণের মতো দেখতে, যা রাগবি পোস্ট এবং ফুটবল নেটের একটি সমন্বিত রূপ।

খেলোয়াড় : প্রতিটি দলে মাঠের ভেতর ১৫ জন খেলোয়াড় থাকে (১ জন গোলরক্ষক, ৬ জন রক্ষণভাগের খেলোয়াড়, ২ জন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় এবং ৬ জন আক্রমণভাগের খেলোয়াড়)।

সময় : একটি আদর্শ ম্যাচ ৭০ মিনিট স্থায়ী হয়, যা ৩৫ মিনিট করে দুটি অর্ধে বিভক্ত করা হয়।

বল নিয়ন্ত্রণ ও পাসিং

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ হ্যান্ডবল দলের কোচের আইফোন ও ক্রেডিট কার্ড চুরি, উদ্বেগের সৃষ্টি

খেলোয়াড়েরা বল হাতে নিয়ে দৌড়াতে পারেন, তবে খেলাটিকে গতিশীল রাখার জন্য বল বহনের ক্ষেত্রে কিছু কঠোর নিয়ম রয়েছে।

৪ ধাপের নিয়ম : একজন খেলোয়াড় বল হাতে নিয়ে সর্বাধিক ৪ কদম বা ধাপ এগোতে পারেন।

বাউন্স : ৪ ধাপ যাওয়ার পর খেলোয়াড় বলটিকে মাটিতে ড্রপ বা বাউন্স খাইয়ে আবার হাতে লুফে নিতে পারেন। তবে একবার বল পাওয়ার পর কেবল একবারই বাউন্স করা যাবে।

সোলো বা টো-ট্যাপ: বাউন্স করার পর যদি খেলোয়াড় আরো সামনে এগোতে চান, তাহলে তাকে ‘সোলো’ করতে হবে। সোলো হলো বলটি হাত থেকে নিজের পায়ে ফেলে কিক করে আবার হাতে লুফে নেওয়া।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েরা যবিপ্রবির খেলোয়াড়দের পেটালেন

গতিপথের নিয়ম: একজন খেলোয়াড় যতবার খুশি সোলো করতে পারেন এবং ইচ্ছে হলে একটি সোলো ও একটি বাউন্স পর্যায়ক্রমে মিলিয়ে করতে পারেন (যেমন: ৪ ধাপ ➔ বাউন্স ➔ ৪ ধাপ ➔ সোলো ➔ ৪ ধাপ ➔ সোলো...)। তবে পর পর দুইবার বল বাউন্স করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

পাস দেওয়া: এই খেলায় বল ছুড়ে (থ্রো করে) পাস দেওয়া যায় না। পাস দেওয়ার জন্য হাতের খোলা তালু বা মুষ্টি দিয়ে বল আঘাত করতে হয় (যাকে হ্যান্ড পাস বলে) অথবা পায়ে কিক করে পাস দিতে হয়।

স্কোর বা পয়েন্ট পদ্ধতি

‘H’ আকৃতির গোলপোস্টের কোন অংশ দিয়ে বল পার হচ্ছে, তার ওপর ভিত্তি করে পয়েন্ট দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ৪২ বছর বয়সে মারা গেলেন বিসিবির কোচ মোসাদ্দেক হোসেন ছোটন

ক্রসবারের ওপর দিয়ে (১ পয়েন্ট): বলটিকে কিক করে বা হ্যান্ড পাস দিয়ে পোস্টের মাঝখান দিয়ে এবং ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠালে দল ১ পয়েন্ট পায়। এটি হলে আম্পায়ার একটি সাদা পতাকা তোলেন।

ক্রসবারের নিচ দিয়ে বা জালে (৩ পয়েন্ট): বলটিকে কিক করে ক্রসবারের নিচ দিয়ে জালের ভেতর পাঠালে তাকে গোল বলা হয়। একটি গোলের মান ৩ পয়েন্ট। এটি হলে আম্পায়ার একটি সবুজ পতাকা তোলেন। (মনে রাখবেন: অন্য কোনো খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বাতাসে ভেসে আসা বল ছাড়া, সরাসরি হাত দিয়ে বল নেটের ভেতর ঠেলে গোল দেওয়া যায় না)।

স্কোর লেখার নিয়ম

খেলার স্কোর সাধারণত [গোল]-[পয়েন্ট] এভাবে লেখা হয়। মোট পয়েন্ট হিসাব করতে গোল সংখ্যাকে ৩ দিয়ে গুণ করে তার সঙ্গে পয়েন্ট সংখ্যা যোগ করতে হয়।

আরও পড়ুন: কেন সমর্থকদের কলার বেলুন নিয়ে মাঠে আসতে বললেন ম্যানসিটি কোচ এনজো মারেসকা

উদাহরণ: কোনো দলের স্কোর যদি ২-১২ হয়, তার মানে তারা ২টি গোল (৬ পয়েন্ট) এবং ১২টি একক পয়েন্ট পেয়েছে, অর্থাৎ তাদের মোট পয়েন্ট ১৮।

ট্যাকলিং এবং ফাউল

গ্যালিক ফুটবল একটি শারীরিক সংস্পর্শের (কন্টাক্ট) খেলা হলেও এতে ধাক্কাধাক্কির কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে।

বৈধ ট্যাকল: একজন খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে পাশ থেকে কাঁধ দিয়ে ধাক্কা (শোল্ডার চার্জ) দিয়ে তার ভারসাম্যের ব্যত্যয় ঘটাতে পারেন। এছাড়া এক হাত দিয়ে আঘাত করে প্রতিপক্ষের হাত থেকে বল কেড়ে নেওয়া বৈধ।

আরও পড়ুন: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পরাজয়ের পর পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তি আটকে গেল

অবৈধ ট্যাকল: পেছন থেকে ধাক্কা দেওয়া, ল্যাং মারা, টেনে ধরা, জার্সি ধরে টানা বা পেছন থেকে ট্যাকল করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। দুই হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে প্রতিপক্ষের কাছ থেকে বল কেড়ে নেওয়াও ফাউল হিসেবে গণ্য হয়।

কৌশলগত ফাউল: পর পর দুইবার বল মাটিতে বাউন্স করা, মাটি থেকে সরাসরি হাত দিয়ে বল তুলে নেওয়া (মাটি থেকে বল তুলতে হলে পা দিয়ে ফ্লিক করে বা কিক করে হাতে তুলতে হয়) এবং ‘স্কয়ার বল’ (বল পৌঁছানোর আগেই আক্রমণভাগের কোনো খেলোয়াড় গোলপোস্টের ছোট বক্সে প্রবেশ করা)।

শাস্তি ও কার্ডের ব্যবহার

কোনো ফাউল হলে প্রতিপক্ষ দল সেই নির্দিষ্ট স্থান থেকে একটি ফ্রি কিক পায়।

কার্ডের নিয়ম: রেফারি ম্যাচে তিন ধরনের কার্ড ব্যবহার করেন:

হলুদ কার্ড : বারবার বা মারাত্মক ফাউল করার জন্য সতর্কবার্তা।

কালো কার্ড : ইচ্ছাকৃত বা ক্ষতিকর ফাউলের জন্য খেলোয়াড়কে ১০ মিনিটের জন্য সাময়িকভাবে মাঠের বাইরে (সিন বিন) পাঠানো।

লাল কার্ড : ম্যাচ থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার। এই ক্ষেত্রে ওই খেলোয়াড়ের পরিবর্তে অন্য কোনো খেলোয়াড় মাঠে নামানো যায় না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ, আহত ২৪ চিকিৎসাধীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ, আহত ২৪ চিকিৎসাধীন

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজন হচ্ছেন বগুড়ার মো. শাহেদ আহম্মদ এবং অন্যজন হলেন কুমিল্লার মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৪ বাংলাদেশি, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। আহতদের চিকিৎসা রিয়াদের বিভিন্ন হাসপাতালে চলছে।

এ তথ্য পররাষ্ট্র ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে। নিহত শাহেদ আহম্মদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তার বাবা মো. রফিকুল ইসলাম এবং মা শাহেরা বেগম। তিনি সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ছুটি কাটিয়ে দেশে থেকে রিয়াদ হয়ে কর্মস্থলে ফেরার পথে হামলার শিকার হন তিনি।

অন্যদিকে, নিহত নাসরুল্লাহ বদরপুরির বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদপুর গ্রামে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ উল্লাহ এবং মা জাহানারা বেগম। তিনি ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন এবং রিয়াদ থেকে জেদ্দায় যাওয়ার জন্য বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিলেন।

রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, আহত ২৪ বাংলাদেশির মধ্যে ১১ জন সৌদি আরবে কর্মরত এবং ১৩ জন ওমরাহ ভিসায় দেশটিতে গিয়েছিলেন। দূতাবাস আহতদের চিকিৎসা ও পরিচয় নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে।

কিং আবদুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশি হলেন হাফেজ হাসান, কাজী নুরুল্লাহ এবং মো. ওমর ফারুক। তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে। হাফেজ হাসানের বাড়ি ঢাকার কামরাঙ্গীরচরে এবং কাজী নুরুল্লাহর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার ঘাটুরা গ্রামে। ওমর ফারুক সৌদি আরবে কর্মরত।

রিয়াদ ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাফফাত রহমান ও মো. দাউদুল ইসলাম। তাদের মধ্যে সাফফাত অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। দুজনই ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।

এছাড়া, রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতালে মো. সাইদুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন, প্রিন্স সুলতান মিলিটারি হাসপাতালে মো. আবদুল্লাহ এবং সুলাইমান আল হাবিব হাসপাতালের তাখাসসুসি শাখায় আরমান হোসেন, মোহাম্মদ ও ফয়সাল আহমদ আবদুল হক চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কিংডম হাসপাতালে মো. রফিক মিয়া, কিং ফাহাদ মেডিকেল সিটিতে ইসমাইল হোসেন, মো. মিসবাহ উদ্দীন হীরা ও মো. রায়হানুল ইসলাম চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ ছাড়া প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ হাসপাতালে পাঁচজন, এস্টার সনদ হাসপাতালে দুজন, সুলাইমান ফকিহ হাসপাতালে একজন এবং সুলাইমান আল হাবিব হাসপাতালের আলসাহাফা শাখায় দুজন বাংলাদেশি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

হামলার পর ফ্লাইট চলাচল ব্যাহত হওয়ায় রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি যাত্রী আটকা পড়েছেন। তাঁদের মধ্যে ওমরাহযাত্রী ও সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিরাও ছিলেন।

দূতাবাসের উদ্যোগে আটকে পড়া যাত্রীদের আবাসন, খাবার ও বিকল্প যাত্রার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালে থাকা প্রায় ১০০ যাত্রীর জন্য হোটেল ও আবাসিক হলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া ইহরামের পোশাক পরা ৬৭ জন ওমরাহযাত্রীকে বিশেষ বাসে জেদ্দায় পাঠানো হয়েছে।

রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী সৌদিয়া এয়ারলাইনসের বাতিল হওয়া এসভি৮০৪ ফ্লাইটের প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি যাত্রীকে দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তাজমীন হত্যা মামলায় হোটেলকর্মী রাজু গ্রেপ্তার, মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১০ এম


তাজমীন হত্যা মামলায় হোটেলকর্মী রাজু গ্রেপ্তার, মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

কুমিল্লায় জান্নাতুল তাজমীন হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে কক্সবাজারের কলাতলী এলাকা থেকে হোটেল কর্মচারী রিয়াজ উদ্দিন, যিনি রাজু নামে পরিচিত, তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই যুবক প্রাথমিকভাবে পুলিশকে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) রাতে কলাতলীর বিকাশ বিল্ডিং এলাকা থেকে কক্সবাজার সদর মডেল থানার পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

রাজু বান্দরবানের লামা উপজেলার বাসিন্দা এবং কলাতলীর একটি আবাসিক হোটেলে কর্মরত ছিলেন। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অহিদুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেটির নাম ও পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি বলেন, "এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তার সংশ্লিষ্টতা যাচাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।" কুমিল্লা থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আসলে তাকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অন্যথায়, কক্সবাজারে আদালত থাকায় আইনানুগ প্রক্রিয়ায় তাকে আদালতে পাঠানো হবে। পরে কুমিল্লার তদন্তকারী কর্মকর্তারা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অহিদুর রহমান আরও জানান, রাজুকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তিনি বলেন, "মূল ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।" প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজু বেশ কিছু তথ্য দিয়েছে যা তদন্তকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে। তবে তদন্তের স্বার্থে তিনি সব তথ্য বিস্তারিতভাবে জানাতে চাননি।

এর আগে, ৪ অক্টোবর থেকে তাজমীন নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের চার দিন পর গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৬টার দিকে কুমিল্লার জগতপুর গ্রামের কাছিকাটা মসজিদসংলগ্ন কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক সড়কের পাশে একটি ফসলি জমি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

তাজমীনের বাবা আবদুল হালিম দাবি করেছেন, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পরও তার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হয়েছে। তখন তাজমীন জানিয়েছিল যে সে বান্ধবীর বাসায় রয়েছে। পরে দুপুরের দিকে তিনি মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের খবর পান। এ ঘটনায় মূল আসামি হিসেবে সুমনকে চট্টগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ। পরে সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ কোথায় কী? (১২ অক্টোবর ২০২৬)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১১ এম


আজ কোথায় কী? (১২ অক্টোবর ২০২৬)

দেশে প্রতিদিন বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করে সরকারের বিভিন্ন দফতর, রাজনৈতিক দল, সংস্থা ও সংগঠন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কর্মসূচিগুলোর মধ্যে বিস্তারিত জানার সুযোগ রয়েছে, দিনের শুরুতেই।

নিত্যপণ্য ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে ক্যাবের মানববন্ধন

সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে নিত্যপণ্য, ওষুধ, এলপিজি সিলিন্ডার এবং জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা আয়োজন করবে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

এ সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ক্যাবের সভাপতি এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবীর ভূঁইয়া। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত থাকবেন।

এলপিজির বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের উদ্যোগে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে দেশে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি, ব্যবসায়ীদের হয়রানি বন্ধ এবং সংগঠনটির বিভিন্ন দাবি তুলে ধরার জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংগঠনটির সভাপতি মো. সেলিম খান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এলপিজি ব্যবসায়ীরাও এতে অংশগ্রহণ করবেন।

দেশব্যাপী ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন

দুপুর ২টায় রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ের তৃতীয় তলার সম্মেলনকক্ষে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেশব্যাপী পরিবারগুলোর তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১২ অক্টোবর থেকে সারাদেশে একযোগে খানা বা পরিবারের তথ্য সংগ্রহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

ঢাকা-১৫ আসনে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন

দুপুর পৌনে ৩টায় রাজধানীর মিরপুর-১৩-এর ৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে ঢাকা-১৫ আসনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাগুরায় ১৬০ পূজামণ্ডপে ৯৬ হাজার কেজি চাল বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ এম


মাগুরায় ১৬০ পূজামণ্ডপে ৯৬ হাজার কেজি চাল বিতরণ

মাগুরার শালিখা উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬০টি পূজামণ্ডপের জন্য চালের ডিও লেটার বিতরণ করা হয়েছে। মোট ৯৬ হাজার কেজি চাল বরাদ্দ করা হয়েছে, যেখানে প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য ৬০০ কেজি করে চাল নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই উপলক্ষে রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে (জিআর) চাল বিতরণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তানভীর হাসান চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম সাব্বির হাসান, শালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব মুন্সি মনিরুজ্জামান চকলেট, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. লাল্টু মিয়া, উপজেলা পূজা ফ্রন্টের আহ্বায়ক গোবিন্দ বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক সুমন বিশ্বাস, এবং প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শহীদুজ্জামান চাঁদ।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা প্রতিটি পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে ৬০০ কেজি চালের ডিও লেটার তুলে দেন। এ বছর শালিখা উপজেলায় মোট ১৬০টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। গত বছরের তুলনায় এবার প্রতিটি পূজামণ্ডপে ১০০ কেজি বেশি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, ফলে চালের বরাদ্দ বেড়ে ৬০০ কেজিতে দাঁড়িয়েছে।

চালের ডিও লেটার পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ ও পূজামণ্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দ। তারা জানান, "গত বছরের তুলনায় এবার ১০০ কেজি বেশি চাল পেয়ে আমরা আনন্দিত। পূজামণ্ডপগুলোতে এবার ব্যাপক খরচ রয়েছে। সরকারের এই সহযোগিতা আমাদের অনেক উপকারে আসবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%