বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:৩৩ এম
নাপিতের দোকানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে সিরিয়াল নেওয়ার ঝামেলা ভালো লাগত না। তাই প্রায় ১৭ বছর আগে নিজেই নিজের চুল কাটার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম। সেই সিদ্ধান্তই এখন তার দীর্ঘদিনের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি নিজের চুল নিজেই কাটার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়। জানা গেছে, প্রায় ১৭ বছর ধরে চুল কাটাতে নাপিতের কাছে যান না মুজাহিদুল। আয়না সামনে রেখে নিজের প্রয়োজন ও পছন্দ অনুযায়ী নিজেই চুল কেটে নেন।
মুজাহিদুল ইসলাম বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেছেন। বর্তমানে তিনি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের ভবানীপুর ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় প্রভাষক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
মুজাহিদুলের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় ১৭ বছর আগে তিনি হাফেজি মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন। তখন সপ্তাহে শুক্রবারই ছিল ছুটির দিন। ওই দিন চুল কাটানোর জন্য স্থানীয় এক নাপিতের দোকানে গিয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও সিরিয়াল পাননি। পরের সপ্তাহেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার পর নিজের চুল নিজেই কাটার বিষয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি।
তিনি বলেন, নাপিত কীভাবে কাঁচি ও চিরুনি ব্যবহার করেন, সেটা সেদিন খুব খেয়াল করেছিলাম। পরে বাজার থেকে একটি কাঁচি ও চিরুনি কিনে বাড়িতে গিয়ে আয়নার সামনে নিজে নিজে চেষ্টা শুরু করি। প্রথম দিকে অবশ্য ঠিকমতো পারতাম না।
শুধু নিজের চুল কাটার মধ্যেই থেমে থাকেননি তিনি। ধীরে ধীরে অন্যদের চুল কাটারও অনুশীলন শুরু করেন। একপর্যায়ে মাদরাসার সহপাঠী ও ছোটদের চুল কেটে দিতে দিতে দক্ষতা অর্জন করেন।
মুজাহিদুল বলেন, শুরুতে একজন ছোট ভাইয়ের চুল কাটতে গিয়ে বিপদে পড়েছিলাম। চুল ঠিকমতো কাটতে না পারায় সে আয়না দেখে কান্না শুরু করে দেয়। পরে ধীরে ধীরে অন্যদের চুল কাটতে কাটতেই অভিজ্ঞতা হয়ে যায়।
পরবর্তীতে তার চুল কাটার দক্ষতা দেখে একজন শিক্ষক তাকে পারিশ্রমিক নিয়ে চুল কাটার পরামর্শ দেন। এরপর তিনি সহপাঠীদের চুল কেটে তিন টাকা করে নেওয়া শুরু করেন। পরে চাহিদা বাড়লে পাঁচ ও সাত টাকা করে নিতেন। সেই টাকা দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে নাশতা করতেন বলে জানান তিনি।
একসময় অন্যদের চুল কাটার পাশাপাশি নিজের চুলও নিজে কাটার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমদিকে কিছুটা সমস্যা হলেও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে দক্ষ হয়ে ওঠেন। বর্তমানে আয়নার সাহায্য ছাড়াও নিজের চুল কাটতে পারেন বলে জানান তিনি।
মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রথম দিকে নিজের চুল কাটতে গিয়ে অনেক ভুল হয়েছে। কিন্তু ধীরে ধীরে আন্দাজ করে করে কাটার অভ্যাস হয়ে যায়। এখন নিজের চুল কাটতে আমার খুব বেশি সময় লাগে না।
তার সহপাঠী কারিমুল ইসলাম বলেন, মুজাহিদুল ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে আগ্রহী ছিল। আমরা একসঙ্গে পড়ার সময়ও সে অনেকের চুল কেটে দিত। তখন থেকেই চুল কাটার প্রতি তার আগ্রহ ও দক্ষতা ছিল। পরে সে নিজের চুল নিজেই কাটতে শুরু করে। এখন আয়না ছাড়াই নিজের চুল কাটতে পারে—বিষয়টি সত্যিই ব্যতিক্রমী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হতাশার আঁধারে একটু আলোর রেখা পেলেন জেক ওয়েদারাল্ড। বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে ব্যর্থ হয়ে যারা অস্ট্রেলিয়ার দল থেকে বাদ পড়েন, তাদের মধ্যে অন্যতম এই ওপেনার ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে চুক্তিবদ্ধ হলেন।
আগামী বছর অ্যাশেজের আগে তিনি ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে খেলবেন।
গত অ্যশেজ সিরিজের মাধ্যমে টেস্ট আঙিনায় পা রাখেন ওয়েদারাল্ড। প্রায় ১০ বছর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলার পর টেস্টের মঞ্চে এসে নিজের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। সিরিজে ১০ ইনিংসে স্রেফ একটি ফিফটির দেখা পান এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
তবুও, নতুন মৌসুমের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা ওয়েদারাল্ডের ওপর আস্থা রেখেছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের বিপক্ষে ডারউইন টেস্টে ২৩ ও ০ রানে আউট হওয়ার পর তাকে বাদ দেওয়া হয় ম্যাকাই টেস্টের স্কোয়াড থেকে।
সহসাই ওয়েদারাল্ডের অস্ট্রেলিয়া দলে ফেরাটা কঠিন হতে পারে। তবে আগামী বছর ইংল্যান্ডে অ্যাশেজের দলে থাকার দাবি জানানোর মঞ্চ তিনি পেয়ে গেলেন এই কাউন্টির চুক্তির মাধ্যমে।
চলতি কাউন্টি চ্যম্পিয়নশিপের শুরুতে লেস্টারশায়ারের হয়ে ওয়েদারাল্ড খেলেছিলেন। সেখানে ৯ ইনিংসে তিনি ৬০.৩৭ গড়ে ৪৩৭ রান করেছেন।
পরবর্তীতে মৌসুমে খেলা নিশ্চিত করতে পেরে ৩১ বছর বয়সী ওয়েদারাল্ড বেশ উচ্ছ্বসিত। তিনি জানান, ‘২০২৭ মৌসুমের জন্য ওয়ারউইকশায়ারের অংশ হতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত। বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম সেরা একটি মাঠ এজবাস্টন (ওয়ারউইকশায়ারের মাঠ) এবং এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ কাউন্টি দলের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে পারতাম না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোটগ্রহণ পরিচালিত হবে জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে, দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের।
তবে মির্জা আব্বাস, যিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য, অসুস্থতাজনিত কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারছেন না। চিকিৎসার জন্য বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে থাকায় নির্বাচনে অংশ নিতে অক্ষম।
মির্জা আব্বাস ভোট দিতে না পারার বিষয়টি জানিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে একটি চিঠি দিয়েছেন। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় এবারে ভোটার হিসেবে আছেন ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। কিন্তু মির্জা আব্বাস বিদেশে থাকায় কার্যত ভোটার সংখ্যা আরও একজন কমে যাচ্ছে।
দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো জনপ্রিয়ভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী, অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সংসদ সদস্যরা দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ের বংশী নদীতে নোঙর করা একটি বালু তোলার ড্রেজারে দুর্দান্ত ডাকাতির ঘটনার অভিযোগে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে, সাথে সঙ্গী হিসেবে ছিল মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ১টি দেশীয় পাইপগানসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই থানায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ইশান এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে দুইটার দিকে ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকায় অবস্থিত এক ড্রেজারে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল ১২-১৩ জনের সমন্বয়ে হানা দেয়। ডাকাতরা রামদা, পিস্তল, বন্দুক ও কাটারসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ড্রেজারের ওপর উঠে পড়ে এবং সেখানে কর্মরত চারজন স্টাফকে মারধর করতে শুরু করে এবং অস্ত্রের মুখে তাদের জিম্মি করে। পরে ড্রেজার থেকে তারা দুটি ভারী ব্যাটারি, একটি ওয়েল্ডিং মেশিন, দুটি গ্রাইন্ডিং মেশিন, বৈদ্যুতিক তার, চারটি মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকাসহ মোট ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল লুট করে এবং ট্রলারযোগে নদীর উত্তর দিকে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় ড্রেজার মালিক মোস্তফা সাইদুজ্জামান বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন। মামলা সূত্রে প্রকাশ পায়, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল তদন্ত করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতদের অবস্থান শনাক্ত করা হয় এবং ঢাকা জেলা, গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে এই চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন— মো. মাহাতাব হোসেন (৫২), মো. কামাল হোসেন (৫০), জয়নাল আবেদীন (২৮), আবির হাসান ওরফে আপ্পা (২৪), আরকান ওরফে আলিফ ইসলাম ছোটন (২৪) এবং মনা খান ওরফে মনির (৪৫)। তারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসলেও ঢাকার আশপাশে ভাড়াটিয়া হিসেবে থেকে এই অপরাধ চক্রটি গড়ে তুলেছিলেন।
ধামরাই থানার পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বক্তাবলী এলাকার একটি শিপইয়ার্ডের কাছাকাছি আবাদি জমি ও ইটের স্তূপের পাশ থেকে মাটির নিচে প্লাস্টিকের বস্তা ও পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ১টি দেশীয় তৈরি পাইপগান, ১টি লোহার কাটার, ৪টি শাবল, ৩টি ক্র্যাকার, ৫টি ধারালো হাসুয়া, ১টি কাচে, ২টি দা এবং ১টি র্যাত রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পশ্চিম তীরে বড় ধরণের বসতি প্রকল্প বন্ধের দাবি জানিয়ে যুক্তরাজ্য ইসরাইলের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে। বুধবার ব্রিটেন এই পদক্ষেপটি নেয়, যখন ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ওই এলাকায় ১ হাজার ২০০টির বেশি বাড়ি নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে।
গত বছর অনুমোদিত ই১ প্রকল্পটির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক নিন্দা হয়েছে। সে সময় জাতিসংঘের মহাসচিব বলেছিলেন, প্রকল্পটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি ‘অস্তিত্বের হুমকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
লন্ডন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, প্রকল্পটি পূর্ব জেরুজালেমকে পশ্চিম তীর থেকে আরও বিচ্ছিন্ন করে দেবে। উল্লেখ্য, পূর্ব জেরুজালেম ইসরাইল দখল করে নিয়েছে এবং সেখানে প্রধানত ফিলিস্তিনিরা বসবাস করে।
ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড এই পদক্ষেপটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, এটি ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে হুমকির মুখে ফেলবে’।
মিলিব্যান্ড এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসরাইল সরকারকে অবিলম্বে ই১ প্রকল্প বন্ধ করতে হবে, দরপত্র প্রত্যাহার করতে হবে এবং সব ধরণের বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করতে হবে।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, তিনি ও ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সারকে সরাসরি এই বার্তা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে তিনি ইসরাইলের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করেছেন।
ব্রিটিশ সরকার আগামী কিছু সপ্তাহের মধ্যে ‘ব্যাপক কিছু পদক্ষেপ’ ঘোষণা করবে। এর মধ্যে ‘অবৈধ বসতি সম্প্রসারণে’ জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টিও রয়েছে।
মিলিব্যান্ড বলেন, ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ধ্বংসের বিষয়টি ব্রিটেন নীরবে মেনে নেবে না।’
জেরুজালেমের ঠিক পূর্বে প্রায় ১২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ই১ এলাকায় গত বছরের আগস্টে প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্পের আওতায় সংবেদনশীল ওই এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৪০০ বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। উল্লেখ্য, এলাকাটি জেরুজালেম ও ইসরাইলি বসতি মালে আদুমিমের মাঝে অবস্থিত।
ইসরাইলি বেসরকারি সংস্থা পিস নাও জানিয়েছে, সর্বশেষ দরপত্রে ১ হাজার ২০০টির বেশি আবাসন ইউনিট রয়েছে। পিস নাও জানায়, ইসরাইলের আবাসন মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট দরপত্র প্রকাশ করে এবং সঙ্গে সঙ্গে এতে দরপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়।
দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ১৯ অক্টোবর নির্ধারিত হয়েছে। এটা ইসরাইলে নির্ধারিত নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে হবে এবং আগামী ২৭ অক্টোবর দেশটিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংস্থাটি বলেছে, এসব বাড়ি ই১ প্রকল্পের পরিকল্পিত উন্নয়নের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। নির্বাচনের আগে সরকার নির্মাণকাজের প্রতিশ্রুতি এগিয়ে নিতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিদের চলাচলে ইসরাইল কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। পূর্ব জেরুজালেম বা ইসরাইলে প্রবেশের জন্য তাদের চেকপোস্ট পার হওয়ার অনুমতি নিতে হয়।
গত বছর ই১ প্রকল্প অনুমোদনের নিন্দা জানিয়েছিল যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ ২১টি দেশ। তারা এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে এবং ইসরাইলের কাছে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছিলেন।
পূর্ব জেরুজালেম বাদে পশ্চিম তীরে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করছেন। সেখানে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর সংখ্যা প্রায় ৫ লাখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ