ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

১১ বছরেও হুতিদের দমন সম্ভব হয়নি, এবার সৌদি আরবের কৌশল কী?


১১ বছরেও হুতিদের দমন সম্ভব হয়নি, এবার সৌদি আরবের কৌশল কী?

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সৌদি আরব নতুন করে কঠিন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে, যা সৌদি ভূখণ্ডে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলার পর সৃষ্টি হয়েছে। রিয়াদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। তবে হুতিদের বিরুদ্ধে স্থলযুদ্ধে জড়ানো, যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক সহায়তা চাওয়া অথবা আন্তর্জাতিক মিত্রদের সহযোগিতায় পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া—প্রতিটি পথেই রয়েছে বড় ধরনের ঝুঁকি। এখন প্রশ্ন, এই সংকট মোকাবেলায় সৌদি আরব কোন কৌশল বেছে নেবে?

গত সপ্তাহে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করতে হুতিদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি আরব। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্রোহীরা নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। উল্টো সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হামলা আরও জোরদার করেছে তারা। শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সেই উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতে ইরানের অনুসৃত কৌশল থেকে শিক্ষা নিয়ে হুতিরা সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে। তাদের লক্ষ্য শুধু সৌদি আরবকে সামরিকভাবে চাপে ফেলা নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপরও এর প্রভাব ছড়িয়ে দেওয়া।

আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধীর পদযাত্রা: ভারতের গণবিক্ষোভে যুবদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে হুতিদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে। গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে রিয়াদের এক দশকব্যাপী যুদ্ধ ইয়েমেনে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। তবে সাম্প্রতিক হামলাকে অনেকেই এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাতের সম্প্রসারিত অংশ হিসেবে দেখছেন।

স্থলযুদ্ধে জড়ানোর ঝুঁকি

গত ১১ বছর ধরে সামরিক অভিযান ও আলোচনার মাধ্যমে হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকানোর চেষ্টা করেছে সৌদি আরব। কিন্তু তাতে বিদ্রোহীদের শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। বরং তারা ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সুসংহত করেছে এবং ঘনবসতিপূর্ণ তাইজের মতো এলাকাও দখলের চেষ্টা করছে।

সৌদি রাজনীতিবিষয়ক লেখক ও বিশ্লেষক আলী শিহাবি মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, “এই হুমকির স্থায়ী সমাধান করতে হবে।” তার মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, তার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করবে। সৌদি আরব আকাশপথে তাদের ব্যাপক সহায়তা দিচ্ছে।

আরও পড়ুন: দুর্গোৎসবের মর্মান্তিক ট্র্যাজেডিতে শুভেন্দুর চরম অব্যবস্থাপনা নগ্ন হয়ে পড়ল

এখন পর্যন্ত সৌদি আরব মূলত হুতিবিরোধী ইয়েমেনি জোটকে বিমান সহায়তা দিয়ে আসছে। দেশটি নিজস্ব বিপুলসংখ্যক সেনা সরাসরি স্থলযুদ্ধে পাঠানো থেকে বিরত রয়েছে। তবে রিয়াদে সর্বশেষ হামলার পর এই সংযম বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ইয়েমেনে বড় আকারে সৌদি সেনা মোতায়েন করলে দুর্গম ভূখণ্ডে দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল স্থলযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে দেশটি। একই সঙ্গে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের গড়ে তোলা স্থিতিশীল, বিনিয়োগবান্ধব রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক পর্যটনকেন্দ্রের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বাড়িয়েছে হুতিরা

প্রায় দুই দশক আগেও হুতিরা ছিল ছোট একটি ধর্মীয় পুনর্জাগরণবাদী আন্দোলন। ইরানের সমর্থনে সময়ের সঙ্গে তারা শক্তিশালী সশস্ত্র গোষ্ঠীতে পরিণত হয়েছে। এখন তাদের হাতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যেগুলো দিয়ে তেল আবিবের মতো দূরবর্তী লক্ষ্যেও হামলা চালানো সম্ভব।

আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় ইসলামিক স্টেটের স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৮ সেনা নিহত

বছরের পর বছর হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াই করা ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে বলেন, বিদ্রোহীরা তাদের যুদ্ধকৌশল উন্নত করেছে। তাদের হামলা আরও অত্যাধুনিক ও ধারাবাহিক হয়েছে, পাশাপাশি গোয়েন্দা সক্ষমতাও বেড়েছে।

ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মাজেদ আল-নাজিলির অভিযোগ, হুতিরা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করে ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা বাড়িয়েছে। তার দাবি, নতুন ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আরও দ্রুতগতির এবং তাপ শনাক্তকারী ব্যবস্থার সাহায্যে তাপের উৎস অনুসরণ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। শনিবার রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত নয়।

হুতিদের অস্ত্র উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রোপিক জানিয়েছে, উত্তর ইয়েমেনে অবস্থিত একটি গোষ্ঠী তাদের ক্লড এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্রের দিকনির্দেশনা সফটওয়্যার তৈরিতে সহায়তা নিয়েছে। এসব সফটওয়্যার উড্ডয়নের সময় অস্ত্রের গতিপথ নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীল রাখতে ব্যবহৃত হয়। প্রতিবেদনটিতে সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে এলাকাটি হুতিদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তাদের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।

আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইছে রিয়াদ

আরও পড়ুন: আঞ্চলিক সংকট সমাধানে পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের আলোচনা

হুতিদের মোকাবেলায় সৌদি আরব বিভিন্ন দেশের সমর্থন চেয়েছে। ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তান সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তুরস্কের মতো অন্য মিত্ররাও সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান সিরিয়ার সহায়তাও চেয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রায় এক দশকের গৃহযুদ্ধের পর দেশটি থেকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়।

তবে সৌদি আরবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হুতিদের বিরুদ্ধে বিমান হামলায় অংশ নেয়নি। এর পরিবর্তে নতুন গঠিত যৌথ কমান্ডের অধীনে গোয়েন্দা সহায়তা দিতে ১০০ জনের বেশি সামরিক উপদেষ্টা পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।

গত বছর ইরান-সমর্থিত হুতিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালি মার্কিন জাহাজ চলাচলের জন্য আবার খুলে দেওয়া হয়। গত মাসে সৌদি যুবরাজ দু’বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে হুতিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে সে সময় সিএনএনকে জানিয়েছিল কয়েকটি সূত্র। তবে ট্রাম্প তাতে সম্মত হননি।

আরও পড়ুন: জাপান-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া ‘কিন সোর্ড ২৭’ নতুন নজির গড়তে যাচ্ছে

আলী শিহাবির মতে, মার্কিন বিমানবাহিনী সরাসরি অংশ নিলে সৌদি আরবের সুবিধা হতো। কারণ, মার্কিন বিমান দ্রুত স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাতে পারে। সৌদি বিমানবাহিনীকে সেই প্রক্রিয়ায় একটি অতিরিক্ত ধাপ অতিক্রম করতে হয়।

মার্কিন নাগরিক নিহত, ট্রাম্পের ইঙ্গিত

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনলেও সৌদি আরব এখনো ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশাল মরুভূমিজুড়ে বিস্তৃত দেশটির জ্বালানি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হুতিদের একমুখী ড্রোনের সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে।

সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ রবিবার জানিয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন মার্কিন নাগরিকও রয়েছেন। এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনকে সংঘাতে আরও সরাসরি যুক্ত হওয়ার চাপের মুখে ফেলতে পারে।

আরও পড়ুন: ভূমধ্যসাগরের উষ্ণতায় কচ্ছপের বংশবিস্তার ঝুঁকিতে, পুরুষ কচ্ছপের অভাবের শঙ্কা

হামলার পর সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, “সৌদিরা ভালো যোদ্ধা। তবে আমার মনে হয়, হামলাটি ছিল ভয়াবহ।”

যুক্তরাষ্ট্র হুতিদের বিরুদ্ধে হামলায় যোগ দেবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা যোগ দিতে পারি।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্যে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে সৌদি আরবের সামনে এখনও বড় প্রশ্ন- দীর্ঘস্থায়ী স্থলযুদ্ধের ঝুঁকি নেবে, নাকি আন্তর্জাতিক সহায়তার ওপর নির্ভর করে হুতিদের মোকাবেলা করবে। সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ এতিমের দায়িত্ব নিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৯ এম


১০ এতিমের দায়িত্ব নিলেন মালয়েশিয়া প্রবাসী

মালয়েশিয়া প্রবাসী রাজিব সরকার জামালপুর সদরের নান্দিনায় ১০ জন এতিম শিশুর আজীবনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে এতিম ও অসহায়দের মধ্যে ইসলামিক কিতাব বিতরণ করা হয়েছে। রোববার রাতে নান্দিনার বাঁশহাটা এলাকায় রাজিব সরকারের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়া প্রবাসী রাজিব সরকার উল্লেখ করেন, "মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পেরে আমি আনন্দিত।" তিনি ১০ জন এতিমের আজীবন দায়িত্ব গ্রহণের কথা জানান। রাজিব সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সবকিছুর ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় তিনি সবার দোয়া কামনা করেন।

পরে এতিম ও অসহায়দের হাতে ইসলামিক কিতাব তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে দোয়া পরিচালনা করেন নান্দিনা বড় জামে মসজিদের খতিব হজরত মাওলানা মো. আবু ইউসুফ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদা, সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান, জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি ও নওয়াব হোসেন জুয়েলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সাংবাদিকরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কে তোপের মুখে ড. ইউনূস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


নিউইয়র্কে তোপের মুখে ড. ইউনূস

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের তোপের মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার (১২ অক্টোবর) কাতার এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে দোহা থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছান ড. ইউনূস। তিনি যখন আট নম্বর টার্মিনালে পৌঁছান, তখন সেখানে উপস্থিত কয়েকজন প্রবাসী তাকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করতে থাকেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, হুইলচেয়ারে করে বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় উপস্থিত প্রবাসীরা তাকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘ইউ আর টেররিস্ট’, ‘ইউ কিল্ড বাংলাদেশিজ’, ‘গো ব্যাক’, ‘ইউ ডেস্ট্রয় ডেমোক্রেসি’, ‘ইউ কিল্ড থাউজেন্ডস অব পুলিশ’ সহ আরও নানা মন্তব্য করেন। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত তাকে সেখান থেকে নিয়ে যান।

এ সময় ড. ইউনূস এবং তার সঙ্গে থাকা লামিয়া মোর্শেদ দ্রুত বিমানবন্দরের ভেতরে চলে যান বলে জানিয়েছেন উপস্থিত একাধিক ব্যক্তি।

তবে এই ঘটনার প্রবাসীদের পরিচয় এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জয়পুরহাটে কলেজছাত্র নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে জয়পুরহাটে কলেজছাত্র নিহত

জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর ফলে জিহাদ হাসান জয় (২২) নামের এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনাটি সোমবার বিকাল ৫টার দিকে জয়পুরহাট-বগুড়া মহাসড়কের রানুর চাতাল এলাকায় ওমর তেলের পাম্পের সামনে ঘটে।

জিহাদ বড়তারা ইউনিয়নের শিশি গ্রামের জাইদুল ইসলামের পুত্র ছিলেন। তিনি এই বছর এইচএসসি পাস করে অনার্সে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে বগুড়ায় যাওয়ার পথে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৩ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ এম


১৩ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা

 

প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলি সময়ের সাথে সাথে ইতিহাসের অংশ হয়ে ওঠে। ভালো-মন্দ, সাফল্য-ব্যর্থতা, প্রথম অর্জন কিংবা মানবসভ্যতার অভিশাপ-আশীর্বাদ-সবকিছুরই সাক্ষী ইতিহাস। ইতিহাস আমাদের নতুন দিগন্তের দিকে পরিচালিত করে।

আজ ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার), ২০২৬। বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য ঘটনার দিক থেকে ইতিহাসে এই দিনটিও গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয়। আসুন, একনজরে জানি ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনদের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

৫৩৯ খ্রিষ্টপূর্ব - ইরানের হাখামানেশিয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সাইরাস ঐতিহাসিক বাবেল শহর দখল করেন।

৫৪ - রোমান সম্রাট ক্লডিয়াস রহস্যজনকভাবে বিষক্রিয়ায় মারা যান, এবং তার দত্তক পুত্র নিরো তার স্থলাভিষিক্ত হন।

৪০৯ - ভ্যান্ডাল ও অ্যালানরা পিরেনিজ পর্বত অতিক্রম করে হিসপানিয়ায় প্রবেশ করে।

৬৩৫ - খালিদ বিন ওয়ালিদ সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক জয় করেন।

১২৬৯ - ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবির বর্তমান ভবনটি পবিত্র করা হয়।

১৩০৭ - ফ্রান্সে রাজা চতুর্থ ফিলিপ শয়ে শয়ে নাইটস টেম্পলারকে গ্রেফতার করেন।

১৩৩২ - রিঞ্চিনবাল খান মঙ্গোলদের খাগান এবং ইউয়ান রাজবংশের সম্রাট হন, মাত্র ৫৩ দিন রাজত্ব করেন।

১৩৯৯ - ওয়েস্টমিনস্টার অ্যাবিতে ইংল্যান্ডের রাজা চতুর্থ হেনরির অভিষেক হয়।

১৫৫৬ - মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের সূচনা হয়।

১৬৪৪ - একটি সুইডিশ-ওলন্দাজ নৌবহর ফেহমার্নে ডেনীয় নৌবহরকে পরাজিত করে এবং প্রায় ১,০০০ বন্দিকে আটক করে।

১৭১০ - ফরাসি আকাদিয়ার রাজধানী পোর্ট রয়্যাল ব্রিটিশ বাহিনীর অবরোধে পতিত হয়।

১৭৭০ - তামার পয়সার বদলে ‘আনি’র প্রচলন শুরু হয়।

১৭৭৫ - মহাদেশীয় কংগ্রেস মহাদেশীয় নৌবাহিনী প্রতিষ্ঠা করে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর পূর্বসূরি।

১৭৯২ - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।

১৭৯৩ - ফরাসি বিপ্লবী যুদ্ধ: উইসেমবুর্গের প্রথম যুদ্ধে অস্ট্রীয়-প্রুশিয়া বাহিনী ফরাসি প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে জয়লাভ করে।

১৮১২ - কুইন্সটন হাইডমের যুদ্ধ শুরু হয়।

১৮১৫ - সিসিলির রাজা জোয়াকিম মুরার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

১৮২১ - মেক্সিকান সাম্রাজ্যের স্বাধীনতার ঘোষণা প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়।

১৮৪৩ - নিউ ইয়র্ক শহরে বিশ্বের প্রাচীনতম ইহুদি সেবা সংস্থা ব'নাই ব'রিথ প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৮১ - এলিয়েজার বেন-ইয়েহুদা ও তার বন্ধুদের দ্বারা আধুনিক হিব্রু ভাষায় প্রথম কথোপকথন অনুষ্ঠিত হয়।

১৮৮৪ - ওয়াশিংটন সম্মেলনে গ্রিনিচকে সার্বজনীন মূল মধ্যরেখা হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

১৮৮৫ - আটলান্টায় জর্জিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৮৯২ - এডওয়ার্ড এমারসন বার্নার্ড প্রথম ফটোগ্রাফির মাধ্যমে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন।

১৯০৩ - বোস্টন রেড সক্স অষ্টম খেলায় পিটসবার্গ পাইরেটসকে পরাজিত করে প্রথম আধুনিক বিশ্ব সিরিজ জয় করে।

১৯০৮ - মার্গারেট ট্রাভার্স সাইমন্স যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রবেশ করে বক্তব্য দেন এবং প্রথম নারী হিসেবে সেখানে কথা বলেন।

১৯১১ - কনটের ডিউক প্রিন্স আর্থার রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে প্রথম কানাডার গভর্নর জেনারেল হন।

১৯১৫ - প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: হোহেনজোলার্ন রেডাউটের যুদ্ধ লুসের যুদ্ধের সমাপ্তি চিহ্নিত করে।

১৯১৭ - পর্তুগালের কোভা দা ইরিয়াতে আনুমানিক ৭০,০০০ মানুষ "সূর্যের অলৌকিক ঘটনা" প্রত্যক্ষ করেন।

১৯২১ - তুরস্ক এবং দক্ষিণ ককেশাস রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সীমান্ত আনুষ্ঠানিক করতে সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলো কার্স চুক্তি সই করে।

১৯২৩ - আঙ্কারাকে তুরস্কের নতুন রাজধানী ঘোষণা করা হয়।

১৯৩৭ - চীনের জাতীয় বিপ্লবী বাহিনীর নতুন চতুর্থ আর্মি প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৪৩ - ইতালি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে সোভিয়েত রিগা আক্রমণে শহরটি দখল করে।

১৯৪৪ - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে যুগোশ্লাভিয়ার বিখ্যাত নেতা মার্শাল টিটো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সেনাবাহিনীর সহায়তায় জার্মানীর দখলে থাকা যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড মুক্ত করতে সক্ষম হন।

১৯৪৬ - ফ্রান্স চতুর্থ ফরাসি প্রজাতন্ত্রের সংবিধান গ্রহণ করে।

১৯৪৬ - মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও লর্ড ওয়াভেল এর ফলপ্রসূ আলোচনার পর নিখিল ভারত মুসলমান লীগ ওয়ার্কিং কমিটি কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থমন্ত্রীর পদে যোগদানের প্রস্তাব গ্রহণ করেন।

১৯৬২ - প্রশান্ত মহাসাগরীয় উত্তর-পশ্চিমে ক্যাটাগরি ৩ হারিকেনের সমতুল্য কলম্বাস দিবসের ঝড় আঘাত হানে, ৪৬ জন নিহত হন।

১৯৬২ - যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে পানামা খাল অঞ্চলে নতুন পানামা খালের সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার জন্যে একটি উদযাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

১৯৬৬ - শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ছয় দফা আন্দোলন চলাকালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান অস্ত্র প্রয়োগের ভয় দেখালে তিনি এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান।

১৯৭২ - মস্কোর বাইরে এরোফ্লট ফ্লাইট ২১৭ বিধ্বস্ত হয়, ১৭৪ জন নিহত হন।

১৯৭২ - উরুগুয়ের বিমান বাহিনীর ফ্লাইট ৫৭১ আন্দিজ পর্বতমালায় বিধ্বস্ত হয়।

১৯৭২ - জাপানের ওকিনাওয়া প্রশাসনিক অঞ্চলের পতাকা আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।

১৯৭৬ - রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রে ড. এফ. এ. মারফি প্রথম ইবোলা ভাইরাসের ইলেকট্রন মাইক্রোগ্রাফ তোলেন।

১৯৭৬ - বলিভিয়ার সান্তা ক্রুজ দে লা সিয়েরার এল ট্রমপিলো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর লয়েড এরিও বলিভিয়ানোর একটি বোয়িং ৭০৭ বিধ্বস্ত হয়, ৯১ জন নিহত হন।

১৯৭৭ - পপুলার ফ্রন্ট ফর দ্য লিবারেশন অব প্যালেস্টাইন কর্তৃক লুফথানসা ফ্লাইট ১৮১ ছিনতাই করা হয়।

১৯৮৩ - অ্যামেরিটেক মোবাইল কমিউনিকেশনস শিকাগোতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করে।

১৯৮৯ - আধুনিক বিশ্বের বৃহত্তম ব্রোঞ্জ বৌদ্ধ মূর্তি - ২৬.৪ মিটার উঁচু থিয়েনথান বৌদ্ধমূর্তির নির্মাণকাজ হংকংয়ের তায়ুএ পাহাড়ে সমাপ্ত হয়।

১৯৯০ - সিরীয় বাহিনী লেবাননের মুক্ত অঞ্চলে আক্রমণ করে রাষ্ট্রপতি প্রাসাদ থেকে জেনারেল মিশেল আউনকে অপসারণ করে।

১৯৯০ - ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও তাত্ত্বিক লে দাক থো মৃত্যুবরণ করেন।

১৯৯১ - বাংলার প্রাচীন প্রেক্ষাগৃহ স্টার থিয়েটার আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়।

১৯৯৩ - পাপুয়া নিউ গিনির পূর্বাঞ্চলে ফিনিস্টেরে পর্বতমালায় ধারাবাহিক ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৬০ জন নিহত হন এবং ব্যাপক ভূমিধস ঘটে।

১৯৯৪ - মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র প্রমাণ করে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সারাদেশে কমপক্ষে কয়েক হাজার লোক যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যক্তিগত আইসক্রিম কোম্পানির উৎপাদিত আইসক্রিম খাওয়ার ফলে বিষক্রিয়ার ঘটনা ঘটে, কিন্তু কেউ মারা যায় নি।

১৯৯৭ - পাঁচ দিনের সফরে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জেমস উলফেনসন ঢাকা আগমন করেন।

১৯৯৯ - ভারতে ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ী প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

২০০১ - ভারতীয় সংসদ ভবনে আতঙ্কবাদী হামলা - সব আতঙ্কবাদী সমেত মোট ১৫ জনের মৃত্যু।

২০০২ - বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেত্রী ইলা মিত্র মৃত্যুবরণ করেন।

২০০৪ - ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সিটি কার্ডিয়াক সেন্টারের যাত্রা শুরু হয়।

২০০৬ - শান্তিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের নোবেল পুরস্কার লাভ।

২০১০ - চিলির কোপিয়াপো খনি দুর্ঘটনার সমাপ্তি ঘটে, ৬৯ দিন ভূগর্ভে আটকে থাকার পর ৩৩ জন খনি শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়।

২০১৩ - ভারতের মধ্যপ্রদেশে নবরাত্রি উৎসব চলাকালে পদদলিত হয়ে ১১৫ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।

২০১৬ - মালদ্বীপ কমনওয়েলথ অব নেশনস থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।

২০১৯ - কেনীয় দৌড়বিদ ব্রিজিড কোসগেই শিকাগো ম্যারাথনে ২:১৪:০৪ সময় নিয়ে নারীদের বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করেন।

২০২০ - বাংলাদেশে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করে "নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।

২০২১ - বাংলাদেশে দুর্গাপূজার অষ্টমীর দিন কুমিল্লা শহরের নানুয়ারদীঘি এলাকার একটি পূজামণ্ডপ থেকে কোরআন পাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন জেলায় ধর্মান্ধ গোষ্ঠী কর্তৃক পূজা মণ্ডপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনার সূত্রপাত হয়।

জন্ম

১৮২১ - রুডল্ফ ফিরখো, জার্মান চিকিৎসক, নৃবিজ্ঞানী, রোগবিজ্ঞানী, জীববিজ্ঞানী, লেখক, সম্পাদক ও রাজনীতিক।

১৮৬২ - পর্যটক ও লেখক মেরি কিংসলে।

১৮৯০ - কনরাড রিক্টার, মার্কিন ঔপন্যাসিক।

১৯১১ - অশোক কুমার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা।

১৯১২ - কর্নেল ওয়াইল্ড, হাঙ্গেরীয়-মার্কিন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র পরিচালক।

১৯২৫ - লেনি ব্রুস, মার্কিন স্ট্যান্ড-আপ কৌতুকাভিনেতা, সামাজিক সমালোচক ও বিদ্রুপাত্মক রচয়িতা।

১৯২৫ - মার্গারেট থ্যাচার, যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

১৯৩১ - রেমোঁ কোপা, ফরাসি ফুটবলার।

১৯৩৮ - হুগো ইয়াং, ইংরেজ সাংবাদিক ও লেখক।

১৯৩৯ - মেলিন্ডা ডিলন, মার্কিন অভিনেত্রী।

১৯৪১ - পল সাইমন, আমেরিকান সংগীতজ্ঞ, গায়ক ও গীতিকার।

১৯৪৮ - নুসরাত ফতেহ আলি খান, পাকিস্তানি কাওয়ালি সংগীত শিল্পী।

১৯৬২ - কেলি প্রেস্টন, আমেরিকান অভিনেত্রী।

১৯৭১ - সাশা ব্যারন কোহেন, ব্রিটিশ অভিনেতা, কৌতুকাভিনেতা এবং চিত্রনাট্যকার।

১৯৭৯ - ওয়েস ব্রাউন, ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড়।

১৯৮০ - সোনালি চৌধুরী, বাঙালি ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৮২ - ইয়ান থর্প, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় সাঁতারু।

১৯৯০ - পূজা হেগড়ে, ভারতীয় অভিনেত্রী।

১৯৯২ - রিয়া শর্মা, ভারতীয় সমাজকর্মী ও ইউনিসেফ গ্লোবাল গোলস পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম ভারতীয়।

১৯৯৩ - টিফানি ট্রাম্প, ক্যালিফোর্নিয়ার নারী মডেল ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা।

১৯৯৪ - লিটন দাস, বাংলাদেশি ক্রিকেটার।

১৯৯৫ - অহনা কৃষ্ণা, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং সংগীত শিল্পী।

১৯৯৫ - পার্ক জিমিন, দক্ষিণ কোরীয় গায়ক, সংগীত-রচয়িতা এবং নৃত্যশিল্পী।

২০০১ - কেলেব ম্যাকলখলিন, মার্কিন অভিনেতা।

মৃত্যু

৫৪ - ক্লডিয়াস, ছিলেন ৪১ থেকে ৫৪ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রোমান সম্রাট।

১২৮২ - নিচিরেন, একজন জাপানি বৌদ্ধ পণ্ডিত।

১৮২২ - আন্তেনিও কানোভা, ইতালীয় ভাস্কর।

১৮৮২ - জোযেফ আর্থার গোবিনো, ফরাসি দার্শনিক ও লেখক।

১৯০৯ - ফ্রান্সিসকো ফেরার ই গার্দিয়া, একজন স্প্যানিশ মুক্ত চিন্তাবিদ এবং নৈরাজ্যবাদী।

১৯১১ - ভগিনী নিবেদিতা, (আসল নাম মার্গারেট এলিজাবেথ নোবেল), অ্যাংলো-আইরিশ বংশোদ্ভূত ভারতহিতৈষী সমাজকর্মী, লেখিকা, শিক্ষিকা এবং স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা।

১৯১৯ - কার্ল অ্যাডলফ গেজেলরুপ, ছিলেন একজন ডেনিশ কবি, ঔপন্যাসিক এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৬৪ - প্রেমাঙ্কুর আতর্থী, কথাশিল্পী, সাংবাদিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা।

১৯৬৪ - গোলাম মোস্তফা, বাঙালি কবি।

১৯৬৬ - ক্লিফটন ওয়েব, ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা, নৃত্যশিল্পী, ও গায়ক।

১৯৭১ - আবদুল মোনেম খান, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর।

১৯৮৩ - অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা, নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক।

১৯৮৭ - কিশোর কুমার, ভারতীয় বাঙালি অভিনেতা ও গায়ক।

১৯৮৭ - অমলেন্দু বিশ্বাস, বাংলাদেশি যাত্রা অভিনেতা ও পরিচালক।

১৯৮৭ - ওয়াল্টার হাউজার ব্র্যাটেইন, একজন মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।

১৯৯০ - লি ডাক থো, ভিয়েতনামের বিপ্লবী, জেনারেল, কূটনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

২০০২ - ইলা মিত্র, বাঙালি মহীয়সী নারী, তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী।

২০০৩ - বারট্রাম ব্রকহাউস, একজন কানাডীয় পদার্থবিজ্ঞানী।

২০০৪ - বার্নিস রুবেনস, ছিলেন একজন ওয়েল্‌স বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখিকা।

২০০৪ - নিরূপা রায়, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী।

২০০৬ - প্রতিভা বসু, ভারতীয় বাঙালি ঔপন্যাসিক, ছোটোগল্পকার ও প্রাবন্ধিক।

২০০৭ - ওবায়েদ উল হক, একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি সাংবাদিক।

২০১৩ - চিত্তরঞ্জন মাইতি, ছিলেন একজন জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।

২০১৬ - ভূমিবল অতুল্যতেজ, থাইল্যান্ডের রাজা।

২০১৬ - দারিও ফো, ইতালির নোবেলজয়ী নাট্যকার।

২০২০ - রশীদ হায়দার, একুশে পদক ও বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বিজয়ী বাংলাদেশি লেখক, কথাসাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষক, নজরুল ইনস্টিটিউটের সাবেক নির্বাহী পরিচালক।

২০২৩ - লুইজ গ্লিক, একজন মার্কিন কবি ও প্রাবন্ধিক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%